মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

হালকা গ্যাস কেন আগে পৌঁছায়: চলমান কণা দিয়ে গ্রাহামের সূত্র

ব্যাপন হলো একটি গ্যাসের অণু অন্য গ্যাসের ভেতর ছড়িয়ে সমানভাবে মিশে যাওয়া, আর নিঃসরণ হলো খুব সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের ফাঁকা স্থানে বেরিয়ে যাওয়া। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র বলে, একই তাপমাত্রা ও চাপে ব্যাপন বা নিঃসরণের হার গ্যাসের আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক, তাই হাইড্রোজেনের মতো হালকা গ্যাস সবচেয়ে দ্রুত ছড়ায় ও বেরোয়।

NH₃ (১৭.০ g/mol)HCl (৩৬.৫ g/mol)সাদা বিক্রিয়াজাতগ্রাহামসিমুলেশন

দুই প্রান্ত থেকে দুটি গ্যাস ঢুকছে। NH₃ আর HCl দেখা হলে কণাজোড়া মিলে সাদা NH₄Cl জমায়। হালকা NH₃ বেশি পথ যায়, তাই সাদা বলয় ভারী HCl-এর প্রান্তের কাছে তৈরি হয়

গতি

নিয়ন্ত্রণ

পরীক্ষা

গ্যাসের জোড়া

৩০০ K

পরিমাপ

সময়
০.০s
সাদা বলয়, গ্যাস ১-এর প্রান্ত থেকে (সিমুলেশন)
হিসাব চলছে
সাদা বলয়, গ্রাহামের সূত্রে
৫৯.৪cm
দূরত্বের অনুপাত d₁ : d₂ (সিমুলেশন)
হিসাব চলছে
দূরত্বের অনুপাত d₁ : d₂ (সূত্রে)
১.৪৭
গড় বেগ: গ্যাস ১ · গ্যাস ২
৬১১ · ৪১৭m/s

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. সিমুলেশন খুললেই নলের পরীক্ষা চলে: বাঁ দিক থেকে অ্যামোনিয়া (NH₃, ১৭ g/mol), ডান দিক থেকে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড (HCl, ৩৬.৫ g/mol)। চালু করো। নীল আর কমলা কণাগুলো দুই প্রান্ত থেকে এলোমেলো হেঁটে ঢুকছে, আর যেখানে এক জোড়া দেখা হয় সেখানে একটা সাদা বিন্দু জমছে। ওটাই অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড, বলয়ের উপাদান।
  2. ড্যাশ-দেওয়া রেখা আর সবুজ রেখাটা দেখো। ড্যাশ রেখা গ্রাহামের হিসাব: ১০০ cm নলের অ্যামোনিয়া-প্রান্ত থেকে ৫৯.৪ cm। সবুজ রেখা সিমুলেশনে কণারা আসলে যেখানে মিলছে সেই জায়গা। শুরুতে সবুজ রেখা লাফায়, কয়েক সেকেন্ড পর ড্যাশ রেখার কাছে থিতু হয়। নিচের তীরগুলো গড় বেগ (m/s) দেখায়: হালকা গ্যাসের তীর লম্বা।
  3. “গ্যাসের জোড়া” থেকে H₂ ও O₂, He ও CH₄, CO₂ ও O₂ বেছে নাও, কিংবা “খুশিমতো” বেছে দুটি আণবিক ভরের স্লাইডার টানো। তাপমাত্রা স্লাইডার সব গতিকে তাপমাত্রার অনুপাতের বর্গমূল দিয়ে বদলায়। আবার শুরু চাপলে একই বীজ থেকে শুরু হয়, তাই একই ইনপুটে একই ফল পাবে।
  4. “পরীক্ষা” বদলে নিঃসরণে যাও। এবার একটি পাত্রে দুই গ্যাস, ডান দেয়ালে ছোট্ট ছিদ্র। ছিদ্র খুঁজে পাওয়া কণা ফাঁকা স্থানে ছুটে যায়, আর তার জায়গায় নতুন কণা ঢোকে, তাই মিশ্রণ একই থাকে। বেরোনোর অনুপাতকে √(M₂/M₁)-এর সঙ্গে মেলাও। শুরুতে অনুপাত দুলবে, কারণ বেরোনো কণা কম। আধা মিনিট সময় দাও।

