মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

পিথাগোরাসের উপপাদ্য: ত্রিভুজ টেনে নিজের চোখে প্রমাণ দেখো

পিথাগোরাসের উপপাদ্য বলে: সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্র দুটির ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান, অর্থাৎ c² = a² + b²। যেমন ভূমি ৩ আর লম্ব ৪ হলে অতিভুজ ৫। নিচের সিমুলেশনে ত্রিভুজ টেনে বদলাও, বর্গগুলোর ক্ষেত্রফল সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে দেখো।

লাল বিন্দু দুটো টেনে ত্রিভুজ বদলাও · ▶ চাপলে a² ও b²-এর “পানি” c²-এ ঢালা হবে

a-এর উপর বর্গb-এর উপর বর্গc-এর উপর বর্গ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখবে

৩.০
৪.০

পরিমাপ

a
৩
b
৪
অতিভুজ, c
৫
C
৯০°
a²
৯
b²
১৬
c²
২৫
a² + b²
২৫
a² + b² − c²
০
কোণ C অনুযায়ী ত্রিভুজ
সমকোণী
পূর্ণসংখ্যার ত্রয়ী?
হ্যাঁ

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. লাল বিন্দু দুটো টেনে ধরো: ডানের বিন্দু সরালে ভূমি a বদলায়, উপরের বিন্দু সরালে লম্ব b বদলায়। স্লাইডার দিয়েও একই কাজ করা যায়।
  2. ▶ চাপলে a² আর b² বর্গের রঙিন “পানি” কমতে থাকে আর c² বর্গ ঠিক ততটাই ভরে ওঠে: শেষে c² একদম কানায় কানায় পূর্ণ হয়, এক ফোঁটাও উপচে পড়ে না, কমও থাকে না।
  3. “সাজিয়ে প্রমাণ” বেছে নাও: চারটি একই ত্রিভুজ বড় বর্গের ভিতরে সরে যায়, আর ফাঁকা জায়গা একবার c², একবার a² + b² হয়। ফাঁকা জায়গা বদলায়নি, তাই দুটো সমান।
  4. “বিপরীত উপপাদ্য” বেছে নিয়ে কোণ C ৯০° থেকে সরাও: a² + b² − c² আর শূন্য থাকে না, আর পানি ঢাললে c² হয় উপচে পড়ে (সূক্ষ্মকোণী) নয়তো খালি থাকে (স্থূলকোণী)।
  5. “পিথাগোরীয় ত্রয়ীতে আটকে দাও” চালু করলে ত্রিভুজ শুধু ৩-৪-৫, ৬-৮-১০, ৫-১২-১৩ এর মতো পূর্ণসংখ্যার বাহুতে থামবে; পরিমাপ প্যানেলে “পূর্ণসংখ্যার ত্রয়ী? হ্যাঁ” দেখাবে।

মই, টিভি আর মাঠের কোনাকুনি পথ: সবখানেই পিথাগোরাস

ধরো দেয়ালে একটা মই হেলান দিয়ে রাখা। মিস্ত্রি জানতে চান মইটা দেয়ালের কত উঁচুতে পৌঁছাবে। তিনি ফিতা দিয়ে দেয়াল মাপতে উপরে ওঠেন না; শুধু মাটিতে মইয়ের গোড়া থেকে দেয়াল পর্যন্ত দূরত্ব মাপেন আর মইয়ের দৈর্ঘ্য জানেন। বাকিটা হিসাব করে বের করা যায়। কীভাবে? এই হিসাবের নামই পিথাগোরাসের উপপাদ্য।

দোকানে “৪০ ইঞ্চি টিভি” বললে টিভির চওড়া বা উচ্চতা বোঝায় না, বোঝায় পর্দার এক কোণা থেকে বিপরীত কোণা পর্যন্ত কোনাকুনি দৈর্ঘ্য। চওড়া আর উচ্চতা জানলে কোনাকুনি দৈর্ঘ্য বের করার উপায়ও এই একই সূত্র। স্কুলমাঠের এক কোণা থেকে বিপরীত কোণায় যেতে তুমি যে “শর্টকাট” কোনাকুনি হাঁটো, সেটা কত মিটার বাঁচায়, সেটাও পিথাগোরাস বলে দেয়।

