মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

কেন প্রতিটি অণুর একটা আকৃতি থাকে: নিজের হাতে বানাও আর ঘুরিয়ে দেখো

ভিএসইপিআর তত্ত্ব বলে, কেন্দ্রীয় পরমাণুর চারপাশের ইলেকট্রন জোড়গুলো পরস্পরকে বিকর্ষণ করে যতটা সম্ভব দূরে সরে যায়, আর এই সাজানোই অণুর আকৃতি ঠিক করে। বন্ধন জোড় আর মুক্তজোড় গুনলে স্টেরিক সংখ্যা মেলে: ২ হলে সরলরেখা, ৩ হলে ত্রিভুজ, ৪ হলে চতুস্তলক। মুক্তজোড় বেশি জোরে ঠেলে, তাই অ্যামোনিয়ার কোণ ১০৭° আর পানির ১০৪.৫°, ১০৯.৫° নয়।

কেন্দ্রীয় পরমাণুবন্ধিত পরমাণুমুক্তজোড় ইলেকট্রনবন্ধন কোণ

মুক্তজোড় নেই, তাই সব বন্ধন জোড় সমান দূরে সরে আদর্শ আকৃতি পেয়েছে আর বন্ধন কোণও আদর্শ

গতি

নিয়ন্ত্রণ

উদাহরণ বেছে নাও

৪
০

পরিমাপ

স্টেরিক সংখ্যা
৪
AXE সংকেত
AX₄
ইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতি
চতুস্তলকীয়
অণুর আকৃতি
চতুস্তলকীয়
বন্ধন কোণ (আদর্শ → বাস্তব)
১০৯.৫° → ১০৯.৫°
সংকরণ
sp³
চিহ্নিত কোণ এখন
১০৯.৫°

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. সিমুলেশন খুললেই মিথেন CH₄ ধীরে ধীরে ঘুরছে। মাউস বা আঙুল দিয়ে টেনে নিজেই ঘোরাও, ক্যানভাস ফোকাসে থাকলে তীর চিহ্নের বোতামেও ঘোরানো যায়। “থামাও” চাপলে ঘোরা থেমে যায়। বড় গোলকটি কেন্দ্রীয় পরমাণু, ছোটগুলো তার সাথে যুক্ত পরমাণু, আর লাল চাপ বন্ধন কোণ দেখাচ্ছে, পাশে তার মান।
  2. “উদাহরণ বেছে নাও” সারি থেকে একটি অণু ধরো, অথবা দুটি স্লাইডার দিয়ে নিজের অণু বানাও: বন্ধন জোড় ২ থেকে ৬ আর মুক্তজোড় ০ থেকে ৩। সব জোড়া সংখ্যা চলে না, কারণ স্টেরিক সংখ্যা ৬-এর বেশি হয় না, তাই জায়গা না থাকলে মুক্তজোড় স্লাইডারের সীমা আপনা-আপনি কমে যায়।
  3. মুক্তজোড় দেখা যায় আধা-স্বচ্ছ হলুদ-কমলা লোব হিসেবে, ভেতরে দুটি বিন্দু, মানে দুটি ইলেকট্রন। “মুক্তজোড় দেখাও” টিক সরালে শুধু পরমাণুগুলো থাকে, এটাই অণুর আকৃতি। টিক দিলে ইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতিও দেখা যায়। পরিমাপ প্যানেলে স্টেরিক সংখ্যা, AXE সংকেত, দুই ধরনের আকৃতির নাম, আদর্শ থেকে বাস্তব কোণ আর সংকরণ লেখা থাকে।
  4. শেষ টগলটি “মুক্তজোড়ের চাপে বন্ধন কোণ কমুক”। এটা বন্ধনগুলোকে আদর্শ কোণ আর বইয়ের কমে যাওয়া কোণের মধ্যে গড়িয়ে নেয়। NH₃ বা H₂O-তে একবার টিক দাও আর সরাও, লাল চাপ ছোট-বড় হতে দেখবে। তারপর নিচের পরীক্ষাগুলো করো।

পানি বাঁকা, কিন্তু কার্বন ডাই-অক্সাইড সোজা কেন?

দুটোই তিন পরমাণুর অণু। অথচ CO₂ একদম সোজা রেখা, আর H₂O একটা বাঁকা বুমেরাং। পরমাণুর সংখ্যা সমান, আকৃতি পুরো আলাদা। আকৃতি যদি শুধু পরমাণুর সংখ্যার ওপর নির্ভর করত, দুটোই এক রকম দেখাত। তা হয় না, আর কারণটা চোখে দেখা যায় না: ইলেকট্রন।

কেন্দ্রীয় পরমাণুর চারপাশে একগোছা বেলুন কল্পনা করো। প্রতিটি বেলুন একটা জায়গা যেখানে ইলেকট্রন থাকে: হয় অন্য পরমাণুর সাথে বন্ধন, নয়তো কেন্দ্রীয় পরমাণুর নিজস্ব মুক্তজোড়। কয়েকটা বেলুন একসাথে বাঁধলে তারা একে অপরকে ঠেলে যতটা সম্ভব জায়গা নিয়ে নেয়। বেলুনগুলোর এই সাজানোই আকৃতি। পানির অক্সিজেনের চারপাশে ৪টি বেলুন, দুটি হাইড্রোজেনের সাথে জোড়া, দুটি ফাঁকা, তাই হাইড্রোজেন দুটো বাঁকা V-এর মতো সরে আসে। CO₂-এর কার্বনের চারপাশে মাত্র ২টি বেলুন, দুটি দ্বিবন্ধন, আর দুটি বেলুনকে সবচেয়ে দূরে রাখার উপায় সোজা রেখা।