সুগন্ধির শিশি, শান্ত ঘর আর দেয়ালের ধারে একটা নাক

ক্লাসঘরের এক কোণে কেউ সুগন্ধির শিশি খুলল। কয়েক সেকেন্ডে কাছের বেঞ্চের ছেলেমেয়েরা গন্ধ পেল। এক মিনিটে গোটা ঘর ভরে গেল। কেউ পাখা চালায়নি, অণুগুলোকে কেউ ঠেলেও দেয়নি। ওরা নিজে থেকেই ছড়িয়ে পড়েছে।

এই ছড়িয়ে পড়ারই নাম ব্যাপন। এবার একটু অন্য ছবি ভাবো: সাইকেলের টিউবে সূচের মতো ছোট্ট একটা ফুটো। ফুটো দিয়ে ফুস করে বাতাস বেরোয়, আর টিউবে হালকা গ্যাস ভরা থাকলে সেটা আরও আগে চুপসে যেত। এটাই নিঃসরণ। দুটোই চলমান গ্যাস-অণুর গল্প, আর দুটোই মেনে চলে ঊনবিংশ শতকের স্কটিশ রসায়নবিদ টমাস গ্রাহামের পাওয়া একটা নিয়ম।

নিয়মটা হলো, হালকা অণু বেশি দ্রুত চলে। ঘরের তাপমাত্রায় হাইড্রোজেনের অণুর গড় বেগ প্রায় ১,৭৮২ m/s, আর অক্সিজেনের প্রায় ৪৪৬ m/s। অর্থাৎ অক্সিজেন ৪.০০ গুণ ধীর, যা ঠিক √(৩২ ÷ ২)। ওপরের সিমুলেশন এই ফারাককে কখনো নলের ভেতর সাদা বলয় বানিয়ে, কখনো ছিদ্রের দৌড় বানিয়ে দেখায়।

নিচে একদম গোড়া থেকে শুরু করে পরীক্ষার অঙ্ক পর্যন্ত যাব। সিমুলেশনটা পাশে খোলা রাখো, যা পড়বে নিজে যাচাই করো।

গোড়া থেকে: থামে না যে গ্যাসের কণা

গ্যাস মানে প্রায় সবটাই ফাঁকা জায়গা, আর তাতে ছোট ছোট অণু সোজা পথে ছুটছে। দিক বদলায় শুধু কিছুতে ধাক্কা লাগলে: অন্য অণু বা পাত্রের দেয়াল। দুই ধাক্কার মাঝখানে অণু মুক্তভাবে উড়ে চলে।

স্বাভাবিক চাপে বাতাসে একটা অণু পরের সংঘর্ষের আগে এক মিলিমিটারের দশ হাজার ভাগের এক ভাগেরও কম পথ যায়, আর সেকেন্ডে কয়েকশ কোটি বার ধাক্কা খায়। তাই একটা সুগন্ধির অণু সোজা ঘর পেরিয়ে যায় না। সে এঁকেবেঁকে এলোমেলো হাঁটে, আর অণুর ভিড়টা ধীরে ধীরে যেখানে অনেক আছে সেখান থেকে যেখানে কম আছে সেদিকে ছড়ায়।

ব্যাপনের পুরো ধারণা এটুকুই: এলোমেলো গতি আর শুরুতে এক জায়গায় জমে থাকা ভিড়। কোনো বল ঠেলছে না। নলের সিমুলেশনে দুই প্রান্ত ভেজা তুলোর মতো ভরাট রাখা হয়, আর প্রতিটি কণা একটা নির্দিষ্ট গড় মুক্ত পথ চলার পর দিক বদলায়, তাই দুই দিক থেকে ছড়ানো সীমানা এগিয়ে আসতে দেখবে।

নিঃসরণ আলাদা। ছিদ্র এত ছোট যে অণুরা দল বেঁধে ঢুকতে পারে না। একটা একটা করে বেরোয়, যখন কোনো অণু দৈবাৎ ছিদ্রে এসে পড়ে। অণু দেয়ালে যত ঘন ঘন ধাক্কা দেয়, বেরোনোর সুযোগ তত বেশি, আর দ্রুত অণু বেশি ঘন ঘন ধাক্কা দেয়। তাই হার ঠিক করে বেগ।

বেগ নির্ভর করে তোমার হাতে থাকা দুটি জিনিসের ওপর: তাপমাত্রা আর আণবিক ভর। গ্যাস গরম করলে সব অণু দ্রুত হয় (v ∝ √T)। একই তাপমাত্রায় ভারী গ্যাস নিলে অণু ধীর হয় (v ∝ 1/√M)। তাপমাত্রা স্লাইডার আর খুশিমতো জোড়া নাড়িয়ে “গড় বেগ” পরিমাপ বদলাতে দেখো।

