নিয়ন্ত্রণ
ঘনবস্তু বেছে নাও
দৃশ্য
পরিমাপ
- আয়তন = ⅓πr²h
- ৩৭.৭০ঘন একক
- বক্রতলের ক্ষেত্রফল = πrl
- ৪৭.১২বর্গ একক
- সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল = πr(r + l)
- ৭৫.৪০বর্গ একক
- হেলানো উচ্চতা, l = √(r² + h²)
- ৫.০০একক
- বৃত্তকলার কোণ
- ২১৬.০°
- ইউনিট সেমি হলে লিটার
- ০.০৩৮
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- সিমুলেশন শুরু হয় ব্যাসার্ধ ৩ আর উচ্চতা ৪ একক একটি কোণক দিয়ে। এটি নিজে নিজে ঘোরে; টেনে বা তীর কী চেপে যেকোনো দিক থেকে দেখো। ড্যাশ দেওয়া দাগগুলো মাপ: r, h আর হেলানো উচ্চতা l = ৫।
- বোতাম দিয়ে অন্য ঘনবস্তু বেছে নাও: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক বা অর্ধগোলক। প্রতিটির নিজের স্লাইডার আছে (বাহু, দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা বা ব্যাসার্ধ)। পরিমাপ প্যানেলে আয়তন, বক্রতল (বা পার্শ্বতল) আর সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল একসঙ্গে দেখা যায়, স্লাইডার টানলেই বদলায়।
- “তারের কাঠামো” টিক দিলে ঘনবস্তুর ভেতরটাও দেখা যায়, তল আর ধার গুনে নিতে পারো। কোনো কোণ ভালো করে দেখতে চাইলে অ্যানিমেশন থামিয়ে দাও।
- দৃশ্য বদলে “জাল খুলে দেখো” বেছে নাও। তলগুলো চ্যাপ্টা নকশা হয়ে বিছিয়ে যায়: কোণকে একটি বৃত্ত আর ২১৬° কোণের বৃত্তকলা; বেলনে দুটি বৃত্ত আর ১৮.৮৫ চওড়া একটি আয়তক্ষেত্র। চ্যাপ্টা টুকরোগুলোর ক্ষেত্রফল যোগ করলেই সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল।
- “পানি ঢালা” দৃশ্যে কোণকের পানি একই ব্যাসার্ধ ও উচ্চতার বেলনে প্রতিবার এক-তৃতীয়াংশ করে ভরে। গোলকের পরীক্ষা বেছে দেখো, গোলক তার পরিলিখিত বেলনের ঠিক দুই-তৃতীয়াংশ ভরে।
- ঢালার স্লাইডার দিয়ে যেকোনো জায়গায় থামো, তারপর পরিমাপ প্যানেলে ভরাটের ভগ্নাংশ পড়ো। r বা h বদলাও: বেলনের আয়তন বদলাবে, কিন্তু ভগ্নাংশগুলো একই থাকবে।
আইসক্রিম কোণ দেখতে এত বড়, ধরে এত কম কেন?
একই মুখ আর একই উচ্চতার একটি কাগজের গ্লাস আর একটি আইসক্রিম কোণ নাও। কোণ পানিতে ভরে গ্লাসে ঢালো। গ্লাস ভরল না। দ্বিতীয় বার ঢালো: তবু ভরল না। তৃতীয় বারে তবেই পানি কানায় কানায় উঠল। সিমুলেশনে ব্যাসার্ধ ৩, উচ্চতা ৪ একক কোণক দিয়ে এটাই হয়: কোণকের আয়তন ৩৭.৭০, বেলনের আয়তন ১১৩.১০, আর ১১৩.১০ ÷ ৩৭.৭০ = ৩।
এই “এক-তৃতীয়াংশ” কাকতালীয় নয়, আর এটাই এই অধ্যায়ের সবচেয়ে কাজের তথ্য। মানে বেলনের সূত্র একবার শিখলেই হলো, কোণকের জন্য তিন দিয়ে ভাগ করো। এই পাতায় তুমি প্রথমে এটা দেখবে, তারপর কারণ বুঝবে, তারপর পরীক্ষা আর বাস্তব জীবনের অঙ্ক কষবে।
