মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

এক ফোঁটায় রং বদলায়: টাইট্রেশনে অজানা ঘনমাত্রা ধরার কৌশল

টাইট্রেশন হলো এমন একটা পরিমাণগত পদ্ধতি, যাতে জানা ঘনমাত্রার দ্রবণ (ব্যুরেটে) ফোঁটায় ফোঁটায় অজানা ঘনমাত্রার দ্রবণে (ফ্লাস্কে) মেশানো হয়, যতক্ষণ না বিক্রিয়া ঠিক সম্পূর্ণ হয়। সেই মুহূর্ত নির্দেশকের রং বদলে ধরা পড়ে। তারপর V₁M₁ = V₂M₂ (অম্ল-ক্ষারের মোল-অনুপাত মিলিয়ে) দিয়ে অজানা ঘনমাত্রা বের হয়: সিমুলেশনের শুরুর অম্ল ০.০৮ M হলে ২০.০ mL NaOH লাগে।

pH রেখাসমতা বিন্দুনির্দেশকের রং-বদলের পাল্লা

ট্যাপ খুলে ফ্লাস্কের রং দেখো। রং বদলালে লেখো ব্যুরেটের পাঠ, তারপর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা বের করো। শেষ বিন্দুর কাছাকাছি এসে ফোঁটায় ফোঁটায় দাও।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

ফ্লাস্কের অম্ল (অম্ল : ক্ষার মোল-অনুপাত)

নির্দেশক

০.০৮ M

পরিমাপ

ফ্লাস্কের pH
১.১০
যোগ করা NaOH
০.০০mL
শেষ বিন্দুর পাঠ
—
হিসাব করা ঘনমাত্রা
—
আসল ঘনমাত্রা
০.০৮০M
ভুলের হার
—
অম্ল : ক্ষার
1 : ১

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. ফ্লাস্কে ২৫ mL অম্ল আর নির্দেশক আছে, ব্যুরেটে ০.১০ M NaOH। ট্যাপ খুলে ক্ষার ঝরতে দাও, ডানের লেখচিত্রে হলুদ বিন্দুটা pH রেখা ধরে এগোবে।
  2. শেষ বিন্দুর কাছে এলে ওপরের বার্তা বদলে বলবে “ফোঁটায় ফোঁটায় দাও”। তখন ট্যাপ বন্ধ করে “এক ফোঁটা দাও” চাপতে থাকো, রং বদলানোর মুহূর্ত ধরতে।
  3. রং বদলালে “শেষ বিন্দুর পাঠ” আর “হিসাব করা ঘনমাত্রা” জ্বলে উঠবে। পাশে “আসল ঘনমাত্রা” দেখে ভুলের হার মিলিয়ে নাও।
  4. এবার নির্দেশক বদলাও, তারপর অম্ল বদলে H₂SO₄ করো। মোল-অনুপাত ১ : ২ হলে একই অম্ল-ঘনমাত্রায় দ্বিগুণ ক্ষার লাগে। দেখে নাও।

এক গ্লাস পানি ভরতে ভরতে

ধরো, একটা গ্লাসে ঠিক কতটুকু পানি ধরে তা তুমি জানো না। এক চামচ এক চামচ করে ঢালতে থাকলে, আর গুনতে থাকলে, যে চামচে পানি উপচে পড়ল, তার হিসাব থেকেই গ্লাসের মাপ বের হবে। আগেরটা অজানা, চামচের মাপ জানা, আর উপচে পড়াটা সংকেত।

টাইট্রেশন এই কাজটাই রসায়নে করে। ফ্লাস্কের অম্ল অজানা, ব্যুরেটের ক্ষারের ঘনমাত্রা জানা, আর “উপচে পড়া”র সংকেত দেয় নির্দেশকের রং। কত mL ক্ষার লাগল তা পড়ে নিলেই অম্লের ঘনমাত্রা হিসাব করা যায়।