ব্যাপন ও নিঃসরণের গুরুত্বপূর্ণ শব্দ

অস্পষ্ট ভাষায় লিখলে পরীক্ষায় নম্বর কাটে। সংজ্ঞাগুলো যেমন আছে তেমন শেখো।

শব্দঅর্থএকক বা প্রতীক
ব্যাপনঅণুর এলোমেলো গতির ফলে একটি গ্যাস অন্য গ্যাসের ভেতর ছড়িয়ে মিশ্রণ সমসত্ত্ব হওয়া—
নিঃসরণখুব ছোট ছিদ্র দিয়ে একটি গ্যাসের একটা একটা অণু করে ফাঁকা স্থানে বেরিয়ে যাওয়া—
আণবিক ভর, Mগ্যাসের এক মোলের ভর, সংখ্যায় আণবিক ভরের সমানg/mol
গড় বেগ, v̄নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় অণুগুলোর গড় বেগ, √(8RT / πM)m/s
গড় মুক্ত পথদুটি সংঘর্ষের মাঝে একটি অণুর গড় অতিক্রান্ত দূরত্বm
হারএকক সময়ে যে পরিমাণ গ্যাস ব্যাপিত বা নিঃসৃত হয়mL/s বা mol/s
গ্রাহামের সূত্রএকই তাপমাত্রা ও চাপে হার ∝ 1/√M—
পরম তাপমাত্রা, Tকেলভিন স্কেলে তাপমাত্রা, T = t(°C) + 273K

ব্যাপন আর নিঃসরণ পাশাপাশি

দুটো শব্দ পরীক্ষার খাতায় প্রায়ই গুলিয়ে যায়। দুটোই গ্যাসের চলমান অণুর ব্যাপার, দুটোই গ্রাহামের সূত্র মানে, কিন্তু পরিস্থিতি আলাদা।

এই সাইটে প্রায় একই নামের আরেকটি বিষয় আছে, জীববিজ্ঞানের ব্যাপন ও অভিস্রবণ। সেখানে দ্রবীভূত কণা আর পানি কোষপর্দা পেরোনোর কথা। এই পাতা গ্যাসীয় অবস্থার রসায়নের সূত্র নিয়ে: কোন গ্যাস কত দ্রুত ছড়ায়, আর কেন। দুই বিষয়ের মিলনবিন্দু একটাই ধারণা, কণারা এলোমেলোভাবে চলে আর ঘন জায়গা থেকে পাতলা জায়গায় ছড়ায়।

বৈশিষ্ট্যব্যাপননিঃসরণ
কী ঘটেএক গ্যাস অন্য গ্যাসের সঙ্গে মেশেপাত্র থেকে গ্যাস বেরিয়ে যায়
কোথায়অন্য গ্যাসের ভেতর, খোলা জায়গায় বা নলেসূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে ফাঁকা স্থানে
কে বাধা দেয়অন্য অণুর সঙ্গে সংঘর্ষপথে কিছুই নেই, শুধু ছিদ্র
হার ঠিক করেগড় বেগ ও গড় মুক্ত পথঅণু কত ঘন ঘন ছিদ্রে পড়ে
গ্রাহামের সূত্রমোটামুটি খাটেআদর্শ গ্যাসে নিখুঁত
প্রতিদিনের উদাহরণঘরময় সুগন্ধি ছড়ানোহিলিয়াম বেলুন চুপসে যাওয়া
সিমুলেশনেসাদা বলয়সহ নলসূক্ষ্ম ছিদ্রওয়ালা পাত্র

½mv² থেকে গ্রাহামের সূত্র

এখানে কিছুই চোখ বুজে মুখস্থ করতে হয় না। সূত্রটা আসে তাপমাত্রা নিয়ে একটাই ধারণা থেকে।

ধাপ ১: একই তাপমাত্রা, একই গতিশক্তি

তাপমাত্রা অণুর গড় গতিশক্তির মাপ। তাই একই তাপমাত্রার দুটি গ্যাসের অণুর গড় গতিশক্তি সমান, ভর যত আলাদাই হোক।

