মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

কর্মকারক — মুখ্য, গৌণ ও সমধাতুজ কর্ম

কর্মকারকের সংজ্ঞা, মুখ্য ও গৌণ কর্মের পার্থক্য এবং সমধাতুজ কর্মের উদাহরণ।

সংজ্ঞা

কর্তা যা করে বা যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে কর্ম বলে এবং ক্রিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ককে কর্মকারক বলে।

বিস্তারিত আলোচনা

ক্রিয়াপদকে "কী" বা "কাকে" প্রশ্ন করলে যে উত্তর মেলে, সেটিই কর্মকারক। "সে ভাত খায়" বাক্যে "কী খায়" প্রশ্নের উত্তর "ভাত", তাই "ভাত" কর্মকারক। কর্মকারকে শূন্য বিভক্তি ছাড়াও "কে" ও "রে" বিভক্তি বসে — "ছেলেটিকে ডাকো" বাক্যের মতো।

কর্ম দুই ধরনের হতে পারে। প্রাণিবাচক কর্মে সাধারণত "কে" বিভক্তি বসে, আর অপ্রাণিবাচক কর্মে শূন্য বিভক্তি থাকে। "শিক্ষক ছাত্রকে বই দিলেন" বাক্যে দুটি কর্ম — "ছাত্রকে" গৌণ কর্ম, কারণ সে কর্মটি গ্রহণ করছে, আর "বই" মুখ্য কর্ম, কারণ ক্রিয়াটি সরাসরি তার ওপর ঘটছে।

কখনো একই ধাতু থেকে গঠিত পদ কর্ম হিসেবে বসে, একে বলে সমধাতুজ কর্ম — "সে খেলা খেলছে", "আমি ঘুম ঘুমাচ্ছি"। সতর্ক থাকতে হবে যে অকর্মক ক্রিয়ার কোনো কর্ম থাকে না, তাই সেখানে কর্মকারক খোঁজা অর্থহীন — "শিশুটি ঘুমায়" বাক্যে কোনো কর্ম নেই।

মনে রাখার কথা

অকর্মক ক্রিয়ার বাক্যে কর্মকারক খুঁজতে যেয়ো না — সেখানে কর্ম বলে কিছু থাকেই না।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।