মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

বোর্ড দেখা যায় কিন্তু বই ঝাপসা, কিংবা বই পড়া যায় কিন্তু বোর্ড দেখা যায় না: সঠিক লেন্সে চোখ ঠিক হয় কীভাবে?

ক্ষীণদৃষ্টি চোখে আলো রেটিনার সামনেই এক বিন্দুতে মিলে যায়, আর দীর্ঘদৃষ্টি চোখে মিলতে চায় রেটিনার পেছনে। দুই ক্ষেত্রেই রেটিনা পায় একটা ঝাপসা ছবি। এই পাতায় চোখ বেছে নাও, বস্তুকে কাছে-দূরে সরাও, তারপর অবতল বা উত্তল লেন্স পরিয়ে দেখো রশ্মিগুলো আবার রেটিনায় ফিরে আসছে কি না। লেন্সের ক্ষমতা P = 1/f-ও হিসাব হয়ে যাবে।

আলোকরশ্মিরশ্মি মেলার বিন্দুরেটিনা
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কোন চোখ

৪০০ cm
৮০ cm

পরিমাপ

দূর বিন্দু
৮০cm
নিকট বিন্দু
১৯.০cm
সংশোধক লেন্সের ক্ষমতা P
-১.২৫D
ফোকাস দূরত্ব f
-৮০.০cm
লেন্সের ধরন
অবতল
চোখের লেন্সের ক্ষমতা
৪১.২৫D
প্রতিবিম্বের দূরত্ব
২.৪৪cm
ফোকাসের ভুল
১.০০D
প্রতিবিম্ব কোথায়
রেটিনার সামনে: ঝাপসা

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. ক্ষীণদৃষ্টি দিয়ে শুরু করো, বস্তু ৪০০ cm দূরে। রশ্মিগুলো রেটিনার সামনে মিলছে, আর রিডিং বলছে প্রতিবিম্ব ঝাপসা। দূর বিন্দু ৮০ cm, তাই এর বাইরের কিছুই ফোকাসে আসে না।
  2. “সংশোধক লেন্স পরো” টিক দাও। চোখের সামনে অবতল লেন্স এসে যাবে। ক্ষমতা দেখাচ্ছে −১.২৫ D, আর রশ্মিগুলো এখন রেটিনায় মিলছে।
  3. দূর বিন্দু ৮০ cm থেকে টেনে ৩০ cm-এর কাছে নামাও, আবার ফেরাও। চোখ যত খারাপ (দূর বিন্দু যত কাছে), অবতল লেন্স তত শক্তিশালী লাগে। ক্ষমতার সংখ্যা বদলাতে দেখো।
  4. দীর্ঘদৃষ্টিতে যাও। বস্তুকে নামাও ২৫ cm-এ, মানে বই পড়ার সাধারণ দূরত্বে। রশ্মি মিলতে চায় রেটিনার পেছনে। লেন্স পরো: ৩.০০ D-এর একটা উত্তল লেন্স রশ্মিকে সামনে টেনে আনে।
  5. নিকট বিন্দুর স্লাইডার সরাও। নিকট বিন্দু যত দূরে যায়, তত বেশি ক্ষমতার উত্তল লেন্স লাগে।
  6. প্রেসবায়োপিয়ায় গিয়ে পড়ার লেন্স পরো, তারপর বস্তুকে ৬০০ cm পর্যন্ত সরাও। এবার পড়ার লেন্সই দূরের জিনিস ঝাপসা করে দিচ্ছে। এ জন্যই পড়ার চশমা পরা মানুষ ঘরের ওপাশে তাকাতে চশমা খুলে ফেলেন।

সুস্থ চোখ কীভাবে ফোকাস করে

চোখকে একটা ক্যামেরা ভাবো। আলো কর্নিয়া আর লেন্স পেরিয়ে পেছনের পর্দা রেটিনায় পড়ে, যেখানে আলো-সংবেদী কোষ বসানো। স্পষ্ট ছবি পেতে হলে বস্তুর প্রতিটি বিন্দুর রশ্মি রেটিনার ঠিক একটি বিন্দুতে মিলতে হবে, তার সামনে নয়, পেছনেও নয়।

