মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বাংলা · বাংলা ব্যাকরণ

তৎপুরুষ সমাস — বিভক্তি অনুসারে প্রকারভেদ

দ্বিতীয়া থেকে সপ্তমী তৎপুরুষ, নঞ ও উপপদ তৎপুরুষ — নিয়ম ও উদাহরণসহ।

সংজ্ঞা

যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে। কোন বিভক্তি লোপ পেয়েছে, তার ভিত্তিতেই তৎপুরুষের নামকরণ হয়।

বিস্তারিত আলোচনা

তৎপুরুষ সমাস চেনার উপায় হলো ব্যাসবাক্যে পূর্বপদের সঙ্গে বিভক্তি বসছে কি না দেখা। "বিপদকে আপন্ন = বিপদাপন্ন" — এখানে দ্বিতীয়া বিভক্তি "কে" লোপ পেয়েছে, তাই এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ। একইভাবে "মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা" তৃতীয়া তৎপুরুষ, "গুরুকে ভক্তি = গুরুভক্তি" চতুর্থী তৎপুরুষ।

পঞ্চমী তৎপুরুষে "থেকে" বা "হতে" লোপ পায় — বিদ্যালয় থেকে আগত = বিদ্যালয়াগত, ঋণ থেকে মুক্ত = ঋণমুক্ত। ষষ্ঠী তৎপুরুষে "র" বা "এর" লোপ পায় — রাজার পুত্র = রাজপুত্র, চায়ের বাগান = চাবাগান। আর সপ্তমী তৎপুরুষে "এ", "য়" বা "তে" লোপ পায় — গাছে পাকা = গাছপাকা, দিবায় নিদ্রা = দিবানিদ্রা।

কয়েকটি বিশেষ তৎপুরুষও আছে। নঞ তৎপুরুষে না-বাচক অব্যয় পূর্বপদ হয় — ন আচার = অনাচার, ন কাল = অকাল। উপপদ তৎপুরুষে কৃদন্ত পদ পরপদ হয় — কুম্ভ করে যে = কুম্ভকার, জল দেয় যে = জলদ। আর অলুক তৎপুরুষে বিভক্তি লোপ পায় না — যেমন গায়ে হলুদ, তেলে ভাজা।

মনে রাখার কথা

কোন বিভক্তি লোপ পেয়েছে সেটি ধরতে পারলেই তৎপুরুষের নাম আপনা থেকেই বেরিয়ে আসে।

উপযোগী শ্রেণি: নবম, দশম, একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

আরও বাংলা ব্যাকরণ পড়ো

বাংলা ব্যাকরণ-এর পূর্ণ তালিকা ও বাংলা লেখার অন্যান্য অংশ এক জায়গায়।

আমাদের সাথে যুক্ত থাকো

পড়াশোনার আপডেট, সাজেশন ও প্রশ্নোত্তর সবার আগে পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ ও গ্রুপে যুক্ত হও।