মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা: বার-চার্ট টেনে সূত্র বুঝে নাও

যে সংখ্যাগুলো একটির পর একটি একটা নিয়ম মেনে সাজানো থাকে তাকে অনুক্রম বলে, আর তাদের যোগফলকে বলে ধারা। প্রতিটি পদ আগেরটির চেয়ে একই পরিমাণ বেশি হলে সমান্তর ধারা (AP), আর প্রতিটি পদ আগেরটির একই গুণ হলে গুণোত্তর ধারা (GP)। এখানে সহজ উদাহরণ: a = ২, d = ৩ হলে ধারাটি ২, ৫, ৮, ১১, ১৪, ১৭।

প্রতিটি পদ আগেরটির চেয়ে d বেশি: রেখা সরলরৈখিক হারে বাড়ে বা কমে

পদ, Tᵢআংশিক যোগফল, Sᵢ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

ধারার ধরন

২
৩
৬

পরিমাপ

n-তম পদ, Tₙ
১৭.০
প্রথম + শেষ পদ, a + l
১৯.০
প্রথম n পদের যোগফল, Sₙ
৫৭.০

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. প্রথমে সমান্তর (AP) মোডে থেকে প্রথম পদ a আর সাধারণ অন্তর d স্লাইড করো, দেখো বারগুলো একটা সরলরৈখিক হারে বাড়ে বা কমে।
  2. “গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল দেখাও” টিক দাও: প্রতিটি বার একটা উল্টো বার দিয়ে ঢাকা পড়ে, শেষে সবগুলো বারের উঁচুতা সমান হয়ে একটা আয়তক্ষেত্র তৈরি হয়।
  3. ডান পাশের আংশিক-যোগফল রেখাটা দেখো: AP-তে এটা একটা বাঁকা পরাবৃত্তের মতো বাড়ে, কখনো থামে না।
  4. এখন গুণোত্তর (GP) মোডে যাও, সাধারণ অনুপাত r স্লাইড করে ০.৫-এর কাছে নিয়ে আসো: ডানের রেখাটা একটা স্থির রেখার (S∞) দিকে থেমে যাচ্ছে দেখতে পাবে।
  5. r-এর মান ১-এর বেশি বা −১-এর কম করে দেখো: বারগুলো বিস্ফোরণের মতো বাড়ে আর যোগফলের রেখা কখনো থামে না, “অভিসারী/অপসারী” রিডআউট বদলে যায়।

টাকা জমানো আর গুজবের বিস্তার: ধারা কোথায় লুকিয়ে

ধরো তুমি প্রতি সপ্তাহে টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে জমাচ্ছ। প্রথম সপ্তাহে ২ টাকা, তারপর প্রতি সপ্তাহে ৩ টাকা করে বেশি জমাও: দ্বিতীয় সপ্তাহে ৫, তৃতীয় সপ্তাহে ৮, এভাবে। এই সংখ্যাগুলো ২, ৫, ৮, ১১, ১৪, ১৭ — একটা সমান্তর ধারা, কারণ পরের পদ থেকে আগের পদ বাদ দিলে সবসময় একই সংখ্যা (৩) পাওয়া যায়। ছয় সপ্তাহ পর তোমার হাতে মোট কত টাকা জমল, সেটাই এই পাতার প্রথম অঙ্ক।

এখন উল্টো একটা গল্প। একটা মজার গুজব প্রথম দিনে ২ জনকে বলা হলো। পরদিন তারা প্রত্যেকে আরও একজনকে বলল, তারপর তারা প্রত্যেকে আরও একজনকে — অর্থাৎ প্রতিদিন শ্রোতার সংখ্যা আগের দিনের সমান, তাই দ্বিগুণ হচ্ছে। এই সংখ্যাগুলো ২, ৪, ৮, ১৬, ৩২ — একটা গুণোত্তর ধারা, কারণ পরের পদকে আগের পদ দিয়ে ভাগ করলে সবসময় একই সংখ্যা (২) পাওয়া যায়। মাত্র কয়েক দিনেই শ্রোতার সংখ্যা লাখে গিয়ে ঠেকতে পারে, অথচ শুরুটা ছিল নিরীহ।

