নিয়ন্ত্রণ
কী দেখবে
পরিমাপ
- বৃত্তকলার সংখ্যা
- ১২
- পরিধি, 2πr
- ৩১.৪২সেমি
- অর্ধ-পরিধি, πr
- ১৫.৭১সেমি
- আয়তের দৈর্ঘ্য
- ১৫.৫৩সেমি
- আয়তের প্রস্থ
- ৪.৮৩সেমি
- আয়তের ক্ষেত্রফল
- ৭৫.০০সেমি²
- সঠিক ক্ষেত্রফল, πr²
- ৭৮.৫৪সেমি²
- ত্রুটি
- ৪.৫১%
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- শুরুতে “ক্ষেত্রফলের প্রমাণ” অবস্থায় থাকো। বৃত্তটি ১২টি সমান বৃত্তকলায় কাটা, দুটি রঙে একটা একটা করে বদলে। চালু করো চাপলে টুকরোগুলো বেরিয়ে এসে চিরুনির দাঁতের মতো একটার ফাঁকে আরেকটা বসে যাবে।
- “বৃত্তকলার সংখ্যা” স্লাইডার টানো। মাত্র ৪টি টুকরোয় আকারটা এবড়োখেবড়ো সামান্তরিক। ৬৪টিতে প্রায় নিখুঁত আয়তক্ষেত্র। পরিমাপ অংশে আয়তের দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, ক্ষেত্রফল আর সঠিক πr²-এর সঙ্গে ত্রুটি দেখা যাবে।
- “সাজানোর অগ্রগতি” স্লাইডার দিয়ে অ্যানিমেশন হাতে ধরে একটু একটু করে এগোও, যেকোনো মুহূর্তে থামিয়ে বৃত্ত আর লম্বা আকারটা পাশাপাশি তুলনা করো।
- ব্যাসার্ধ বদলাও। পর্দার সব দৈর্ঘ্য মাপ অনুযায়ী বাড়বে-কমবে, সঙ্গে পরিধি, অর্ধ-পরিধি আর ক্ষেত্রফলও। খেয়াল করো, ত্রুটির শতাংশ ব্যাসার্ধের ওপর নির্ভর করে না, নির্ভর করে শুধু টুকরোর সংখ্যার ওপর।
- “পরিধি ও পাই” বেছে নাও। একটা বৃত্ত সোজা রেখা বেয়ে গড়িয়ে নিজের পরিধি রেখে যায়। রেখাটা ব্যাসের টুকরোয় ভাগ করা: তিনটি পূর্ণ ব্যাস আর সামান্য একটু বাকি। ওই সামান্য অংশই পাইয়ের ০.১৪১৫৯…।
- “বৃত্তকলা ও চাপ” বেছে θ কোণ টানো। চাপের দৈর্ঘ্য আর বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল সবসময় পুরো বৃত্তের θ/৩৬০ অংশ। নিচের দুটি দণ্ডে সেই অংশ ভরাট হতে দেখবে।
পিৎজা, বৃত্ত আর একটা অনেক পুরনো প্রশ্ন
তুমি ৩০ সেমি ব্যাসের পিৎজা অর্ডার করলে, ৮ টুকরো করা। বন্ধু বলল, ৪০ সেমির পিৎজাটা “একটু বড়” মাত্র। সত্যিই কি তাই? ছোটটার ক্ষেত্রফল প্রায় ৭০৬.৮৬ বর্গসেমি, অর্থাৎ প্রতি টুকরো ৮৮.৩৬ বর্গসেমি। বড়টার ১,২৫৬.৬৪ বর্গসেমি, মানে ১.৭৮ গুণ খাবার, অথচ ব্যাস বেড়েছে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। কারণ বুঝতে বৃত্তের ক্ষেত্রফল জানতে হবে।