স্কুলের পদার্থবিজ্ঞানে চোখকে রেটিনা থেকে ২.৫ cm দূরের একটিমাত্র উত্তল লেন্স ধরা হয়। সমান্তরাল রশ্মিকে ২.৫ cm দূরে ফোকাস করতে হলে লেন্সের ক্ষমতা লাগে ১ ÷ ০.০২৫ m = ৪০ D। (আসল চোখের ক্ষমতা প্রায় ৬০ D, কারণ কর্নিয়াই আলো সবচেয়ে বেশি বাঁকায়। কিন্তু পাঠ্যবইয়ের ছবিতেও প্রতিটি উত্তরের ধরন ঠিকই আসে।)

রেটিনা তো নড়ে না। তাই বস্তু কাছে এলে লেন্সকেই বদলাতে হয়। সিলিয়ারি পেশি লেন্সকে চেপে মোটা আর শক্তিশালী করে। একে বলে সমন্বয় (অ্যাকোমোডেশন)। ২৫ cm দূরে পড়তে লেন্সের ক্ষমতা লাগে ৪৪ D, মানে বিশ্রামের চেয়ে ৪ D বেশি। সিমুলেশনে দেখো, চোখ যত খাটে লেন্স তত মোটা হয়।

পদস্বাভাবিক চোখমানে কী
দূর বিন্দুঅসীমসবচেয়ে দূরের যে বস্তু স্পষ্ট দেখা যায়
নিকট বিন্দু২৫ cmসবচেয়ে কাছের যে বস্তু স্পষ্ট দেখা যায়
শিথিল লেন্স৪০ Dসমান্তরাল রশ্মি ঠিক রেটিনায় মেলে
সবচেয়ে শক্তিশালী লেন্স৪৪ Dপেশি পুরো চেপেছে, বস্তু নিকট বিন্দুতে

ক্ষীণদৃষ্টি: যে চোখ বেশি শক্তিশালী

ক্ষীণদৃষ্টির (মায়োপিয়া) মানুষ কাছের জিনিস পরিষ্কার দেখে, কিন্তু দূরেরটা ঝাপসা। কারণ চোখের গোলক বেশি লম্বা, অথবা লেন্স-কর্নিয়া আলো বেশি বাঁকায়। যেভাবেই হোক, শিথিল চোখ বেশি শক্তিশালী, ফলে সমান্তরাল রশ্মি রেটিনার সামনেই মিলে যায়। রেটিনায় পৌঁছতে পৌঁছতে রশ্মি আবার ছড়িয়ে একটা ঝাপসা বৃত্ত বানায়।

সিমুলেশনের ক্ষীণদৃষ্টি চোখের দূর বিন্দু ৮০ cm। শিথিল লেন্সের ক্ষমতা ৪১.২৫ D, মানে ১.২৫ D বেশি। ৪০০ cm দূরের বস্তু দূর বিন্দুর বাইরে, তাই প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে তৈরি হয়। ফোকাসের ভুল দেখাচ্ছে ১.০০ D।

প্রতিকার হলো অবতল (অপসারী) লেন্স দিয়ে ক্ষমতা কমানো। লেন্সের কাজ হলো দূরের বস্তুকে এমনভাবে দেখানো যেন সেটা দূর বিন্দুতেই আছে। লেন্সের সূত্রে u = −∞ আর প্রতিবিম্ব দূর বিন্দুতে, v = −৮০ cm বসালে ফোকাস দূরত্ব দূর বিন্দুর সমান আসে, চিহ্ন ঋণাত্মক: f = −৮০.০ cm। ডায়োপ্টারে P = 1/f = −১.২৫ D।

লেন্স পরলে ফোকাসের ভুল নেমে আসে ০.০০ D-এ, আর প্রতিবিম্ব রেটিনায় পড়ে। আরেকটা জিনিস খেয়াল করো: চশমা ছাড়া এই চোখের নিকট বিন্দু ১৯.০ cm, স্বাভাবিক ২৫ cm-এর চেয়ে কাছে। ক্ষীণদৃষ্টি বাচ্চারা বই প্রায় নাকের ডগায় ধরে পড়ে কেন, এখন বোঝা গেল।

f = −(দূর বিন্দু)অবতল লেন্স, ফোকাস দূরত্ব = দূর বিন্দু

P = 1 / f = −1 / (দূর বিন্দু, মিটারে)ডায়োপ্টারে (D)

দূর বিন্দু (cm)লেন্সের ক্ষমতা (D, ঋণাত্মক)ফোকাস দূরত্ব (cm, মান)চশমা ছাড়া নিকট বিন্দু (cm)
২৫৪.০০২৫.০১২.৫
৪০২.৫০৪০.০১৫.৪
৫০২.০০৫০.০১৬.৭
৮০১.২৫৮০.০১৯.০
১০০১.০০১০০.০২০.০
২০০০.৫০২০০.০২২.২