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের গ্রিক গণিতবিদ পিথাগোরাসের নামে উপপাদ্যটি পরিচিত, যদিও ব্যাবিলন, মিশর, ভারত আর চীনের মানুষ তারও আগে সমকোণী ত্রিভুজের এই সম্পর্ক ব্যবহার করতেন। মিশরের জমি-মাপকরা দড়িতে সমান দূরে ১২টি গিঁট দিয়ে ৩-৪-৫ ত্রিভুজ বানিয়ে নিখুঁত সমকোণ তৈরি করতেন। অর্থাৎ এই উপপাদ্য শুধু পরীক্ষার অঙ্ক না, মানুষের হাজার বছরের কাজের হাতিয়ার।

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে: বিবৃতি আর সূত্র

পাঠ্যবইয়ের ভাষায় বিবৃতি: “সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান।” পরীক্ষায় “পিথাগোরাসের উপপাদ্যটি বিবৃত কর” বা “উপপাদ্যটি লেখ” এলে ঠিক এই বাক্যটিই লিখবে।

সহজ কথায়: একটা ত্রিভুজের একটা কোণ ঠিক ৯০° হলে সেই কোণের বিপরীত বাহুটা (যেটা সবচেয়ে লম্বা) হলো অতিভুজ। বাকি দুটো বাহু, যারা সমকোণ তৈরি করেছে, তাদের আমরা ভূমি আর লম্ব বলি। এখন প্রতিটি বাহুর উপর একটা করে বর্গ আঁকো। ছোট দুটো বর্গের ক্ষেত্রফল যোগ করলে ঠিক বড় বর্গের ক্ষেত্রফল পাওয়া যায়।

সিমুলেশনের শুরুর ত্রিভুজটাই দেখো: ভূমি a = ৩, লম্ব b = ৪। তাহলে a² = ৯, b² = ১৬, যোগফল ২৫। আর অতিভুজ c = ৫ হলে c² = ২৫। “এক একক বর্গের ঘর দেখাও” চালু রেখে ঘরগুলো গুনে দেখো: সবুজ বর্গে ৯টা ঘর, কমলা বর্গে ১৬টা, আর বড় বর্গে ঠিক ২৫টা।

c² = a² + b²c অতিভুজ, a ভূমি, b লম্ব

c = √(a² + b²)অতিভুজ নির্ণয়ের সূত্র

a = √(c² − b²)অতিভুজ জানা থাকলে একটি বাহু

b = √(c² − a²)অন্য বাহুটিও একইভাবে

শব্দঅর্থসিমুলেশনে কোথায়
সমকোণী ত্রিভুজযে ত্রিভুজের একটি কোণ ঠিক ৯০°C বিন্দুর ছোট বর্গ চিহ্ন
অতিভুজ (c)সমকোণের বিপরীত বাহু, সবচেয়ে বড় বাহুনীল বর্গটি এর উপর
ভূমি (a)সমকোণ তৈরি করা একটি বাহুসবুজ বর্গটি এর উপর
লম্ব (b)সমকোণ তৈরি করা অন্য বাহুকমলা বর্গটি এর উপর
উপপাদ্যযুক্তি দিয়ে প্রমাণ করতে হয় এমন গাণিতিক সত্যপুরো সিমুলেশন
পিথাগোরীয় ত্রয়ীতিনটি পূর্ণসংখ্যা যারা c² = a² + b² মানে“ত্রয়ীতে আটকে দাও” টগল

প্রমাণ ১: চারটি ত্রিভুজ সাজিয়ে (নবম-দশম শ্রেণির পদ্ধতি)

এই প্রমাণটাই সিমুলেশনের “সাজিয়ে প্রমাণ” অংশে নড়ছে। পরীক্ষার খাতায় একে উপপাদ্যের মতো করে লিখতে হয়: বিশেষ নির্বচন, অঙ্কন, প্রমাণ। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো, প্রতিটা ধাপের পাশে তার যথার্থতা লিখবে।

বিশেষ নির্বচন

মনে করি, ABC একটি সমকোণী ত্রিভুজ, যার ∠C = এক সমকোণ, অতিভুজ AB = c, BC = a এবং AC = b। প্রমাণ করতে হবে যে, AB² = BC² + AC², অর্থাৎ c² = a² + b²।