এই ধারণাটার নাম ভ্যালেন্স শেল ইলেকট্রন পেয়ার রিপালশন, সংক্ষেপে ভিএসইপিআর (VSEPR)। ১৯৫৭ সালে রোনাল্ড গিলেস্পি ও রোনাল্ড নাইহোম এটা প্রস্তাব করেন, আর আজও আকৃতি অনুমান করতে রসায়নবিদরা প্রথমে এটাই ধরেন। কোনো জটিল হিসাব লাগে না, লাগে শুধু গোনা আর একটু জ্যামিতি।

এই পাতায় এমন একটা মডেল আছে যা হাতের মুঠোয় ঘোরানো যায়। অণু বানাও, ঘোরাও, মুক্তজোড় চালু-বন্ধ করো, তাহলে নিচের নিয়মগুলো আর মুখস্থ করার বিষয় থাকবে না, নিজের চোখে ঘটতে দেখা জিনিস হয়ে যাবে। সিমুলেশনটাই পাঠ্যবই, আশেপাশের লেখা শুধু পথ দেখায়।

একদম গোড়া থেকে: ইলেকট্রন বিকর্ষণ করে, তাই ছড়িয়ে পড়ে

প্রতিটি ইলেকট্রনে ঋণাত্মক চার্জ আছে, আর ঋণাত্মক চার্জ একে অপরকে ঠেলে সরিয়ে দেয়। পুরো তত্ত্বটা এক লাইনেই শেষ। বাকিটা হিসাব রাখার ব্যাপার: কোন ইলেকট্রনগুলো গোনা হবে, আর সবাই একসাথে ঠেললে তারা কীভাবে সাজাবে।

অণুর কেন্দ্রীয় পরমাণুর দিকে তাকাও। তার চারপাশে ইলেকট্রনের কয়েকটা গোষ্ঠী আছে, যাদের বলে ইলেকট্রন ডোমেইন। একটি ডোমেইন মানে এগুলোর যেকোনো একটি: একক বন্ধন, দ্বিবন্ধন, ত্রিবন্ধন অথবা মুক্তজোড়। বহুবন্ধন তবু একটাই ডোমেইন, কারণ তার সব ইলেকট্রন একই দুই পরমাণুর মাঝখানের একই জায়গায় থাকে। মুক্তজোড় হলো দুটি ইলেকট্রন, যা কেন্দ্রীয় পরমাণু নিজের কাছেই রাখে।

ডোমেইন গুনলেই স্টেরিক সংখ্যা পেয়ে যাবে। স্টেরিক সংখ্যা ২ মানে দুই ডোমেইন মুখোমুখি। ৩ হলে সমতল ত্রিভুজ, ৪ হলে চতুস্তলক, ৫ হলে ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড আর ৬ হলে অষ্টতলক। এই পাঁচটাই মূল আকৃতি, আর এই অধ্যায়ের প্রতিটি অণু হয় এদের একটি, নয়তো এদের এক-দুটো কোণ ফাঁকা রাখা সংস্করণ।

এখানেই আসল মজা। মুক্তজোড় জায়গা নেয়, কিন্তু সে পরমাণু নয়, তাই ক্যামেরায় বা পরমাণুর অবস্থানের এক্স-রে ছবিতে তাকে কখনো দেখা যায় না। আমরা অণুর যে আকৃতির নাম বলি, তাতে শুধু পরমাণুই গোনা হয়। এজন্যই চার ডোমেইনওয়ালা অ্যামোনিয়াকে বলা হয় পিরামিড, চতুস্তলক নয়: চতুস্তলকের একটা কোণে মুক্তজোড় বসে আছে, বাকি তিন কোণে তিনটি হাইড্রোজেন।

দরকারি শব্দগুলো এক টেবিলে

পরীক্ষায় অস্পষ্ট শব্দে নম্বর কাটা যায়। নিচের প্রতিটি শব্দের একটাই নির্দিষ্ট মানে।

শব্দমানেউদাহরণ
ভিএসইপিআর তত্ত্বকেন্দ্রীয় পরমাণুর চারপাশের ইলেকট্রন জোড়গুলো বিকর্ষণ করে যতটা সম্ভব দূরে অবস্থান নেয়এই পাতার সব আকৃতি এ দিয়েই বোঝা যায়
বন্ধন জোড়দুই পরমাণুর মধ্যে ভাগাভাগি করা ইলেকট্রন জোড়CH₄-এর প্রতিটি C–H বন্ধন
মুক্তজোড় (নিঃসঙ্গ জোড়) ইলেকট্রনকেন্দ্রীয় পরমাণুর যে যোজ্যতা ইলেকট্রন জোড় বন্ধনে অংশ নেয় নাH₂O-এর অক্সিজেনে দুটি
ইলেকট্রন ডোমেইনইলেকট্রন ঘনত্বের একটি অঞ্চল: একক, দ্বি বা ত্রিবন্ধন, অথবা মুক্তজোড়CO₂-এ ২টি ডোমেইন
স্টেরিক সংখ্যাকেন্দ্রীয় পরমাণুর বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড়ের যোগফল, মানে ডোমেইনের সংখ্যাNH₃: ৩ + ১ = ৪
ইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতিসব ডোমেইনের সাজানোNH₃-এর জন্য চতুস্তলকীয়
অণুর আকৃতিশুধু পরমাণুগুলোর সাজানোNH₃-এর জন্য ত্রিকোণী পিরামিড
বন্ধন কোণকেন্দ্রীয় পরমাণুতে দুটি বন্ধনের মধ্যবর্তী কোণH₂O-এ ১০৪.৫°
সংকরণপারমাণবিক অরবিটালগুলো মিশে সমান সংকর অরবিটাল তৈরি, প্রতি ডোমেইনের জন্য একটিCH₄-এ sp³
অক্ষীয় ও নিরক্ষীয়ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডের দুই ধরনের অবস্থানPCl₅
AXE সংকেতA কেন্দ্রীয় পরমাণু, X বন্ধন জোড়, E মুক্তজোড়NH₃-এর জন্য AX₃E

