যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তাকে বাক্য বলে। প্রতিটি বাক্যের দুটি অংশ — উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ
বাক্য প্রকরণ — গঠন ও অর্থ অনুসারে বাক্যের শ্রেণিবিভাগ
বাক্যের সংজ্ঞা, উদ্দেশ্য-বিধেয়, সরল-জটিল-যৌগিক ভেদ এবং আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা।
সংজ্ঞা
যে সুবিন্যস্ত পদসমষ্টি দ্বারা মনের ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ পায়, তাকে বাক্য বলে। প্রতিটি বাক্যের দুটি অংশ — উদ্দেশ্য ও বিধেয়।
বিস্তারিত আলোচনা
উদ্দেশ্য হলো বাক্যে যার সম্পর্কে কিছু বলা হয়, আর বিধেয় হলো তার সম্পর্কে যা বলা হয়। "পরিশ্রমী ছাত্রটি ভালো ফল করেছে" বাক্যে "পরিশ্রমী ছাত্রটি" উদ্দেশ্য এবং "ভালো ফল করেছে" বিধেয়। উদ্দেশ্যের সঙ্গে যুক্ত বিশেষণকে বলে উদ্দেশ্যের সম্প্রসারক, আর বিধেয়ের সম্প্রসারকও একইভাবে থাকতে পারে।
গঠন অনুসারে বাক্য তিন প্রকার। সরল বাক্যে একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে — "সে বই পড়ে"। জটিল বা মিশ্র বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অধীন খণ্ডবাক্য থাকে — "যে ছেলেটি এসেছিল, সে আমার বন্ধু"। যৌগিক বাক্যে দুই বা তার বেশি স্বাধীন বাক্য অব্যয় দিয়ে যুক্ত থাকে — "সে এল এবং বসল"।
অর্থ অনুসারে বাক্য সাত প্রকার — বিবৃতিমূলক, প্রশ্নবোধক, অনুজ্ঞাসূচক, ইচ্ছাসূচক, আবেগসূচক, শর্তসূচক ও কার্যকারণাত্মক। একটি সার্থক বাক্যের তিনটি গুণ থাকা চাই — আকাঙ্ক্ষা (আরও জানার ইচ্ছা মেটানো), আসত্তি (পদগুলোর সঠিক পাশাপাশি অবস্থান) ও যোগ্যতা (অর্থের সংগতি)। এই তিনটির যেকোনো একটির অভাবে বাক্য অসার্থক হয়ে যায়।
মনে রাখার কথা
আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা — এই তিন গুণ না থাকলে পদসমষ্টি সার্থক বাক্য হয় না।
উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
তিনটি — আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা। আকাঙ্ক্ষা মানে আরও জানার ইচ্ছা না থাকা, আসত্তি মানে পদের সঠিক বিন্যাস, যোগ্যতা মানে অর্থের সংগতি।
তিন প্রকার — সরল বাক্য (একটি সমাপিকা ক্রিয়া), জটিল বা মিশ্র বাক্য (প্রধান ও অধীন খণ্ডবাক্য) এবং যৌগিক বাক্য (অব্যয়ে যুক্ত স্বাধীন বাক্য)।
আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো
বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকো
পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।






