সিমুলেশনে ফ্লাস্কে সব সময় ২৫ mL অম্ল। ঘনমাত্রা সরানোর স্লাইডার দিয়ে অম্ল বদলালে সমতা বিন্দুর মান ২০.০ mL থেকে সরে যায়, কিন্তু প্রতিবার একই কৌশলে সেটা ধরা পড়ে।

টাইট্রেশনের শব্দগুলো

পরীক্ষায় এই শব্দগুলো গুলিয়ে ফেললে নম্বর যায়। তাই একবার পরিষ্কার করে নাও।

শব্দঅর্থসিমুলেশনে
টাইট্রেন্টব্যুরেটের জানা ঘনমাত্রার দ্রবণNaOH, ০.১০ M
অ্যানালাইটফ্লাস্কের অজানা ঘনমাত্রার দ্রবণHCl বা H₂SO₄
ব্যুরেটদাগকাটা লম্বা নল, নিচে ট্যাপ৫০ mL ধারণক্ষমতা
পিপেটনির্দিষ্ট আয়তন মেপে ফ্লাস্কে তোলার যন্ত্র২৫ mL
নির্দেশকযে পদার্থ pH অনুযায়ী রং বদলায়ফেনল্ফথ্যালিন, মিথাইল অরেঞ্জ
সমতা বিন্দুঅম্ল আর ক্ষার ঠিক সমান মোলে মিলেছেগণনায় পাওয়া তাত্ত্বিক বিন্দু
শেষ বিন্দুনির্দেশকের রং বদলানোর মুহূর্ত, যা আমরা চোখে দেখিব্যুরেটের পাঠ
টাইটারশেষ বিন্দু পর্যন্ত যত mL টাইট্রেন্ট লাগলশেষ বিন্দুর পাঠ

ব্যুরেট থেকে ফ্লাস্ক: ধাপে ধাপে

গবেষণাগারে সঠিক ফল পেতে ধাপগুলো একই ক্রমে ধরে এগোতে হয়।

  • ব্যুরেটকে প্রথমে অল্প ক্ষার দিয়ে ধুয়ে নাও, যাতে ভেতরের পানি দ্রবণকে পাতলা না করে।
  • ক্ষার ভরো আর ট্যাপের নিচের নলে যেন বাতাসের বুদবুদ না থাকে সেটা দেখো। থাকলে পাঠ ভুল আসবে।
  • পিপেট দিয়ে ঠিক ২৫ mL অম্ল ফ্লাস্কে নাও, কয়েক ফোঁটা নির্দেশক দাও। ফ্লাস্কের নিচে সাদা টাইল রাখলে রং-বদল স্পষ্ট দেখা যায়।
  • ব্যুরেটের শুরুর পাঠ লেখো। চোখ মেনিস্কাসের সমান উচ্চতায় রেখে নিচের বাঁক ধরে পড়ো।
  • ট্যাপ খুলে ক্ষার ঢালো আর ফ্লাস্ক ঘুরিয়ে মেশাও। রং বদলাতে শুরু করলে ধীর হও।
  • শেষ বিন্দুতে এসে একটা একটা ফোঁটা দাও (এক ফোঁটা প্রায় ০.০৫ mL)। পাকা রং এলে থামো, শেষ পাঠ লেখো।
  • শেষ পাঠ থেকে শুরুর পাঠ বিয়োগ করলে টাইটার। অন্তত তিনবার করো আর দশমিকের ০.১০ mL এর মধ্যে থাকা পাঠগুলোর গড় নাও।

নির্দেশক: রং কেন বদলায়

নির্দেশক নিজেও একটা দুর্বল অম্ল বা ক্ষার, যার অণু আর আয়নের রং আলাদা। pH বদলালে অণু আর আয়নের অনুপাত বদলায়, তাই রংও বদলায়। প্রতিটি নির্দেশকের একটা ছোট pH পাল্লা আছে, যার ভেতরে রং ধীরে ধীরে সরে।

