মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

প্রোটিন সংশ্লেষণ: জিন থেকে প্রোটিন হয় যেভাবে

প্রোটিন সংশ্লেষণ হলো কোষের ভেতরে জিনের নির্দেশ থেকে প্রোটিন তৈরির দুই ধাপের প্রক্রিয়া। প্রথম ধাপ ট্রান্সক্রিপশনে আরএনএ পলিমারেজ ডিএনএর একটি সূত্র থেকে mRNA বানায়। দ্বিতীয় ধাপ ট্রান্সলেশনে রাইবোসোম mRNA-র তিনটি করে ক্ষারক (কোডন) পড়ে, আর tRNA মিলে যাওয়া অ্যামিনো অ্যাসিড এনে জুড়ে দেয়, সমাপ্তি কোডন না আসা পর্যন্ত।

অ্যাডেনিন (A)থাইমিন (T, শুধু ডিএনএ)ইউরাসিল (U, শুধু আরএনএ)গুয়ানিন (G)সাইটোসিন (C)
গতি

নিয়ন্ত্রণ

জিন (কোডিং সূত্র, 5′→3′)

০

স্লাইডার টানলে অ্যানিমেশন থেমে যায়। কোডন সারণিতে এখন যে কোডন পড়া হচ্ছে সেটি রং করা দেখাবে।

পরিমাপ

এখন কী ঘটছে
ট্রান্সক্রিপশন চলছে
প্রতিলিপি হওয়া ক্ষারক
০ / ২০
পড়া কোডন
—
অ্যান্টিকোডন (5′→3′)
—
শৃঙ্খলে অ্যামিনো অ্যাসিড
০
সম্পূর্ণ প্রোটিন
Met-Glu-Ser-Phe-Pro
মিউটেশনের ফল
কোনো পরিবর্তন করা হয়নি

স্ট্যান্ডার্ড কোডন সারণি (mRNA কোডন)

সারি = প্রথম ক্ষারক, কলাম = দ্বিতীয় ক্ষারক, ঘরের ভেতরের চার লাইন = তৃতীয় ক্ষারক U, C, A, G।

UCAG
U
UUU Phe
UUC Phe
UUA Leu
UUG Leu
UCU Ser
UCC Ser
UCA Ser
UCG Ser
UAU Tyr
UAC Tyr
UAA সমাপ্তি
UAG সমাপ্তি
UGU Cys
UGC Cys
UGA সমাপ্তি
UGG Trp
C
CUU Leu
CUC Leu
CUA Leu
CUG Leu
CCU Pro
CCC Pro
CCA Pro
CCG Pro
CAU His
CAC His
CAA Gln
CAG Gln
CGU Arg
CGC Arg
CGA Arg
CGG Arg
A
AUU Ile
AUC Ile
AUA Ile
AUG Met · সূচনা
ACU Thr
ACC Thr
ACA Thr
ACG Thr
AAU Asn
AAC Asn
AAA Lys
AAG Lys
AGU Ser
AGC Ser
AGA Arg
AGG Arg
G
GUU Val
GUC Val
GUA Val
GUG Val
GCU Ala
GCC Ala
GCA Ala
GCG Ala
GAU Asp
GAC Asp
GAA Glu
GAG Glu
GGU Gly
GGC Gly
GGA Gly
GGG Gly

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. চালু করে প্রথম ধাপটা দেখো। আরএনএ পলিমারেজ টেমপ্লেট সূত্র ধরে এগোচ্ছে আর একটি একটি করে ক্ষারক বসিয়ে mRNA বানাচ্ছে। দেখো, mRNA-র প্রতিটি ক্ষারক ঠিক ওপরের টেমপ্লেট ক্ষারকের জোড়া কি না, আর পুরো mRNA কোডিং সূত্রের মতো, শুধু T-এর জায়গায় U।
  2. দেখতে থাকো দ্বিতীয় ধাপে। mRNA নিউক্লিয়াস ছেড়ে বেরোয়, রাইবোসোম প্রথম AUG খুঁজে নেয়, Met-এর tRNA আসে, তারপর একটি একটি করে tRNA অ্যামিনো অ্যাসিড এনে দেয়। অ্যানিমেশনের নিচের কোডন সারণিতে যে কোডনটা এখন পড়া হচ্ছে সেটা রঙিন হয়ে ওঠে।
  3. “ধাপ” স্লাইডার টেনে সামনে-পেছনে যাও। টানলে অ্যানিমেশন থেমে যায়, তাই পেপটাইড বন্ধন তৈরির মুহূর্ত বা সমাপ্তি কোডন পড়ার মুহূর্তে ঠিক থামিয়ে দেখতে পারবে।
  4. জিনের তিনটি নমুনার মধ্যে বদলাও, কিংবা “নিজে লেখো” বেছে A, T, G, C দিয়ে যেকোনো সিকোয়েন্স টাইপ করো। তোমার সিকোয়েন্সে ATG না থাকলে রাইবোসোম শেষ পর্যন্ত খুঁজে কিছুই বানাতে পারবে না।
  5. মিউটেশনের বাক্সে টিক দিয়ে একটি অবস্থান আর নতুন ক্ষারক বেছে নাও, তারপর “মিউটেশনের ফল” লাইনটা পড়ো। সিকল-সেলের পরিবর্তনটা দেখতে নমুনা ২-এ অবস্থান ২২ আর ক্ষারক T দিয়ে দেখো।
  6. পরিমাপ প্যানেলে প্রতিলিপি হওয়া ক্ষারক, পড়া কোডন, তার অ্যান্টিকোডন, শৃঙ্খলের অ্যামিনো অ্যাসিডের সংখ্যা আর তৈরি প্রোটিন একসাথে অনুসরণ করো।

তোমার কোষ এই মুহূর্তেও একটা রেসিপি মেনে কাজ করছে

চুল মাসে প্রায় এক সেন্টিমিটার বাড়ে। সেই চুল মূলত কেরাটিন নামের প্রোটিন, আর তুমি এই বাক্যটা পড়ার সময়ও শরীর খুচরো অ্যামিনো অ্যাসিড জুড়ে সেটা বানাচ্ছে। দুপুরের ভাত হজমের এনজাইম, রক্তের হিমোগ্লোবিন, রক্তের শর্করা ঠিক রাখা ইনসুলিন, গত সর্দি-কাশি ঠেকানো অ্যান্টিবডি, সবই প্রোটিন।

প্রতিটি প্রোটিনের একটা রেসিপি আছে, আর সেই রেসিপিই হলো জিন। ডিএনএ আসলে রেসিপির এক বিশাল লাইব্রেরি। কিন্তু লাইব্রেরি তার ঘর (নিউক্লিয়াস) ছেড়ে বেরোয় না, আর রেসিপির বই থেকে কেউ রান্না না করলে সেটা অকেজো। তাই কোষ বুদ্ধিমান রাঁধুনির মতো করে: একটা রেসিপির ফটোকপি নেয়, সেই কপি রান্নাঘরে নিয়ে যায়, আর সেখানে পদটা রাঁধে।

এই পাতার পুরো গল্প এটুকুই। ফটোকপির নাম mRNA, আর সেটা বানানোর নাম ট্রান্সক্রিপশন (প্রতিলিপন)। রান্নাঘর হলো রাইবোসোম, আর রান্নার নাম ট্রান্সলেশন (অনুবাদ)। ওপরের সিমুলেশনে ছোট একটা জিনে দুই ধাপই দেখতে পাবে, রেসিপির একটা অক্ষর বদলে দিতে পারবে, আর দেখবে তাতে পদটার কী হয়।

একদম শুরু থেকে: সেন্ট্রাল ডগমা সহজ কথায়

ডিএনএ চারটি অক্ষরের একটা লম্বা সুতো: A, T, G, C। জিন হলো সেই সুতোর একটা অংশ, যেখানে একটা উৎপাদনের (সাধারণত একটা প্রোটিনের) নির্দেশ লেখা থাকে। প্রোটিন হলো অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল, ভাঁজ হয়ে কাজের আকার নেয়, আর অ্যামিনো অ্যাসিড আছে মোট কুড়ি রকম।