KE = ½ m v²m ভর ও v বেগের একটি অণুর গতিশক্তি

m₁ v₁² = m₂ v₂²একই তাপমাত্রায় গড় গতিশক্তি সমান

ধাপ ২: হালকা মানে দ্রুত

দ্বিতীয় লাইনটা সাজাও: v₁² / v₂² = m₂ / m₁। আণবিক ভর হলো একটি অণুর ভরকে একটা ধ্রুবক দিয়ে গুণ করলেই পাওয়া যায়, তাই m-এর জায়গায় M লেখা যায়। দুই পক্ষের বর্গমূল নাও।

v₁ / v₂ = √(M₂ / M₁)হালকা গ্যাস দ্রুত, ভরের অনুপাতের বর্গমূল গুণে

ধাপ ৩: বেগ থেকে হার

একই অবস্থায় ব্যাপন বা নিঃসরণের হার অণুর গড় বেগের সমানুপাতিক। বেগের জায়গায় হার বসালেই সূত্র পাওয়া গেল।

হার ∝ 1 / √Mস্থির তাপমাত্রা ও চাপে

হার₁ / হার₂ = √(M₂ / M₁)গ্রাহামের সূত্র

ধাপ ৪: একই সূত্র অন্য সাজে

হার মানে একক সময়ে পরিমাণ, তাই প্রশ্নে সূত্রটা নানা রাশির আড়ালে লুকিয়ে থাকে।

  • একই আয়তন, ভিন্ন সময়: t₁ / t₂ = √(M₁ / M₂), ভারী গ্যাসের সময় বেশি লাগে
  • একই সময়, ভিন্ন আয়তন: V₁ / V₂ = √(M₂ / M₁)
  • একই সময়, ভিন্ন দূরত্ব (ব্যাপন নল): d₁ / d₂ = √(M₂ / M₁)
  • আণবিক ভরের বদলে ঘনত্ব: হার₁ / হার₂ = √(ρ₂ / ρ₁), কারণ একই T ও P-তে ঘনত্ব M-এর সমানুপাতিক

আন্দাজ পাকা করার একটি ছক

তৃতীয় কলামে প্রতিটি গ্যাসের √(৩২ / M) দেওয়া আছে, মানে অক্সিজেনের তুলনায় হার, তাই অক্সিজেন নিজে ১.০০। শেষ কলামে ৩০০ K তাপমাত্রায় √(8RT / πM) থেকে পাওয়া গড় বেগ, সিমুলেশন ঠিক এই সংখ্যাই দেখায়।

গ্যাসআণবিক ভর (g/mol)O₂-এর তুলনায় হার৩০০ K-এ গড় বেগ (m/s)
H₂২৪.০০১,৭৮২
He৪২.৮৩১,২৬০
CH₄১৬১.৪১৬৩০
NH₃১৭১.৩৭৬১১
O₂৩২১.০০৪৪৬
HCl৩৬.৫০.৯৪৪১৭
CO₂৪৪০.৮৫৩৮০

অ্যামোনিয়া ও হাইড্রোজেন ক্লোরাইডের সাদা বলয়

এটা স্কুলের সবচেয়ে পরিচিত পরীক্ষা, আর সিমুলেশনও এটা দিয়েই শুরু।

আয়োজন

প্রায় এক মিটার লম্বা শুকনো কাচের নল আড়াআড়ি রাখা। এক মুখে গাঢ় অ্যামোনিয়া দ্রবণে ভেজানো তুলোর ছিপি, অন্য মুখে গাঢ় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডে ভেজানো ছিপি, দুটো একই মুহূর্তে। অ্যামোনিয়া গ্যাস (NH₃, M = ১৭) আর হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাস (HCl, M = ৩৬.৫) নল বেয়ে ছড়াতে শুরু করে।

কী দেখা যায়

কয়েক মিনিট পর যেখানে দুই গ্যাস মেলে সেখানে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের সাদা বলয় তৈরি হয়। বলয়টা ঠিক মাঝখানে হয় না, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের প্রান্তের কাছে হয়। কারণ হালকা গ্যাস অ্যামোনিয়া একই সময়ে বেশি পথ গেছে।