অঙ্কন

a + b দৈর্ঘ্যের বাহুবিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র আঁকি। এর প্রতিটি বাহুকে এমনভাবে দুই ভাগ করি যেন একটি অংশ a আর অপর অংশ b হয়। ভাগ বিন্দুগুলো পরপর যোগ করলে বর্গের চার কোণে চারটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়, যাদের প্রতিটির বাহু a ও b এবং অতিভুজ c।

প্রমাণ

ধাপ ১: চারটি ত্রিভুজই মূল ত্রিভুজ ABC-এর সর্বসম (বাহু-কোণ-বাহু উপপাদ্য অনুযায়ী, কারণ দুই বাহু a ও b এবং অন্তর্ভুক্ত কোণ সমকোণ)। তাই প্রত্যেকের অতিভুজ c।

ধাপ ২: ভিতরের চতুর্ভুজের চারটি বাহুই c। এর প্রতিটি কোণ = ১৮০° − (ত্রিভুজের দুই সূক্ষ্মকোণের যোগফল) = ১৮০° − ৯০° = ৯০°। সুতরাং ভিতরের চতুর্ভুজটি c বাহুবিশিষ্ট একটি বর্গ।

ধাপ ৩: বড় বর্গের ক্ষেত্রফল = (a + b)²। আবার একই ক্ষেত্রফল = ভিতরের বর্গ + চারটি ত্রিভুজ = c² + ৪ × ½ab = c² + 2ab।

ধাপ ৪: সুতরাং (a + b)² = c² + 2ab, বা a² + 2ab + b² = c² + 2ab, বা a² + b² = c²। অর্থাৎ AB² = BC² + AC²। (প্রমাণিত)

(a + b)² = c² + 4 · ½abএকই ক্ষেত্রফল দুইভাবে

a² + 2ab + b² = c² + 2abবিস্তার করে

a² + b² = c²দুই পাশ থেকে 2ab বাদ দিয়ে

প্রমাণ ২: ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল দিয়ে (অষ্টম শ্রেণির বিকল্প প্রমাণ)

অষ্টম শ্রেণিতে আর বোর্ড পরীক্ষায় “বিকল্প প্রমাণ” হিসেবে এই পদ্ধতি খুব আসে। একটি সমকোণী ত্রিভুজ ABC নাও (∠B = সমকোণ, BC = a, AB = b, AC = c)। BC-কে বাড়িয়ে D পর্যন্ত নাও যেন CD = AB = b। D বিন্দুতে DE ⊥ BD আঁকো যেন DE = BC = a। এখন A, E যোগ করো।

তাহলে ABDE একটি ট্রাপিজিয়াম, কারণ AB আর DE দুটোই BD-এর উপর লম্ব, তাই সমান্তরাল। এর সমান্তরাল বাহু দুটি b ও a, আর উচ্চতা BD = a + b। ট্রাপিজিয়ামের ভিতরে তিনটি ত্রিভুজ: ΔABC, ΔCDE আর ΔACE। প্রথম দুটি সর্বসম (দুই বাহু আর অন্তর্ভুক্ত সমকোণ সমান), আর ∠ACE = ৯০° (কারণ ∠ACB + ∠ECD = ৯০°)।

এখন ক্ষেত্রফল মেলাও: ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = ½(a + b)(a + b)। তিন ত্রিভুজের যোগফল = ½ab + ½ab + ½c²। দুটো সমান করে দুই পাশ ২ দিয়ে গুণ করলে (a + b)² = 2ab + c², অর্থাৎ a² + b² = c²। মজার তথ্য: আমেরিকার বিংশতম প্রেসিডেন্ট জেমস গারফিল্ড এই প্রমাণটা বের করেছিলেন, তাই একে “গারফিল্ডের প্রমাণ”ও বলে।

½(a + b)² = ½ab + ½ab + ½c²ট্রাপিজিয়াম = তিন ত্রিভুজ

(a + b)² = 2ab + c²২ দিয়ে গুণ করে

প্রমাণ ৩: সদৃশ ত্রিভুজ দিয়ে (উচ্চতর শ্রেণির জন্য)