এখানেই কোষের একটা অনুবাদের সমস্যা। ডিএনএ লেখা চার অক্ষরে, আর প্রোটিন লেখা কুড়ি অক্ষরে। সমাধান হলো জেনেটিক কোড: তিনটি করে ক্ষারক মিলে এক একটা কোডন, আর প্রতিটি কোডন একটি অ্যামিনো অ্যাসিডকে বোঝায়। চার অক্ষরের বর্ণমালা থেকে তিনটি অক্ষর নিলে মোট ৬৪টি কোডন হয়, যা ২০টি অ্যামিনো অ্যাসিড আর একটি “থামো” সংকেতের জন্য যথেষ্ট।

তথ্য কোন দিকে বয়ে যায় তা এক লাইনে বলা আছে সেন্ট্রাল ডগমায় (কেন্দ্রীয় তত্ত্ব): ডিএনএ → আরএনএ → প্রোটিন। ডিএনএ থেকে আরএনএ হয় ট্রান্সক্রিপশনে, আরএনএ থেকে প্রোটিন হয় ট্রান্সলেশনে। (কিছু ভাইরাস আর ল্যাবের কিছু কৌশলে উল্টো দিকে, আরএনএ থেকে ডিএনএ-ও হয়, তবে আমাদের কোষের ভেতরে মূল পথ একমুখী।)

তীরচিহ্নের ভেতরে দুটো আলাদা ক্রিয়া লুকিয়ে আছে, আর ছাত্রছাত্রীরা প্রায়ই গুলিয়ে ফেলে। ট্রান্সক্রিপশনে তথ্য এক নিউক্লিক অ্যাসিড থেকে আরেকটিতে যায়, ডিএনএ থেকে আরএনএ-তে, একই ক্ষারকের ভাষায়, যেন হাতে রেসিপি টুকে নেওয়া। ট্রান্সলেশনে ভাষা বদলে যায়, ক্ষারকের চার-অক্ষরের ভাষা থেকে অ্যামিনো অ্যাসিডের কুড়ি-অক্ষরের ভাষায়, যেন রেসিপি পড়ে আসল পদটা রাঁধা।

ডিএনএ → mRNA → প্রোটিনপ্রথমে ট্রান্সক্রিপশন, তারপর ট্রান্সলেশন

জিন → কোডন → অ্যামিনো অ্যাসিড → পলিপেপটাইডএকই কথা, পাঠকের দিক থেকে

ধাপে যাওয়ার আগে জরুরি শব্দগুলো

এই অধ্যায়ের প্রায় প্রতিটি প্রশ্নে এই শব্দগুলো ঘুরে আসে। একবার টেবিলটা পড়ে নাও, পরে কোনো ধাপে ভুলে গেলে ফিরে এসে দেখো।

শব্দসহজ ভাষায় মানে
জিনডিএনএর যে অংশে একটি আরএনএ বা প্রোটিনের নির্দেশ লেখা থাকে
ট্রান্সক্রিপশন (প্রতিলিপন)ডিএনএর একটি সূত্রকে ছাঁচ ধরে জিনের আরএনএ কপি তৈরি
ট্রান্সলেশন (অনুবাদ)mRNA-কে কোডনে কোডনে পড়ে অ্যামিনো অ্যাসিড জুড়ে প্রোটিন বানানো
আরএনএ পলিমারেজযে এনজাইম ডিএনএ ছাঁচ ধরে ক্ষারক জোড়া মিলিয়ে আরএনএ বানায়
টেমপ্লেট সূত্রডিএনএর যে সূত্র আরএনএ পলিমারেজ সত্যিই পড়ে (অ্যান্টিসেন্স সূত্রও বলে)
কোডিং সূত্রডিএনএর অপর সূত্র। এর ক্রম mRNA-র মতো, শুধু mRNA-তে যেখানে U এখানে সেখানে T (সেন্স সূত্রও বলে)
mRNAমেসেঞ্জার আরএনএ, জিনের কাজের কপি যা বার্তাটা রাইবোসোমে নিয়ে যায়
tRNAট্রান্সফার আরএনএ, ছোট অ্যাডাপ্টর, এক প্রান্তে অ্যান্টিকোডন আর অন্য প্রান্তে অ্যামিনো অ্যাসিড
rRNA ও রাইবোসোমরাইবোসোমাল আরএনএ আর প্রোটিন মিলে রাইবোসোম, যে যন্ত্র mRNA পড়ে অ্যামিনো অ্যাসিড জোড়ে
কোডনmRNA-র পরপর তিনটি ক্ষারক, যা একটি অ্যামিনো অ্যাসিড বা একটি থামার সংকেত বোঝায়
অ্যান্টিকোডনtRNA-র তিনটি ক্ষারক, যা mRNA-র কোডনের সঙ্গে জোড় বাঁধে
সূচনা কোডনAUG, এটি একই সঙ্গে মিথিওনিন (Met)-এর কোডন। অনুবাদ প্রথম AUG থেকে শুরু হয়
সমাপ্তি কোডনUAA, UAG বা UGA। এদের জন্য কোনো tRNA নেই, তাই শৃঙ্খল ছাড়া পায়
পলিপেপটাইডপেপটাইড বন্ধনে জোড়া অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল। প্রোটিন হলো এক বা একাধিক ভাঁজ করা পলিপেপটাইড
মিউটেশন (পরিব্যক্তি)ডিএনএ ক্রমে বদল, যা প্রোটিন বদলাতেও পারে, নাও পারে

ধাপ ১: ট্রান্সক্রিপশন, ধাপে ধাপে

ইউক্যারিওটিক কোষে ট্রান্সক্রিপশন ঘটে নিউক্লিয়াসের ভেতরে (ব্যাকটেরিয়ায় নিউক্লিয়াস নেই, তাই সেখানে ডিএনএর পাশেই সাইটোপ্লাজমে ঘটে)। ফলাফল একটি আরএনএ অণু, যার ক্রম জিন ঠিক করে দেয়। অ্যানিমেশনে যে ক্রমে দেখছ, সেই ক্রমেই ধাপগুলো দেওয়া হলো।

ধাপ ১: আরএনএ পলিমারেজ শুরুর জায়গা খুঁজে পায়

জিনের শুরুতে প্রোমোটার নামের ডিএনএ অংশে আরএনএ পলিমারেজ বসলে জিনটি “চালু” হয়। ইউক্যারিওটে ট্রান্সক্রিপশন ফ্যাক্টর নামের সহায়ক প্রোটিন তাকে সেখানে পৌঁছে দেয়। এনজাইমটি তখন দ্বিসূত্রক হেলিক্সের কয়েকটি ক্ষারক-পরিমাণ ছোট একটি অংশ খুলে ফেলে, যাতে টেমপ্লেট সূত্র উন্মুক্ত হয়।

ধাপ ২: পলিমারেজ টেমপ্লেট পড়ে mRNA বানায়

আরএনএ পলিমারেজ টেমপ্লেট সূত্র ধরে এগোয় আর প্রতিটি টেমপ্লেট ক্ষারকের বিপরীতে একটি মুক্ত আরএনএ নিউক্লিওটাইড বসায়। জোড়ার নিয়ম ডিএনএর মতোই, শুধু একটা বদল: A জোড় বাঁধে U-এর সঙ্গে (T-এর সঙ্গে নয়), T জোড় বাঁধে A-এর সঙ্গে, G জোড় বাঁধে C-এর সঙ্গে আর C জোড় বাঁধে G-এর সঙ্গে।

দিকটা খুব জরুরি, আর এই জায়গাতেই ছাত্রছাত্রীরা নম্বর হারায়। পলিমারেজ টেমপ্লেট সূত্র পড়ে 3′→5′ দিকে, আর নতুন আরএনএ গড়ে 5′→3′ দিকে, প্রতিটি নতুন নিউক্লিওটাইড বসে 3′ প্রান্তে। তাই অ্যানিমেশনে টেমপ্লেটের গায়ে 3′→5′ লেখা, আর mRNA ডানদিকে বাড়ে।