সব জোড় সমান জোরে ঠেলে না: মুক্তজোড় গায়ের জোরে এগিয়ে

বন্ধন জোড়কে ধরে রাখে দুটি নিউক্লিয়াস, তাই তার ইলেকট্রন মেঘ দুই পরমাণুর মাঝখানে লম্বাটে আর সরু থাকে। মুক্তজোড়কে ধরে রাখে একটাই নিউক্লিয়াস। তার মেঘ মোটা, কেন্দ্রীয় পরমাণুর কাছাকাছি, আর প্রতিবেশীদের ওপর বেশি চাপ দেয়।

এখান থেকেই সেই ক্রম আসে, যা পরীক্ষায় বারবার চায়। মুক্তজোড়–মুক্তজোড় বিকর্ষণ সবচেয়ে জোরালো, তারপর মুক্তজোড়–বন্ধন জোড়, আর সবচেয়ে দুর্বল বন্ধন জোড়–বন্ধন জোড়। বহুবন্ধনে ইলেকট্রন বেশি থাকে বলে তা-ও একক বন্ধনের চেয়ে একটু বেশি জোরে ঠেলে।

মুক্তজোড়–মুক্তজোড় > মুক্তজোড়–বন্ধন জোড় > বন্ধন জোড়–বন্ধন জোড়বিকর্ষণের ক্রম, সবচেয়ে জোরালোটা আগে

স্টেরিক সংখ্যা = বন্ধন জোড় + মুক্তজোড়ইলেকট্রন ডোমেইনের সংখ্যা

cos θ = −১/৩ → θ = ১০৯.৪৭°চারটি সমান দিকের জ্যামিতি থেকে পাওয়া সঠিক চতুস্তলকীয় কোণ

মিথেন, অ্যামোনিয়া, পানি: কোণের সিঁড়ি

তিনটিরই ৪টি ডোমেইন, তাই তিনটিই শুরু করে ১০৯.৫° কোণের চতুস্তলক থেকে। মিথেনে মুক্তজোড় নেই, কোণ থাকে ১০৯.৫°। অ্যামোনিয়ায় একটি মুক্তজোড়, কোণ নেমে ১০৭°, কমল ২.৫°। পানিতে দুটি, কোণ ১০৪.৫°, কমল ৫.০°।

প্রতি মুক্তজোড় মোটামুটি ২.৫° কমায়। উত্তরে এই ধরনটাই লিখতে হয়: মুক্তজোড় যত বেশি, চাপ তত বেশি, কোণ তত ছোট। সিমুলেশনে তিনটি অণু পর পর চালাও, লাল চাপকে সিঁড়ি বেয়ে নামতে দেখবে।

কোণ কেন কমে, কখনো বাড়ে না

মোটা মুক্তজোড় কেন্দ্রীয় পরমাণুর চারপাশের গোলকের বেশি অংশ দখল করে। যেটুকু বাকি থাকে, বন্ধন জোড়গুলোকে তার মধ্যেই ভাগ করে নিতে হয়, তাই তারা কাছাকাছি চলে আসে। বন্ধন কোণ ছোট হয়, বড় হয় না।

ত্রিভুজাকার পরিবারেও একই ঘটনা। তিন বন্ধন জোড়ের ত্রিভুজের কোণ ১২০°। একটাকে মুক্তজোড় দিয়ে বদলালে বাকি দুটি বন্ধন কাছে এসে ১১৯° হয়, যেমন SO₂-এ।

গ্রুপের নিচে নামলে প্রভাব কমে

পানির কোণ ১০৪.৫°, কিন্তু হাইড্রোজেন সালফাইড H₂S-এর মাত্র প্রায় ৯২°, আর ফসফিন PH₃-এর প্রায় ৯৩.৫°, অ্যামোনিয়ার ১০৭°-এর তুলনায়। বড় কেন্দ্রীয় পরমাণুর বন্ধন লম্বা, বন্ধন জোড়গুলো আরও দূরে, তাই মুক্তজোড় অনেক বেশি চাপ দিতে পারে। পরীক্ষার নিয়ম একই, শুধু সংখ্যা আলাদা।

অণুমুক্তজোড়আদর্শ কোণবাস্তব কোণকতটা কমেছে
CH₄০১০৯.৫°১০৯.৫°০.০°
NH₃১১০৯.৫°১০৭°২.৫°
H₂O২১০৯.৫°১০৪.৫°৫.০°
BF₃০১২০°১২০°০.০°
SO₂১১২০°১১৯°১.০°

আকৃতির তালিকা: স্টেরিক সংখ্যা ২ থেকে ৬

সিমুলেশনে যা যা বানানো যায়, এই টেবিলে সবই আছে, মোট ১৪টি। প্রতিটি সারি একটা রেসিপি: স্টেরিক সংখ্যার মূল আকৃতিটা ধরো, যে পরমাণুগুলো নেই সেগুলো সরাও, আর যা বাকি থাকে তার আণবিক নাম বলো।

স্টেরিক সংখ্যা ২: রৈখিক, sp

দুটি ডোমেইন দুই বিপরীত দিকে, ১৮০° ব্যবধানে। BeCl₂ আর CO₂ রৈখিক। CO₂-এর দ্বিবন্ধন দুটি প্রতিটি একটি করে ডোমেইন, তাই গোনা হয় ২, ৪ নয়।