সমকোণী ত্রিভুজ ABC-তে (∠C = ৯০°) সমকোণের শীর্ষ C থেকে অতিভুজ AB-এর উপর লম্ব CD আঁকো। এতে বড় ত্রিভুজটা দুটি ছোট ত্রিভুজে ভাগ হয়, আর তিনটি ত্রিভুজই পরস্পর সদৃশ, কারণ প্রত্যেকের একটি কোণ সমকোণ আর একটি কোণ সাধারণ।

সদৃশতা থেকে AC² = AD · AB আর BC² = BD · AB। যোগ করলে AC² + BC² = AB(AD + BD) = AB · AB = AB²। এই প্রমাণ ভারতের NCERT বইয়ে মূল প্রমাণ হিসেবে আছে, আর আমাদের উচ্চতর গণিত ও জ্যামিতিতেও এর ধারণা কাজে লাগে।

বিপরীত উপপাদ্য: উল্টো দিক থেকেও কি সত্যি?

পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য বলে: “কোনো ত্রিভুজের একটি বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান হলে, শেষোক্ত বাহুদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণটি সমকোণ হবে।” মানে, শুধু তিনটি বাহু মেপে বলে দেওয়া যায় ত্রিভুজটা সমকোণী কিনা।

আরও মজা হলো, সমান না হলেও তথ্য পাওয়া যায়। যদি a² + b² > c² হয়, তাহলে c-এর বিপরীত কোণ ৯০°-এর চেয়ে ছোট, ত্রিভুজটি সূক্ষ্মকোণী। যদি a² + b² < c² হয়, কোণটি ৯০°-এর চেয়ে বড়, ত্রিভুজটি স্থূলকোণী। কেন? কোণ খুলে দিলে বিপরীত বাহু লম্বা হয়, কোণ বুজিয়ে দিলে ছোট হয়।

সিমুলেশনের “বিপরীত উপপাদ্য” মোডে ঠিক এটা দেখা যায়। C কোণ ১২০° করো: c বড় হয়ে যায়, আর ▶ চাপলে a² ও b²-এর পুরো পানি ঢেলেও c² ভরে না। কোণ ৬০° করো: c ছোট হয়, আর পানি উপচে পড়ে (লাল রং)। শুধু ঠিক ৯০°-তে পানি কানায় কানায় মেলে।

c² = a² + b² − 2ab·cos Cকোসাইন সূত্র (উচ্চতর গণিত); C = ৯০° হলে cos C = ০

পিথাগোরীয় ত্রয়ী: যেখানে তিনটি বাহুই পূর্ণসংখ্যা

বেশিরভাগ সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ দশমিকে আসে, যেমন ভূমি ১ আর লম্ব ১ হলে অতিভুজ √২ ≈ ১.৪১৪। কিন্তু কিছু বিশেষ ত্রিভুজে তিনটি বাহুই পূর্ণসংখ্যা। এমন তিনটি সংখ্যাকে পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে। সবচেয়ে পরিচিত ৩, ৪, ৫।

কোনো ত্রয়ীকে যেকোনো পূর্ণসংখ্যা দিয়ে গুণ করলে আরেকটা ত্রয়ী পাওয়া যায়: ৩-৪-৫ থেকে ৬-৮-১০, ৯-১২-১৫, ১২-১৬-২০। নতুন ত্রয়ী বানানোর একটা সুন্দর সূত্রও আছে (ইউক্লিডের সূত্র): যেকোনো দুটি পূর্ণসংখ্যা m > n নাও, তাহলে m² − n², 2mn আর m² + n² সবসময় একটি ত্রয়ী। নিচের সারণির প্রতিটি সারি কোডে হিসাব করা, শেষ কলামে যাচাই।

(m² − n²)² + (2mn)² = (m² + n²)²ইউক্লিডের সূত্র, m > n > ০

m, na = m² − n²b = 2mnc = m² + n²a² + b² = c²?
২, ১৩৪৫২৫ = ২৫ ✓
৩, ২৫১২১৩১৬৯ = ১৬৯ ✓
৪, ১১৫৮১৭২৮৯ = ২৮৯ ✓
৪, ৩৭২৪২৫৬২৫ = ৬২৫ ✓
৫, ২২১২০২৯৮৪১ = ৮৪১ ✓
৫, ৪৯৪০৪১১,৬৮১ = ১,৬৮১ ✓
৬, ১৩৫১২৩৭১,৩৬৯ = ১,৩৬৯ ✓