ফলে তৈরি হয় এমন সূত্র, যা কোডিং সূত্রের হুবহু ক্ষারক-নকল, শুধু প্রতিটি T লেখা হয় U হিসেবে। পরীক্ষার জন্য এতে একটা দ্রুত শর্টকাট মেলে: mRNA লিখতে হলে কোডিং সূত্র টুকে T-এর জায়গায় U বসাও, জোড় মেলাতে হবে না।

টেমপ্লেট 3′→5′: CCTACCTTTCGAAAGGTATTনমুনা ১, যে সূত্র আরএনএ পলিমারেজ পড়ে

mRNA 5′→3′: GGAUGGAAAGCUUUCCAUAAপ্রতিটি ক্ষারক ঠিক ওপরের টেমপ্লেট ক্ষারকের জোড়া

ধাপ ৩: পলিমারেজ টার্মিনেটরে পৌঁছায়

জিনের শেষে টার্মিনেটর অংশ এনজাইমকে ছেড়ে দিতে বলে। mRNA খসে যায় আর ডিএনএ হেলিক্সটি আবার জোড়া লেগে যায়। একই জিন বারবার ট্রান্সক্রাইব হতে পারে, আর একই সময়ে অনেক পলিমারেজ তার ওপর কাজ করতে পারে, তাই জিনের একটিমাত্র কপি থেকেই কোষ প্রচুর mRNA বানিয়ে ফেলে।

ধাপ ৪: ইউক্যারিওটে বেরোনোর আগে বার্তা সম্পাদনা হয়

আমাদের কোষে প্রথম আরএনএ কপিটি (প্রি-mRNA) সম্পাদিত হয়। 5′ প্রান্তে একটি সুরক্ষা ক্যাপ বসে, 3′ প্রান্তে অনেকগুলো A নিউক্লিওটাইডের লেজ (পলি-A টেইল) যুক্ত হয়, আর ইন্ট্রন নামের অ-কোডিং অংশগুলো কেটে বাদ দিয়ে এক্সন নামের কোডিং অংশগুলো জোড়া হয়। একে স্প্লাইসিং বলে। তারপরই পরিণত mRNA নিউক্লিয়ার ছিদ্র দিয়ে বেরোয়।

ব্যাকটেরিয়া এসবের কিছুই করে না। তাদের নিউক্লিয়াস নেই, বেশির ভাগ জিনে ইন্ট্রনও নেই, তাই পলিমারেজ mRNA বানাতে বানাতেই রাইবোসোম সেটা পড়া শুরু করতে পারে। সিমুলেশন ব্যাপারটা সহজ রেখেছে: ছোট জিনটাকে সে তৈরি কোডিং ক্রম ধরে নেয়, সম্পাদনা বাদ দেয়।

জেনেটিক কোড: ৬৪ শব্দের অভিধান

জেনেটিক কোড হলো সেই নিয়ম, যা কোডনকে অ্যামিনো অ্যাসিডে রূপান্তর করে। কোডন তিনটি ক্ষারকের, তাই মোট কোডন ৪ × ৪ × ৪ = ৬৪টি। এদের মধ্যে ৬১টি অ্যামিনো অ্যাসিডের কোডন আর ৩টি সমাপ্তি কোডন। অ্যানিমেশনের নিচের সারণিটাই স্ট্যান্ডার্ড কোড, আর যে কোডন এখন পড়া হচ্ছে সেটা রঙিন করে দেখায়।

সারণি পড়ার নিয়ম: কোডনের প্রথম ক্ষারক বাঁ দিকের কলামে, দ্বিতীয় ক্ষারক ওপরের সারিতে খোঁজো, তারপর ঘরের ভেতরের চার লাইন থেকে তৃতীয় ক্ষারক বেছে নাও। যেমন AUG হলো A সারি, U কলাম, তৃতীয় লাইন G, আর সেখানে লেখা Met।

পরীক্ষায় প্রতিবার যে বৈশিষ্ট্যগুলো জানতে চাওয়া হয়, সেগুলো এই:

  • এটি ত্রিক কোড (ট্রিপলেট কোড): তিনটি ক্ষারক মিলে একটি কোডন।
  • এটি অপ্রয়োজনীয়তা-যুক্ত (ডিজেনারেট): বেশির ভাগ অ্যামিনো অ্যাসিডের একাধিক কোডন আছে। Leu, Ser ও Arg-এর প্রতিটির ৩টি করে, আর Met ও Trp-এর মাত্র একটি।
  • এটি দ্ব্যর্থহীন: একটি কোডন সব সময় একই অ্যামিনো অ্যাসিডকে বোঝায়, কখনো দুটিকে নয়।
  • এটি অধিক্রমণহীন এবং কমাহীন: বার্তাটা নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু থেকে তিন ক্ষারক করে পড়া হয়, মাঝে কোনো ফাঁক নেই।
  • এর আছে সূচনা আর সমাপ্তি: AUG অনুবাদ শুরু করে (আর Met-এর কোডনও), আর UAA, UAG, UGA অনুবাদ শেষ করে।
  • এটি প্রায় সর্বজনীন: ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ আর মানুষ একই সারণি ব্যবহার করে, শুধু মাইটোকন্ড্রিয়ার মতো কয়েকটি ছোট ব্যতিক্রম আছে। সেই কারণেই মানুষের জিন ব্যাকটেরিয়ার ভেতরেও কাজ করে।
অ্যামিনো অ্যাসিড৩ অক্ষর১ অক্ষরকোডন সংখ্যাকোন কোডন
অ্যালানিনAlaA৪GCU GCC GCA GCG
আর্জিনিনArgR৬CGU CGC CGA CGG AGA AGG
অ্যাসপারাজিনAsnN২AAU AAC
অ্যাসপার্টিক অ্যাসিডAspD২GAU GAC
সিস্টেইনCysC২UGU UGC
গ্লুটামিনGlnQ২CAA CAG
গ্লুটামিক অ্যাসিডGluE২GAA GAG
গ্লাইসিনGlyG৪GGU GGC GGA GGG
হিস্টিডিনHisH২CAU CAC
আইসোলিউসিনIleI৩AUU AUC AUA
লিউসিনLeuL৬UUA UUG CUU CUC CUA CUG
লাইসিনLysK২AAA AAG
মিথিওনিনMetM১AUG
ফিনাইলঅ্যালানিনPheF২UUU UUC
প্রোলিনProP৪CCU CCC CCA CCG
সেরিনSerS৬UCU UCC UCA UCG AGU AGC
থ্রিওনিনThrT৪ACU ACC ACA ACG
ট্রিপটোফ্যানTrpW১UGG
টাইরোসিনTyrY২UAU UAC
ভ্যালিনValV৪GUU GUC GUA GUG

ধাপ ২: ট্রান্সলেশন, ধাপে ধাপে

ট্রান্সলেশন ঘটে সাইটোপ্লাজমের রাইবোসোমে। রাইবোসোমের দুটি অংশ: ছোট সাবইউনিট আর বড় সাবইউনিট। দুইয়ের মাঝে tRNA বসার তিনটি জায়গা আছে: A সাইট (যেখানে নতুন tRNA আসে), P সাইট (যেখানে ক্রমবর্ধমান শৃঙ্খলসহ tRNA থাকে) আর E সাইট (বেরোনোর পথ)। অ্যানিমেশনে রাইবোসোমের গায়ে P ও A সাইট লেখা আছে।

