মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

প্রায় একই দুই সুর একসঙ্গে বাজালে শব্দ ঢেউয়ের মতো দোলে কেন, আর তা দিয়ে গিটার বাঁধা যায় কীভাবে?

গিটারের দুটো তার প্রায় মেলানো, কিন্তু পুরো মেলেনি। একসঙ্গে বাজালে শব্দ বারবার ফুলে ওঠে আর মিলিয়ে যায়: ও-ও-ও, ও-ও-ও। তোমার কানের কোনো দোষ নেই। সামান্য আলাদা কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ একবার তালে তাল মেলায়, একবার বেতালা হয়, আর জোরটা সেই ছন্দ ধরে ওঠানামা করে। এই পাতায় দুটো কম্পাঙ্কই বদলাতে পারবে, যোগফল আর তার এনভেলপ দেখবে, এমনকি স্পন্দনটা নিজের কানে শুনবে।

প্রথম তরঙ্গদ্বিতীয় তরঙ্গদুইয়ের যোগফলবিস্তারের খোল (এনভেলপ)এই মুহূর্তের জোর
গতি

নিয়ন্ত্রণ

৪৪০.০ Hz
৪৪৪.০ Hz
১.০০

পরিমাপ

স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂|
৪.০Hz
দুই জোর শব্দের ব্যবধান
০.২৫০s
যে সুর শোনা যায় (f₁ + f₂)/২
৪৪২.০Hz
সর্বোচ্চ বিস্তার
২.০০
সর্বনিম্ন বিস্তার
০.০০
কান কী শোনে
জোর-আস্তে স্পন্দন

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. ডিফল্ট দিয়ে শুরু: প্রথম তরঙ্গ ৪৪০ Hz আর দ্বিতীয় ৪৪৪ Hz। স্বরকম্প কম্পাঙ্ক দেখাচ্ছে ৪ Hz, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে ৪টা জোর মুহূর্ত, প্রতিটার ব্যবধান ০.২৫ s।
  2. ওপরের ছবি দেখো। এটা কয়েক মিলিসেকেন্ড বড় করে দেখাচ্ছে, তাই দুই তরঙ্গই আলাদা চোখে পড়ে: একটা থিমের রঙে, একটা অ্যাম্বার রঙে। কখনো দুটোর শীর্ষ মিলে যায়, কখনো একটার শীর্ষ আরেকটার খাদের সঙ্গে পড়ে।
  3. নিচের ছবি দেখো। এখানে পুরো এক সেকেন্ডের যোগফল। ধূসর তরঙ্গ ফুলে ওঠে আর সরু হয়, সবুজ ড্যাশ-রেখা তার এনভেলপ। নিচের সবুজ বিন্দুগুলো জোর মুহূর্ত চিহ্নিত করছে।
  4. f₂ কে f₁ এর দিকে টানো। স্বরকম্প ধীর হয়। দুই কম্পাঙ্ক হুবহু মিলে গেলে স্বরকম্প উধাও, একটাই স্থির সুর। আবার দূরে টানলে স্পন্দন দ্রুত হতে হতে ঝাপসা কর্কশ গুঞ্জনে মিশে যায়।
  5. দ্বিতীয় তরঙ্গের বিস্তার কমাও। আস্তে মুহূর্তগুলো আর পুরো নীরব থাকে না, কারণ ছোট তরঙ্গ বড়টাকে পুরোপুরি কাটতে পারে না। রিডিংয়ে সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন বিস্তার দেখা যায়।
  6. “শব্দ বাজাও” টিক দাও। তোমার ক্লিকের পরেই কম আওয়াজে সুর শুরু হয়, টিক তুললে বা পাতা ছাড়লে থেমে যায়। ৪ Hz এর দোল কানে ধরো, তারপর ১ Hz আর ১৫ Hz ও চেষ্টা করো।

আসলে কী ঘটছে

গোল মাঠে দুজন দৌড়বিদের কথা ভাবো, একজন অন্যজনের চেয়ে সামান্য দ্রুত। পাশাপাশি ছেড়ে দাও। কিছুক্ষণ একসঙ্গে ছোটে, তারপর দ্রুতজন এগিয়ে যায়, শেষে এক পাক ঘুরে আবার ধীরজনের পাশে এসে পড়ে। সামান্য আলাদা কম্পাঙ্কের তরঙ্গও ঠিক এভাবে চলে। কখনো তালে মেলে (শীর্ষের ওপর শীর্ষ) আর যোগ হয়ে বড় তরঙ্গ হয়। কখনো বেতালা (শীর্ষ আর খাদ মুখোমুখি) আর কাটাকাটি হয়ে যায়। তারপর আবার তালে ফেরে।