দুটো গল্পই একই প্রশ্নের উত্তর খোঁজে: প্রতিটি ধাপে কতটুকু বাড়ল, আর সব ধাপ মিলিয়ে মোট কতটুকু হলো? প্রথম প্রশ্নের উত্তর দেয় “n-তম পদ” সূত্র, দ্বিতীয়টার উত্তর দেয় “যোগফল” সূত্র। উপরের সিমুলেশনে দুটো মোডেই বার-চার্ট আর যোগফলের রেখা একসাথে বদলাতে দেখবে।

একদম শুরু থেকে: অনুক্রম আর ধারা কাকে বলে

একটা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সাজানো সংখ্যার তালিকাকে অনুক্রম (sequence) বলে; তালিকার প্রতিটি সংখ্যাকে বলে পদ (term)। প্রথম পদকে লেখা হয় a, আর n-তম পদকে Tₙ। অনুক্রমের পদগুলো যোগ করলে যা পাওয়া যায় তাকে বলে ধারা বা সিরিজ (series), এবং প্রথম n পদের যোগফলকে লেখা হয় Sₙ।

সমান্তর ধারায় (Arithmetic Progression, সংক্ষেপে AP) পরপর দুটো পদের বিয়োগফল সবসময় একই থাকে; এই ধ্রুব বিয়োগফলকে বলে সাধারণ অন্তর, প্রতীক d। অর্থাৎ Tₙ − Tₙ₋₁ = d সব n-এর জন্য। উপরের টাকা জমানোর উদাহরণে a = ২, d = ৩।

গুণোত্তর ধারায় (Geometric Progression, সংক্ষেপে GP) পরপর দুটো পদের ভাগফল সবসময় একই থাকে; এই ধ্রুব ভাগফলকে বলে সাধারণ অনুপাত, প্রতীক r। অর্থাৎ Tₙ ÷ Tₙ₋₁ = r সব n-এর জন্য। গুজবের উদাহরণে a = ২, r = ২।

দুটো ধারাই একই ছাঁচে গড়া: প্রতিটি পদ আগের পদ থেকে একটা নির্দিষ্ট নিয়মে বানানো, শুধু নিয়মটা AP-তে “যোগ করো” আর GP-তে “গুণ করো”। এই একটা পার্থক্যই বাকি সব পার্থক্যের কারণ, যেমন সরলরৈখিক বনাম দ্রুত বৃদ্ধি, আর যোগফল থামা বনাম না থামা।

গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো

সূত্রে যাওয়ার আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নিই। পরীক্ষার সংজ্ঞামূলক প্রশ্ন এখান থেকেই আসে।

শব্দপ্রতীকসহজ ভাষায় অর্থ
পদTₙ বা aₙঅনুক্রমের একটি সংখ্যা, তার স্থান n দিয়ে বোঝানো হয়
প্রথম পদa বা T₁অনুক্রমের সবচেয়ে প্রথম সংখ্যা
সাধারণ অন্তরdসমান্তর ধারায় পরপর দুই পদের ধ্রুব বিয়োগফল
সাধারণ অনুপাতrগুণোত্তর ধারায় পরপর দুই পদের ধ্রুব ভাগফল
পদসংখ্যাnকতগুলো পদ নেওয়া হয়েছে
শেষ পদl বা Tₙনির্দিষ্ট n-তম পদ, যেখানে গণনা থামছে
আংশিক যোগফলSₙপ্রথম n পদের যোগফল
অসীম ধারার যোগফলS∞পদসংখ্যা অসীম ধরে নিলে যোগফল যে সীমার কাছে পৌঁছায়

ছোট্ট গাউস আর দশ সেকেন্ডের অঙ্ক

জার্মান গণিতবিদ কার্ল ফ্রিডরিখ গাউসের (১৭৭৭–১৮৫৫) নিয়ে একটা প্রচলিত গল্প আছে। ছোটবেলায় শিক্ষক ক্লাসকে ব্যস্ত রাখতে বলেছিলেন ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সব সংখ্যা যোগ করতে। বাকি সবাই যখন এক এক করে যোগ করছিল, গাউস কয়েক সেকেন্ডেই উত্তর বলে দিলেন।