আয়তন আর তলের ক্ষেত্রফল, একদম গোড়া থেকে
একটি কাঠের ব্লক ভাবো। আয়তন হলো তার ভেতরে কতগুলো একক ঘনক ধরে তা। যে ব্লকের দৈর্ঘ্য ৪, প্রস্থ ৩ আর উচ্চতা ২, তাতে ৪ × ৩ × ২ = ২৪টি একক ঘনক ধরে, তাই আয়তন ২৪ ঘন একক। তিনটি দৈর্ঘ্য গুণ করেছ বলে একক ঘন।
এবার একই ব্লককে উপহারের কাগজে মুড়ে দেওয়ার কথা ভাবো। কাগজ যতটা লাগে সেটাই তলের ক্ষেত্রফল: প্রতিটি তলের ক্ষেত্রফল যোগ করে। তল চ্যাপ্টা, তাই মাপ বর্গ একক: বর্গ সেন্টিমিটার, বর্গ মিটার। তলের ক্ষেত্রফল ঘনবস্তুর চামড়ার মাপ, আয়তন তার ভেতরের জায়গার মাপ।
কিছু ঘনবস্তুর তল বাঁকা। একটি টিনের কৌটার মাথা আর তলা চ্যাপ্টা, গা-টা বাঁকা। শুধু বাঁকা গায়ের ক্ষেত্রফলকে বলে বক্রতলের ক্ষেত্রফল। সব মিলিয়ে সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল। ঘনক বা আয়তঘনে মাথা আর তলা বাদ দিয়ে চার দেয়ালের ক্ষেত্রফলকে বলে পার্শ্বতলের ক্ষেত্রফল।
যে শব্দগুলো সামনে আসবে
এই তালিকা হাতের কাছে রাখো। বইভেদে একই ধারণার নাম একটু আলাদা হতে পারে।
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| আয়তন | ঘনবস্তুর ভেতরের জায়গা, ঘন এককে (ঘন সেমি, ঘন মিটার) |
| বক্রতলের ক্ষেত্রফল | শুধু বাঁকা অংশের ক্ষেত্রফল, যেমন কৌটার গা |
| পার্শ্বতলের ক্ষেত্রফল | ঘনক বা আয়তঘনের চার পাশের তলের ক্ষেত্রফল, মাথা ও তলা ছাড়া |
| সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল | বাঁকা আর চ্যাপ্টা সব তলের মোট ক্ষেত্রফল |
| ব্যাসার্ধ (r) | বৃত্ত বা গোলকের কেন্দ্র থেকে কিনারার দূরত্ব |
| উচ্চতা (h) | ভূমি থেকে মাথা বা চূড়া পর্যন্ত সোজা লম্ব দূরত্ব |
| হেলানো উচ্চতা (l) | কোণকের ঢালু গা বরাবর কিনারা থেকে চূড়া পর্যন্ত দৈর্ঘ্য |
| জাল (নেট) | ঘনবস্তুর ধার বরাবর কেটে খুলে বিছালে যে চ্যাপ্টা নকশা পাওয়া যায় |
| অর্ধগোলক | আধখানা গোলক: একটি বাঁকা তল আর একটি চ্যাপ্টা বৃত্তাকার তল |
ছয় ঘনবস্তুর সব সূত্র এক টেবিলে
সারি ধরে ধরে পড়ো। লক্ষ করো, বেলনই “মূল”: কোণক তার আয়তনের এক-তৃতীয়াংশ নেয়, আর গোলক ও অর্ধগোলক শুধু r দিয়ে তৈরি।
একই টেবিল, এবার সংখ্যাসহ
সিমুলেশনের শুরুর মাপে মানগুলো এই: ঘনকের বাহু ৩, আয়তঘন ৪ × ৩ × ৪, বাকিগুলোর ব্যাসার্ধ ৩ (যেখানে উচ্চতা আছে সেখানে ৪)। প্রতিটি সারি পরিমাপ প্যানেলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখো।
| ঘনবস্তু | আয়তন | বক্র / পার্শ্বতল | সমগ্রতল |
|---|---|---|---|
| ঘনক | ২৭.০০ | ৩৬.০০ | ৫৪.০০ |