NH₃(g) + HCl(g) → NH₄Cl(s)মিলনবিন্দু চিহ্নিতকারী সাদা কঠিন পদার্থ

গ্রাহামের সূত্র কী বলে

সমান সময়ে অতিক্রান্ত দূরত্বের অনুপাত বেগের অনুপাতের সমান, তাই d(NH₃) : d(HCl) = √(৩৬.৫ ÷ ১৭) = ১.৪৭ : ১। দুই দূরত্ব যোগ করলে নলের দৈর্ঘ্য হয়, তা থেকে বলয়ের অবস্থান বেরোয়।

d(NH₃) / d(HCl) = √(৩৬.৫ / ১৭) = ১.৪৭

d(NH₃) = ১০০ × √৩৬.৫ ÷ (√১৭ + √৩৬.৫) = ৫৯.৪ cmঅ্যামোনিয়া-প্রান্ত থেকে মাপা

d(HCl) = ১০০ − ৫৯.৪ = ৪০.৬ cmHCl-প্রান্ত থেকে মাপা

বাস্তব নল নিয়ে একটা সতর্কতা

বাস্তব নলে ফল সূত্রের সঙ্গে মোটামুটি মেলে, হুবহু নয়। নলে বাতাস থাকে, তাই অণু নিজেদের মধ্যে ছাড়াও বাতাসের অণুর সঙ্গে ধাক্কা খায়। গ্রাহামের সূত্র নিঃসরণে নিখুঁত, ব্যাপনে আনুমানিক। সিমুলেশনে দুই প্রান্ত ভরাট রাখা হয়েছে আর গড় মুক্ত পথ স্থির, তাই তার স্থিতাবস্থা সূত্র মেনে চলে, আর তুমি ঝামেলা ছাড়া ধারণাটা দেখতে পাও।

সিমুলেশনে করে দেখো: ছয়টি পরীক্ষা

এগুলো পরপর চালাও। প্রতিটির মাঝে “আবার শুরু” চেপো, যাতে সব রান একই বীজ থেকে শুরু হয়।

  • ব্যাপন বেছে NH₃ ও HCl নিয়ে চালু করো। সবুজ রেখা ড্যাশ-দেওয়া গ্রাহাম রেখার কাছে থিতু হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করো, অ্যামোনিয়া-প্রান্ত থেকে প্রায় ৫৯.৪ cm। বলয়টা কোন প্রান্তের কাছে, লক্ষ করো।
  • জোড়া বদলে H₂ ও O₂ নাও। H₂ ও O₂ বিক্রিয়া করে না, তাই সাদা বলয়ের বদলে বিন্দুযুক্ত “প্রথম দেখা হওয়ার” চিহ্ন বসবে; গ্রাহামের রেখা ৮০.০ cm-এ। হাইড্রোজেন ৪ গুণ দ্রুত, তাই অক্সিজেনের ৪ গুণ পথ যায়।
  • “খুশিমতো” বেছে দুটি স্লাইডারই একই মানে আনো। চিহ্ন আর গ্রাহামের রেখা ৫০ cm-এ, ঠিক মাঝখানে থাকবে। সমান ভর মানে সমান হার।
  • তাপমাত্রা ৩০০ K থেকে ৬০০ K করো। প্রতিটি বেগ √৬০০ ÷ ৩০০ = ১.৪১ গুণ বাড়বে, অথচ বলয় একই জায়গায় থাকবে, শুধু আগে তৈরি হবে। কারণ দুই গ্যাসই সমান হারে দ্রুত হয়েছে।
  • নিঃসরণে গিয়ে H₂ ও O₂ নিয়ে আধা মিনিট চলতে দাও। সরাসরি অনুপাত ৪.০০-এর দিকে ঝুঁকবে, তবে শুরুতে দুলবে। কয়েক ডজন বেরোনো কণা ছোট নমুনা, আর গ্রাহামের সূত্র গড়ের কথা বলে।
  • নিঃসরণ পাত্রে CO₂ ও O₂ নাও। অনুপাত ১-এর নিচে নামবে, ০.৮৫-এর কাছাকাছি। কারণ ভারী কার্বন ডাই-অক্সাইড অক্সিজেনের চেয়ে ধীরে বেরোয়।

সমাধান করা অঙ্ক

প্রতিটি উত্তরে সিমুলেশনের মতো একই সংখ্যা ব্যবহার করা হয়েছে। আগে সূত্র লেখো, তারপর মান বসাও।

অঙ্ক ১: হাইড্রোজেন বনাম অক্সিজেন

একই অবস্থায় অক্সিজেনের চেয়ে হাইড্রোজেন কত গুণ দ্রুত নিঃসৃত হয়?