দূরত্বের সূত্র আসলে পিথাগোরাসই

স্থানাঙ্ক জ্যামিতিতে দুটি বিন্দু (x₁, y₁) আর (x₂, y₂)-এর দূরত্বের সূত্র মুখস্থ করতে হয় না, পিথাগোরাস থেকে নিজেই বানিয়ে নেওয়া যায়। দুই বিন্দুর মাঝে আনুভূমিক দূরত্ব x₂ − x₁ আর উল্লম্ব দূরত্ব y₂ − y₁ একটা সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি আর লম্ব। বিন্দু দুটির সরাসরি দূরত্ব হলো তার অতিভুজ।

এভাবে ভেক্টরের মান (|v| = √(x² + y²)), ত্রিমাত্রিক জগতে ঘনকের কর্ণ, এমনকি ত্রিকোণমিতির sin²θ + cos²θ = ১ সূত্রও আসলে পিথাগোরাসের উপপাদ্যের ছদ্মবেশ। তাই এই অধ্যায় ভালো বুঝলে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান আর ভর্তি পরীক্ষার অনেক অঙ্ক সহজ হয়ে যায়।

d = √[(x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²]দুই বিন্দুর দূরত্ব

sin²θ + cos²θ = 1একক বৃত্তে পিথাগোরাস

সিমুলেশনে যা যা করে দেখবে

শুধু পড়ে গেলে উপপাদ্য মাথায় থাকে না; নিজে হাতে বদলে দেখলে থাকে। নিচের পরীক্ষাগুলো একে একে করে খাতায় ফলাফল লিখে রাখো।

  • a আর b দুটোই অর্ধেক করো: c-ও অর্ধেক হয়, কিন্তু তিনটি বর্গের ক্ষেত্রফল হয় এক-চতুর্থাংশ। দৈর্ঘ্য আর ক্ষেত্রফলের পার্থক্যটা খেয়াল করো।
  • a স্থির রেখে b বাড়াতে থাকো: c বাড়ে, কিন্তু কখনো a + b-এর সমান হয় না। ত্রিভুজের যেকোনো দুই বাহুর যোগফল তৃতীয় বাহুর চেয়ে বড়।
  • a = b করো (সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ): অতিভুজ হয় a × √২, আর c² বর্গটা ঠিক দুটো ছোট বর্গের সমান।
  • “সাজিয়ে প্রমাণ” মোডে a আর b বদলে দেখো: যেকোনো মাপেই ফাঁকা অংশ দুই অবস্থায় সমান থাকে। একটা বিশেষ ত্রিভুজে কাজ করা মানে প্রমাণ নয়; সব ত্রিভুজে কাজ করলেই প্রমাণ।
  • “বিপরীত উপপাদ্য” মোডে কোণ C ধীরে ধীরে ৯০° পার করো আর “a² + b² − c²” পরিমাপটা দেখো: ধনাত্মক থেকে শূন্য হয়ে ঋণাত্মক হয়।

সমাধানসহ গাণিতিক উদাহরণ

প্রতিটি উদাহরণের সংখ্যা এই পাতার কোডে সূত্র দিয়ে হিসাব করা। নিজে খাতায় করে মিলিয়ে নাও।

উদাহরণ ১: ভূমি ৭ সেমি, লম্ব ৯ সেমি; অতিভুজ কত?

c² = ৭² + ৯² = ৪৯ + ৮১ = ১৩০। সুতরাং c = √১৩০ ≈ ১১.৪০ সেমি। এটা পূর্ণসংখ্যা নয়, তাই ৭, ৯ কোনো পিথাগোরীয় ত্রয়ীর অংশ নয়।

উদাহরণ ২: অতিভুজ ১৩ সেমি, একটি বাহু ৫ সেমি; অপর বাহু কত?

b² = c² − a² = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪, তাই b = ১২ সেমি। সাবধান: এখানে বর্গ বিয়োগ করতে হয়, যোগ নয়, কারণ খুঁজছি ছোট বাহু।

উদাহরণ ৩: ১০ মিটার লম্বা মই, গোড়া দেয়াল থেকে ২.৮ মিটার দূরে

মই হলো অতিভুজ (দেয়াল আর মাটি সমকোণ বানায়)। উচ্চতা h² = ১০০ − ৭.৮৪ = ৯২.১৬, তাই h ≈ ৯.৬০ মিটার।