ফেনল্ফথ্যালিনের পাল্লা pH ৮.২ থেকে ১০.০: এর নিচে বর্ণহীন, ওপরে গোলাপি। মিথাইল অরেঞ্জের পাল্লা ৩.১ থেকে ৪.৪: এর নিচে লাল, ওপরে হলুদ, মাঝে কমলা। সিমুলেশনে লেখচিত্রের রঙিন ফিতাটাই এই পাল্লা।

নির্দেশকঅম্লে রংক্ষারে রংpH পাল্লাকোন টাইট্রেশনে
ফেনল্ফথ্যালিনবর্ণহীনগোলাপি৮.২ – ১০.০শক্তিশালী অম্ল-ক্ষার, দুর্বল অম্ল-শক্তিশালী ক্ষার
মিথাইল অরেঞ্জলালহলুদ৩.১ – ৪.৪শক্তিশালী অম্ল-ক্ষার, শক্তিশালী অম্ল-দুর্বল ক্ষার

pH লেখচিত্র: এক ফোঁটায় লাফ

২৫ mL ০.১০ M HCl-কে ০.১০ M NaOH দিয়ে টাইট্রেট করলে সমতা বিন্দু ২৫.০ mL-এ। প্রায় পুরোটা সময় pH ধীরে ধীরে বাড়ে, তারপর ঠিক সমতা বিন্দুর কাছে হঠাৎ সরাসরি ওপরে লাফ দেয়।

লাফটা কত বড়? সমতা বিন্দুর এক ফোঁটা (০.০৫ mL) আগে pH ৪.০০, এক ফোঁটা পরে ১০.০০। অর্থাৎ ফোঁটার ব্যবধানে প্রায় সাত একক। এই লাফের জন্যই একটা ফোঁটা নির্দেশকের পুরো রং উল্টে দেয়।

যোগ করা NaOHpH
০.০ mL১.০০
১০.০ mL১.৩৭
২০.০ mL১.৯৫
২৪.০ mL২.৬৯
২৪.৯ mL৩.৭০
২৫.০ mL৭.০০
২৫.১ mL১০.৩০
২৬.০ mL১১.২৯
৩০.০ mL১১.৯৬
৪০.০ mL১২.৩৬

ঘনমাত্রা বের করার সূত্র

মোলারিটি মানে প্রতি লিটারে কত মোল দ্রব। আয়তন গুণ মোলারিটি দিলে (mL হলে মিলিমোল) মোল সংখ্যা পাওয়া যায়। সমতা বিন্দুতে অম্লের H⁺-এর মোল আর ক্ষারের OH⁻-এর মোল সমান হয়। এখান থেকেই সূত্র।

HCl আর NaOH-এর মতো ১ : ১ বিক্রিয়ায় সূত্রটা সরল: V₁M₁ = V₂M₂। কিন্তু H₂SO₄-এর প্রতি অণু দুটো H⁺ দেয়, তাই ১ মোল অম্লের জন্য ২ মোল NaOH লাগে। তখন মোল-অনুপাত যোগ করতে হয়।

V₁M₁ = V₂M₂অম্ল ও ক্ষারের মোল-অনুপাত ১ : ১ হলে

Mₐ × Vₐ ÷ aₐ = M_b × V_b ÷ ba : b = অম্ল : ক্ষার সমীকরণের সহগ

Mₐ = M_b × V_b ÷ (n × Vₐ)n = ক্ষারের মোল যা ১ মোল অম্লের জন্য লাগে (HCl-এ ১, H₂SO₄-এ ২)