| আয়তঘন | ৪৮.০০ | ৫৬.০০ | ৮০.০০ |
| বেলন | ১১৩.১০ | ৭৫.৪০ | ১৩১.৯৫ |
| কোণক | ৩৭.৭০ | ৪৭.১২ | ৭৫.৪০ |
| গোলক | ১১৩.১০ | ১১৩.১০ | ১১৩.১০ |
| অর্ধগোলক | ৫৬.৫৫ | ৫৬.৫৫ | ৮৪.৮২ |
| ঘনবস্তু | আয়তন | বক্র / পার্শ্বতল | সমগ্রতল |
|---|---|---|---|
| ঘনক | a³ | 4a² | 6a² |
| আয়তঘন | l × w × h | 2h(l + w) | 2(lw + wh + lh) |
| বেলন | πr²h | 2πrh | 2πr(r + h) |
| কোণক | ⅓πr²h | πrl | πr(r + l) |
| গোলক | 4⁄3 πr³ | 4πr² | 4πr² |
| অর্ধগোলক | ⅔πr³ | 2πr² | 3πr² |
কোণক কেন বেলনের এক-তৃতীয়াংশ
সহজ থেকে গভীর, তিনটি উপায়ে দেখা যায়।
ঢেলে দেখো
ঢালার দৃশ্যে কোণকের পরীক্ষা চালাও। কোণক ও বেলনের ব্যাসার্ধ ৩, উচ্চতা ৪। এক বার ঢাললে বেলন এক-তৃতীয়াংশ ভরে, দুই বারে দুই-তৃতীয়াংশ, তিন বারে পুরো। তাই বেলন = ৩ × কোণক, অর্থাৎ কোণক = ⅓ × বেলন।
কোণক = ⅓ × πr²hবেলনের একই r ও h
ঘনককে তিন পিরামিডে কাটো
বাহু ৩ একক ঘনকের আয়তন ২৭। একটি কোনা বেছে নিয়ে বাকি সাত কোনার সঙ্গে জুড়ে দাও। ঘনকটি তিনটি অভিন্ন পিরামিডে ভাগ হয়, প্রতিটির ভূমি বাহু ৩ এর বর্গ আর উচ্চতা ৩। প্রতিটির আয়তন ৯, ঘনকের এক-তৃতীয়াংশ। কোণক হলো অসংখ্য বাহুর পিরামিড, তাই একই ⅓ খাটে।
আর্কিমিডিস ও গোলক
ব্যাসার্ধ ৩ গোলককে এমন বেলনে ঢোকাও যাতে ঠিক আঁটে: ব্যাসার্ধ ৩, উচ্চতা ৬। আর্কিমিডিস প্রমাণ করেন, গোলক ওই বেলনের ঠিক দুই-তৃতীয়াংশ। মিলিয়ে নাও: ১১৩.১০ ÷ ১৬৯.৬৫ = ০.৬৬৭, যা ⅔। তিনি এত খুশি ছিলেন যে নিজের কবরে এই ছবি খোদাই করতে বলেছিলেন।
গোলক = ⅔ × বেলন = ⅔ × πr² × 2r = ⁴⁄₃πr³আর্কিমিডিসের ফল
তল খুলে বিছানো: জাল
প্রতিটি টুকরো চ্যাপ্টা হলে ক্ষেত্রফল সহজ। ঘনবস্তুর ধার বরাবর কেটে বিছালে যা পাওয়া যায় তা জাল। সিমুলেশনে জালের দৃশ্য বেছে নিলে টুকরোগুলো চ্যাপ্টা হয়ে পড়ে।
ঘনক ও আয়তঘন
ঘনক হলো বাহু ৩ এর ছয়টি বর্গ। ৯ ক্ষেত্রফলের ছয়টি তলে মোট ৫৪। আয়তঘনে তিন জোড়া আয়তক্ষেত্র, তাই মোট ক্ষেত্রফল 2(lw + wh + lh); ৪ × ৩ × ৪ এর জন্য ৮০।
বেলন
কৌটার গা সোজা কেটে খুলে ফেলো: একটি আয়তক্ষেত্র। তার উচ্চতা h, প্রস্থ ভূমির পরিধি 2πr = ১৮.৮৫ (r = ৩ হলে)। তাই বক্রতল 2πr × h = ৭৫.৪০। দুটি বৃত্ত πr² করে যোগ করলে সমগ্রতল।
কোণক
কোণকের গা খুললে পাবে বৃত্তকলা, যার ব্যাসার্ধ হেলানো উচ্চতা l = √(r² + h²) = ৫। চাপটি ভূমির কিনারা, তাই বৃত্তকলার কোণ ৩৬০ × r ÷ l = ২১৬°। বৃত্তকলার ক্ষেত্রফল πrl = ৪৭.১২; ভূমির বৃত্ত যোগ করলে ৭৫.৪০।
গোলক ও অর্ধগোলক