তার কৌশলটা ছিল সহজ কিন্তু চমৎকার: তিনি সংখ্যাগুলোকে জোড়ায় জোড়ায় সাজালেন, প্রথমটার সাথে শেষটা, দ্বিতীয়টার সাথে শেষের আগেরটা — ১ + ১০০ = ১০১, ২ + ৯৯ = ১০১, এভাবে। প্রতিটা জোড়ার যোগফল একই, ১০১, আর জোড়া আছে ৫০টা। তাই মোট যোগফল = ৫০ × ১০১ = ৫,০৫০।

এই একই কৌশল কাজ করে যেকোনো সমান্তর ধারায়, কারণ AP-র প্রথম আর শেষ পদের যোগফল, দ্বিতীয় আর শেষের আগের পদের যোগফল — সব জোড়ার যোগফলই সমান। উপরের সিমুলেশনে “গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল দেখাও” টিক দিলে ঠিক এই দৃশ্যটাই অ্যানিমেশনে দেখবে: প্রতিটা বার তার উল্টো-প্রান্তের বার দিয়ে ঢাকা পড়ে সমান উচ্চতায় দাঁড়ায়।

সমান্তর ধারার সূত্র: পদ আর যোগফল

সংজ্ঞা থেকেই সূত্র বেরিয়ে আসে। প্রথম পদ a-এর সাথে d কতবার যোগ হলো, সেটাই n-তম পদ ঠিক করে দেয়।

Tₙ = a + (n − 1)dn-তম পদ পেতে a-এর সাথে (n−1) বার d যোগ করো

Sₙ = n/2 × [2a + (n − 1)d]পদসংখ্যা × প্রথম-শেষের গড়

Sₙ = n/2 × (a + l)l = শেষ পদ = Tₙ হলে এই রূপও সমান কার্যকর

কেন Tₙ = a + (n − 1)d

প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যেতে d একবার যোগ হয় (T₂ = a + d)। তৃতীয় পদে যেতে আরেকবার (T₃ = a + 2d)। n-তম পদে পৌঁছাতে d যোগ হয় ঠিক (n − 1) বার, কারণ প্রথম পদ থেকে গোনা শুরু করলে মাঝে (n − 1)টা ধাপ থাকে।

কেন Sₙ = n/2 × (a + l): গাউসের রেক্টাঙ্গেল

ধারাটা একবার সোজা, একবার উল্টো লিখে দুটো যোগ করো। প্রথম বন্ধনীর i-তম পদ আর উল্টো বন্ধনীর i-তম পদ মিলে সব জায়গায় (a + l) দেয়, কারণ যতটা একদিকে এগোয় ঠিক তত অন্যদিকে পিছায়। মোট n জায়গায় (a + l) যোগ হয়, তাই 2Sₙ = n(a + l), অর্থাৎ Sₙ = n(a + l)/2।

উদাহরণে (a = ২, d = ৩, n = ৬): শেষ পদ l = Tₙ = ১৭। জোড়ার যোগফল a + l = ১৯, তাই Sₙ = ৬ × ১৯ ÷ ২ = ৫৭।

গুণোত্তর ধারার সূত্র: পদ, সসীম যোগফল আর অসীম যোগফল

এখানে ধাপ AP-র মতো নয়, প্রতিবার যোগ না করে গুণ করা হয়, তাই সূত্রও একটু আলাদা চেহারায় আসে।

Tₙ = a rⁿ⁻¹n-তম পদ পেতে a-কে (n−1) বার r দিয়ে গুণ করো

Sₙ = a(rⁿ − 1) / (r − 1)r ≠ 1 হলে; r = 1 হলে Sₙ = na

S∞ = a / (1 − r)শুধু |r| < 1 হলে সংজ্ঞায়িত

কেন Tₙ = a rⁿ⁻¹

প্রথম পদ থেকে দ্বিতীয় পদে যেতে r একবার গুণ হয় (T₂ = ar)। তৃতীয় পদে আরেকবার (T₃ = ar²)। n-তম পদে পৌঁছাতে r গুণ হয় ঠিক (n − 1) বার, একই যুক্তিতে যা AP-তে d-এর বেলায় খাটে।