শুরুর আগে: tRNA-তে অ্যামিনো অ্যাসিড বোঝাই

tRNA হলো ছোট ভাঁজ-করা আরএনএ, এক প্রান্তে অ্যান্টিকোডন লুপ আর অন্য প্রান্তে অ্যামিনো অ্যাসিড লাগানোর জায়গা। অ্যামিনোঅ্যাসিল-tRNA সিন্থেটেজ নামের এনজাইম ATP খরচ করে প্রতিটি tRNA-তে সঠিক অ্যামিনো অ্যাসিডটি বসায়। জেনেটিক কোডের নিয়ম আসলে এখানেই কার্যকর হয়, কারণ অ্যামিনো অ্যাসিডটি এখানেই অ্যান্টিকোডনের সঙ্গে মেলানো হয়।

অ্যান্টিকোডন কোডনের সঙ্গে ক্ষারক ধরে ধরে জোড় বাঁধে, কিন্তু সূত্র দুটি প্রতিসমান্তরাল। তাই 5′→3′ দিকে পড়া কোডন AUG-এর অ্যান্টিকোডন 5′→3′ দিকে পড়লে CAU, আর কোডনের নিচে সাজিয়ে (3′→5′) লিখলে UAC। অ্যানিমেশন অ্যান্টিকোডন সাজিয়ে আঁকে, পাশে 3′ ও 5′ চিহ্নসহ।

সূচনা: AUG খুঁজে পাওয়া

ছোট রাইবোসোমীয় সাবইউনিট mRNA-তে বসে এগোতে এগোতে প্রথম AUG খুঁজে নেয়। মিথিওনিন (Met) বহনকারী সূচনা tRNA সেই AUG-এর সঙ্গে জোড় বাঁধে, আর বড় সাবইউনিট এসে আটকে যায়। এখন Met-tRNA বসে আছে P সাইটে, আর পরের কোডন A সাইটে উন্মুক্ত।

নমুনা ১-এ বার্তার শুরুতে একটি ছোট লিডার (GG) আছে আর প্রথম AUG ৩ নম্বর ক্ষারক থেকে। সেজন্যই অ্যানিমেশনে কিছু বানানোর আগে রাইবোসোম একটু সরে যায়। AUG-এর আগের ক্ষারকগুলো কখনো অনূদিত হয় না।

দীর্ঘায়ণ: তিন তালের চক্র

AUG-এর পরের প্রতিটি কোডনের জন্য দীর্ঘায়ণে তিন তালের একটি চক্র একবার চলে। প্রথম তাল: A সাইটের কোডনের সঙ্গে অ্যান্টিকোডন মেলে এমন tRNA এসে বসে। দ্বিতীয় তাল: পেপটাইড বন্ধন তৈরি হয়, ক্রমবর্ধমান শৃঙ্খল নতুন অ্যামিনো অ্যাসিডে সরে যায়, আর এই বিক্রিয়া ঘটায় বড় সাবইউনিটের rRNA নিজেই। তৃতীয় তাল: রাইবোসোম mRNA বরাবর তিন ক্ষারক এগিয়ে যায় (স্থানান্তর, ট্রান্সলোকেশন)। খালি tRNA বেরিয়ে যায়, শৃঙ্খলসহ tRNA P সাইটে চলে আসে, আর A সাইটে নতুন কোডন অপেক্ষা করে।

ঠিকঠাক মেলানো আর সরার শক্তি আসে প্রধানত GTP থেকে। শৃঙ্খল বাড়ে তার অ্যামিনো প্রান্ত (N-প্রান্ত) থেকে কার্বক্সিল প্রান্তের (C-প্রান্ত) দিকে, প্রতি কোডনে একটি করে অ্যামিনো অ্যাসিড।

সমাপ্তি: যে কোডনের ডাকে কেউ সাড়া দেয় না

সমাপ্তি কোডন (UAA, UAG বা UGA) A সাইটে পৌঁছালে তার সঙ্গে মেলে এমন কোনো tRNA নেই। তার বদলে রিলিজ ফ্যাক্টর নামের একটি প্রোটিন A সাইটে ঢোকে। সে রাইবোসোমকে দিয়ে শেষ tRNA থেকে তৈরি শৃঙ্খলটাকে কেটে ছাড়িয়ে দেয়, আর সাবইউনিট দুটি আলাদা হয়ে যায়, অন্য mRNA-তে আবার শুরু করার জন্য তৈরি।

মুক্ত পলিপেপটাইড তারপর ভাঁজ হয়ে ত্রিমাত্রিক কাজের আকার নেয়, কখনো অন্য প্রোটিনের সাহায্যে, আর দরকারে ছেঁটে বা বদলে নেওয়া হয়। একই mRNA-কে অনেক রাইবোসোম একসাথে, একটার পেছনে আরেকটা, পড়তে পারে; এই গুচ্ছের নাম পলিসোম।

মিউটেশন: একটা ভুল অক্ষরে কী হয়

পয়েন্ট মিউটেশনে জিনের একটি ক্ষারক আরেকটিতে বদলে যায়। কোড অপ্রয়োজনীয়তা-যুক্ত বলে প্রোটিনে কী প্রভাব পড়বে তা নির্ভর করে কোন কোডনটা বদলাল আর সেটা কিসে পরিণত হলো তার ওপর। প্রতিটি সিলেবাসে তিন রকম ফলের নাম আছে।

  • নীরব মিউটেশন (silent): নতুন কোডনটিও একই অ্যামিনো অ্যাসিডের, তাই প্রোটিন বদলায় না। তৃতীয় ক্ষারকের বদল প্রায়ই নীরব হয়।
  • ভুল অর্থ মিউটেশন (missense): নতুন কোডন অন্য অ্যামিনো অ্যাসিডের, তাই প্রোটিনে একটি অবশিষ্ট (residue) বদলে যায়। প্রোটিন কম ভালো, সমান বা বিরল ক্ষেত্রে বেশি ভালো কাজ করতে পারে।
  • অর্থহীন মিউটেশন (nonsense): নতুন কোডন একটি সমাপ্তি কোডন, তাই অনুবাদ আগেভাগেই থামে আর প্রোটিন ছোট হয়ে যায়। সাধারণত এটাই সবচেয়ে ক্ষতিকর।
জিনে পরিবর্তনকোডনে পরিবর্তনপ্রোটিনে ফল
নমুনা ২-এর ২৩ নম্বর ক্ষারক হয় AGAG → GAA (Glu → Glu)নীরব: Met-Val-His-Leu-Thr-Pro-Glu-Glu
নমুনা ২-এর ২২ নম্বর ক্ষারক হয় TGAG → GUG (Glu → Val)ভুল অর্থ: Met-Val-His-Leu-Thr-Pro-Val-Glu
নমুনা ২-এর ২১ নম্বর ক্ষারক হয় TGAG → UAG (Glu → সমাপ্তি)অর্থহীন: Met-Val-His-Leu-Thr-Pro
নমুনা ২-এর ৩ নম্বর ক্ষারক হয় CAUG → CUG (সূচনা কোডন হারাল)AUG আর নেই, তাই কিছুই অনূদিত হয় না

সিমুলেশনে নিজে চেষ্টা করো

প্রতিটি পরীক্ষায় প্রায় এক মিনিট লাগে। আগে অনুমান করো, তারপর মিলিয়ে দেখো।

  • নমুনা ১ একবার শুরু থেকে শেষ চলতে দাও। mRNA-টা আর পাঁচটি অ্যামিনো অ্যাসিড খাতায় লিখে পরিমাপ প্যানেলের সঙ্গে মেলাও।
  • নমুনা ১-এ “ধাপ” স্লাইডার টেনে সেই মুহূর্তে যাও, যখন শৃঙ্খলে শুধু Met আছে। mRNA-র কয়টি ক্ষারক কখনো অনূদিত হয়নি, আর কেন?
  • “নিজে লেখো” বেছে CCCGGGAAATTT টাইপ করো। এই mRNA-তে AUG নেই। রাইবোসোম কী করে, আর পরিমাপ প্যানেল কী বলে?
  • সমাপ্তি কোডন ছাড়া ATGAAATTTGGG লেখো। শৃঙ্খল বানানো হয়, কিন্তু অবস্থা লাইনে লেখা আসে সমাপ্তি কোডন পাওয়া যায়নি। আসল কোষে এতে কী গোলমাল হতো?
  • নমুনা ২-এ মিউটেশনের বাক্সে টিক দিয়ে অবস্থান ২২, ক্ষারক T দাও। ফলের লাইনটা পড়ো। তারপর অবস্থান ২৩ আর A, এবং অবস্থান ২১ আর T দিয়ে দেখে তিনটি তুলনা করো।
  • নমুনা ৩-এ শৃঙ্খলের দুটি Leu খুঁজে বের করো আর দেখো প্রতিটি কোন কোডন থেকে এসেছে। একই অ্যামিনো অ্যাসিড, আলাদা কোডন: পর্দায় ডিজেনারেসি।
  • নমুনা ১-এ ৬ নম্বর ক্ষারক T করে দাও আর দেখো Met-এর পরেই শৃঙ্খল থেমে যায়। ফলের লাইনে এটিকে বলা হবে nonsense।