তালে মিললে শব্দ জোরালো। বেতালা হলে ক্ষীণ। কানে যে জোর-আস্তে স্পন্দন আসে তাকেই বলে স্বরকম্প বা বিট। এটা শব্দ, আলো, বেতার সব তরঙ্গেই হয়, কিন্তু শব্দে সহজে ধরা পড়ে, কারণ আমাদের কান ধীর জোর-কমা চমৎকার বোঝে।

স্বরকম্প আলাদা কোনো তরঙ্গ নয়। দুই কম্পাঙ্ক কাছাকাছি হলে উপরিপাতন যেমন দেখায়, এটা সেটাই।

অঙ্কটা ছোট করে

সমান আকারের দুই তরঙ্গ যোগ করো: cos(2π f₁ t) + cos(2π f₂ t)। একটা ত্রিকোণমিতিক অভেদ যোগফলকে গুণফল বানিয়ে দেয়: 2 cos(π (f₁ − f₂) t) × cos(π (f₁ + f₂) t)।

এটাকে এমন একটা তরঙ্গ ভাবো যার আকার বদলাচ্ছে। দ্রুত অংশ cos(π (f₁ + f₂) t) দোলে গড় কম্পাঙ্ক (f₁ + f₂)/২ এ। কানে এই সুরটাই আসে: ডিফল্টে ৪৪২ Hz। ধীর অংশ 2 cos(π (f₁ − f₂) t) হলো এনভেলপ। এটাই ঠিক করে দ্রুত তরঙ্গ কত বড়, আর এটা +২ থেকে −২ হয়ে ফিরে আসে প্রতি সেকেন্ডে |f₁ − f₂|/২ চক্রে।

কান বিস্তারের চিহ্ন বোঝে না, শুধু আকার বোঝে, তাই এনভেলপের প্রতি চক্রে জোর দুবার শীর্ষে ওঠে। হার দ্বিগুণ হয়ে যায়, আর স্বরকম্প কম্পাঙ্ক হয় পুরো ফারাক |f₁ − f₂|। ৪৪০ Hz আর ৪৪৪ Hz এ সেটা ৪ Hz, প্রতি ০.২৫ s এ একটা স্বরকম্প।

f(beat) = |f₁ − f₂|প্রতি সেকেন্ডে স্বরকম্পের সংখ্যা

T(beat) = 1 / |f₁ − f₂|দুই জোর মুহূর্তের ব্যবধান

f(heard) = (f₁ + f₂) / 2কানে যে সুর আসে

y = 2 cos(π(f₁ − f₂)t) cos(π(f₁ + f₂)t)সমান দুই তরঙ্গের যোগ

অসমান বিস্তার হলে

দুই তরঙ্গ ঠিক সমান হলে আস্তে মুহূর্তগুলো পুরো নীরব, তরঙ্গ পুরো কাটাকাটি হয়ে যায়। বাস্তবে উৎস কখনো ঠিক সমান হয় না। একটা বড় হলে ছোটটা তাকে কমাতে পারে, নিঃশেষ করতে পারে না। তখন এনভেলপ A₁ + A₂ (সবচেয়ে জোর) আর |A₁ − A₂| (সবচেয়ে আস্তে) এর মধ্যে দোলে।

বিস্তার ৩ আর ১ ধরো, যে কোনো একক। জোর মুহূর্তে বিস্তার ৪, আস্তে মুহূর্তে ২। শব্দের তীব্রতা বিস্তারের বর্গের সমানুপাতী, তাই জোর মুহূর্ত আস্তে মুহূর্তের (৪ ÷ ২)² = ৪ গুণ তীব্র। স্বরকম্প আছে, তবে নরম।

অ্যানিমেশনে বিস্তার স্লাইডার কমিয়ে দেখো, ড্যাশ-এনভেলপ নিচে ক্রমশ কম চেপে আসে। রিডিং প্যানেলে সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন বিস্তার আছে।