কেন Sₙ = a(rⁿ − 1)/(r − 1): r গুণ করে বাদ দেওয়ার কৌশল

Sₙ = a + ar + ar² + … + arⁿ⁻¹ লেখো। এবার দুই পাশ r দিয়ে গুণ করো: rSₙ = ar + ar² + … + arⁿ। এখন rSₙ থেকে Sₙ বাদ দাও: মাঝের সব পদ কেটে যায়, শুধু থাকে rSₙ − Sₙ = arⁿ − a। বাম পাশে (r − 1)Sₙ, তাই Sₙ = a(rⁿ − 1)/(r − 1)।

উদাহরণে (a = ২, r = ০.৫, n = ৬): Sₙ = ২(০.৫⁶ − ১) ÷ (০.৫ − ১) = ৩.৯৩৭৫। খেয়াল করো, এটা ৪-এর খুব কাছে — এখানেই অসীম যোগফলের ইঙ্গিত।

অসীম পর্যন্ত নিলে কী হয়: S∞ = a/(1 − r)

|r| < 1 হলে r যত বড় হয় (n বাড়ে), rⁿ তত ছোট হয়ে শূন্যের কাছে চলে যায় — কারণ ১-এর চেয়ে ছোট একটা সংখ্যাকে বারবার নিজের সাথে গুণ করলে সে ছোট হতেই থাকে। তাই Sₙ = a(rⁿ − 1)/(r − 1)-এ rⁿ-এর জায়গায় শূন্য বসিয়ে দিলে পাই S∞ = a(0 − 1)/(r − 1) = −a/(r − 1) = a/(1 − r)।

উদাহরণে r = ০.৫ হওয়ায় |r| < ১, তাই S∞ = ২/(১ − ০.৫) = ৪। n = ৬ পর্যন্ত যোগফল ছিল ৩.৯৩৭৫, যা ৪-এর প্রায় গা ঘেঁষে আছে; n আরও বাড়ালে এটা ৪-এর আরও কাছে যাবে, কিন্তু কখনো ৪ ছাড়িয়ে যাবে না।

কিন্তু |r| ≥ ১ হলে rⁿ কখনো শূন্যের কাছে যায় না, বরং স্থির থাকে (r = ১) বা বেড়ে যায় (|r| > ১)। তখন Sₙ n বাড়ার সাথে সাথে সীমাহীনভাবে বাড়তে থাকে, কোনো সীমার কাছে থামে না। এই অবস্থাকে বলে অপসারী ধারা।

সমান্তর বনাম গুণোত্তর: পার্থক্য এক নজরে

দুটো ধারার আচরণ এত ভিন্ন যে একই সারণিতে পাশাপাশি রাখলে পার্থক্যটা স্পষ্ট হয়ে যায়।

বৈশিষ্ট্যসমান্তর ধারা (AP)গুণোত্তর ধারা (GP)
পরের পদ কীভাবে পাওয়া যায়আগের পদে d যোগ করেআগের পদকে r দিয়ে গুণ করে
বৃদ্ধির ধরনসরলরৈখিক (একই হারে বাড়ে/কমে)সূচকীয় (দ্রুত বাড়ে বা দ্রুত কমে)
n-তম পদTₙ = a + (n−1)dTₙ = a rⁿ⁻¹
যোগফল Sₙn/2 × (a+l)a(rⁿ−1)/(r−1)
n → অসীম হলে যোগফলসবসময় অসীম হয়ে যায়|r|<1 হলে a/(1−r)-এ থেমে যায়, না হলে অসীম হয়
বাস্তব উদাহরণসমান কিস্তিতে ঋণ শোধ, প্রতি সারিতে সমান বাড়তি চেয়ারব্যাংকের চক্রবৃদ্ধি সুদ, ভাইরাসের বিস্তার, তেজস্ক্রিয় ক্ষয়

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

প্রতিটি পরীক্ষার আগে অনুমান করো, তারপর সিমুলেশন চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।

