মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ

ইন্দো-ইউরোপীয় ধারা থেকে বাংলার জন্ম, দুই পণ্ডিতের মতপার্থক্য এবং চর্যাপদের পরিচয়।

সংজ্ঞা

ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর ইন্দো-আর্য শাখা থেকে প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধারা পেরিয়ে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে, প্রায় হাজার বছর আগে।

বিস্তারিত আলোচনা

ভাষাবিজ্ঞানীরা পৃথিবীর ভাষাগুলোকে কয়েকটি বড় গোষ্ঠীতে ভাগ করেছেন। বাংলা পড়ে ইন্দো-ইউরোপীয় গোষ্ঠীতে, তার ভেতর ইন্দো-ইরানীয় শাখায়, আর তার ভেতর ইন্দো-আর্য উপশাখায়। এই ধারাতেই সংস্কৃত, পালি, প্রাকৃত ও অপভ্রংশ পেরিয়ে আধুনিক ভারতীয় আর্য ভাষাগুলোর জন্ম — হিন্দি, মারাঠি, গুজরাটি, ওড়িয়া, অসমিয়া ও বাংলা।

বাংলার সরাসরি পূর্বপুরুষ কোনটি, তা নিয়ে দুটি মত আছে। ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে বাংলা এসেছে মাগধী প্রাকৃত থেকে জাত পূর্ব মাগধী অপভ্রংশ হয়ে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলার উৎস গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে জাত গৌড়ীয় অপভ্রংশ। দুই মতেই প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধাপ দুটি অভিন্ন, পার্থক্য কেবল কোন আঞ্চলিক ধারাটি সরাসরি পূর্বপুরুষ তা নিয়ে।

বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন চর্যাপদ, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের রচিত গানের সংকলন। বিশ শতকের গোড়ায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুঁথি আবিষ্কার করেন এবং পরে তা গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন। চর্যাপদের ভাষাকে বলা হয় সন্ধ্যা ভাষা বা আলো-আঁধারি ভাষা, কারণ এর অর্থ দুই স্তরে বোঝা যায়।

মনে রাখার কথা

দুই পণ্ডিতের মতপার্থক্য কেবল শেষ ধাপটি নিয়ে — প্রাকৃত ও অপভ্রংশের ধারা দুই মতেই এক।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।