ঘনমাত্রা (g/L) = M × মোলার ভরHCl ৩৬.৫, H₂SO₄ ৯৮ g/mol

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

এই পরীক্ষাগুলো একটা একটা করে করো, আর প্রতিবার আগে অনুমান লিখে তারপর দেখো।

  • পরীক্ষা ১: HCl, ফেনল্ফথ্যালিন, ঘনমাত্রা ০.০৮ M নিয়ে ট্যাপ খোলো। ২০.০ mL-এর কাছে ফ্লাস্ক গোলাপি হবে, আর হিসাব করা ঘনমাত্রা প্রায় আসল মানের সমান।
  • পরীক্ষা ২: পুরোটা ট্যাপ খুলে একবারে ঢালো আর তারপর আবার চেষ্টা করো, এবার শেষ বিন্দুর কাছে ফোঁটায় ফোঁটায়। কোনবার ভুলের হার কম?
  • পরীক্ষা ৩: নির্দেশক মিথাইল অরেঞ্জ করো। লাল থেকে কমলা-হলুদে বদলায় সমতা বিন্দুর সামান্য আগে, তাই হিসাবে একটু কম ঘনমাত্রা আসে।
  • পরীক্ষা ৪: অম্ল H₂SO₄ করো, একই ০.০৮ M রেখে। এবার সমতা বিন্দু ৪০.০ mL, ঠিক দ্বিগুণ। এটাই ১ : ২ অনুপাত।
  • পরীক্ষা ৫: ব্যুরেট ফুরিয়ে যাওয়ার আগে থামাতে না পারলে? ট্যাপ নিজে বন্ধ হয়ে যায়। স্লাইডারে ঘনমাত্রা বাড়িয়ে দেখো কখন শেষ বিন্দু ব্যুরেটের বাইরে চলে যায়।

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

সব সংখ্যা সিমুলেশনের মডেল থেকেই হিসাব করা, তাই পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে পারবে।

সমস্যা ১: ২৫ mL HCl-এর জন্য ২০.৪০ mL ০.১০ M NaOH লাগল। HCl-এর ঘনমাত্রা কত?

সূত্র: M₁ = M₂V₂ ÷ V₁ (১ : ১)। M₁ = ০.১০ × ২০.৪০ ÷ ২৫ = ০.০৮১৬ M।

গ্রাম/লিটারে: ০.০৮১৬ × ৩৬.৫ = ২.৯৮ g/L।

সমস্যা ২: ২৫ mL H₂SO₄-এর জন্য ১৮.৫০ mL ০.১০ M NaOH লাগল। H₂SO₄-এর ঘনমাত্রা কত?

বিক্রিয়া: H₂SO₄ + 2NaOH → Na₂SO₄ + 2H₂O। ১ মোল অম্লের জন্য ২ মোল ক্ষার।

NaOH-এর মিলিমোল = ০.১০ × ১৮.৫০। অম্লের মিলিমোল তার অর্ধেক। তাই M = ০.১০ × ১৮.৫০ ÷ (২ × ২৫) = ০.০৩৭০ M।

অনুপাত না মিলিয়ে সরাসরি V₁M₁ = V₂M₂ বসালে ০.০৭৪০ M আসত, দ্বিগুণ ভুল। গ্রাম/লিটারে সঠিক উত্তর ৩.৬৩ g/L।

সমস্যা ৩: ২৫ mL, ০.০৬ M অম্ল ঠিক নিরপেক্ষ করতে ০.১০ M NaOH কত mL লাগবে?

HCl হলে: V = ০.০৬ × ২৫ ÷ ০.১০ = ১৫.০ mL।

H₂SO₄ হলে মোল-অনুপাত ১ : ২, তাই ৩০.০ mL। একই ঘনমাত্রা, কিন্তু ক্ষার দ্বিগুণ।

সমস্যা ৪: ০.১০ M HCl ২৫ mL-এ ১০ mL আর ৩০ mL NaOH দিলে pH কত?

১০ mL: অবশিষ্ট H⁺ = (২.৫০ − ১.০০) মিলিমোল ÷ ৩৫ mL = ০.০৪২৯ M। pH = ১.৩৭।

৩০ mL: সমতা বিন্দু ২৫.০ mL পেরিয়ে গেছে, বাড়তি OH⁻ = ০.৫০ ÷ ৫৫ M। pOH ধরে pH = ১১.৯৬।

সমস্যা ৫: মিথাইল অরেঞ্জ ব্যবহার করলে কত ভুল হয়?