গোলককে না ছিঁড়ে চ্যাপ্টা করা যায় না, মানচিত্রকারদের সমস্যা সেখানেই। তবু আর্কিমিডিস দেখান, তার ক্ষেত্রফল একই ব্যাসার্ধের চারটি বৃত্তের সমান: 4πr² = ১১৩.১০ (r = ৩)। অর্ধগোলকের বক্রতল দুটি বৃত্তের (2πr²), চ্যাপ্টা মুখ আরও একটি, তাই সমগ্রতল 3πr² = ৮৪.৮২।
সিমুলেশনে হাতে-কলমে
ছয়টি ছোট পরীক্ষা। আগে অনুমান করো, তারপর পরিমাপ প্যানেলে মিলিয়ে নাও।
- বেলন বেছে r কে ৩ থেকে ৬ করো। আয়তন বাড়ে ৪ গুণ, কারণ r এর বর্গ হয়। এবার r না বদলে h দ্বিগুণ করো: আয়তন বাড়ে মাত্র ২ গুণ।
- গোলক বেছে ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করো। ক্ষেত্রফল বাড়ে ৪ গুণ, আয়তন ৮ গুণ। দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ হলে ক্ষেত্রফল ×৪, আয়তন ×৮: সব ঘনবস্তুর বেলায়ই এটা সত্য।
- কোণক বেছে r = ৬, h = ৮ করো। হেলানো উচ্চতা হয় ১০, আয়তন ৩০১.৫৯। সব দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ, তাই আয়তন আগের ৮ গুণ।
- আয়তঘন বেছে তিনটি স্লাইডার সমান করো। সেটি ঘনক হয়ে যায়, আর l × w × h হয় a³।
- কোণকের জাল খুলে h অনেক বাড়াও। বৃত্তকলা সরু হয়: লম্বা সরু কোণকের কোণ ছোট। h কমালে বৃত্তকলা পূর্ণ বৃত্তের দিকে খোলে।
- গোলকের ঢালা চালাও আর দেখো বেলন ⅔ দাগে থামে, কানায় নয়। বাকি এক-তৃতীয়াংশ ঠিক একই মাপের একটি কোণকের আয়তন।
সমাধান করা অঙ্ক
নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের সূত্র দিয়েই কষা।
অঙ্ক ১: পানির ট্যাংক
একটি বেলনাকার ট্যাংকের ব্যাসার্ধ ১.২ মিটার, উচ্চতা ২.৫ মিটার। কত লিটার পানি ধরবে?
আয়তন = πr²h = π × ১.২² × ২.৫ = ১১.৩১ ঘন মিটার। এক ঘন মিটার = ১০০০ লিটার, তাই ধারণক্ষমতা ১১.৩১ × ১০০০ = ১১,৩১০ লিটার।
অঙ্ক ২: ড্রামে রং
একটি বন্ধ ড্রামের ব্যাসার্ধ ০.৩৫ মিটার, উচ্চতা ১.২ মিটার। এক লিটার রং ১২ বর্গ মিটার ঢাকে। ২ কোটের জন্য কত রং লাগবে?
পুরো বাইরে রং হবে, তাই সমগ্রতল: 2πr(r + h) = ৩.৪১ বর্গ মিটার। দুই কোটে দ্বিগুণ। রং = ৩.৪১ × ২ ÷ ১২ = ০.৫৭ লিটার।
অঙ্ক ৩: স্কুপসহ আইসক্রিম কোণ
ব্যাসার্ধ ৩ সেমি, উচ্চতা ১০ সেমি একটি কোণকের মাথায় একই ব্যাসার্ধের অর্ধগোলক। মোট আয়তন আর ওয়েফারের ক্ষেত্রফল বের করো।
কোণক: ⅓πr²h = ৯৪.২৫ ঘন সেমি। অর্ধগোলক: ⅔πr³ = ৫৬.৫৫ ঘন সেমি। মোট = ১৫০.৮০ ঘন সেমি, প্রায় ১৫০.৮০ মিলিলিটার। ওয়েফার হলো কোণকের বক্রতল: l = √(৩² + ১০²) = ১০.৪৪ সেমি, তাই πrl = ৯৮.৪০ বর্গ সেমি।
অঙ্ক ৪: গোলক গলিয়ে কোণক
ব্যাসার্ধ ৬ সেমি একটি নিরেট ধাতব গোলক গলিয়ে ব্যাসার্ধ ৩ সেমি, উচ্চতা ৪ সেমি ছোট কোণক বানানো হলো। কয়টি কোণক হবে?