দীর্ঘদৃষ্টি: যে চোখ বেশি দুর্বল

দীর্ঘদৃষ্টির (হাইপারমেট্রোপিয়া) মানুষ দূরের জিনিস ভালো দেখে, কিন্তু কাছেরটা ঝাপসা, তাই বই অনেক দূরে ধরতে হয়। চোখের গোলক খাটো, অথবা লেন্স বেশি চ্যাপ্টা। পুরো শক্তিতে চাপ দিয়েও চোখ কাছের বস্তুর জন্য যথেষ্ট ক্ষমতা জোগাতে পারে না, আর রেটিনা না থাকলে রশ্মি তার পেছনে গিয়ে মিলত।

নিকট বিন্দু ১০০ cm ধরো। এই চোখ সর্বোচ্চ ৪১.০০ D-এর লেন্স বানাতে পারে। ২৫ cm দূরের বইয়ের জন্য এর চেয়ে বেশি লাগে, তাই ফোকাসের ভুল −৩.০০ D। প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে, লেন্স থেকে ২.৭০ cm দূরে, অথচ থাকার কথা ২.৫ cm-এ।

প্রতিকার উত্তল (অভিসারী) লেন্স, যা ঘাটতি ক্ষমতাটুকু জুড়ে দেয়। চাই, আরামের ২৫ cm-এ ধরা বস্তুটাকে চোখ যেন তার আসল নিকট বিন্দু ১০০ cm-এ আছে বলে দেখে, অর্থাৎ সেখানে একটা অসদ প্রতিবিম্ব তৈরি হয়। লেন্সের সূত্র বলে 1/f = 1/v − 1/u = −1/১০০ + 1/২৫ (প্রতি cm), আর উত্তর f = ৩৩.৩ cm, P = +৩.০০ D।

লেন্স চালু করলেই ফোকাসের ভুল হয়ে যায় ০.০০ D। রশ্মি রেটিনায় মেলে।

1/f = 1/25 − 1/(নিকট বিন্দু)দূরত্ব cm-এ; ডায়োপ্টারে P = 100/f

P = 4 − 1 / (নিকট বিন্দু, মিটারে)একই কথা ডায়োপ্টারে

নিকট বিন্দু (cm)লেন্সের ক্ষমতা (D, ধনাত্মক)ফোকাস দূরত্ব (cm)চোখ অতিরিক্ত যতটা ক্ষমতা জোগাতে পারে (D)
৪০১.৫০৬৬.৭২.৫০
৫০২.০০৫০.০২.০০
৭৫২.৬৭৩৭.৫১.৩৩
১০০৩.০০৩৩.৩১.০০
১৫০৩.৩৩৩০.০০.৬৭
২০০৩.৫০২৮.৬০.৫০

প্রেসবায়োপিয়া: বয়সের সঙ্গে শক্ত হয়ে যাওয়া লেন্স

প্রেসবায়োপিয়া দেখতে দীর্ঘদৃষ্টির মতোই, আর সারানোর লেন্সও একই উত্তল লেন্স, কিন্তু কারণ আলাদা। বছর যায়, চোখের লেন্সের স্থিতিস্থাপকতা কমে, সাধারণত চল্লিশের কোঠা থেকে, ফলে পেশি আর লেন্সকে মোটা করতে পারে না। নিকট বিন্দু ধীরে ধীরে দূরে সরে যায়। তরুণ চোখ ২৫ cm-এ পড়ে, বয়স্ক চোখের হয়তো বই হাত-ভরা দূরে লাগে।

দীর্ঘদৃষ্টি গড়নের দোষ, ছোটবেলা থেকেই থাকে। প্রেসবায়োপিয়া বয়সের দোষ, প্রায় সবারই হয়। যাঁদের আগে থেকে ক্ষীণদৃষ্টি আছে, তাঁদেরও হতে পারে। তখন চশমায় দুই ক্ষমতা লাগে: ওপরে অবতল (দূরের জন্য), নিচে উত্তল (পড়ার জন্য)। একেই বলে বাইফোকাল লেন্স।