মিথাইল অরেঞ্জ pH ৩.১–৪.৪-এর মাঝামাঝি বদলায়। ০.১০ M HCl-এর ক্ষেত্রে ওই pH-এ পৌঁছাতে NaOH লাগে ২৪.৯১ mL, আর সমতা বিন্দু ২৫.০ mL।

ভুল প্রায় ০.৩৬ শতাংশ, যা ব্যুরেটের পাঠের ভুলের মধ্যেই পড়ে। ফেনল্ফথ্যালিনে ভুল আরও কম: ২৫.০০৬ mL।

যে ভুলগুলো সবাই করে

পরীক্ষায় আর ল্যাবে সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটে এই জায়গাগুলোতে।

  • মোল-অনুপাত ভুলে যাওয়া: H₂SO₄ বা H₃PO₄-তে সরাসরি V₁M₁ = V₂M₂ লেখা।
  • শেষ বিন্দুর পরে থামা: গাঢ় গোলাপি মানে বাড়তি ক্ষার, তাই ঘনমাত্রা বেশি আসে।
  • ব্যুরেটে বুদবুদ রেখে দেওয়া: পাঠ ভুল হয়।
  • পিপেট বা ব্যুরেট ধুয়ে না নেওয়া: ভেতরের পানি ঘনমাত্রা বদলে দেয়।
  • মেনিস্কাস উপর থেকে পড়া: নিচের বাঁক ধরে, চোখ সমান উচ্চতায় রেখে পড়তে হয়।
  • একবার করেই থেমে যাওয়া: অন্তত তিনটে কাছাকাছি পাঠ দরকার।
  • ভুল নির্দেশক বাছা: দুর্বল অম্ল-দুর্বল ক্ষারে কোনো নির্দেশকই পরিষ্কার শেষ বিন্দু দেয় না।

বাস্তব জীবনে টাইট্রেশন

এই পদ্ধতি গবেষণাগার ছাড়িয়ে কারখানা, হাসপাতাল আর খাবারের দোকান পর্যন্ত গেছে।

  • ওষুধ কারখানা: ট্যাবলেটে সক্রিয় উপাদান ঠিক কতটুকু আছে তা টাইট্রেশনে মাপা হয়।
  • খাবার ও পানীয়: ভিনেগারে অ্যাসিটিক অ্যাসিড কত শতাংশ, ফলের রসের অম্লতা, দুধ টক হওয়ার মাত্রা সবই টাইট্রেশনে ধরা পড়ে।
  • পানি পরীক্ষা: নদী বা পুকুরের পানির ক্ষারত্ব আর কঠোরতা মাপা হয়।
  • কৃষি: মাটির অম্লতা মেপে কতটুকু চুন দিতে হবে ঠিক করা হয়।
  • স্বাস্থ্য: অ্যান্টাসিড ট্যাবলেট পাকস্থলীর কতটুকু অম্ল কমাতে পারে তার হিসাব।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

নিচের প্রশ্নগুলো নিজে করে তারপর উত্তর মিলিয়ে নাও।

  • সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: টাইট্রেশন কাকে বলে? শেষ বিন্দু ও সমতা বিন্দুর পার্থক্য কী? ব্যুরেট ও পিপেট কেন ধুয়ে নিতে হয়?
  • গাণিতিক: ২৫ mL HCl-এ ২০.৪০ mL ০.১০ M NaOH লাগল। HCl-এর মোলারিটি কত? উত্তর: ০.০৮১৬ M।
  • গাণিতিক: ২৫ mL H₂SO₄-এ ১৮.৫০ mL ০.১০ M NaOH লাগল। উত্তর: ০.০৩৭০ M। সূত্রে অনুপাত ধরেছ কি?
  • যুক্তি: দুর্বল অম্ল আর শক্তিশালী ক্ষারের টাইট্রেশনে ফেনল্ফথ্যালিন কেন ভালো? সমতা বিন্দুতে দ্রবণ ক্ষারীয় হয়, pH ৭-এর ওপরে, আর ফিতা ওই এলাকায়।
  • রেখাচিত্র: শক্তিশালী অম্ল-ক্ষারের pH লেখচিত্র আঁকো, সমতা বিন্দু pH ৭-এ চিহ্নিত করো।