স্টেরিক সংখ্যা ৩: সমতলীয় ত্রিকোণাকার ও কৌণিক, sp²

তিনটি ডোমেইন একই সমতলে, ১২০° ব্যবধানে। BF₃-এ তিনটি বন্ধন জোড়, তাই সমতলীয় ত্রিকোণাকার, কোণ ১২০°। SO₂-এ দুটি বন্ধন জোড় আর একটি মুক্তজোড়, তাই পরমাণুগুলো প্রায় ১১৯° কোণের একটি বাঁকা V তৈরি করে।

স্টেরিক সংখ্যা ৪: চতুস্তলকীয়, ত্রিকোণী পিরামিড ও কৌণিক, sp³

চারটি ডোমেইন চতুস্তলকের চার কোণের দিকে। চারটিই পরমাণু হলে (CH₄) আকৃতি চতুস্তলকীয়। একটি পরমাণুর জায়গায় মুক্তজোড় থাকলে ত্রিকোণী পিরামিড (NH₃), দুটির জায়গায় থাকলে কৌণিক (H₂O)। কোণ যথাক্রমে ১০৯.৫°, ১০৭° আর ১০৪.৫°।

স্টেরিক সংখ্যা ৫: ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড ও তার তিন সন্তান, sp³d

পাঁচটি ডোমেইনের দুই ধরনের অবস্থান: উল্লম্ব অক্ষ বরাবর দুটি অক্ষীয়, আর একটি সমতলে তিনটি নিরক্ষীয়। কোণ ৯০°, ১২০°। নিরক্ষীয় জায়গাগুলো একে একে মুক্তজোড়কে দিলে পাওয়া যায় দোলনা আকৃতি (SF₄), T-আকৃতি (ClF₃) আর শেষে আবার রৈখিক (XeF₂)।

স্টেরিক সংখ্যা ৬: অষ্টতলকীয় ও তার সন্তানেরা, sp³d²

ছয়টি ডোমেইন তিনটি পরস্পর লম্ব অক্ষ বরাবর, সবগুলোর ব্যবধান ৯০°। SF₆ পুরো অষ্টতলক। একটি মুক্তজোড় থাকলে বর্গাকার পিরামিড (BrF₅, কোণ প্রায় ৮৪.৮°), দুটি মুক্তজোড় বিপরীত পাশে থাকলে সমতলীয় বর্গাকার (XeF₄)।

ধরনস্টেরিক সংখ্যাইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতিঅণুর আকৃতিবন্ধন কোণ (আদর্শ → বাস্তব)সংকরণউদাহরণ
AX₂২রৈখিকরৈখিক১৮০° → ১৮০°spBeCl₂, CO₂
AX₃৩সমতলীয় ত্রিকোণাকারসমতলীয় ত্রিকোণাকার১২০° → ১২০°sp²BF₃
AX₂E৩সমতলীয় ত্রিকোণাকারকৌণিক (V-আকৃতি)১২০° → ১১৯°sp²SO₂
AX₄৪চতুস্তলকীয়চতুস্তলকীয়১০৯.৫° → ১০৯.৫°sp³CH₄
AX₃E৪চতুস্তলকীয়ত্রিকোণী পিরামিড১০৯.৫° → ১০৭°sp³NH₃
AX₂E₂৪চতুস্তলকীয়কৌণিক (V-আকৃতি)১০৯.৫° → ১০৪.৫°sp³H₂O
AX₅৫ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডত্রিকোণী দ্বিপিরামিড৯০°, ১২০° → ৯০°, ১২০°sp³dPCl₅
AX₄E৫ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডদোলনা (সি-স) আকৃতি৯০°, ১২০° → ৮৭°, ১০২°sp³dSF₄
AX₃E₂৫ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডT-আকৃতি৯০° → ৮৭.৫°sp³dClF₃
AX₂E₃৫ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডরৈখিক১৮০° → ১৮০°sp³dXeF₂
AX₆৬অষ্টতলকীয়অষ্টতলকীয়৯০° → ৯০°sp³d²SF₆
AX₅E৬অষ্টতলকীয়বর্গাকার পিরামিড৯০° → ৮৪.৮°sp³d²BrF₅
AX₄E₂৬অষ্টতলকীয়সমতলীয় বর্গাকার৯০° → ৯০°sp³d²XeF₄
AX₃E₃৬অষ্টতলকীয়T-আকৃতি৯০° → ৯০°sp³d²—

সংকরণ: স্টেরিক সংখ্যা থেকেই পড়ে ফেলো

সংকরণ আলাদা করে বের করতে হয় না। সে স্টেরিক সংখ্যার পেছনেই চলে: প্রতিটি ইলেকট্রন ডোমেইনের জন্য একটি সংকর অরবিটাল, সে বন্ধন হোক বা মুক্তজোড়। রেসিপি হলো s-এর সাথে প্রয়োজনমতো p আর d অরবিটাল মেশানো।

স্টেরিক সংখ্যাকোন অরবিটাল মিশছেসংকরণসংকর অরবিটালের সংখ্যামূল জ্যামিতিউদাহরণ
২১ s + ১ psp২রৈখিকBeCl₂, CO₂
৩১ s + ২ psp²৩সমতলীয় ত্রিকোণাকারBF₃
৪১ s + ৩ psp³৪চতুস্তলকীয়CH₄
৫১ s + ৩ p + ১ dsp³d৫ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডPCl₅
৬১ s + ৩ p + ২ dsp³d²৬অষ্টতলকীয়SF₆

ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডে মুক্তজোড় কোথায় বসে?

ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডের পাঁচটি জায়গা সমান নয়। অক্ষীয় জায়গার ৩টি প্রতিবেশী ৯০° দূরে। নিরক্ষীয় জায়গার প্রতিবেশী ৯০° দূরে মাত্র ২টি, বাকি দুটি ১২০° দূরে। কাছের প্রতিবেশী কম মানে বিকর্ষণও কম।

মুক্তজোড় সবচেয়ে জোরে ঠেলে, তাই সে বেশি খোলা নিরক্ষীয় জায়গা নেয়। এজন্য SF₄ (একটি মুক্তজোড়) দোলনা আকৃতি, ClF₃ (দুটি) T-আকৃতি, আর XeF₂ (তিনটি) রৈখিক: তিনটি মুক্তজোড়ই নিরক্ষে, আর দুটি পরমাণু অক্ষের ওপর।

অষ্টতলকে সব জায়গা সমান, তাই প্রথম মুক্তজোড় যেকোনো জায়গায় বসতে পারে। দ্বিতীয়টি বসে প্রথমটির ঠিক উল্টো দিকে, ১৮০° দূরে। এজন্যই XeF₄ সমতলীয়: দুটি মুক্তজোড় চার পরমাণুর সমতলের ওপরে ও নিচে।

সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো

পড়া এক জিনিস, দেখা আরেক। এই পাঁচটি পরীক্ষা পরপর করো, প্রতিটির আগে “আবার শুরু” চেপে নাও।

পরীক্ষা ১: নিখুঁত চতুস্তলক বানাও

CH₄ দিয়ে শুরু করো। মডেল ঘুরিয়ে এমন কোণ খোঁজো, যেখানে চতুর্থ বন্ধনটা ওপরে বা তোমার দিক থেকে দূরে যাচ্ছে। যেকোনো দুই বন্ধনের মাঝে লাল চাপ ১০৯.৫° দেখাবে। এবার মুক্তজোড় স্লাইডার ১-এ টানো, তারপর আবার ০-এ: ৩টি বন্ধন জোড় আর ১টি মুক্তজোড়ে আকৃতি ত্রিকোণী পিরামিড, আর হারানো কোণের জায়গায় লোব বসে।

পরীক্ষা ২: একটা একটা করে মুক্তজোড় যোগ করো

CH₄, তারপর NH₃, তারপর H₂O চাপো। কোণ দেখাবে ১০৯.৫°, ১০৭° আর ১০৪.৫°। এবার পানির ওপর “মুক্তজোড়ের চাপে বন্ধন কোণ কমুক” টিকটা সরাও: বন্ধনগুলো লাফিয়ে ১০৯.৫°-এ খুলে যায়। টিক দিলে আবার বন্ধ হয়। এটাই মুক্তজোড়ের বিকর্ষণ, চোখের সামনে।

পরীক্ষা ৩: একই স্টেরিক সংখ্যা, চার আকৃতি

PCl₅, SF₄, ClF₃ আর XeF₂ চাপো। চারটিরই স্টেরিক সংখ্যা ৫, অথচ আকৃতি বদলে যায় ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড, দোলনা (সি-স) আকৃতি, T-আকৃতি আর রৈখিক-এ। প্রতিবার লোবগুলো কোথায় আসে খেয়াল করো: সবসময় মাঝখানের নিরক্ষীয় সমতলে।

পরীক্ষা ৪: অষ্টতলকের পরিবার

SF₆, BrF₅ আর XeF₄ চাপো। দ্বিতীয় মুক্তজোড় প্রথমটির উল্টো দিকে আসে, তাই XeF₄-এর চার পরমাণু একটাই সমতল বর্গে থাকে। মডেল ঘুরিয়ে ওপরে-নিচের লোব দুটো দেখো।

পরীক্ষা ৫: মুক্তজোড় লুকিয়ে ফেলো

H₂O-তে “মুক্তজোড় দেখাও” টিক সরাও। যা থাকে তা অণুর আকৃতি, কৌণিক (V-আকৃতি)। টিক ফিরিয়ে দিলে বোঝা যায় কোণ কেন ১৮০° নয়: অদৃশ্য লোবগুলো পথ আটকে আছে। XeF₂-তেও করো: লোব ছাড়া সেটা ঠিক CO₂-এর মতো দেখায়, অথচ পরিমাপ প্যানেল বলে স্টেরিক সংখ্যা ৫, ২ নয়।

গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান

একটা পদ্ধতিতেই সব মেলে। ধাপ ১: কেন্দ্রীয় পরমাণুর যোজ্যতা ইলেকট্রন, তার সাথে প্রতিটি একযোজী পরমাণুর জন্য ১, চার্জ অনুযায়ী ঠিক করে, ২ দিয়ে ভাগ করলে স্টেরিক সংখ্যা। ধাপ ২: বন্ধন জোড় বাদ দিলে মুক্তজোড়। ধাপ ৩: উপরের টেবিল থেকে আকৃতি, কোণ আর সংকরণ পড়ো।

সমস্যা ১: NH₃

নাইট্রোজেনের যোজ্যতা ইলেকট্রন ৫, তিনটি হাইড্রোজেন যোগ করে ৩। স্টেরিক সংখ্যা = (৫ + ৩) ÷ ২ = ৪। বন্ধন জোড় ৩, তাই মুক্তজোড় = ৪ − ৩ = ১। ধরন AX₃E: ডোমেইন জ্যামিতি চতুস্তলকীয়, আকৃতি ত্রিকোণী পিরামিড, কোণ ১০৭°, সংকরণ sp³।

সমস্যা ২: H₂O

অক্সিজেনের ৬, দুটি হাইড্রোজেন যোগ করে ২। স্টেরিক সংখ্যা = (৬ + ২) ÷ ২ = ৪, মুক্তজোড় = ৪ − ২ = ২। ধরন AX₂E₂, ডোমেইন জ্যামিতি চতুস্তলকীয়, আকৃতি কৌণিক (V-আকৃতি), কোণ ১০৪.৫°, সংকরণ sp³। পানির কোণ অ্যামোনিয়ার চেয়ে ২.৫° কম, কারণ পানিতে মুক্তজোড় দুটি, অ্যামোনিয়ায় একটি।