হার(H₂) / হার(O₂) = √(M(O₂) / M(H₂)) = √(৩২ / ২)

= √১৬ = ৪.০০

  • হাইড্রোজেন অক্সিজেনের চেয়ে ৪.০০ গুণ দ্রুত নিঃসৃত হয়।

অঙ্ক ২: অক্সিজেনের কত সময় লাগবে

একটি সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে ১০০ mL হাইড্রোজেন নিঃসৃত হতে ২০ s লাগে। একই অবস্থায় ১০০ mL অক্সিজেনের কত সময় লাগবে?

t(O₂) / t(H₂) = √(M(O₂) / M(H₂))সময় হারের ব্যস্তানুপাতিক

t(O₂) = ২০ × √(৩২ / ২) = ২০ × ৪.০০ = ৮০ s

অঙ্ক ৩: অজানা গ্যাসের আণবিক ভর বের করা

একটি সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে অক্সিজেনের নিঃসরণে ৪০ s লাগে। একই আয়তনের একটি অজানা গ্যাসের লাগে ৬০ s। অজানা গ্যাসের আণবিক ভর কত?

t(X) / t(O₂) = √(M(X) / M(O₂))দুই পক্ষের বর্গ করো

M(X) = ৩২ × (৬০ / ৪০)² = ৩২ × ২.২৫ = ৭২ g/mol

  • এটা ক্লোরিন Cl₂-এর (৭১ g/mol) খুব কাছাকাছি।

অঙ্ক ৪: সাদা বলয় কোথায় তৈরি হবে

১০০ cm নলের এক মুখ দিয়ে হিলিয়াম আর অন্য মুখ দিয়ে মিথেন (CH₄) ঢুকছে, কেউই বিক্রিয়া করে না, তাই শুধু মিশে যায়। গ্রাহামের সূত্র অনুযায়ী মিলনবিন্দু হিলিয়াম-প্রান্ত থেকে কত দূরে?

d(He) / d(CH₄) = √(১৬ / ৪) = ২.০০

d(He) = ১০০ × ২.০০ ÷ (২.০০ + ১) = ৬৬.৭ cm

  • বলয় হিলিয়াম-প্রান্ত থেকে ৬৬.৭ cm আর মিথেন-প্রান্ত থেকে ৩৩.৩ cm দূরে।

অঙ্ক ৫: হাইড্রোজেনের চেয়ে তিনগুণ ধীর গ্যাস

একটি গ্যাস হাইড্রোজেনের চেয়ে ৩ গুণ ধীরে নিঃসৃত হয়। তার আণবিক ভর কত?

হার(H₂) / হার(X) = √(M(X) / M(H₂))

৩ = √(M(X) / ২) ⇒ M(X) = ২ × ৩² = ২ × ৯ = ১৮ g/mol

অঙ্ক ৬: হাইড্রোজেন গরম করলে

৩০০ K থেকে ৬০০ K-এ গরম করলে হাইড্রোজেনের গড় বেগ কত গুণ হয়?

v(৬০০ K) / v(৩০০ K) = √(৬০০ / ৩০০) = ১.৪১

১,৭৮২ m/s × ১.৪১ ≈ ২,৫২০ m/s

অঙ্ক ৭: একসঙ্গে দুটি অজানা

একটি গ্যাস একই আয়তনের মিথেনের চেয়ে ২ গুণ সময় নেয়। তার আণবিক ভর কত, আর কোন গ্যাস দ্রুত, ভারী না হালকা?

t(X) / t(CH₄) = √(M(X) / M(CH₄)) = ২

M(X) = ১৬ × ২² = ১৬ × ৪ = ৬৪ g/mol

  • মিথেন হালকা, তাই সে দ্রুত। X ভারী বলে ধীর।

সাধারণ ভুল

প্রতি বছর এই ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়। নিজের হিসাব প্রতিটির সঙ্গে মিলিয়ে নাও।