এখন গোড়া পিছলে দেয়াল থেকে ৬ মিটার দূরে গেলে উচ্চতা হয় √(১০০ − ৩৬) = ৮.০০ মিটার, অর্থাৎ মইয়ের মাথা ১.৬০ মিটার নিচে নেমে গেল।

উদাহরণ ৪: টিভির পর্দা ৮৮.৬ সেমি চওড়া, ৪৯.৮ সেমি উঁচু; এটা কত ইঞ্চির টিভি?

কোনাকুনি² = ৭,৮৪৯.৯৬ + ২,৪৮০.০৪ = ১০,৩৩০.০০, তাই কোনাকুনি ≈ ১০১.৬৪ সেমি। ১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেমি, তাই ১০১.৬৪ ÷ ২.৫৪ ≈ ৪০ ইঞ্চি। দোকানে একেই “৪০ ইঞ্চি টিভি” বলে।

উদাহরণ ৫: ৬ সেমি বাহুর ঘনকের তলের কর্ণ ও ঘনকের কর্ণ

তলের কর্ণ = √(৬² + ৬²) = √৭২ ≈ ৮.৪৯ সেমি। এবার তলের কর্ণ আর খাড়া একটি ধার মিলে আরেকটা সমকোণী ত্রিভুজ: ঘনকের কর্ণ = √(৭২ + ৩৬) = √১০৮ ≈ ১০.৩৯ সেমি। অর্থাৎ পিথাগোরাস দুবার ব্যবহার করলেই ত্রিমাত্রিক দূরত্ব।

উদাহরণ ৬: m = ৫, n = ২ দিয়ে একটি পিথাগোরীয় ত্রয়ী বানাও

a = ৫² − ২² = ২১, b = ২ × ৫ × ২ = ২০, c = ৫² + ২² = ২৯। যাচাই: ৪৪১ + ৪০০ = ৮৪১ = ২৯²। সুতরাং ২১, ২০, ২৯ একটি ত্রয়ী।

উদাহরণ ৭: কোন ত্রিভুজ সমকোণী, সূক্ষ্মকোণী না স্থূলকোণী?

বাহু ৭, ২৪, ২৫: ৭² + ২৪² = ৬২৫ আর ২৫² = ৬২৫, তাই ত্রিভুজটি সমকোণী।

বাহু ৬, ৭, ৯: ৬² + ৭² = ৮৫ আর ৯² = ৮১, তাই ত্রিভুজটি সূক্ষ্মকোণী।

বাহু ৫, ৮, ১১: ৫² + ৮² = ৮৯ আর ১১² = ১২১, তাই ত্রিভুজটি স্থূলকোণী।

উদাহরণ ৮: (২, -১) ও (৭, ১১) বিন্দুর দূরত্ব

আনুভূমিক পার্থক্য ৫, উল্লম্ব পার্থক্য ১২। দূরত্ব = √(২৫ + ১৪৪) = ১৩ একক। খেয়াল করো, এটা ৫-১২-১৩ ত্রয়ী!

উদাহরণ ৯: সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ আর সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা

সমান দুই বাহু ৫ সেমি হলে অতিভুজ = ৫√২ ≈ ৭.০৭ সেমি। আর ১০ সেমি বাহুর সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা নামালে ভূমি দুই ভাগ হয় (৫ + ৫), তাই উচ্চতা = √(১০² − ৫²) ≈ ৮.৬৬ সেমি।

উদাহরণ ১০: ১২ কিমি উত্তরে, তারপর ৯ কিমি পূর্বে গেলে শুরু থেকে কত দূরে?