সমাধান করা সমস্যা, সিমুলেশনের কোড থেকেই গণনা করা

নিচের প্রতিটি ক্রম আর প্রতিটি সংখ্যা অ্যানিমেশন চালানো সেই একই কোডন সারণি থেকে বের করা, তাই উত্তর কখনো অ্যানিমেশনের সঙ্গে গরমিল হবে না।

সমস্যা ১: টেমপ্লেট থেকে প্রোটিন (নমুনা ১)

একটি জিনের কোডিং সূত্র 5′-GGATGGAAAGCTTTCCATAA-3′। টেমপ্লেট সূত্র, mRNA আর প্রোটিন লেখো।

ধাপ ১, টেমপ্লেট হলো কোডিং সূত্রের পরিপূরক, 3′→5′ দিকে সাজিয়ে: CCTACCTTTCGAAAGGTATT। ধাপ ২, mRNA হলো কোডিং সূত্রে T-এর জায়গায় U: GGAUGGAAAGCUUUCCAUAA। ধাপ ৩, প্রথম AUG খোঁজো; এটি ৩ নম্বর ক্ষারক থেকে শুরু। ধাপ ৪, তিন-তিনটি করে পড়ো: AUG GAA AGC UUU CCA UAA। শেষেরটি সমাপ্তি কোডন, তাই প্রোটিনে ৫টি অ্যামিনো অ্যাসিড।

উত্তর: Met-Glu-Ser-Phe-Pro।

কোডন নংকোডনঅ্যান্টিকোডন 3′→5′অ্যান্টিকোডন 5′→3′অ্যামিনো অ্যাসিড
১AUGUACCAUMet
২GAACUUUUCGlu
৩AGCUCGGCUSer
৪UUUAAAAAAPhe
৫CCAGGUUGGPro
৬UAAAUUUUAStop

সমস্যা ২: টেমপ্লেট দেওয়া আছে 5′→3′ দিকে

বইয়ে টেমপ্লেট সূত্র লেখা আছে 5′-TCAAACTAATCTCGAAAGCATG-3′। mRNA বের করো।

পলিমারেজ টেমপ্লেট পড়ে 3′→5′ দিকে, তাই আগে সূত্রটা উল্টে নাও: 3′-GTACGAAAGCTCTAATCAAACT-5′। এবার প্রতিটি ক্ষারকের জোড়া বসাও: A→U, T→A, G→C, C→G। mRNA হলো 5′-CAUGCUUUCGAGAUUAGUUUGA-3′। কোডিং সূত্র 5′-CATGCTTTCGAGATTAGTTTGA-3′-এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখো: ওটাই, শুধু T-এর জায়গায় U।

প্রথম AUG থেকে পড়লে কোডনগুলো AUG CUU UCG AGA UUA GUU UGA, ফল Met-Leu-Ser-Arg-Leu-Val (৬টি অ্যামিনো অ্যাসিড, শেষে UGA)।

টেমপ্লেট 5′→3′ উল্টাও → পরিপূরক → mRNA 5′→3′দুটো ধাপের ক্রম বদলালে চলবে না

সমস্যা ৩: কয়টি কোডন, কয়টি অ্যামিনো অ্যাসিড?

একটি mRNA-র কোডিং অংশ, AUG থেকে সমাপ্তি কোডন পর্যন্ত, ১,২০০টি নিউক্লিওটাইড লম্বা। কয়টি কোডন আর কয়টি অ্যামিনো অ্যাসিড?

কোডন = ১,২০০ ÷ 3 = ৪০০টি। এর একটি সমাপ্তি কোডন, যার কোনো অ্যামিনো অ্যাসিড নেই, তাই প্রোটিনে ৩৯৯টি অ্যামিনো অ্যাসিড।

উল্টো প্রশ্ন: ১৫০টি অ্যামিনো অ্যাসিডের প্রোটিনের জন্য লাগে ১৫০টি কোডন আর ১টি সমাপ্তি কোডন = ১৫১টি কোডন = অন্তত ৪৫৩টি নিউক্লিওটাইড।

কোডন = ক্ষারক ÷ 3

অ্যামিনো অ্যাসিড = কোডন − ১সমাপ্তি কোডনের কোনো অ্যামিনো অ্যাসিড নেই

সমস্যা ৪: গ্লোবিন জিনে তিনটি মিউটেশন

নমুনা ২ হলো মানুষের β-গ্লোবিন জিনের শুরুর অংশ, শেষে একটি সমাপ্তি কোডন জুড়ে দেওয়া যাতে সিমুলেশন শেষ হতে পারে। এর প্রোটিন শুরু হয় Met-Val-His-Leu-Thr-Pro-Glu-Glu দিয়ে। প্রথম GAG কোডনে তিনটি এক-ক্ষারক বদলের ফল একেবারে আলাদা।

২২ নম্বর ক্ষারক → T হলে GAG হয়ে যায় GUG আর শৃঙ্খল হয় Met-Val-His-Leu-Thr-Pro-Val-Glu: এটি missense পরিবর্তন (Glu-এর জায়গায় Val), সিকল-সেল মিউটেশন। ২৩ নম্বর → A হলে GAG হয় GAA আর শৃঙ্খল থাকে Met-Val-His-Leu-Thr-Pro-Glu-Glu: silent। ২১ নম্বর → T হলে GAG হয় UAG, মানে থামো, আর শৃঙ্খল ৬টি অ্যামিনো অ্যাসিডেই (Met-Val-His-Leu-Thr-Pro) থেমে যায়: nonsense।

সমস্যা ৫: কোড কতটা ক্ষমাশীল?

প্রতিটি কোডনে ৯ রকম এক-ক্ষারক বদল হতে পারে (৩টি অবস্থান × অন্য ৩টি ক্ষারক)। GAG (Glu)-এর ক্ষেত্রে ৯টির মধ্যে ১টি নীরব, ৭টি ভুল অর্থ আর ১টি অর্থহীন। GGU (Gly)-এর ক্ষেত্রে ৯টির মধ্যে ৩টি নীরব, কারণ চারটি Gly কোডনেরই প্রথম দুটি ক্ষারক এক, আর ৬টি ভুল অর্থ।

Trp (UGG) ঠিক উল্টো: ০টি নীরব, ৭টি ভুল অর্থ আর ২টি অর্থহীন। যে অ্যামিনো অ্যাসিডের একটিমাত্র কোডন, সে চার-কোডনের পরিবারের চেয়ে অনেক বেশি ঝুঁকিতে।

সমস্যা ৬: কোড তিন অক্ষরের কেন?