গোল মাঠ মাপার প্রশ্ন মানুষ করছে প্রায় চার হাজার বছর ধরে। বর্গ বা আয়তের ক্ষেত্রফল সহজ, দুই বাহু গুণ করলেই হয়। কিন্তু বৃত্তের একটাও সোজা বাহু নেই, তাই বহুকাল শুধু আন্দাজের ওপর চলতে হয়েছে। খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ২৫০ সালে গ্রিক গণিতবিদ আর্কিমিডিস বৃত্তকে ক্রমশ বেশি টুকরো করে উত্তরটাকে দুই সংখ্যার মাঝখানে বন্দি করেন। এই পাতার সিমুলেশনও টুকরো করার সেই ধারণাই ব্যবহার করে, শুধু সাজানোর কৌশলে ফলটা চোখে দেখা যায়।
একদম গোড়া থেকে: ব্যাসার্ধ, ব্যাস আর পরিধি
কোনো নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে সমান দূরত্বে থাকা সব বিন্দু নিয়ে বৃত্ত। ওই নির্দিষ্ট বিন্দুটির নাম কেন্দ্র। কম্পাসের কাঁটা কাগজে বসিয়ে পেনসিল ঘুরিয়ে পুরোটা ঘুরলে যে বক্ররেখা আঁকা হয় সেটাই বৃত্ত, আর কম্পাস যতটুকু ফাঁক করা ছিল সেটাই ব্যাসার্ধ।
বৃত্তের সবকিছু তিনটি দৈর্ঘ্য আর একটি সংখ্যা দিয়ে গড়া। এগুলো ঠিকমতো বুঝে নিলে ক্ষেত্রফলের সূত্র আর মুখস্থ করতে হয় না।
- ব্যাসার্ধ r কেন্দ্র থেকে বৃত্তের যেকোনো বিন্দু পর্যন্ত দূরত্ব।
- ব্যাস d কেন্দ্র দিয়ে এপার-ওপার সোজা রেখা, তাই d = ২r।
- পরিধি C বৃত্তের বক্ররেখার নিজের দৈর্ঘ্য, একবার ঘুরে আসার দূরত্ব।
- পাই (π) হলো C ÷ d অনুপাত, ছোট-বড় সব বৃত্তের জন্য একই।
| শব্দ | অর্থ | প্রতীক |
|---|---|---|
| ব্যাসার্ধ | কেন্দ্র থেকে বৃত্ত পর্যন্ত | r |
| ব্যাস | কেন্দ্র দিয়ে এপার-ওপার | d = ২r |
| পরিধি | বৃত্তের নিজের দৈর্ঘ্য | C = ২πr |
| ক্ষেত্রফল | বৃত্তের ভেতরের সমতল জায়গা | A = πr² |
| বৃত্তকলা | দুটি ব্যাসার্ধ ও একটি চাপে ঘেরা অংশ | কোণ θ |
| বৃত্তচাপ | পরিধির একটি অংশ | l |
পাই: প্রতিটি বৃত্তে লুকিয়ে থাকা সংখ্যা
যেকোনো গোল জিনিস নাও, বোতলের ঢাকনা, থালা বা সাইকেলের চাকা। সুতো দিয়ে চারপাশ মেপে নাও, তারপর এপার-ওপার মাপো। প্রথমটাকে দ্বিতীয়টা দিয়ে ভাগ করো। প্রতিবারই প্রায় ৩.১৪১৬ পাবে। এই ধ্রুব সংখ্যাটিই পাই, লেখা হয় π।
সিমুলেশনে “পরিধি ও পাই” বেছে চালু করো। বৃত্তটা একবার গড়িয়ে নিজের পরিধি সোজা বিছিয়ে দেয়। সেই রেখাকে বৃত্তের ব্যাসের সঙ্গে মেলাও: তিনটি পূর্ণ ব্যাস বসে, সামান্য একটু বাকি থাকে। বাকিটুকু ব্যাসের প্রায় ০.১৪ অংশ। ব্যাসার্ধ বদলালে ছবি বড়-ছোট হয়, কিন্তু পরিমাপের ঘরে অনুপাতটা নড়ে না।