গলালে আকার বদলায়, আয়তন নয়। গোলক: ৯০৪.৭৮ ঘন সেমি। একটি কোণক: ৩৭.৭০ ঘন সেমি। কোণকের সংখ্যা = ৯০৪.৭৮ ÷ ৩৭.৭০ = ২৪।
অঙ্ক ৫: গোলক টেনে তার
ব্যাসার্ধ ৩ সেমি একটি ধাতব গোলক টেনে ব্যাসার্ধ ০.১ সেমি তার বানানো হলো। তারটি কত লম্বা?
গোলকের আয়তন = ১১৩.১০ ঘন সেমি। তার একটি খুব লম্বা বেলন, তাই πr²h থেকে h = ১১৩.১০ ÷ (π × ০.১²) = ৩,৬০০ সেমি, অর্থাৎ ৩৬ মিটার।
অঙ্ক ৬: মাছের অ্যাকোয়ারিয়াম
একটি কাচের অ্যাকোয়ারিয়ামের দৈর্ঘ্য ৮০ সেমি, প্রস্থ ৪০ সেমি, উচ্চতা ৫০ সেমি। কত লিটার পানি ধরবে?
আয়তন = ৮০ × ৪০ × ৫০ = ১,৬০,০০০ ঘন সেমি। ১০০০ ঘন সেমি = ১ লিটার, তাই ১৬০ লিটার।
সচরাচর ভুলগুলো
এই অধ্যায়ে প্রায় সব নম্বর কাটা যায় এই কয়টি ভুলে।
- বক্রতল আর সমগ্রতল গুলিয়ে ফেলা। শুরুর কোণকে বক্রতল ৪৭.১২, কিন্তু সমগ্রতল ৭৫.৪০: প্রথমটিতে ভূমির বৃত্ত নেই। প্রশ্নে “বক্র” না “সমগ্র” চাইছে, পড়ে নাও।
- কোণকের ক্ষেত্রফলে l এর জায়গায় h বসানো। πrl এ l = ৫ এর বদলে h = ৪ দিলে ৩৭.৭০ আসে, যা প্রায় ২০% কম। আয়তনে h, ক্ষেত্রফলে l।
- এক ঘন মিটারে ১০০০ লিটার, ১০০ নয়, এটা ভুলে যাওয়া। আর এক ঘন মিটারে ১০,০০,০০০ ঘন সেমি, ১০০০ নয়।
- ব্যাসার্ধ চাইলে ব্যাস বসানো। আগে ব্যাস অর্ধেক করো।
- যে তল নেই তার ক্ষেত্রফল যোগ করা। ওপর খোলা ট্যাংকে ঢাকনা নেই; পাইপের বক্রতলে দুই মুখ নেই।
- একই সূত্রে একক মেশানো, যেমন r মিটারে আর h সেন্টিমিটারে। আগে সব একক এক করো।
বাস্তবে কোথায় লাগে
পরিমিতি স্কুলের গণিতের সবচেয়ে কাজের অধ্যায়গুলোর একটি।
- পানির ট্যাংক, সাইলো আর ড্রাম বেলন। প্রকৌশলীরা আয়তনকে লিটার বা টনে বদলান।
- তাঁবু, ফানেল, ট্রাফিক কোণ আর জন্মদিনের টুপি কোণক। দর্জি কাপড় বৃত্তকলা করে কাটেন, ঠিক যে জাল তুমি দেখলে।
- ফুটবল, সাবানের বুদবুদ আর গ্রহ গোলক। গম্বুজ আর বাটি অর্ধগোলক।
- ঘর রং, টাইলস আর প্যাকিংয়ে তলের ক্ষেত্রফল লাগে; রান্নার হাঁড়ি আর কংক্রিটে আয়তন।
- জীববিজ্ঞানেও মাপ বদলের হিসাব আছে: ছোট প্রাণীর আয়তনের তুলনায় তলের ক্ষেত্রফল বেশি, তাই তার তাপ দ্রুত হারায়।
পরীক্ষার কোণ: এসএসসি ও স্কুল পরীক্ষা
প্রশ্ন সাধারণত কয়েকটি ধরনের: আয়তন বা ক্ষেত্রফল বের করা, দুটি ঘনবস্তু জুড়ে নেওয়া, গলিয়ে নতুন আকার, বা লিটারে রূপান্তর। π এর মান হিসাবে সাধারণত ৩.১৪১৬ ধরা হয়।
একটি টিপিক্যাল প্রশ্ন
একটি বেলনের ব্যাসার্ধ ৭ সেমি, উচ্চতা ২০ সেমি। এর আয়তন ও সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করো।