পুনরালোচনা: এক নজরে

পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা পড়ে নাও।

  • টাইট্রেশনে জানা ঘনমাত্রার দ্রবণ (টাইট্রেন্ট) দিয়ে অজানা ঘনমাত্রা (অ্যানালাইট) বের করা হয়।
  • শেষ বিন্দু নির্দেশকের রং-বদল, সমতা বিন্দু মোল সমান হওয়ার তাত্ত্বিক বিন্দু।
  • ১ : ১ বিক্রিয়ায় V₁M₁ = V₂M₂, অন্যথায় মোল-অনুপাত মিলিয়ে নাও।
  • শক্তিশালী অম্ল-ক্ষারে সমতা বিন্দুর pH ৭; লেখচিত্র সেখানে প্রায় সোজা ওপরে ওঠে।
  • নির্দেশকের pH পাল্লা লেখচিত্রের খাড়া অংশের ভেতরে পড়তে হবে।
  • ফোঁটায় ফোঁটায় শেষ করো, মেনিস্কাস নিচের বাঁকে পড়ো, তিনবার করো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

টাইট্রেশন কাকে বলে?

যে পরিমাণগত পদ্ধতিতে জানা ঘনমাত্রার একটি দ্রবণকে ব্যুরেট থেকে অজানা ঘনমাত্রার দ্রবণে ফোঁটায় ফোঁটায় মেশানো হয়, যতক্ষণ না বিক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়, তাকে টাইট্রেশন বলে। শেষ মুহূর্তটি নির্দেশকের রং বদলে বোঝা যায়।

শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দুর পার্থক্য কী?

সমতা বিন্দুতে অম্ল আর ক্ষার ঠিক সমান মোলে মেলে, এটা তাত্ত্বিক। শেষ বিন্দু হলো নির্দেশকের রং বদলানোর মুহূর্ত, যা চোখে দেখা যায়। সঠিক নির্দেশক বাছলে দুটো প্রায় একই জায়গায় পড়ে।

V₁M₁ = V₂M₂ কখন খাটে?

যখন অম্ল আর ক্ষার ১ : ১ মোল অনুপাতে বিক্রিয়া করে, যেমন HCl আর NaOH। অন্য অনুপাতে (যেমন H₂SO₄ আর NaOH, ১ : ২) সমীকরণের সহগ দিয়ে ভাগ করে মোল মেলাতে হয়।

H₂SO₄ দিয়ে টাইট্রেশনে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করব?

Mₐ = M_b × V_b ÷ (২ × Vₐ)। সিমুলেশনে ২৫ mL H₂SO₄-এ ১৮.৫০ mL ০.১০ M NaOH লাগলে ঘনমাত্রা ০.০৩৭০ M।

কোন টাইট্রেশনে কোন নির্দেশক ব্যবহার করব?

শক্তিশালী অম্ল-শক্তিশালী ক্ষারে ফেনল্ফথ্যালিন বা মিথাইল অরেঞ্জ দুটোই চলে। দুর্বল অম্ল-শক্তিশালী ক্ষারে ফেনল্ফথ্যালিন, আর শক্তিশালী অম্ল-দুর্বল ক্ষারে মিথাইল অরেঞ্জ। নিয়ম হলো, নির্দেশকের পাল্লা লেখচিত্রের খাড়া অংশের ভেতরে পড়বে।

শেষ বিন্দু পেরিয়ে গেলে কী হয়?

ক্ষার বাড়তি হয়, তাই টাইটার বেশি আসে আর হিসাব করা ঘনমাত্রা আসলের চেয়ে বড় হয়। সে কারণে শেষ বিন্দুর কাছে ফোঁটায় ফোঁটায় দিতে হয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