যেহেতু C = πd আর ব্যাস দুই ব্যাসার্ধের সমান, তাই পরিধি C = ২πr। ক্ষেত্রফলের প্রমাণের প্রথম অর্ধেক এই একটি তথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে।
π = C ÷ dপাইয়ের সংজ্ঞা
C = ২πrব্যাসার্ধ থেকে পরিধি
C = πdব্যাস থেকে পরিধি
টুকরো করার প্রমাণ: ক্ষেত্রফল কেন πr²
সিমুলেশনে যে প্রমাণটা আঁকা হয় তা এখানে লেখা হলো। এতে পরিধির সূত্র আর আয়তের ক্ষেত্রফল ছাড়া আর কিছু লাগে না।
ধাপ ১: বৃত্তকে সমান বৃত্তকলায় কাটো
পিৎজার মতো বৃত্তটাকে n সংখ্যক সমান বৃত্তকলায় কাটো, n জোড় সংখ্যা। একটা একটা করে রং বদলে দাও যাতে আলাদা চেনা যায়। প্রতিটি বৃত্তকলা সরু ফালি: ছুঁচালো মাথা কেন্দ্রে, বাইরে ছোট্ট বাঁকা কিনারা।
ধাপ ২: টুকরোগুলো একসঙ্গে বসাও
একটা বাদ দিয়ে একটা ফালি উল্টে দাও আর ঠেলে এমনভাবে বসাও যে ছুঁচালো মাথা প্রতিবেশীদের ফাঁকে ঢুকে যায়। টুকরোগুলো আটকে যায়, নতুন আকারের ওপর-নিচের কিনারা ছোট ছোট চাপ দিয়ে তৈরি হয়।
কিছুই বাড়ানো বা ফেলে দেওয়া হয়নি। নতুন আকারের ক্ষেত্রফল ঠিক বৃত্তের সমান, কারণ টুকরোগুলো একই।
ধাপ ৩: যা দেখছ তা মাপো
অর্ধেক ফালি ওপরে মুখ করা, অর্ধেক নিচে। তাই নিচের কিনারা বৃত্তের বাইরের বক্ররেখার অর্ধেক দিয়ে তৈরি, অর্থাৎ অর্ধ-পরিধি πr। আকারটার উচ্চতা একটা ফালির দৈর্ঘ্য, মানে ব্যাসার্ধ r।
অনেক সরু টুকরো হলে বাঁকা কিনারা প্রায় সোজা হয়ে যায় আর আকারটা হয় πr লম্বা ও r চওড়া আয়তক্ষেত্র। এর ক্ষেত্রফল দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = πr × r।
ক্ষেত্রফল = πr × r = πr²দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ধাপ ৪: ত্রুটি কমতে দেখো
সিমুলেশন আকারটাকে জোর করে আয়ত ধরে না, আসল টুকরো মাপে। r = ১০ হলে সঠিক ক্ষেত্রফল ৩১৪.১৬ আর অর্ধ-পরিধি ৩১.৪২। টুকরোর সংখ্যা n বাড়ালে আসল আকার থেকে যা পাওয়া যায় তা নিচের ছকে।
| টুকরো n | দৈর্ঘ্য | প্রস্থ | ক্ষেত্রফল | ত্রুটি |
|---|---|---|---|---|
| ৪ | ২৮.২৮ | ৭.০৭ | ২০০ | ৩৬.৩৪% |
| ৮ | ৩০.৬১ | ৯.২৪ | ২৮২.৮৪ | ৯.৯৭% |
| ১৬ | ৩১.২১ | ৯.৮১ | ৩০৬.১৫ | ২.৫৫% |
| ৩২ | ৩১.৩৭ | ৯.৯৫ | ৩১২.১৪ | ০.৬৪১% |
| ৬৪ | ৩১.৪০ | ৯.৯৯ | ৩১৩.৬৫ | ০.১৬১% |
পাইয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