আয়তন = πr²h = ৩,০৭৮.৭৬ ঘন সেমি। সমগ্রতল = 2πr(r + h) = ১,১৮৭.৫২ বর্গ সেমি।
কোণকের একটি প্রশ্ন
একটি কোণকের ব্যাসার্ধ ৭ সেমি, উচ্চতা ২৪ সেমি। হেলানো উচ্চতা, বক্রতল, সমগ্রতল ও আয়তন বের করো (π = ২২/৭)।
l = √(৭² + ২৪²) = ২৫ সেমি। বক্রতল πrl = ৫৫০ বর্গ সেমি। সমগ্রতল πr(r + l) = ৭০৪ বর্গ সেমি। আয়তন ⅓πr²h = ১,২৩২ ঘন সেমি।
ঝটপট পুনরাবৃত্তি
প্রতিটি পরীক্ষার আগে একবার পড়ে নাও।
- আয়তন ঘন এককে, তলের ক্ষেত্রফল বর্গ এককে।
- বেলন: আয়তন πr²h, বক্রতল 2πrh, সমগ্রতল 2πr(r + h)।
- কোণক: আয়তন ⅓πr²h, বক্রতল πrl, সমগ্রতল πr(r + l), l = √(r² + h²)।
- গোলক: আয়তন ⁴⁄₃πr³, ক্ষেত্রফল 4πr²। অর্ধগোলক: আয়তন ⅔πr³, বক্রতল 2πr², সমগ্রতল 3πr²।
- ঘনক: আয়তন a³, সমগ্রতল 6a²। আয়তঘন: আয়তন lwh, সমগ্রতল 2(lw + wh + lh)।
- কোণক = ⅓ বেলন; গোলক = পরিলিখিত বেলনের ⅔।
- গলিয়ে নতুন আকার বানালে আয়তন একই থাকে।
- ১ ঘন মিটার = ১০০০ লিটার; ১০০০ ঘন সেমি = ১ লিটার।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
আয়তন আর তলের ক্ষেত্রফলের পার্থক্য কী?
আয়তন ঘনবস্তুর ভেতরের জায়গা, ঘন এককে; তলের ক্ষেত্রফল বাইরের চামড়ার মাপ, বর্গ এককে। শুরুর কোণকের আয়তন ৩৭.৭০ ঘন একক আর সমগ্রতল ৭৫.৪০ বর্গ একক।
কোণকের আয়তন কেন বেলনের এক-তৃতীয়াংশ?
কারণ একই ব্যাসার্ধ ও উচ্চতার কোণকের পানি বেলনে ঢাললে প্রতিবার ঠিক এক-তৃতীয়াংশ ভরে, তিন বারে পুরো। ঘনককে তিন পিরামিডে কাটার ছবি আর ক্যালকুলাসও একই ⅓ দেয়।
হেলানো উচ্চতা কী, কখন লাগে?
হেলানো উচ্চতা l হলো কোণকের ঢালু গা বরাবর কিনারা থেকে চূড়া পর্যন্ত দৈর্ঘ্য, l = √(r² + h²)। বক্রতল πrl এ এটি লাগে। শুরুর কোণকে r = ৩, h = ৪, তাই l = ৫।
ঘন মিটারকে লিটারে কীভাবে বদলাব?
১০০০ দিয়ে গুণ করো। এক ঘন মিটার = ১০০০ লিটার। ঘন সেন্টিমিটার থেকে লিটার পেতে ১০০০ দিয়ে ভাগ করো, কারণ ১০০০ ঘন সেমি = ১ লিটার।
অর্ধগোলকের ক্ষেত্রফল কত?
বক্রতল 2πr²। চ্যাপ্টা ভূমি ধরলে πr² যোগ করে সমগ্রতল 3πr²। r = ৩ হলে যথাক্রমে ৫৬.৫৫ আর ৮৪.৮২।
ঘনবস্তুর জাল কী?
ধার বরাবর কেটে খুলে বিছালে যে চ্যাপ্টা নকশা পাওয়া যায় সেটাই জাল। জালের সব টুকরোর ক্ষেত্রফল যোগ করলে সমগ্রতলের ক্ষেত্রফল হয়। বেলনের জাল একটি আয়তক্ষেত্র আর দুটি বৃত্ত।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