  • AP মোডে d = ০ করে দেখো: সব পদ সমান হয়ে যায়, বার-চার্ট একটা সমতল রেখার মতো দেখায়, আর Sₙ = na হয়ে যায়।
  • AP মোডে d ঋণাত্মক করো (যেমন −৩): পদগুলো কমতে কমতে ঋণাত্মক হয়ে যায়, বার-চার্ট শূন্যের নিচে নামে।
  • গাউসের কৌশল টিক দিয়ে n জোড় আর বিজোড় দুই রকম করে দেখো: বিজোড় n হলে মাঝের বারটা একা নিজের সাথেই জোড় বাঁধে, কিন্তু উঁচুতা তখনও a+l-এর ঠিক অর্ধেক।
  • GP মোডে r = −০.৫ করো: পদগুলো পালাক্রমে ধনাত্মক-ঋণাত্মক হয়, তাও |r| < ১ বলে যোগফল একটা সীমায় থামে।
  • GP মোডে n আস্তে আস্তে বাড়াও: r = ২ হলে বার এত দ্রুত বাড়ে যে কয়েক পদেই স্কেল পাল্টে যায়, কিন্তু r = ০.৫ হলে বার দ্রুত ছোট হয়ে চোখে পড়াই কঠিন হয়ে যায়।

গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান

প্রতিটি সমাধানে প্রথমে জানা রাশি, তারপর সূত্র, তারপর মান বসানো — পরীক্ষায় এই ক্রম মেনে লিখলে পুরো নম্বর পাবে।

সমস্যা ১: সিমুলেশনের ডিফল্ট AP (a = ২, d = ৩, n = ৬)

Tₙ = a + (n−1)d = ২ + (৬−১) × ৩ = ২ + ৫ × ৩ = ১৭। Sₙ = n/2 × (a+l) = ৬/২ × (২+১৭) = ৩ × ১৯ = ৫৭। সিমুলেশন খুলেই এই মান দুটো রিডিং প্যানেলে দেখা যাবে।

সমস্যা ২: গাউসের কৌশলে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত যোগফল

এখানে a = ১, d = ১, n = ১০০। Sₙ = n/2 × (a+l) = ১০০/২ × (১+১০০) = ৫০ × ১০১ = ৫,০৫০। এটাই গাউসের সেই দশ সেকেন্ডের উত্তর।

সমস্যা ৩: নতুন AP ৫, ৮, ১১, … এর ১০-তম পদ ও যোগফল

এখানে a = ৫, d = ৩, n = ১০। T₁₀ = ৫ + (১০−১) × ৩ = ৫ + ৯ × ৩ = ৩২। S₁₀ = ১০/২ × (৫+৩২) = ৫ × ৩৭ = ১৮৫।

সমস্যা ৪: কত পদ নিলে যোগফল ২১০ হবে?

ধারা ৩, ৭, ১১, … যেখানে a = ৩, d = ৪। Sₙ = n/2 × [2a+(n−1)d] = ২১০ সমীকরণে বসিয়ে n নিয়ে দ্বিঘাত সমীকরণ সমাধান করলে n = ১০ পাওয়া যায়। যাচাই: T₁₀ = ৩ + ৯×৪ = ৩৯, এবং S₁₀ = ১০/২ × (৩+৩৯) = ৫ × ৪২ = ২১০, যা মিলে যাচ্ছে।

সমস্যা ৫: সিমুলেশনের ডিফল্ট GP (a = ২, r = ০.৫, n = ৬)

Tₙ = a rⁿ⁻¹ = ২ × ০.৫⁵ = ০.০৬২৫। Sₙ = a(rⁿ−১)/(r−১) = ৩.৯৩৭৫। আর S∞ = a/(১−r) = ২/০.৫ = ৪। এখানেও রিডিং প্যানেলের মান হুবহু মিলে যাবে।