  • হার ∝ 1/M লেখা। বর্গমূলই আসল কথা: ১৬ গুণ ভারী গ্যাস ধীর হয় মাত্র √১৬ = ৪ গুণ।
  • আণবিক ভর উল্টে বসানো। হার₁ / হার₂ লিখতে চাইলে √(M₂ / M₁) হবে, মানে ভারী গ্যাসের ভর ওপরে।
  • সময়কে হারের মতো ধরা। সময় হারের ব্যস্তানুপাতিক, তাই ধীর গ্যাসের সময় বেশি: t₁ / t₂ = √(M₁ / M₂)।
  • বেগের সূত্রে সেলসিয়াস ব্যবহার করা। কেলভিন লাগে: ২৭ °C মানে ৩০০ K।
  • আলাদা তাপমাত্রা বা চাপের গ্যাসে সূত্র খাটানো। গ্রাহামের সূত্র একই অবস্থার গ্যাস তুলনা করে।
  • বলয় মাঝখানে আশা করা। শুধু সমান আণবিক ভরের গ্যাস মাঝখানে (৫০ cm) মেলে। বলয় ভারী গ্যাসের প্রান্তের কাছে হয়।

গ্রাহামের সূত্র কোথায় কাজে লাগে

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ। প্রাকৃতিক ইউরেনিয়ামে বিভাজনযোগ্য আইসোটোপ ইউরেনিয়াম-২৩৫ মাত্র প্রায় ০.৭২%। আলাদা করতে ইউরেনিয়ামকে UF₆ গ্যাস বানিয়ে ছিদ্রযুক্ত পর্দার ভেতর দিয়ে চালানো হয়। হালকা আইসোটোপের আণবিক ভর ৩৪৯ g/mol, ভারীটার ৩৫২ g/mol, তাই হালকাটা সামান্য দ্রুত পেরোয়, √(৩৫২ / ৩৪৯) = ০.৯৯৫৭ গুণ। প্রতি ধাপে বাড়তি মাত্র -০.৪৩%, তাই পরপর শত শত ধাপ লাগে (৪% পর্যন্ত যেতে আদর্শ হিসাবে প্রায় -৪১০ ধাপ)।

বেলুন। হিলিয়ামের M = ৪, বাতাসের গড়ে প্রায় ২৯। বেলুনের অতি সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে হিলিয়াম বাতাসের চেয়ে √(২৯ / ৪) = ২.৬৯ গুণ দ্রুত বেরোয়, তাই হিলিয়ামের বেলুন বাতাসভরা বেলুনের আগে চুপসে যায়।

গ্যাস লিক। মিথেন (১৬ g/mol) একটা সূক্ষ্ম ফাটল দিয়ে প্রোপেনের (৪৪ g/mol) চেয়ে ১.৬৬ গুণ দ্রুত বেরোবে। রান্নার গ্যাসের নিজস্ব গন্ধ নেই, তাই তাতে তীব্র গন্ধের রাসায়নিক মেশানো হয়, যেন লিক হলে সেই গন্ধ ব্যাপনে ঘরময় ছড়িয়ে তোমাকে সাবধান করে।

শ্বাস-প্রশ্বাস। অক্সিজেন ও কার্বন ডাই-অক্সাইড ফুসফুসের পাতলা দেয়াল পেরোয় ব্যাপনের মাধ্যমে, যে গল্প জীববিজ্ঞানের ব্যাপন ও অভিস্রবণ বিষয়ে আছে। এখানকার সূত্র বেগ ঠিক করে, আর পর্দা নিজের নিয়ম যোগ করে।

পরীক্ষার কোণ (এসএসসি, এইচএসসি ও ভর্তি পরীক্ষা)

গ্রাহামের সূত্রের প্রশ্ন আসে তিন ধাঁচে। প্রথমটায় হার বা সময়ের অনুপাত, দ্বিতীয়টায় অজানা গ্যাসের আণবিক ভর, তৃতীয়টায় নলের ভেতর দূরত্ব। ওপরের অঙ্ক ১ থেকে ৪ তিনটি ধাঁচই ছুঁয়েছে।

  • গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র বিবৃত করো: স্থির তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের ব্যাপন বা নিঃসরণের হার তার আণবিক ভর (বা ঘনত্ব)-এর বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক।
  • ব্যাপন ও নিঃসরণের সংজ্ঞা এক লাইনে লেখো এবং একটি করে উদাহরণ দাও।
  • একই তাপমাত্রায় সমান গতিশক্তি থেকে গ্রাহামের সূত্র প্রতিপাদন করো (ওপরের ধাপ ১ থেকে ৩)।
  • দুটি গ্যাসের হারের অনুপাত বের করো, কিংবা একটির সময় জানা থাকলে অন্যটির সময় বের করো।
  • নিঃসরণের সময় থেকে অজানা গ্যাসের আণবিক ভর নির্ণয় করো।
  • অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের বলয় HCl-প্রান্তের কাছে কেন তৈরি হয়, ব্যাখ্যা করো।