প্রায় চার হাজার বছর আগে ব্যাবিলন আর মিসরের মানুষ ৩.১২৫ ও ৩.১৬-এর কাছাকাছি মান ব্যবহার করত। তারা মেপেছিল, প্রমাণ করেনি।
আর্কিমিডিস বৃত্তের ভেতরে একটি আর বাইরে একটি ৯৬ বাহুর বহুভুজ আঁকেন। বৃত্তের পরিধি এই দুই পরিসীমার মাঝে থাকবেই, তাই পাই আটকা পড়ে ২২৩/৭১ (প্রায় ৩.১৪০৮) আর ২২/৭ (প্রায় ৩.১৪২৯)-এর মধ্যে। ২২/৭ ভগ্নাংশটা এভাবেই এসেছে। এটা ভালো আসন্ন মান, আসল মান নয়।
পঞ্চম শতকে চীনা গণিতবিদ জু চংঝি পান ৩৫৫/১১৩, যা দশমিকের ছয় ঘর পর্যন্ত নির্ভুল। চৌদ্দ-পনেরো শতকের মোড়ে কেরালার মাধব অসীম ধারা ব্যবহার করে আরও অনেক অঙ্ক বের করেন। আজ কম্পিউটার লক্ষ কোটি অঙ্ক হিসাব করেছে। পাই কখনো শেষ হয় না, পুনরাবৃত্তিও হয় না, অর্থাৎ এটি ভগ্নাংশ নয়; ২২/৭ বা ৩৫৫/১১৩ শুধু খুব কাছের প্রতিবেশী।
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পাঁচটি ছোট পরীক্ষায় প্রমাণটা হাতে ধরা যায়। শুধু পড়ো না, স্লাইডার টেনে করো।
- বৃত্তকলার সংখ্যা ৪, তারপর ১২, তারপর ৬৪ করো। ত্রুটি কমতে দেখো। r = ৫ আর n = ১২ হলে আয়তের ক্ষেত্রফল ৭৫, সঠিক মান ৭৮.৫৪, ত্রুটি ৪.৫১%।
- ব্যাসার্ধ সবচেয়ে ছোট, তারপর সবচেয়ে বড় করো। আকার বদলায়, ধরন বদলায় না; ত্রুটির শতাংশও থাকে একই। ত্রুটি নির্ভর করে কাটার ওপর, মাপের ওপর নয়।
- পরিমাপে ব্যাসার্ধ ৫ থেকে ১০ সেমি করো। পরিধি দ্বিগুণ হয় কিন্তু ক্ষেত্রফল চার গুণ (৭৮.৫৪ থেকে ৩১৪.১৬ বর্গসেমি)। ক্ষেত্রফল ব্যাসার্ধের বর্গের সঙ্গে বাড়ে।
- “পরিধি ও পাই”-তে ব্যাসার্ধ ১, ৬ ও ১২ রেখে পরিধি ÷ ব্যাস পড়ো। প্রতিবার একই সংখ্যা, ঠিক এ কারণেই পাই ধ্রুবক।
- “বৃত্তকলা ও চাপ”-এ θ = ১৮০ করো। চাপ অর্ধেক পরিধি, বৃত্তকলা অর্ধেক ক্ষেত্রফল: একটি অর্ধবৃত্ত। θ = ৩৬০ করলে দুটো দণ্ডই পুরো ভরে যায়।
বৃত্তকলা ও বৃত্তচাপ: সূত্রের একটা ফালি
বৃত্তকলা হলো কেন্দ্র থেকে শুরু হওয়া বৃত্তের একটি ফালি। এর কেন্দ্রীয় কোণ θ ডিগ্রি হলে এটি পুরো বৃত্তের θ/৩৬০ অংশ। তাই এর ক্ষেত্রফল ও চাপের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে বৃত্তের ক্ষেত্রফল ও পরিধির ওই একই অংশ।
পুরো কৌশলটা এই ভগ্নাংশে। ৯০° মানে এক-চতুর্থাংশ, ৬০° মানে এক-ষষ্ঠাংশ, ১৮০° মানে অর্ধেক। আগে ভগ্নাংশ বের করো, তারপর গুণ করো।
l = (θ/৩৬০) × ২πrচাপের দৈর্ঘ্য