সমস্যা ৩: ClF₃

ক্লোরিনের ৭, তিনটি ফ্লোরিন যোগ করে ৩। স্টেরিক সংখ্যা = (৭ + ৩) ÷ ২ = ৫, মূল জ্যামিতি ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড। বন্ধন জোড় ৩, মুক্তজোড় ২। মুক্তজোড় দুটি দুই নিরক্ষীয় জায়গা নেয়, ফলে অণুর আকৃতি T-আকৃতি, কোণ প্রায় ৮৭.৫°, সংকরণ sp³d।

সমস্যা ৪: XeF₄

জেননের ৮, চারটি ফ্লোরিন যোগ করে ৪। স্টেরিক সংখ্যা = (৮ + ৪) ÷ ২ = ৬, মূল জ্যামিতি অষ্টতলকীয়। মুক্তজোড় = ৬ − ৪ = ২। তারা মুখোমুখি বসে, তাই আকৃতি সমতলীয় বর্গাকার, কোণ ৯০°, সংকরণ sp³d²।

সমস্যা ৫: আয়ন ICl₄⁻

আয়ন হলে ইলেকট্রন গোনা বদলায়। আয়োডিনের ৭, চারটি ক্লোরিন যোগ করে ৪, আর ঋণাত্মক চার্জ আরও একটি যোগ করে। স্টেরিক সংখ্যা = (৭ + ৪ + ১) ÷ ২ = ৬। মুক্তজোড় = ৬ − ৪ = ২, তাই আকৃতি সমতলীয় বর্গাকার, ঠিক XeF₄-এর মতো, সংকরণ sp³d²।

সমস্যা ৬: NH₄⁺ আর H₃O⁺

অ্যামোনিয়াম: (৫ + ৪ − ১) ÷ ২ = ৪, মুক্তজোড় ০, তাই চতুস্তলকীয়, কোণ ১০৯.৫°। হাইড্রোনিয়াম: (৬ + ৩ − ১) ÷ ২ = ৪, মুক্তজোড় ১, তাই ত্রিকোণী পিরামিড, কোণ প্রায় ১০৭°। দুটি আয়নের তফাত শুধু একটি মুক্তজোড়।

সমস্যা ৭: CO₂ আর SO₂ দেখতে এক, আকৃতিতে নয়

দ্বিবন্ধনে যুক্ত অক্সিজেন কেন্দ্রীয় পরমাণুর কাছে বাড়তি কিছু চায় না, তাই সে যোগ করে ০। কার্বন: (৪ + ০) ÷ ২ = ২, মুক্তজোড় নেই, রৈখিক। সালফার: (৬ + ০) ÷ ২ = ৩, একটি মুক্তজোড়, কৌণিক (V-আকৃতি), কোণ প্রায় ১১৯°। পরমাণুর সংখ্যা সমান, মুক্তজোড় আলাদা, তাই আকৃতিও আলাদা।

সমস্যা ৮: কোণ কতটা চাপা পড়ে

আদর্শ কোণ ১০৯.৫°। অ্যামোনিয়ায় বাস্তব কোণ ১০৭°, কমেছে ২.৫°। পানিতে ১০৪.৫°, কমেছে ৫.০°, অ্যামোনিয়ার দ্বিগুণ, কারণ মুক্তজোড়ও দ্বিগুণ। হাইড্রোজেন সালফাইডের ৯২° তুলনা করো: পানির চেয়ে -১২.৫° ছোট, কারণ কেন্দ্রীয় পরমাণু বড় আর বন্ধন লম্বা।

যে ভুলগুলো সবাই করে

এগুলো এড়ালে আকৃতির প্রশ্নে নম্বর আর কাটবে না।

  • ইলেকট্রন ডোমেইনের বদলে পরমাণু গোনা। সংকরণ আর মূল জ্যামিতি চলে ডোমেইন ধরে, পরমাণু ধরে নয়।
  • দ্বিবন্ধন বা ত্রিবন্ধনকে দুই বা তিন ডোমেইন ধরা। বহুবন্ধন একটাই ডোমেইন।
  • ভুলে যাওয়া যে মুক্তজোড় অদৃশ্য। অণুর আকৃতি শুধু পরমাণুর নাম বলে, আর মূল জ্যামিতি সব ডোমেইনের।
  • পানি বা অ্যামোনিয়াকে “চতুস্তলকীয়” লেখা। তাদের ডোমেইন জ্যামিতি চতুস্তলকীয়, কিন্তু আকৃতি কৌণিক আর ত্রিকোণী পিরামিড।
  • ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডে মুক্তজোড়কে অক্ষীয় জায়গায় বসানো। সে আগে নিরক্ষীয় জায়গা নেয়।
  • পানির কোণকে আদর্শ চতুস্তলকীয় কোণ বলা। দুটি মুক্তজোড় তাকে তার নিচে নামিয়ে আনে।
  • আয়নে গোলমাল করা। ঋণাত্মক চার্জে একটি ইলেকট্রন যোগ, ধনাত্মক চার্জে একটি বাদ দিয়ে তারপর দুই দিয়ে ভাগ করতে হয়।
  • “রৈখিক” দেখলেই ভাবা স্টেরিক সংখ্যা ২। XeF₂ রৈখিক, কিন্তু তার স্টেরিক সংখ্যা ৫।