কোডন এক ক্ষারকের হলে কোডন থাকত মাত্র ৪টি। দুই ক্ষারকের হলে ১৬টি, যা ২০টি অ্যামিনো অ্যাসিডের চেয়ে কম। তিন ক্ষারকে পাওয়া যায় ৬৪টি, যা ২০টি অ্যামিনো অ্যাসিড আর সমাপ্তি সংকেতের জন্য যথেষ্ট, উপরন্তু কিছু বাড়তিও থাকে। সেই বাড়তি ধারণক্ষমতার কারণেই কোড ডিজেনারেট।

সারণি গুনে দেখো: ২টি অ্যামিনো অ্যাসিডের কোডন ১টি, ৯টির ২টি, ১টির ৩টি, ৫টির ৪টি আর ৩টির ৬টি। যাচাই: ২ × ১ + ৯ × ২ + ১ × ৩ + ৫ × ৪ + ৩ × ৬ = ৬১।

সাধারণ ভুল (আর এড়ানোর উপায়)

এই ভুলগুলোতে প্রতিবছরই নম্বর কাটা যায়। শুধু ভুলটা নয়, সমাধানটাও মুখস্থ রাখো।

  • mRNA লিখতে কোডিং সূত্রের বদলে টেমপ্লেট টুকে ফেলা। সমাধান: mRNA কোডিং সূত্রের মতো (T-এর জায়গায় U), আর টেমপ্লেটের সঙ্গে জোড় বাঁধে।
  • আরএনএ ক্রমে T রেখে দেওয়া। সমাধান: আরএনএ-তে T থাকে না, সব জায়গায় U লেখো।
  • 5′→3′ দিকে দেওয়া টেমপ্লেট না উল্টেই পড়া। সমাধান: আগে উল্টাও, তারপর জোড়া মেলাও।
  • mRNA-র প্রথম ক্ষারক থেকেই কোডন পড়া শুরু করা। সমাধান: প্রথম AUG খুঁজে সেখান থেকে পড়ো। তার আগের ক্ষারকগুলো অনূদিত হয় না।
  • সমাপ্তি কোডনকে অ্যামিনো অ্যাসিড গোনা। সমাধান: সমাপ্তি কোডন থাকলে অ্যামিনো অ্যাসিড = কোডন − ১।
  • কোডন আর অ্যান্টিকোডন গুলিয়ে ফেলা। সমাধান: কোডন থাকে mRNA-তে, অ্যান্টিকোডন থাকে tRNA-তে, আর তারা জোড় বাঁধে।
  • বলা যে tRNA কোডন বহন করে। সমাধান: সে বহন করে অ্যান্টিকোডন আর একটি অ্যামিনো অ্যাসিড।
  • ভাবা যে নীরব মিউটেশনে কিছুই বদলায় না। সমাধান: ডিএনএ বদলেছে, কিন্তু প্রোটিন বদলায়নি।

বাস্তব জীবনে এর ব্যবহার

প্রোটিন সংশ্লেষণ শুধু একটা অধ্যায় নয়। আধুনিক চিকিৎসা আর প্রযুক্তির অনেকটাই এর লক্ষ্য, আবার এর হাতিয়ারও।

ব্যাকটেরিয়ায় ইনসুলিন তৈরি

টাইপ ১ ডায়াবেটিসের রোগীরা এক সময় প্রাণীর দেহ থেকে নেওয়া ইনসুলিনের ওপর নির্ভর করতেন। এখন রোগীদের বেশির ভাগ ইনসুলিন বানায় এমন ব্যাকটেরিয়া বা ইস্ট, যার ভেতরে মানুষের ইনসুলিন জিন বসানো। পদ্ধতিটি প্রথম অনুমোদন পায় ১৯৮০-র দশকের গোড়ায়। এটা কাজ করে কারণ জেনেটিক কোড প্রায় সর্বজনীন: ব্যাকটেরিয়ার রাইবোসোম মানুষের কোডন ঠিক সেভাবেই পড়ে যেভাবে মানুষের রাইবোসোম পড়ে। ব্যাকটেরিয়া ইন্ট্রন কাটতে পারে না, তাই বিজ্ঞানীরা কাঁচা জিনের বদলে পরিণত mRNA থেকে বানানো ডিএনএ ব্যবহার করেন।

সিকল-সেল রোগ: একটি অক্ষর, একটি অ্যামিনো অ্যাসিড

সিকল-সেল রোগে β-গ্লোবিন জিনের একটিমাত্র ক্ষারক বদলে একটি Glu কোডন হয়ে যায় Val কোডন। শ’খানেকের বেশি অ্যামিনো অ্যাসিডের হিমোগ্লোবিন শৃঙ্খলে ওই একটিমাত্র বদলের জন্যই কম অক্সিজেনে হিমোগ্লোবিন জমাট বাঁধে আর লোহিত রক্তকণিকা বেঁকে যায়। পাঠ্যবইয়ের সবচেয়ে পরিচিত ভুল অর্থ মিউটেশনের উদাহরণ এটি, আর একটি অ্যামিনো অ্যাসিডের বদলে রোগ হওয়ার প্রথম দিককার চেনা ঘটনাগুলোর একটি।

যে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যাকটেরিয়ার রাইবোসোমে আঘাত করে

ব্যাকটেরিয়ার রাইবোসোম (70S) মানুষের সাইটোপ্লাজমের রাইবোসোম (80S) থেকে একটু আলাদাভাবে গড়া। বেশ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক এই পার্থক্যকে কাজে লাগায়। টেট্রাসাইক্লিন tRNA-কে A সাইটে ঢুকতে দেয় না, স্ট্রেপ্টোমাইসিনের মতো অ্যামিনোগ্লাইকোসাইড ছোট সাবইউনিটকে কোডন ভুল পড়ায়, এরিথ্রোমাইসিনের মতো ম্যাক্রোলাইড বেরোনোর সুড়ঙ্গ আটকে দেয়, আর ক্লোরামফেনিকল বন্ধন তৈরির ধাপটা বন্ধ করে। ওষুধ ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন সংশ্লেষ থামায়, আর মানুষের সাইটোপ্লাজমের রাইবোসোমকে মূলত ছেড়ে দেয়।

mRNA টিকা

mRNA টিকায় ক্ষুদ্র চর্বির কণায় মোড়া স্বল্পস্থায়ী একটি mRNA দেওয়া হয়, যাতে একটি নিরীহ ভাইরাস-প্রোটিনের নির্দেশ লেখা। তোমার নিজের রাইবোসোমই সাইটোপ্লাজমে সেটি অনুবাদ করে, ঠিক অ্যানিমেশনের দ্বিতীয় ধাপের মতো, আর রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা প্রোটিনটিকে চিনতে শেখে। mRNA নিউক্লিয়াসে ঢোকে না, তোমার ডিএনএ-তে কপি হয় না, আর কিছুক্ষণ পর কোষ নিজেই সেটি ভেঙে ফেলে।

পরীক্ষার কর্নার (HSC জীববিজ্ঞান)

এই টপিকের প্রশ্ন কয়েকটি চেনা ছাঁচে আসে। বড় উত্তরে ধাপে ধাপে নম্বর দিয়ে লেখো আর প্রতিটি সূত্রের 5′ ও 3′ প্রান্ত চিহ্নিত করো।

  • ট্রান্সক্রিপশন, ট্রান্সলেশন, কোডন ও অ্যান্টিকোডনের সংজ্ঞা (প্রতিটি ১ বা ২ নম্বর)।
  • ডিএনএ সূত্র দিয়ে mRNA আর অ্যামিনো অ্যাসিড ক্রম বের করা, কোডন সারণি দেখে (সবচেয়ে চেনা গাণিতিক প্রশ্ন)।
  • ট্রান্সক্রিপশন বা ট্রান্সলেশনের ধাপগুলো বর্ণনা, সাধারণত ৪ থেকে ৬ পয়েন্টে।
  • ডিএনএ ও আরএনএ-র পার্থক্য, বা mRNA, tRNA ও rRNA-র তুলনা, ছকে।
  • জেনেটিক কোডের বৈশিষ্ট্য (ত্রিক, ডিজেনারেট, দ্ব্যর্থহীন, অধিক্রমণহীন, প্রায় সর্বজনীন)।
  • দেওয়া মিউটেশনকে নীরব, ভুল অর্থ বা অর্থহীন হিসেবে চিহ্নিত করে কোডন দিয়ে যুক্তি দেওয়া।
আরএনএ-র ধরনআকার ও কাজকোথায় কাজ করে
mRNAলম্বা একসূত্রক, একটি জিনের ক্রম বহন করেনিউক্লিয়াসে তৈরি, সাইটোপ্লাজমে পড়া হয়
tRNAছোট ভাঁজ-করা অ্যাডাপ্টর, অ্যান্টিকোডন ও অ্যামিনো অ্যাসিডের বাহু আছেসাইটোপ্লাজমে, রাইবোসোমে
rRNAরাইবোসোমের মূল কাঠামো, পেপটাইড বন্ধন তৈরিতে অনুঘটকরাইবোসোমের ভেতরে