পুনরালোচনার সারাংশ

পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা একবার পড়ে নাও। প্রতিটি লাইন পরীক্ষায় এক নম্বরের।

  • ব্যাপন মানে এলোমেলো গতিতে গ্যাসের মিশে যাওয়া, নিঃসরণ মানে সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে ফাঁকা স্থানে বেরোনো।
  • একই তাপমাত্রায় সব অণুর গড় গতিশক্তি সমান, তাই হালকা অণু দ্রুত।
  • গড় বেগ v̄ = √(8RT / πM): √T-এর সঙ্গে বাড়ে, √M-এর সঙ্গে কমে।
  • গ্রাহামের সূত্র: হার₁ / হার₂ = √(M₂ / M₁), আর সময়ের বেলায় উল্টো: t₁ / t₂ = √(M₁ / M₂)।
  • ১০০ cm নলে NH₃ ও HCl-এর বলয় অ্যামোনিয়া-প্রান্ত থেকে ৫৯.৪ cm-এ হয়, কারণ অনুপাত ১.৪৭।
  • কেলভিন ব্যবহার করো, একই তাপমাত্রা ও চাপ রাখো, আর বর্গমূল নিতে ভুলো না।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ব্যাপন ও নিঃসরণের পার্থক্য কী?

ব্যাপনে একটি গ্যাস অন্য গ্যাসের ভেতর ছড়িয়ে সমসত্ত্ব মিশ্রণ তৈরি করে। নিঃসরণে গ্যাস খুব সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে ফাঁকা স্থানে বেরিয়ে যায়। দুটির হারই আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক, তবে সূত্রটা নিখুঁতভাবে খাটে শুধু নিঃসরণে।

গ্রাহামের ব্যাপন সূত্র কী?

একই তাপমাত্রা ও চাপে কোনো গ্যাসের ব্যাপনের হার তার আণবিক ভরের বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক: হার₁ / হার₂ = √(M₂ / M₁)। তাই হাইড্রোজেন অক্সিজেনের চেয়ে ৪.০০ গুণ দ্রুত ব্যাপিত হয়।

হালকা গ্যাস দ্রুত ব্যাপিত হয় কেন?

একই তাপমাত্রায় সব অণুর গড় গতিশক্তি ½mv² সমান। শক্তি সমান হলে হালকা অণুকে বেশি বেগে চলতে হয়। দ্রুত অণু বেশি পথ যায় আর ছিদ্রে ঘন ঘন পড়ে।

সাদা বলয় হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিডের প্রান্তের কাছে কেন তৈরি হয়?

অ্যামোনিয়া (১৭ g/mol) হাইড্রোজেন ক্লোরাইডের (৩৬.৫ g/mol) চেয়ে হালকা, তাই ১.৪৭ গুণ দ্রুত চলে। সমান সময়ে সে বেশি পথ যায়, ফলে গ্যাস দুটি ধীর HCl-এর প্রান্তের কাছে মেলে, ১০০ cm নলে তা থেকে প্রায় ৪০.৬ cm দূরে।

গ্রাহামের সূত্র দিয়ে অজানা গ্যাসের আণবিক ভর কীভাবে বের করব?

একই আয়তনের অজানা গ্যাস আর জানা গ্যাসের নিঃসরণের সময় মাপো। তারপর M(অজানা) = M(জানা) × (t(অজানা) / t(জানা))²। অক্সিজেনের ৪০ s আর অজানার ৬০ s হলে অজানা গ্যাসের M = ৭২ g/mol।

তাপমাত্রা বদলালে কি হারের অনুপাত বদলায়?

না। তাপমাত্রা বাড়ালে দুই গ্যাসই একই গুণক √(T₂ / T₁) দিয়ে দ্রুত হয়, তাই হারের অনুপাত একই থাকে। শুধু সবকিছু আগে ঘটে।

বাতাসে ব্যাপনে কি গ্রাহামের সূত্র নিখুঁত খাটে?

ঠিক নিখুঁত নয়। বাস্তব নলে অণুরা বাতাসের অণুর সঙ্গেও ধাক্কা খায়, তাই মাপা অনুপাত √(M₂ / M₁)-এর সঙ্গে মোটামুটি মেলে। আদর্শ গ্যাসের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে নিঃসরণে, যেখানে বেরোনোর পথে সংঘর্ষ হয় না, সূত্র নিখুঁত।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