A(max) = A₁ + A₂তরঙ্গ তালে

A(min) = |A₁ − A₂|তরঙ্গ বেতালে

I(max) / I(min) = ((A₁ + A₂) / (A₁ − A₂))²তীব্রতার অনুপাত

কান ফারাকটাকে কীভাবে শোনে

স্বরকম্প কম্পাঙ্ক ঠিক করে দেয় কান কী টের পাবে। হার্জের ভগ্নাংশ ফারাকে ধীর ফোলা, কয়েক সেকেন্ডে একবার। কয়েক হার্জে স্পষ্ট দোল। মোটামুটি ১৫ Hz ছাড়ালে স্পন্দনগুলো মিশে খসখসে গুঞ্জন হয়, আর প্রায় ৪০ Hz ছাড়ালে মস্তিষ্ক দুটো আলাদা সুর শোনে। সীমাগুলো গোল সংখ্যা, মানুষে মানুষে একটু আলাদা, কিন্তু ধরনটা একই থাকে।

টেবিলে ধীর থেকে দ্রুত স্বরকম্প কম্পাঙ্ক সাজানো। দ্বিতীয় কলাম দুই জোর মুহূর্তের ব্যবধান, তৃতীয়টায় দশ সেকেন্ডে কতগুলো স্বরকম্প।

স্বরকম্প কম্পাঙ্ক (Hz)দুই স্বরকম্পের ব্যবধান (s)১০ s এ স্বরকম্পকানে কী আসে
০.৫২.০০০৫ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
১.০১.০০০১০ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
২.০০.৫০০২০ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
৪.০০.২৫০৪০ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
৮.০০.১২৫৮০ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
১৫.০০.০৬৭১৫০ধীর জোর-আস্তে স্পন্দন
৩০.০০.০৩৩৩০০খসখসে গুঞ্জন
৬০.০০.০১৭৬০০আলাদা দুটো সুর

স্বরকম্প দিয়ে গিটার বাঁধা

কোনো যন্ত্র ছাড়া গিটার বাঁধতে গিটারিস্টরা স্বরকম্প ব্যবহার করে। কৌশল: নিচু E তারটা পঞ্চম ফ্রেটে চেপে ধরো। সমমেল স্কেলে ওই সুর ওপরের খোলা A তারের সঙ্গে মিলতে হবে। চাপা তারের কম্পাঙ্ক ৮২.৪১ Hz × 2^(5/12) = ১১০.০ Hz।

দুটো একসঙ্গে বাজাও। A তার যদি ১১৩ Hz এ থাকে, ফারাক ৩.০ Hz, তাই প্রতি সেকেন্ডে ৩.০টা স্বরকম্প শোনা যাবে, প্রতিটা ০.৩৩ s অন্তর। টিউনিং পেগ আস্তে ঘোরাও, স্বরকম্প ধীর হয়। থেমে গেলে দুই তার মিলে গেছে। শেষ কয়েকটা স্বরকম্পে ধৈর্য লাগে: চার সেকেন্ডে একটা স্বরকম্প মানে ফারাক সিকি হার্জ।

পদ্ধতিটা এত কাজের কেন: কান হার্জের ভগ্নাংশ ফারাক ধীর দোল হিসেবে ধরতে পারে, অথচ পরপর বাজানো প্রায় একই দুই সুরের তফাত কখনো ধরতে পারত না। পিয়ানো টিউনারও একই কৌশল খাটায়।

একটা প্রশ্ন বাকি: পেগ কোন দিকে ঘোরাবে? তারটা সামান্য টাইট করো। স্বরকম্প দ্রুত হলে তার আগেই বেশি উঁচুতে ছিল, তাই ঢিল দাও। ধীর হলে ঠিক পথে আছ।

বেসুরো সুর কানে বাজে কেন

৪৪০ Hz এর A থেকে এক সেমিটোন ওপরের সুর ৪৬৬.২ Hz। ফারাক ২৬.২ Hz, স্বরকম্পের সীমার অনেক বাইরে, তাই এক সেমিটোন তফাতের দুই সুর স্পন্দিত না হয়ে খসখসে আর টানটান শোনায়। সুরকাররা ইচ্ছা করেই এই খসখসে ভাবটা কাজে লাগান; সেমিটোনের ঠোকাঠুকিওয়ালা কর্ডে অস্বস্তি এখান থেকেই আসে।