দ্রুত পুনরাবৃত্তি

পরীক্ষার আগের রাতে এটুকু একবার পড়ে নাও।

  • সেন্ট্রাল ডগমা: ডিএনএ → আরএনএ → প্রোটিন।
  • ট্রান্সক্রিপশন: আরএনএ পলিমারেজ টেমপ্লেট পড়ে 3′→5′ দিকে, mRNA গড়ে 5′→3′ দিকে, জোড়া A–U, T–A, G–C, C–G।
  • mRNA-র ক্রম কোডিং সূত্রের মতো, শুধু T-এর জায়গায় U।
  • ইউক্যারিওটের প্রি-mRNA-তে ক্যাপ, পলি-A টেইল আর স্প্লাইসিং হওয়ার পর সেটি নিউক্লিয়াস ছাড়ে।
  • কোডন মোট ৬৪টি: ৬১টি অ্যামিনো অ্যাসিডের, ৩টি সমাপ্তি। AUG একসাথে সূচনা কোডন এবং Met।
  • tRNA অ্যামিনো অ্যাসিড আনে আর অ্যান্টিকোডন দিয়ে জোড় বাঁধে।
  • ট্রান্সলেশন: সূচনা (AUG খোঁজা), দীর্ঘায়ণ (আসা, বন্ধন, সরা), সমাপ্তি (সমাপ্তি কোডন ও রিলিজ ফ্যাক্টর)।
  • নীরব, ভুল অর্থ ও অর্থহীন হলো পয়েন্ট মিউটেশন প্রোটিনের কী করে তার নাম।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সহজ কথায় প্রোটিন সংশ্লেষণ কী?

প্রোটিন সংশ্লেষণ হলো কোষ যেভাবে জিনের নির্দেশ থেকে প্রোটিন বানায়। প্রথমে জিনটি mRNA-তে কপি হয় (ট্রান্সক্রিপশন)। তারপর রাইবোসোম mRNA-র তিনটি করে ক্ষারক পড়ে, tRNA মিলে যাওয়া অ্যামিনো অ্যাসিড এনে দেয়, আর সেগুলো পরপর জুড়ে যায় (ট্রান্সলেশন), সমাপ্তি কোডনে শৃঙ্খল থামা পর্যন্ত।

ট্রান্সক্রিপশন ও ট্রান্সলেশনের পার্থক্য কী?

ট্রান্সক্রিপশনে নিউক্লিয়াসে জিনের আরএনএ কপি তৈরি হয়, অর্থাৎ ডিএনএ থেকে আরএনএ। ট্রান্সলেশনে সাইটোপ্লাজমের রাইবোসোমে সেই mRNA ব্যবহার করে প্রোটিন তৈরি হয়, অর্থাৎ আরএনএ থেকে প্রোটিন। ট্রান্সক্রিপশন একই ক্ষারকের ভাষায় তথ্য কপি করে, আর ট্রান্সলেশন তাকে অ্যামিনো অ্যাসিডের ভাষায় রূপান্তর করে।

কোডন ও অ্যান্টিকোডনের পার্থক্য কী?

কোডন হলো mRNA-র তিনটি ক্ষারকের দল, যা একটি অ্যামিনো অ্যাসিড বা একটি সমাপ্তি সংকেত বোঝায়। অ্যান্টিকোডন হলো tRNA-র তিন ক্ষারকের দল, যা সেই কোডনের সঙ্গে জোড় বাঁধে। কোডন AUG-এর অ্যান্টিকোডন 5′-CAU-3′, কোডনের নিচে সাজিয়ে (3′→5′) আঁকলে যা UAC।

mRNA কেন কোডিং সূত্রের মতো, টেমপ্লেটের মতো নয়?

আরএনএ পলিমারেজ টেমপ্লেট সূত্রের সঙ্গে জোড় বাঁধিয়ে mRNA বানায়, তাই mRNA টেমপ্লেটের পরিপূরক। কোডিং সূত্রও টেমপ্লেটের পরিপূরক, তাই দুটির ক্রম একই, শুধু আরএনএ-তে যেখানে U ডিএনএ-তে সেখানে T।

অনুবাদ কেন AUG থেকে শুরু হয়?

AUG হলো সূচনা কোডন। মিথিওনিন বহনকারী সূচনা tRNA তার সঙ্গে জোড় বাঁধে আর রাইবোসোম সেখানেই তার পড়ার কাঠামো ঠিক করে। AUG থেকে সমাপ্তি কোডন পর্যন্ত প্রতিবার তিন ক্ষারক করে পড়া হয়, তাই কাঠামো স্থির থাকে। প্রথম AUG-এর আগের ক্ষারক অনূদিত হয় না।

সমাপ্তি কোডনে কী ঘটে?

UAA, UAG ও UGA-র সঙ্গে মেলে এমন কোনো tRNA নেই। তার বদলে একটি রিলিজ ফ্যাক্টর A সাইটে ঢোকে, তৈরি পলিপেপটাইড কেটে মুক্ত হয় আর রাইবোসোমের সাবইউনিট আলাদা হয়ে যায়। সমাপ্তি কোডনের জন্য কোনো অ্যামিনো অ্যাসিড যুক্ত হয় না, তাই সমাপ্তি কোডনসহ ১০০টি কোডনের বার্তা ৯৯টি অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল বানায়।

নীরব মিউটেশন কি নিরীহ?

সাধারণত প্রোটিন বদলায় না, কারণ নতুন কোডনও একই অ্যামিনো অ্যাসিডের। আসল কোষে অবশ্য স্প্লাইসিং বা অনুবাদের গতিতে প্রভাব পড়তে পারে, কিন্তু এই টপিকের স্তরে নীরব মিউটেশন মানে যাতে অ্যামিনো অ্যাসিডের ক্রম বদলায় না।

জেনেটিক কোড কি সব জীবে একই?

প্রায়। ব্যাকটেরিয়া, উদ্ভিদ, প্রাণী আর ছত্রাক একই স্ট্যান্ডার্ড সারণি ব্যবহার করে, তাই মানুষের জিন ব্যাকটেরিয়াও পড়তে পারে। মাইটোকন্ড্রিয়া আর কিছু অণুজীবে সামান্য ব্যতিক্রম আছে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭

SSC

এসএসসি জীববিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বই

ভর্তি

গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: Climate Change (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: জলবায়ু পরিবর্তন

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা

স্কলারশিপ

চীনের CSC স্কলারশিপ

IELTS

IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)

IELTS

IELTS preparation guide (ইংরেজিতে)

বিদেশে পড়াশোনা

Academic CV for study abroad (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Dental hygienist resume example (ইংরেজিতে)

আরও জীববিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

মাইটোসিস কাকে বলে, কোষ বিভাজন কত প্রকার ও কী কী? প্রোফেজ, মেটাফেজ, অ্যানাফেজ, টেলোফেজ ও সাইটোকাইনেসিস চলমান চিত্রে দেখো, ক্রোমোজোম গোনার নিয়মসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

ব্যাপন ও অভিস্রবণ কাকে বলে, এদের মধ্যে পার্থক্য, প্লাজমোলাইসিস, রসস্ফীতি ও ইমবাইবিশন: কণার সিমুলেশনে নিজে দেখে সহজ ভাষায় শেখো, উদাহরণ ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