বাস্তব জীবনে আণবিক আকৃতি

আকৃতি শুধু আঁকার বিষয় নয়। একটি পদার্থ কী করবে, আকৃতি তা ঠিক করে দেয়।

  • পানি কৌণিক, তাই তার বন্ধনের দ্বিমেরু একে অপরকে কাটে না। সে পোলার, এজন্য লবণ আর চিনি গুলে যায়, আর বরফ ভাসে।
  • কার্বন ডাই-অক্সাইড রৈখিক, তাই তার দুটি পোলার বন্ধন একে অপরকে কাটে। অণুটি অপোলার, আর সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাস।
  • অ্যামোনিয়া ত্রিকোণী পিরামিড, আর তার মুক্তজোড়ই তাকে প্রোটন ধরে অ্যামোনিয়াম হতে দেয়, সারে যা কাজে লাগে।
  • মিথেন চতুস্তলকীয় ও প্রতিসম, তাই অপোলার। প্রাকৃতিক গ্যাস সহজে জ্বলে, কিন্তু পানিতে গোলে না।
  • সালফার হেক্সাফ্লুরাইড নিখুঁত অষ্টতলক, ভারী ও নিষ্ক্রিয় গ্যাস, উচ্চ ভোল্টেজের সুইচগিয়ারে অন্তরক হিসেবে ব্যবহার হয়।
  • ওজোন O₃ কৌণিক, তাই তার একটা দ্বিমেরু আছে, যা বোঝায় সে কীভাবে আকাশে অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে।
  • ওষুধ আর এনজাইম তালা-চাবির মতো কাজ করে। ভুল আকৃতির অণু গ্রাহকে ঢোকে না।
  • স্বাদ ও গন্ধও আকৃতির ওপর নির্ভর করে: একই পরমাণু ভিন্ন ত্রিমাত্রিক সাজে থাকলে গন্ধ সম্পূর্ণ আলাদা হতে পারে।

পরীক্ষার কর্নার: SSC, HSC ও ভর্তি পরীক্ষা

এইচএসসি রসায়ন প্রথম পত্রে রাসায়নিক বন্ধন অধ্যায়ে ভিএসইপিআর তত্ত্ব, অণুর আকৃতি, বন্ধন কোণ আর সংকরণ আসে। এসএসসি স্তরে সাধারণত সরল আকৃতি, যেমন মিথেন, অ্যামোনিয়া আর পানির আকৃতি, জানতে চাওয়া হয়। মেডিকেল আর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় ট্রাই-ফ্লুরাইড, টেট্রা-ফ্লুরাইড বা আয়নের আকৃতিও আসে। তোমার বোর্ডের সর্বশেষ সিলেবাসে কতদূর পর্যন্ত আছে, মিলিয়ে নিও।

বহুনির্বাচনি প্রশ্নে প্রিয় বিষয় হলো NH₃ বা H₂O-এর আকৃতি, CH₄, NH₃ আর H₂O-এর কোণের ক্রম, আর কেন্দ্রীয় পরমাণুর সংকরণ। সৃজনশীলে জ্ঞানমূলকে সংজ্ঞা, অনুধাবনে “মুক্তজোড় কেন বন্ধন কোণ কমায়”, আর প্রয়োগে স্টেরিক সংখ্যা নির্ণয়ের অঙ্ক।

একটি নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

ক) বিকর্ষণের ক্রম লেখো। খ) অ্যামোনিয়ার চেয়ে পানির বন্ধন কোণ ছোট কেন, ব্যাখ্যা করো। গ) SF₄-এর স্টেরিক সংখ্যা ও আকৃতি নির্ণয় করো।

উত্তর। ক) মুক্তজোড়–মুক্তজোড় > মুক্তজোড়–বন্ধন জোড় > বন্ধন জোড়–বন্ধন জোড়। খ) পানিতে মুক্তজোড় ২টি, অ্যামোনিয়ায় ১টি। মুক্তজোড় যত বেশি, বন্ধন তত কাছে আসে, তাই ১০৪.৫° আর ১০৭°। গ) (৬ + ৪) ÷ ২ = ৫, মূল জ্যামিতি ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড; ১টি মুক্তজোড়ে আকৃতি দোলনা (সি-স) আকৃতি, সংকরণ sp³d।

রিভিশন: পরীক্ষার আগের রাতের তালিকা

তালিকাটা একবার পড়ে নাও, তারপর সিমুলেশনে চৌদ্দটি আকৃতি একবার ঘুরিয়ে দেখো।

  • ইলেকট্রন জোড়গুলো বিকর্ষণ করে যতটা সম্ভব দূরে সরে: এটাই ভিএসইপিআর।
  • স্টেরিক সংখ্যা = বন্ধন জোড় + মুক্তজোড়; বহুবন্ধন একবারই গোনা হয়।
  • মূল আকৃতি: রৈখিক (২), সমতলীয় ত্রিকোণাকার (৩), চতুস্তলকীয় (৪), ত্রিকোণী দ্বিপিরামিড (৫), অষ্টতলকীয় (৬)।
  • বিকর্ষণের ক্রম: মুক্তজোড়–মুক্তজোড় > মুক্তজোড়–বন্ধন জোড় > বন্ধন জোড়–বন্ধন জোড়।
  • কোণ: CH₄ ১০৯.৫°, NH₃ ১০৭°, H₂O ১০৪.৫°।
  • স্টেরিক সংখ্যা অনুযায়ী সংকরণ: ২, ৩, ৪, ৫, ৬-এর জন্য sp, sp², sp³, sp³d, sp³d²।
  • ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডে মুক্তজোড় নিরক্ষীয় জায়গায়, অষ্টতলকে বিপরীত জায়গায়।
  • প্রতিটি অণুর দুটি নাম: সব ডোমেইনের জন্য ডোমেইন জ্যামিতি, শুধু পরমাণুর জন্য অণুর আকৃতি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ভিএসইপিআর তত্ত্ব কী?