কোরাস বা অর্কেস্ট্রা উল্টোটা খোঁজে: একই সুরে দুই কণ্ঠের মাঝের ধীর স্বরকম্প। স্পন্দন থেমে গেলে বোঝা যায় সুর মিলেছে।

সমাধানসহ অঙ্ক

পরীক্ষার ধাঁচে পাঁচটা অঙ্ক, অ্যানিমেশনের একই ফাংশন দিয়ে।

অঙ্ক ১: ডিফল্ট মান

দুটো সুরশলাকার কম্পাঙ্ক ৪৪০ Hz আর ৪৪৪ Hz। স্বরকম্প কম্পাঙ্ক, দুই স্বরকম্পের ব্যবধান আর ১০ s এ স্বরকম্পের সংখ্যা বের করো। কানে কত কম্পাঙ্কের সুর আসবে?

স্বরকম্প কম্পাঙ্ক = |৪৪০ − ৪৪৪| = ৪ Hz। ব্যবধান = ১ ÷ ৪ = ০.২৫ s। ১০ s এ ৪০টা। কানে আসা সুর গড় কম্পাঙ্ক, ৪৪২ Hz।

অঙ্ক ২: পিয়ানো টিউনার

একজন টিউনার ৪৪০ Hz এর শলাকার সঙ্গে একটা তার বাজিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ২টা স্বরকম্প পেল। তার টাইট করলে স্বরকম্প ধীর হয়। তারটার কম্পাঙ্ক কত?

তারের কম্পাঙ্ক ৪৪০ ± ২ Hz। টাইট করলে কম্পাঙ্ক বাড়ে। তাতে স্বরকম্প ধীর হলে ফারাক কমছে, তাই তার শলাকার নিচে ছিল: ৪৩৮ Hz। দ্রুত হলে ওপরে থাকত। একসঙ্গে শুনলে সুর ৪৩৯ Hz, ১০ s এ ২০টা স্বরকম্প।

অঙ্ক ৩: শলাকায় মোম

২৫৬ Hz এর একটা শলাকা অজানা একটা শলাকার সঙ্গে বাজালে প্রতি সেকেন্ডে ৪টা স্বরকম্প হয়। অজানা শলাকায় একটু মোম লাগালে স্বরকম্প কমে প্রতি সেকেন্ডে ২টা। অজানা কম্পাঙ্ক বের করো। মোম শলাকার কম্পাঙ্ক কমায়।

মোমের আগে অজানা কম্পাঙ্ক ২৫৬ ± ৪ Hz, মানে ২৬০ Hz বা ২৫২ Hz। মোমে কম্পাঙ্ক কমে। ২৫২ Hz হলে ২৫৬ Hz থেকে আরও দূরে সরত, স্বরকম্প বাড়ত। কমেছে, তাই আগে ওপরে ছিল: ২৬০ Hz, মোমের পরে ২৫৮ Hz, ফলে ২টা স্বরকম্প।

অঙ্ক ৪: অসমান তরঙ্গ

৩ আর ১ একক বিস্তারের দুই তরঙ্গ মিলে স্বরকম্প তৈরি করে। সর্বোচ্চ আর সর্বনিম্ন বিস্তার এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তীব্রতার অনুপাত বের করো।

সর্বোচ্চ = ৩ + ১ = ৪। সর্বনিম্ন = ৩ − ১ = ২। তীব্রতার অনুপাত = (৪ ÷ ২)² = ৪।

অঙ্ক ৫: জোর থেকে আস্তে

দুই উৎস ৫০০ Hz আর ৫০৮ Hz এর সুর দিচ্ছে। একটা জোর মুহূর্ত থেকে পরের আস্তে মুহূর্ত কতক্ষণ পরে?