সালোকসংশ্লেষণ

সালোকসংশ্লেষণ কাকে বলে, সমীকরণ, আলোক ও অন্ধকার পর্যায়, ক্যালভিন চক্র, প্রভাবক ও সীমাবদ্ধ উপাদান: পাতা, হাইড্রিলা আর ক্লোরোপ্লাস্টের অ্যানিমেশনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

হৃৎপিণ্ডের চারটি প্রকোষ্ঠ, কপাটিকা, লাব-ডাব শব্দ আর চলমান ইসিজি একসাথে দেখো। দ্বিচক্রী সংবহন, হৃৎচক্র ও কার্ডিয়াক আউটপুট শেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

মেন্ডেলের সূত্র, একসংকর ও দ্বিসংকর জনন, টেস্ট ক্রস, অসম্পূর্ণ প্রকটতা, রক্তের গ্রুপ আর সন্তানের লিঙ্গ নির্ধারণ — নিজে পানেট বর্গ বানিয়ে বংশগতির অনুপাত হিসাব করে দেখো।

HSC

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

ডিএনএ রেপ্লিকেশন বা অনুলিপন কাকে বলে, অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতি, এনজাইমগুলোর কাজ আর মেসেলসন-স্টাল পরীক্ষা—সব অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও হিসাব করো।

SSC · HSC

কোষীয় শ্বসন

কোষীয় শ্বসন কাকে বলে, সবাত ও অবাত শ্বসনের পার্থক্য, গ্লাইকোলাইসিস, ক্রেবস চক্র, ইলেকট্রন প্রবাহতন্ত্র আর ATP হিসাব: মাইটোকন্ড্রিয়ার অ্যানিমেশনে নিজে দেখো ও গণনা করো।

SSC · HSC

এনজাইম ক্রিয়া

এনজাইম কী, সক্রিয় স্থান, তালা-চাবি ও আবিষ্ট মিলন মডেল, তাপমাত্রা-pH-এর প্রভাব, মিকেলিস-মেন্টেন সমীকরণ ও প্রতিবন্ধক — নিজে বদলে দেখো এনজাইম ক্রিয়ার অ্যানিমেশনে।

SSC · HSC

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

প্রান্তিক মাত্রা (−৫৫ mV) পার হলেই অ্যাকশন পটেনশিয়াল তৈরি হয়ে অ্যাক্সন বেয়ে ছোটে, তারপর সিন্যাপসে নিউরোট্রান্সমিটার নিঃসৃত হয় — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

বৃক্ক প্রতিদিন প্রায় ১৮০ লিটার রক্ত ছেঁকে মাত্র দেড় লিটার মূত্র তৈরি করে কীভাবে? গ্লোমেরুলাসে ছাঁকন, নালিকায় পুনঃশোষণ আর গ্লুকোজের প্রান্তিক মাত্রা — সিমুলেশনে নিজে চালিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

মিয়োসিস কাকে বলে, ক্রসিং ওভার কী, মাইটোসিস ও মিয়োসিসের পার্থক্য কী: 2n = 4 কোষে প্রোফেজ I থেকে টেলোফেজ II পর্যন্ত নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

পরিপাকতন্ত্র

পরিপাকতন্ত্র কী, কোন এনজাইম কোথায় কাজ করে, ভিলাই কীভাবে শোষণ করে: মুখ থেকে বৃহদান্ত্র পর্যন্ত খাদ্যের যাত্রা নিজে চালিয়ে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

মধ্যচ্ছদা, পর্শুকা আর আন্তঃপর্শুকা পেশি কীভাবে ফুসফুসে বাতাস ঢোকায় ও বের করে, চলমান চিত্রে দেখো। চাপমাপক, স্পাইরোমিটার রেখা, বেল জার মডেল আর বায়ুথলিতে গ্যাসীয় বিনিময়, সমাধানসহ।

SSC · HSC

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

রক্ত কীভাবে হৃৎপিণ্ড থেকে ফুসফুসে, দেহে আর আবার হৃৎপিণ্ডে ফেরে, চলমান চিত্রে দেখো। ফুসফুসীয় ও সিস্টেমিক সংবহন, ধমনি-শিরা-কৈশিকনালির পার্থক্য, কার্ডিয়াক আউটপুটের অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

উদ্ভিদ কোষ আর প্রাণী কোষ পাশাপাশি দেখো। নিউক্লিয়াস, মাইটোকন্ড্রিয়া, ক্লোরোপ্লাস্ট, গলজি বস্তু, রাইবোজোমসহ প্রতিটি অঙ্গাণুতে ক্লিক করে কাজ জানো। পার্থক্যের ছক, বিবর্ধনের অঙ্ক ও এসএসসি-এইচএসসির প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

গরম কিছুতে হাত ঠেকালে সংকেত কীভাবে গ্রাহক, সংবেদী নিউরন, সুষুম্নাকাণ্ড, চেষ্টীয় নিউরন হয়ে পেশিতে পৌঁছায় নিজে চালিয়ে দেখো। প্রতিবর্তের সময় (২৪.৩৩ ms) হিসাব করো, আর দেখো ব্যথা কেন পরে টের পাওয়া যায়।

SSC · HSC

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

কর্নিয়া, আইরিস, লেন্স, সিলিয়ারি পেশি, রেটিনা, পীতবিন্দু ও অন্ধবিন্দু কীভাবে কাজ করে, চলমান চিত্রে দেখো। উপযোজন, নিকট দৃষ্টি ও দূর দৃষ্টির সংশোধন, লেন্সের ক্ষমতার সমাধানসহ।

HSC

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

সারকোমিয়ারের ভেতরে অ্যাকটিন ও মায়োসিনের সরে যাওয়া দেখুন। A ব্যান্ড থাকে ১.৬ µm, I ব্যান্ড ও H অঞ্চল ছোট হয়; ক্রস-ব্রিজ চক্র, ক্যালসিয়াম ও ATP ধাপে ধাপে শিখুন।

SSC · HSC

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জাইলেম বেয়ে পানি ওঠা আর ফ্লোয়েম বেয়ে শর্করা নামা দেখুন। আলো, আর্দ্রতা ও বাতাস বদলে বাষ্পমোচনের হার হিসাব করুন (সাধারণ দিনে ৫৪.৮ g/m²/h)।

SSC · HSC

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

খাদ্যজাল তৈরি করুন, একটি প্রজাতি সরিয়ে প্রভাব দেখুন, আর শক্তি পিরামিডে ১০ % নিয়ম চালান (উৎপাদকের ১০,০০০ kJ থেকে শীর্ষে থাকে মাত্র ১ kJ)।

HSC

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

r আর ধারণক্ষমতা K টানুন এবং সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা আলাদা হতে দেখুন। r = ০.৪০ প্রতি ঘণ্টা আর K = ১,০০০ হলে কালচার প্রতি ১.৭৩ ঘণ্টায় দ্বিগুণ হয় এবং K-এর কাছে থামে।

HSC

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

কালিঝুলির মাত্রা বাড়িয়ে-কমিয়ে দেখো পাখি কোন মথ ধরে। ৮০% কালি ও ৪০% নির্বাচনে গাঢ় মথ ১০% থেকে ১৫ প্রজন্মে ৯০% ছাড়িয়ে যায়।

SSC · HSC

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

টিকা নেওয়া ও না নেওয়া ব্যক্তির অ্যান্টিবডির মাত্রা এক গ্রাফে মিলিয়ে দেখো। এই মডেলে স্মৃতির কারণে সুরক্ষা পেতে ৮.১ দিনের জায়গায় লাগে ২.৫ দিন, আর চূড়া ৫.১ গুণ ওঠে।

SSC · HSC

পরাগায়ন ও নিষেক

পরাগধানী থেকে গর্ভমুণ্ড, পরাগনালি বেয়ে ডিম্বকে পরাগরেণুর যাত্রা দেখো। দ্বিনিষেকে ১৪ ক্রোমোজোমের জাইগোট ও ২১ ক্রোমোজোমের ভ্রূণপোষ কীভাবে তৈরি হয়, তারপর বীজ ও ফল।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