সমস্যা ৬: দাবার ছক আর দ্বিগুণ হওয়া শস্যদানা

পুরোনো গল্পে দাবার ছকের প্রথম ঘরে ১টা শস্যদানা, প্রতি পরের ঘরে আগেরটার দ্বিগুণ। এটা a = ১, r = ২ এর একটা GP। প্রথম ১০টা ঘরের যোগফল S₁₀ = a(rⁿ−১)/(r−১) = ১ × (২¹⁰−১)/(২−১) = ১,০২৩। দশম ঘরে একাই থাকে T₁₀ = a rⁿ⁻¹ = ২⁹ = ৫১২ টা দানা। পুরো ৬৪ ঘর হিসাব করলে সংখ্যাটা পুরো পৃথিবীর গম উৎপাদনকেও ছাড়িয়ে যায় — এটাই সূচকীয় বৃদ্ধির শক্তি।

সমস্যা ৭: পুনরাবৃত্ত দশমিক আসলে একটা অসীম GP

০.৩৩৩… সংখ্যাটাকে ভাঙলে পাওয়া যায় ০.৩ + ০.০৩ + ০.০০৩ + … যেখানে a = ০.৩, r = ০.১। যেহেতু |r| < ১, S∞ = a/(১−r) = ০.৩/০.৯ = ০.৩৩৩…, যা ঠিক ১/৩-এর সমান। এভাবেই অসীম ধারার সূত্র প্রমাণ করে যে ০.৩৩৩… আসলে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা, আন্দাজ নয়।

এক নজরে: সিমুলেশনের ডিফল্ট মান দিয়ে AP আর GP-র তুলনা

n বাড়ার সাথে AP-র Sₙ কীভাবে সরলরৈখিকভাবে বাড়ে আর GP-র Sₙ কীভাবে ৪-এর কাছে থেমে যায়, তা এই সারণিতে স্পষ্ট।

nAP Tₙ (a=২, d=৩)AP SₙGP Tₙ (a=২, r=০.৫)GP Sₙ
১২২২.০০০০২.০০০০
২৫৭১.০০০০৩.০০০০
৩৮১৫০.৫০০০৩.৫০০০
৪১১২৬০.২৫০০৩.৭৫০০
৫১৪৪০০.১২৫০৩.৮৭৫০
৬১৭৫৭০.০৬২৫৩.৯৩৭৫

যে ভুলগুলো সবাই করে

এই ভুলগুলো এড়ালে ধারার অঙ্কে নম্বর কাটার ভয় থাকে না।

  • Tₙ-এ (n−1) বার d যোগ হয়, n বার নয় — প্রথম পদ থেকে গোনা শুরু হলে ধাপ থাকে (n−1)টা।
  • GP-র সূত্রে r = ১ বসিয়ে ভাগ করা। r = ১ হলে হর শূন্য হয়ে যায়, তখন সরাসরি Sₙ = na ব্যবহার করতে হয়।
  • |r| ≥ ১ হলেও S∞ বসিয়ে ফেলা। অসীম যোগফলের সূত্র শুধু |r| < ১ হলেই সংজ্ঞায়িত, নইলে ধারা অপসারী।
  • সাধারণ অন্তর আর সাধারণ অনুপাত গুলিয়ে ফেলা: d বিয়োগ করে বের করা হয়, r ভাগ করে বের করা হয়।
  • ধারা আর অনুক্রম সমার্থক ভাবা। অনুক্রম হলো পদের তালিকা, ধারা হলো তাদের যোগফল।
  • Sₙ আর Tₙ গুলিয়ে ফেলা — Tₙ একটা নির্দিষ্ট পদ, Sₙ প্রথম n পদের সমষ্টি; দুটো ভিন্ন রাশি।