A = (θ/৩৬০) × πr²বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল
A = ½ × l × rচাপ থেকে বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল
সমাধান করা অংক
নিচের প্রতিটি উত্তর সিমুলেশনের সূত্র থেকেই হিসাব করা, π = ৩.১৪১৬ ধরে।
অংক ১: ব্যাসার্ধ থেকে ক্ষেত্রফল ও পরিধি (r = ৭ সেমি)
ক্ষেত্রফল = π × r² = ৩.১৪১৬ × ৭ × ৭ = ১৫৩.৯৪ বর্গসেমি। পরিধি = ২πr = ২ × ৩.১৪১৬ × ৭ = ৪৩.৯৮ সেমি।
অংক ২: ব্যাস থেকে (d = ২০ সেমি)
আগে অর্ধেক করো: r = ২০ ÷ ২ = ১০ সেমি। ক্ষেত্রফল = ৩.১৪১৬ × ১০² = ৩১৪.১৬ বর্গসেমি। পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ১০ = ৬২.৮৩ সেমি।
অংক ৩: পরিধি থেকে (C = ৪৪ সেমি)
C = ২πr থেকে r = C ÷ ২π = ৪৪ ÷ (২ × ৩.১৪১৬) = ৭ সেমি। তখন ক্ষেত্রফল ৩.১৪১৬ × ৭² = ১৫৩.৯৪ বর্গসেমি।
অংক ৪: ১৪ সেমি ও ৭ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্তাকার পথ
পথ মানে বড় বৃত্ত থেকে ভেতরের ফাঁকা বৃত্ত বাদ। বড় বৃত্ত: ৩.১৪১৬ × ১৪² = ৬১৫.৭৫ বর্গসেমি। ভেতরের বৃত্ত: ৩.১৪১৬ × ৭² = ১৫৩.৯৪ বর্গসেমি। পথের ক্ষেত্রফল = ৪৬১.৮২ বর্গসেমি।
সংক্ষেপে: π(R² − r²) = ৩.১৪১৬ × (১৯৬ − ৪৯) = ৩.১৪১৬ × ১৪৭। আগে বর্গ করে তারপর বিয়োগ করো, ব্যাসার্ধ বিয়োগ করে বর্গ কোরো না।
অংক ৫: ২১ সেমি ব্যাসার্ধের বৃত্তে ৬০° কোণের বৃত্তকলা
ভগ্নাংশ ৬০/৩৬০ = ১/৬। চাপের দৈর্ঘ্য = (১/৬) × ২ × ৩.১৪১৬ × ২১ = ২১.৯৯ সেমি। বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল = (১/৬) × ৩.১৪১৬ × ২১² = ২৩০.৯১ বর্গসেমি।
বৃত্তকলার পরিসীমায় দুটি সোজা কিনারাও যোগ হয়: ২১.৯৯ + ৪২ = ৬৩.৯৯ সেমি।
অংক ৬: গোল মাঠে বেড়া ও টাইলস (ব্যাস ২৮ মিটার)
ব্যাসার্ধ = ১৪ মিটার। বেড়ার দৈর্ঘ্য = পরিধি = ২ × ৩.১৪১৬ × ১৪ = ৮৭.৯৬ মিটার। মিটারপ্রতি ৫০ টাকা হলে বেড়ার খরচ ৪,৩৯৮ টাকা।
মেঝে টাইলস করতে লাগে ক্ষেত্রফল: ৩.১৪১৬ × ১৪² = ৬১৫.৭৫ বর্গমিটার। বর্গমিটারপ্রতি ১২০ টাকা হলে খরচ ৭৩,৮৯০ টাকা। বেড়ায় পরিধি, টাইলসে ক্ষেত্রফল।
অংক ৭: ১৪ সেমি ব্যাসার্ধের অর্ধবৃত্ত
ক্ষেত্রফল πr²-এর অর্ধেক: ৩০৭.৮৮ বর্গসেমি। পরিসীমা = বাঁকা অংশ πr = ৪৩.৯৮ সেমি আর সোজা ব্যাস ২৮ সেমি, মোট ৭১.৯৮ সেমি। অনেকে সোজা কিনারাটা ভুলে যায়।
অংক ৮: চাকা কতবার ঘুরবে?