স্বরকম্প কম্পাঙ্ক ৮ Hz, তাই জোর মুহূর্তের ব্যবধান ০.১২৫ s। আস্তে মুহূর্ত দুই জোর মুহূর্তের ঠিক মাঝখানে, অর্থাৎ জোরের ০.০৬৩ s পরে। সুর ৫০৪ Hz, ১০ s এ ৮০টা স্বরকম্প।

যেসব ভুলে নম্বর কাটা যায়

পরীক্ষার আগে তালিকাটা মিলিয়ে নাও। প্রতিটা ভুলে কেউ না কেউ নম্বর হারিয়েছে।

  • স্বরকম্প কম্পাঙ্ককে (f₁ + f₂)/২ লেখা। ওটা কানে আসা সুর, স্বরকম্পের হার নয়।
  • এনভেলপ cos(π(f₁ − f₂)t) বলে ফারাকটাকে অর্ধেক করে ফেলা। জোর শীর্ষে ওঠে পুরো ফারাকের হারে।
  • বহু আলাদা কম্পাঙ্কের ক্ষেত্রে সূত্র খাটানো। স্বরকম্প তখনই অর্থবহ যখন দুই কম্পাঙ্ক কাছাকাছি, মোটামুটি ১৫ Hz এর মধ্যে।
  • ভুলে যাওয়া যে অসমান বিস্তারে আস্তে মুহূর্ত শূন্য হয় না, তীব্রতার অনুপাত ((A₁ + A₂)/(A₁ − A₂))²।
  • মোম বা উখা লাগানোর অঙ্কে স্বরকম্প কোন দিকে সরছে না দেখে উত্তর লেখা। মোমে শলাকার কম্পাঙ্ক কমে, উখায় বাড়ে।
  • স্বরকম্প আর অনুনাদকে এক ভাবা। অনুনাদে একটা বস্তু ধাক্কায় সাড়া দেয়, স্বরকম্পে দুই উৎস যোগ হয়।
  • ভাবা যে স্বরকম্প শুধু কানের ভেতরে হয়। বাতাসেই হয়, উপরিপাতিত তরঙ্গ হিসেবে।

আর কোথায় স্বরকম্প মেলে

বিমানের দুটো ইঞ্জিন একটু আলাদা গতিতে চললে ধীর গমগম শব্দ হয়, পাইলটরা তাকে বিট বলেন। বেতার প্রকৌশলীরা স্বরকম্প দিয়ে সংকেতকে সামলানোর মতো কম কম্পাঙ্কে নামান, আর রাডার গান পাঠানো ও ফেরত তরঙ্গের স্বরকম্প থেকে গতি মাপে।

উল্টো ছবি দেখতে চাইলে, যেখানে একই কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ উল্টো দিকে চলে স্থির নকশা বানায়, এরপর স্থির তরঙ্গের অ্যানিমেশন দেখো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

শব্দে স্বরকম্প কী?

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই শব্দ একসঙ্গে শুনলে জোর পর্যায়ক্রমে বাড়ে-কমে। দুই তরঙ্গ তালে আর বেতালে আসা-যাওয়া করে বলে এটা হয়।

স্বরকম্প কম্পাঙ্কের সূত্র কী?

f(beat) = |f₁ − f₂|। প্রতি সেকেন্ডে স্বরকম্পের সংখ্যা দুই কম্পাঙ্কের ফারাকের সমান।

স্বরকম্প হলে কোন সুর শোনা যায়?

দুই কম্পাঙ্কের গড় (f₁ + f₂)/২, যার জোর স্বরকম্প কম্পাঙ্কে ওঠানামা করে।

স্বরকম্প দিয়ে গিটার বাঁধা যায় কীভাবে?

তারটা আর একটা রেফারেন্স সুর একসঙ্গে বাজিয়ে পেগ ঘুরিয়ে স্বরকম্প ধীর করো। থেমে গেলে কম্পাঙ্ক মিলেছে। তার টাইট করে স্বরকম্প দ্রুত হলে বুঝবে তার আগেই বেশি উঁচুতে ছিল।

কম্পাঙ্কের ফারাক বেশি হলে স্বরকম্প শোনা যায় না কেন?

প্রায় ১৫ Hz এর ওপরে স্পন্দন মিশে খসখসে গুঞ্জন হয়, আর প্রায় ৪০ Hz এর ওপরে কান দুটো আলাদা সুর শোনে। স্বরকম্প পরিষ্কার শোনা যায় শুধু ছোট ফারাকে।

অসমান বিস্তারেও কি স্বরকম্প হয়?

হয়। জোর A₁ + A₂ আর |A₁ − A₂| এর মধ্যে দোলে, তাই আস্তে মুহূর্ত নীরব হয় না, আর স্বরকম্প কম্পাঙ্ক তখনও |f₁ − f₂|।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