বাস্তব জীবনে ধারা ও সিরিজ

ধারার সূত্র পরীক্ষার খাতার বাইরেও অনেক জায়গায় কাজ করে।

  • সমান কিস্তিতে ঋণ বা বাড়িভাড়া পরিশোধ: প্রতি মাসে যদি একই পরিমাণ কিস্তি বাড়ে বা কমে, তা একটা সমান্তর ধারা।
  • ব্যাংকের চক্রবৃদ্ধি সুদ: প্রতি বছর জমার উপর একই হারে সুদ যোগ হয়ে পরের বছরের মূলধন হয়, এটা একটা গুণোত্তর ধারা।
  • ভাইরাস বা তথ্যের বিস্তার: প্রতিজন যদি গড়ে r জনকে সংক্রমিত করে, মোট সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা একটা গুণোত্তর ধারায় বাড়ে।
  • তেজস্ক্রিয় ক্ষয় বা ওষুধের রক্তে ঘনত্ব কমা: প্রতি নির্দিষ্ট সময়ে অর্ধেক হয়ে যাওয়া (অর্ধায়ুকাল) একটা গুণোত্তর ধারার উদাহরণ, যেখানে r = ১/২।
  • স্টেডিয়ামের সারি সাজানো: প্রতি সারিতে যদি আগের সারির চেয়ে নির্দিষ্টসংখ্যক বেশি চেয়ার থাকে, মোট চেয়ার গোনা যায় সমান্তর ধারার সূত্রে।
  • বাউন্স করা বল: প্রতিবার আগের উচ্চতার একটা নির্দিষ্ট ভগ্নাংশ পর্যন্ত উঠলে, বলটা মোট যতটুকু পথ পার হয় তা একটা অসীম গুণোত্তর ধারা দিয়ে বের হয়।

পরীক্ষার কর্নার: SSC ও HSC

এসএসসি সাধারণ গণিতে অনুক্রম ও ধারা অধ্যায়ে AP-GP-র সংজ্ঞা, n-তম পদ ও Sₙ নির্ণয়ের অঙ্ক নিয়মিত আসে; এইচএসসি উচ্চতর গণিতে এর সাথে যুক্ত হয় অসীম ধারা S∞। জ্ঞানমূলক প্রশ্নে সূত্রের বিবৃতি, অনুধাবনে “d আর r-এর পার্থক্য কী” বা “অসীম ধারার শর্ত কেন |r|<১”, আর প্রয়োগ-উচ্চতর দক্ষতায় n, Tₙ, Sₙ নির্ণয়ের মিশ্র অঙ্ক থাকে।

একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক: একটি অনুক্রমের প্রথম পদ ২ এবং সাধারণ অন্তর ৩। আরেকটি অনুক্রমের প্রথম পদ ২ এবং সাধারণ অনুপাত ০.৫।

ক) সাধারণ অন্তর কাকে বলে? খ) প্রথম অনুক্রমের ৬-তম পদ নির্ণয় করো। গ) দ্বিতীয় অনুক্রমের প্রথম ৬ পদের যোগফল নির্ণয় করো। ঘ) “দ্বিতীয় অনুক্রমের অসীম পদের যোগফল একটি সসীম সংখ্যা” — উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো।

গ-এর উত্তর: Sₙ = a(rⁿ−১)/(r−১) বসিয়ে S₆ = ৩.৯৩৭৫। ঘ-এর মূল কথা: r = ০.৫ এবং |r| < ১ হওয়ায় ধারাটি অভিসারী, তাই S∞ = a/(১−r) = ৪ একটি সসীম সংখ্যায় গিয়ে থামে; সুতরাং উক্তিটি সত্য।

রিভিশন: শেষ মুহূর্তের সারসংক্ষেপ

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকা আর উপরের তুলনা সারণিটা একবার দেখে নিলেই যথেষ্ট।

  • AP: পরের পদ = আগের পদ + d। GP: পরের পদ = আগের পদ × r।
  • Tₙ(AP) = a + (n−1)d। Tₙ(GP) = a rⁿ⁻¹।
  • Sₙ(AP) = n/2 × (a+l) — গাউসের রেক্টাঙ্গেল থেকে আসা সূত্র।
  • Sₙ(GP) = a(rⁿ−1)/(r−1), r ≠ ১; r = ১ হলে Sₙ = na।
  • S∞(GP) = a/(1−r), শুধু |r| < ১ হলে; নইলে ধারা অপসারী।
  • AP সরলরৈখিক হারে বাড়ে/কমে, GP সূচকীয় হারে — এটাই দুই ধারার মূল পার্থক্য।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার মধ্যে পার্থক্য কী?