চাকার ব্যাস ৭০ সেমি। এক পাক ঘুরলে পরিধির সমান ২১৯.৯১ সেমি যায়। ২২০ মিটার মানে ২২,০০০ সেমি, তাই চাকা ঘুরবে ২২,০০০ ÷ ২১৯.৯১ = ১০০.০৪ বার।
সচরাচর ভুল
এই পাঁচটি ভুলে প্রতি বছর নম্বর কাটা যায়। খাতা জমা দেওয়ার আগে একবার মিলিয়ে নাও।
- πr²-এ ব্যাসার্ধের জায়গায় ব্যাস বসানো। আগে ব্যাস অর্ধেক করো।
- ক্ষেত্রফলের একক সেমি লেখা, অথচ হবে বর্গসেমি। ক্ষেত্রফল সমতল জায়গা, তাই একক বর্গ।
- ২πr (পরিধি) আর πr² (ক্ষেত্রফল) গুলিয়ে ফেলা। একটিতে ২ আছে বর্গ নেই, অন্যটিতে বর্গ আছে ২ নেই।
- বৃত্তাকার পথে আগে ব্যাসার্ধ বিয়োগ করে বর্গ করা। সঠিক সূত্র π(R² − r²), π(R − r)² নয়।
- অর্ধবৃত্ত বা বৃত্তকলার পরিসীমা বের করতে গিয়ে সোজা কিনারা বাদ দেওয়া।
বাস্তব জীবনে বৃত্ত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল ঠিক করে দেয় পিৎজায় কতটা খাবার, গোল টেবিলে কতটা রং লাগবে, গোল পুকুরে কত পানি ধরবে। কৃষক সেচের যন্ত্র ঘুরিয়ে যে গোল জমি ভেজান, তার ক্ষেত্রফল πr², এখানে r হলো যন্ত্রের হাতের দৈর্ঘ্য।
প্রকৌশলীরা পাইপে এটা ব্যবহার করেন: পাইপ কতটা পানি বইতে পারবে তা নির্ভর করে প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল πr²-এর ওপর, তাই ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করলে ধারণক্ষমতা চার গুণ। সাইকেলের চাকার প্রতি পাকে সাইকেল এগোয় ২πr, স্পিডোমিটার এই হিসাবেই চলে।
চিকিৎসকেরা গোল ক্ষতের ক্ষেত্রফল মেপে সারার অগ্রগতি দেখেন, জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্যের চাকতির ক্ষেত্রফল আন্দাজ করেন। গোল কিছু গুরুত্বপূর্ণ হলেই πr² আশেপাশে থাকে।
পরীক্ষার কোণ
অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির বৃত্তের প্রশ্ন বেশিরভাগ পাঁচ ধরনের। লেখা শুরুর আগে ধরনটা চিনে নাও।
- সরাসরি বসানো: r বা d দেওয়া, ক্ষেত্রফল বা পরিধি বের করো।
- উল্টো পথ: ক্ষেত্রফল বা পরিধি দেওয়া, আগে r বের করো।
- মিশ্র আকার: বৃত্তাকার পথ, অর্ধবৃত্ত, বর্গের ভেতর থেকে বৃত্ত কেটে নেওয়া। ক্ষেত্রফল যোগ বা বিয়োগ করো।
- বৃত্তকলা ও চাপ: আগে θ/৩৬০ ভগ্নাংশ লিখে তারপর গুণ করো।
- খরচ ও দর: বেড়ায় পরিধি, টাইলসে ক্ষেত্রফল; শেষে দর দিয়ে গুণ করো।
পুনরালোচনা
এই পাতার আর কিছু মনে না থাকলেও এই লাইনগুলো মনে রেখো।
d = ২rব্যাস
C = ২πr = πdপরিধি
A = πr²ক্ষেত্রফল
পথ = π(R² − r²)বৃত্তাকার পথের ক্ষেত্রফল
l = (θ/৩৬০) × ২πrচাপের দৈর্ঘ্য
বৃত্তকলা = (θ/৩৬০) × πr²বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল
- টুকরো করার প্রমাণে দৈর্ঘ্য πr আর প্রস্থ r, তাই ক্ষেত্রফল πr²।
- প্রশ্নে অন্য কিছু না থাকলে π = ৩.১৪১৬ ধরো।
- ক্ষেত্রফলের একক বর্গ, পরিধির একক সাধারণ।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র কী?