ভিএসইপিআর (ভ্যালেন্স শেল ইলেকট্রন পেয়ার রিপালশন) তত্ত্ব অনুযায়ী কেন্দ্রীয় পরমাণুর চারপাশের ইলেকট্রন জোড়গুলো পরস্পরকে বিকর্ষণ করে যতটা সম্ভব দূরে অবস্থান নেয়, আর তা থেকেই অণুর আকৃতি অনুমান করা যায়। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় গুনে স্টেরিক সংখ্যা পাওয়া যায়, যা মূল জ্যামিতি ঠিক করে। মুক্তজোড় তারপর চূড়ান্ত আকৃতি আর কোণ বদলে দেয়।

অণুর আকৃতি কীভাবে বের করব?

আগে স্টেরিক সংখ্যা বের করো: কেন্দ্রীয় পরমাণুর যোজ্যতা ইলেকট্রন ও একযোজী পরমাণুর সংখ্যা যোগ করে চার্জ অনুযায়ী ঠিক করে ২ দিয়ে ভাগ। বন্ধন জোড় বাদ দিলে মুক্তজোড় পাবে। স্টেরিক সংখ্যা থেকে মূল জ্যামিতি ধরো, তারপর শুধু পরমাণুগুলোর আকৃতির নাম বলো। এই পাতার টেবিলে ১৪টি অবস্থাই আছে।

মিথেনের চেয়ে পানির বন্ধন কোণ কম কেন?

পানির অক্সিজেনে দুটি মুক্তজোড় আছে। মুক্তজোড় বন্ধন জোড়ের চেয়ে জোরে ঠেলে, তাই দুটি O–H বন্ধন চতুস্তলকীয় ১০৯.৫° থেকে চাপা পড়ে ১০৪.৫° হয়। মিথেনে মুক্তজোড় নেই, তাই পুরো ১০৯.৫° থাকে।

ইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতি আর অণুর আকৃতির পার্থক্য কী?

ইলেকট্রন-ডোমেইন জ্যামিতি সব ডোমেইনের, মানে বন্ধন ও মুক্তজোড়ের সাজানো বোঝায়। অণুর আকৃতি শুধু পরমাণুগুলোর সাজানো বোঝায়। মুক্তজোড় না থাকলে দুটো এক, থাকলে আলাদা।

দ্বিবন্ধন কি একটি ডোমেইন, না দুটি?

একটি। দ্বি বা ত্রিবন্ধনের সব ইলেকট্রন একই দুই পরমাণুর মাঝের একই অঞ্চলে থাকে আর একসাথে একক হিসেবে ঠেলে। এজন্য CO₂-এর স্টেরিক সংখ্যা ২ এবং সে রৈখিক।

মুক্তজোড় নিরক্ষীয় জায়গায় বসে কেন?

ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডের নিরক্ষীয় জায়গার ৯০° দূরে ২টি প্রতিবেশী, অক্ষীয় জায়গার ৩টি। মুক্তজোড় সবচেয়ে জোরে ঠেলে, তাই সে কাছের প্রতিবেশী কম এমন জায়গাটাই নেয়, মানে নিরক্ষীয়। অষ্টতলকে সব জায়গা সমান, তাই দ্বিতীয় মুক্তজোড় প্রথমটির উল্টো দিকে বসে।

সংকরণ আর ভিএসইপিআর কীভাবে যুক্ত?

প্রতিটি ইলেকট্রন ডোমেইনের জন্য একটি সংকর অরবিটাল লাগে, তাই সংকরণ স্টেরিক সংখ্যাকে অনুসরণ করে: ২-এ sp, ৩-এ sp², ৪-এ sp³, ৫-এ sp³d আর ৬-এ sp³d²। মুক্তজোড়ও সংকর অরবিটাল দখল করে।

অ্যামোনিয়া সমতল না হয়ে পিরামিড কেন?

নাইট্রোজেনের ৪টি ডোমেইন, তিনটি বন্ধন আর একটি মুক্তজোড়, যারা চতুস্তলকের চার কোণের দিকে। তিনটি হাইড্রোজেন তিন কোণে, মুক্তজোড় চতুর্থ কোণে, তাই পরমাণুগুলো একটি পিরামিড গড়ে, কোণ ১০৭°।

স্টেরিক সংখ্যা ৫ হলেও কি অণু রৈখিক হতে পারে?

হ্যাঁ। XeF₂-এ ২টি বন্ধন জোড় আর ৩টি মুক্তজোড়। তিনটি মুক্তজোড় ত্রিকোণী দ্বিপিরামিডের নিরক্ষে বসে, আর দুটি ফ্লোরিন অক্ষীয় জায়গায়, ১৮০° ব্যবধানে।

ভিএসইপিআর কি সবসময় সঠিক?

মূল মৌলের অণুর জন্য এটি খুব ভালো প্রথম অনুমান, কিন্তু অরবিটালের খুঁটিনাটি এতে নেই। অবস্থান্তর ধাতুর যৌগে আর যেসব ভারী পরমাণুতে মুক্তজোড় কোণে সামান্য প্রভাব ফেলে, সেখানে এটি দুর্বল। স্কুল ও প্রথম বর্ষের বিশ্ববিদ্যালয় রসায়নে এটিই স্বীকৃত পদ্ধতি।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

গুচ্ছ (GST) বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

SSC

এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: পরিবেশ দূষণ

English

Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা

স্কলারশিপ

জাপানের MEXT স্কলারশিপ

IELTS

IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)

IELTS

English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)

টুল

Final grade calculator (ইংরেজিতে)

বিদেশে পড়াশোনা

How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