উত্তর আর পূর্ব পরস্পর লম্ব, তাই দূরত্ব = √(১২² + ৯²) = ১৫ কিমি। একইভাবে ৪০ মি × ৩০ মি মাঠের কিনারা ধরে হাঁটলে ৭০ মি, কোনাকুনি গেলে ৫০ মি; শর্টকাটে ২০ মি বাঁচে।

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষায় নম্বর কাটে সূত্র না জানার জন্য না, এই ছোট ছোট ভুলের জন্য।

  • অতিভুজ না চিনে ভুল বাহুকে c ধরা। অতিভুজ সবসময় সমকোণের বিপরীতে এবং সবচেয়ে বড়; আগে সেটা চিহ্নিত করো।
  • c = a + b লিখে ফেলা। বর্গের যোগ আর বাহুর যোগ এক না: ৩ + ৪ = ৭ হলেও অতিভুজ ৫।
  • বর্গমূল নিতে ভুলে যাওয়া: c² = ২৫ পেয়ে উত্তর ২৫ লিখে দেওয়া। শেষ ধাপে √ নিতে হবে।
  • অ-সমকোণী ত্রিভুজে সূত্রটা খাটানো। শর্তই হলো একটা কোণ ঠিক ৯০°; নইলে কোসাইন সূত্র লাগে।
  • প্রমাণে যথার্থতা না লেখা। “কেন” লেখা ছাড়া ধাপগুলো পূর্ণ নম্বর পায় না।
  • এককের গোলমাল: এক বাহু সেমিতে, আরেকটা মিটারে রেখে হিসাব করা। আগে একক এক করো।

বাস্তব জীবনে পিথাগোরাস

স্থপতি আর রাজমিস্ত্রি ঘরের কোণ সমকোণ কিনা যাচাই করেন ৩-৪-৫ দিয়ে। জমি জরিপে কোনাকুনি দূরত্ব মাপা হয় এভাবে। মোবাইলের জিপিএস দুই স্থানের দূরত্ব বের করার সময় ছোট দূরত্বে কার্যত এই হিসাবই করে। কম্পিউটার গেমে দুটি চরিত্রের দূরত্ব, স্ক্রিনে মাউসের দূরত্ব, সবকিছুতে √(dx² + dy²)।

পদার্থবিজ্ঞানে দুটি লম্ব বেগ বা বলের লব্ধি বের করতে পিথাগোরাস লাগে: নদী পার হওয়া নৌকার প্রকৃত বেগ, প্রাসের যেকোনো মুহূর্তের বেগ। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এসি সার্কিটের ইম্পিডেন্সও একই সূত্রে আসে। তাই এটাকে শুধু জ্যামিতির একটা অধ্যায় ভাবলে ভুল হবে; এটা গণিতের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সূত্রগুলোর একটি।

পরীক্ষার কর্নার: অষ্টম শ্রেণি, এসএসসি ও এইচএসসি

অষ্টম শ্রেণির সৃজনশীলে সাধারণত (ক) অংশে অতিভুজ বা একটি বাহু নির্ণয়, (খ) অংশে পিথাগোরাসের উপপাদ্য প্রমাণ, আর (গ) অংশে বাস্তব সমস্যা (মই, খুঁটি, মাঠ) আসে। এসএসসি গণিতে উপপাদ্যটি প্রমাণসহ লেখা, বিপরীত উপপাদ্য, আর ত্রিভুজের প্রকার নির্ণয় গুরুত্বপূর্ণ।

এইচএসসি উচ্চতর গণিতে সরাসরি উপপাদ্য না এলেও দূরত্বের সূত্র, ভেক্টরের মান, ত্রিকোণমিতিক অভেদ আর কোসাইন সূত্রে এটা বারবার লাগে। বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার MCQ-তে পিথাগোরীয় ত্রয়ী চিনে ফেলতে পারলে অনেক সময় বাঁচে।

  • বিবৃতি হুবহু মুখস্থ রাখো: “সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল …”
  • প্রমাণে চিত্র আঁকো, বিশেষ নির্বচন লেখো, অঙ্কনের প্রতিটি রেখা উল্লেখ করো।
  • অন্তত দুটি প্রমাণ (চার ত্রিভুজ ও ট্রাপিজিয়াম) লিখে অনুশীলন করো; প্রশ্নে “বিকল্প প্রমাণ” চাইতে পারে।
  • উত্তরে একক লিখতে ভুলো না, আর বর্গমূল দশমিকে এলে দুই ঘর পর্যন্ত লেখো।

এক নজরে পুনরালোচনা

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই অংশটা পড়লেই পুরো অধ্যায় মনে পড়বে।

  • শর্ত: ত্রিভুজের একটি কোণ ৯০°।
  • সূত্র: অতিভুজ² = ভূমি² + লম্ব², c² = a² + b²।
  • অতিভুজ: c = √(a² + b²); বাহু: a = √(c² − b²)।
  • বিপরীত: a² + b² = c² হলে সমকোণী; > হলে সূক্ষ্মকোণী; < হলে স্থূলকোণী।
  • ত্রয়ী: ৩-৪-৫, ৫-১২-১৩, ৮-১৫-১৭, ৭-২৪-২৫; ইউক্লিড: m² − n², 2mn, m² + n²।
  • দূরত্ব: d = √[(x₂ − x₁)² + (y₂ − y₁)²]।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে?

সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল অপর দুই বাহুর উপর অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রদ্বয়ের ক্ষেত্রফলের সমষ্টির সমান। একেই পিথাগোরাসের উপপাদ্য বলে; সংক্ষেপে c² = a² + b²।

পিথাগোরাসের সূত্র কী?

অতিভুজ² = ভূমি² + লম্ব², অর্থাৎ c² = a² + b²। অতিভুজ বের করতে c = √(a² + b²), আর একটি বাহু বের করতে a = √(c² − b²) ব্যবহার করা হয়।

পিথাগোরাসের উপপাদ্যের সহজ প্রমাণ কোনটি?

সবচেয়ে সহজ হলো (a + b) বাহুর বর্গের ভিতরে চারটি সর্বসম সমকোণী ত্রিভুজ সাজানোর প্রমাণ: বড় বর্গের ক্ষেত্রফল (a + b)² = c² + 2ab, সেখান থেকে a² + b² = c²। এই পাতার সিমুলেশনের “সাজিয়ে প্রমাণ” মোডে প্রমাণটি নড়তে দেখা যায়।

পিথাগোরাসের বিপরীত উপপাদ্য কী?

কোনো ত্রিভুজের একটি বাহুর বর্গ অপর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টির সমান হলে শেষোক্ত দুই বাহুর অন্তর্ভুক্ত কোণটি সমকোণ। যেমন ৭, ২৪, ২৫ বাহুর ত্রিভুজ সমকোণী, কারণ ৪৯ + ৫৭৬ = ৬২৫।

পিথাগোরীয় ত্রয়ী কাকে বলে?

যে তিনটি ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যা a, b, c এর জন্য a² + b² = c² সত্য, তাদের পিথাগোরীয় ত্রয়ী বলে, যেমন ৩-৪-৫ বা ৫-১২-১৩। যেকোনো m > n নিলে m² − n², 2mn, m² + n² একটি ত্রয়ী দেয়।

সব ত্রিভুজে কি পিথাগোরাসের সূত্র খাটে?

না, শুধু সমকোণী ত্রিভুজে। অন্য ত্রিভুজে কোসাইন সূত্র c² = a² + b² − 2ab·cos C লাগে। C = ৯০° হলে cos C = ০, তখন এটাই পিথাগোরাসের সূত্র হয়ে যায়।

অতিভুজ কীভাবে চিনব?

সমকোণের (৯০° কোণের) ঠিক বিপরীত দিকের বাহুটাই অতিভুজ। এটা সবসময় ত্রিভুজের সবচেয়ে বড় বাহু। চিত্রে ছোট বর্গ চিহ্ন দেওয়া কোণটা খুঁজে তার উল্টো দিকের বাহু নাও।

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কোন শ্রেণিতে পড়ানো হয়?

বাংলাদেশে অষ্টম শ্রেণির গণিতে উপপাদ্যটি ও এর প্রয়োগ পড়ানো হয়, আর নবম-দশম শ্রেণির জ্যামিতিতে প্রমাণসহ আবার আসে। পরে উচ্চতর গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও ভর্তি পরীক্ষায় এর প্রয়োগ লাগে।

পিথাগোরাস কে ছিলেন?

পিথাগোরাস খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের একজন গ্রিক দার্শনিক ও গণিতবিদ। উপপাদ্যটি তাঁর নামে পরিচিত হলেও ব্যাবিলন, মিশর ও ভারতের প্রাচীন গণিতে এর ব্যবহার তাঁর আগেও ছিল; ভারতের বৌধায়ন শুল্বসূত্রে এর বিবরণ পাওয়া যায়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও গণিত অ্যানিমেশন

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র