ক্ষেত্রফল A = πr², যেখানে r ব্যাসার্ধ। ব্যাসার্ধকে বর্গ করে π দিয়ে গুণ করো; π-এর মান প্রায় ৩.১৪১৬ বা ২২/৭। শুধু ব্যাস জানা থাকলে আগে অর্ধেক করে ব্যাসার্ধ বের করো।
বৃত্তের ক্ষেত্রফল πr² কেন, πd² কেন নয়?
প্রমাণে বৃত্তকে এমন আয়তে সাজানো হয় যার দৈর্ঘ্য অর্ধ-পরিধি (πr) আর প্রস্থ ব্যাসার্ধ (r)। দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = πr²। ব্যাস ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ, তাই π(d/2)² = πd²/৪, একই জিনিস অন্যভাবে লেখা।
পরিধি আর ক্ষেত্রফলের পার্থক্য কী?
পরিধি বৃত্তের চারপাশের দৈর্ঘ্য, একক সেমির মতো সাধারণ। ক্ষেত্রফল ভেতরের সমতল জায়গা, একক বর্গসেমির মতো বর্গ। পরিধি ২πr আর ক্ষেত্রফল πr²।
পাই কি ঠিক ২২/৭?
না। ২২/৭ প্রায় ৩.১৪২৮৫৭, আর পাই প্রায় ৩.১৪১৫৯৩। এটা আর্কিমিডিসের সময়ের সুবিধাজনক আসন্ন মান। পাই অমূলদ সংখ্যা, তাই কোনো ভগ্নাংশেই ঠিকঠিক লেখা যায় না।
পরিধি থেকে ক্ষেত্রফল কীভাবে বের করব?
আগে r = C ÷ ২π দিয়ে ব্যাসার্ধ বের করো, তারপর A = πr² বসাও। উপরের অংক ৩-এ সংখ্যাসহ করে দেখানো আছে।
বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল কীভাবে বের করব?
বৃত্তের ক্ষেত্রফলকে θ/৩৬০ ভগ্নাংশ দিয়ে গুণ করো, θ ডিগ্রিতে কেন্দ্রীয় কোণ। ৯০° কোণের বৃত্তকলা πr²-এর এক-চতুর্থাংশ।
বৃত্তাকার পথের ক্ষেত্রফল কত?
বড় বৃত্ত থেকে ছোট বৃত্ত বাদ: π(R² − r²)। আগে দুই ব্যাসার্ধ আলাদা বর্গ করো, তারপর বিয়োগ করো।
সিমুলেশনটি কি সূত্রের প্রমাণ?
এটি প্রমাণের ধারণাটা দেখায়। নির্দিষ্ট সংখ্যক টুকরোয় আকারটা আয়তের কাছাকাছি মাত্র, ত্রুটির ঘর বলে দেয় কতটা কাছে। পূর্ণ প্রমাণে টুকরোর সংখ্যা সীমাহীনভাবে বাড়ানো হয়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
অষ্টম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