সমান্তর ধারায় (AP) পরপর দুই পদের বিয়োগফল ধ্রুব (সাধারণ অন্তর d); গুণোত্তর ধারায় (GP) পরপর দুই পদের ভাগফল ধ্রুব (সাধারণ অনুপাত r)। AP সরলরৈখিক হারে বাড়ে বা কমে, GP সূচকীয় হারে।

সমান্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফলের সূত্র কী?

n-তম পদ Tₙ = a + (n−1)d এবং প্রথম n পদের যোগফল Sₙ = n/2 × [2a + (n−1)d] = n/2 × (a+l), যেখানে l শেষ পদ। উদাহরণে a=২, d=৩, n=৬ হলে Tₙ=১৭ ও Sₙ=৫৭।

গুণোত্তর ধারার সমষ্টি সূত্র কী?

n-তম পদ Tₙ = a rⁿ⁻¹ এবং প্রথম n পদের যোগফল Sₙ = a(rⁿ−1)/(r−1), যখন r ≠ ১। r = ১ হলে সব পদ সমান হয়ে যায়, তাই Sₙ = na।

অসীম ধারার সমষ্টি সূত্র কী এবং কখন কাজ করে?

অসীম গুণোত্তর ধারার যোগফল S∞ = a/(1−r), তবে এটা কেবল |r| < 1 হলেই সংজ্ঞায়িত। |r| ≥ 1 হলে ধারার পদগুলো ছোট হতে থাকে না, তাই যোগফল কোনো সীমার কাছে থামে না — একে বলে অপসারী ধারা।

সাধারণ অন্তর ও সাধারণ অনুপাত কীভাবে বের করব?

সাধারণ অন্তর d বের হয় যেকোনো পদ থেকে ঠিক আগের পদ বিয়োগ করে (d = Tₙ − Tₙ₋₁)। সাধারণ অনুপাত r বের হয় যেকোনো পদকে ঠিক আগের পদ দিয়ে ভাগ করে (r = Tₙ ÷ Tₙ₋₁)।

গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশলটা কী?

প্রথম পদের সাথে শেষ পদ, দ্বিতীয় পদের সাথে শেষের আগের পদ — এভাবে জোড়া বাঁধলে প্রতিটা জোড়ার যোগফল সমান (a+l) হয়। n/2টা জোড়া থাকায় মোট যোগফল হয় n(a+l)/2। ছোট্ট গাউস ১ থেকে ১০০ যোগ করতে এই কৌশলই ব্যবহার করেছিলেন, উত্তর পেয়েছিলেন ৫,০৫০।

একটি ধারা অভিসারী কি না তা কীভাবে বুঝব?

সমান্তর ধারা (d ≠ 0) সবসময় অপসারী, কারণ পদ সীমাহীনভাবে বাড়তে বা কমতে থাকে। গুণোত্তর ধারা অভিসারী হয় শুধু তখনই যখন সাধারণ অনুপাতের পরমমান ১-এর কম, অর্থাৎ |r| < 1।

0.333… সংখ্যাটা কি ঠিক ১/৩-এর সমান?

হ্যাঁ। ০.৩৩৩… কে ০.৩ + ০.০৩ + ০.০০৩ + … আকারে লিখলে এটা a=০.৩, r=০.১-এর একটা অসীম গুণোত্তর ধারা। S∞ = a/(1−r) = ০.৩/০.৯ = ১/৩। তাই সংখ্যাটা আন্দাজ নয়, ঠিক ১/৩-এর সমান।

দাবার ছকের গল্পে সংখ্যাটা এত বড় হয় কেন?

প্রতিটা ঘরে আগের ঘরের দ্বিগুণ শস্যদানা রাখা মানে r=২ একটা গুণোত্তর ধারা, যা সূচকীয় হারে বাড়ে। মাত্র প্রথম ১০ ঘরেই যোগফল ১০০০ ছাড়িয়ে যায়; পুরো ৬৪ ঘরের যোগফল কল্পনাতীত রকম বড়, কারণ গুণোত্তর ধারা সমান্তর ধারার চেয়ে অনেক দ্রুত বাড়ে।

অনুক্রম আর ধারার পার্থক্য কী?

অনুক্রম (sequence) হলো একটা নিয়ম মেনে সাজানো সংখ্যার তালিকা, যেমন ২, ৫, ৮, ১১। এই পদগুলো যোগ করলে যা পাওয়া যায়, ২+৫+৮+১১, তাকে বলে ধারা বা সিরিজ (series)।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র