নিকট বিন্দু ৮০ cm হলে পড়ার লেন্স +২.৭৫ D, ফোকাস দূরত্ব ৩৬.৪ cm। এবার দেখো, ওই পড়ার চশমা পরে ঘরের ওপাশে তাকালে কী হয়। লেন্স চালু রেখে বস্তুকে ৬০০ cm-এ নিয়ে যাও: প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে পড়ে, ফোকাসের ভুল ২.৫৮ D। পড়ার চশমা দূরের কাজের যন্ত্র নয়।

ডায়োপ্টার ও চশমার পাওয়ার

চশমার দোকানদার ফোকাস দূরত্ব বলেন না, বলেন পাওয়ার। লেন্সের ক্ষমতা P = 1/f, এখানে f মিটারে, একক ডায়োপ্টার (D)। উত্তল লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক, অবতলের ঋণাত্মক। f = ২৫ cm হলে P = ৪ D; f = −৫০ cm হলে P = −২ D।

সবচেয়ে বড় সুবিধা: ক্ষমতা যোগ হয়। পাশাপাশি লাগানো দুই পাতলা লেন্সের P = P₁ + P₂, তাই +৩ D আর −১ D মিলে হয় +২ D, কোনো ভগ্নাংশ ছাড়াই। প্রেসক্রিপশনে −২.৫ D লেখা থাকলে সোজা বোঝা যায় দূর বিন্দু: f = ১ ÷ ২.৫ = ৪০ cm, মানে ৪০ cm-এর পরের দুনিয়া চশমা ছাড়া ঝাপসা।

আরেকটা সরলীকরণ: চশমা চোখ থেকে এক-দুই সেন্টিমিটার দূরে থাকে, স্কুলের অঙ্কে সেই ফাঁক ধরা হয় না। বেশি পাওয়ারে বাস্তবে ফারাক পড়ে, তাই কনট্যাক্ট লেন্সের সংখ্যা একটু আলাদা হয়।

P = 1 / ff মিটারে, P ডায়োপ্টারে (D)

P = P₁ + P₂গায়ে গায়ে লাগানো পাতলা লেন্স

1/v − 1/u = 1/fলেন্সের সূত্র, কার্তেসীয় চিহ্ন

সমাধান করা অঙ্ক

ক্লাস টেস্ট আর ভর্তি পরীক্ষায় যে ধাঁচে প্রশ্ন আসে, সেই ধাঁচের পাঁচটি অঙ্ক। সংখ্যাগুলো অ্যানিমেশনের হিসাবের সঙ্গে একই ফাংশন থেকে আসে।

অঙ্ক ১: ক্ষীণদৃষ্টি শিক্ষার্থী

একজন শিক্ষার্থী ৮০ cm-এর বেশি দূরে স্পষ্ট দেখে না। ত্রুটির নাম, লেন্সের ধরন ও ক্ষমতা বের করো।

দূর বিন্দু অসীমের চেয়ে কাছে, তাই এটা ক্ষীণদৃষ্টি, অবতল লেন্সে সারে। লেন্সকে দূরের বস্তুর প্রতিবিম্ব ৮০ cm-এ আনতে হবে, তাই f = −৮০.০ cm। P = ১ ÷ (−৮০.০ ÷ ১০০) = −১.২৫ D।

অঙ্ক ২: দীর্ঘদৃষ্টি পাঠক

একজন মানুষ ১০০ cm-এর চেয়ে কাছের কিছু স্পষ্ট দেখে না। ২৫ cm-এ পড়তে কোন লেন্স লাগবে?

u = −২৫ cm, আর অসদ প্রতিবিম্ব v = −১০০ cm-এ। 1/f = 1/v − 1/u = −1/১০০ + 1/২৫, ফলে f = ৩৩.৩ cm। লেন্স উত্তল, P = +৩.০০ D।

অঙ্ক ৩: প্রেসক্রিপশন

চশমার দোকানদার লিখলেন −২.৫ D। ত্রুটি কী, আর মানুষটির দূর বিন্দু কত?

ঋণাত্মক ক্ষমতা মানে অবতল লেন্স, তাই ক্ষীণদৃষ্টি। f = 1/P = −৪০ cm, আর দূর বিন্দু ফোকাস দূরত্বের মানের সমান: ৪০ cm।

অঙ্ক ৪: হালকা ক্ষীণদৃষ্টি

এক ব্যক্তির দূর বিন্দু ২০০ cm। ৮০ cm-এর শিক্ষার্থীর সঙ্গে লেন্সের তুলনা করো।

P = −০.৫০ D, −১.২৫ D-এর চেয়ে অনেক দুর্বল। হালকা ক্ষীণদৃষ্টিতে হালকা লেন্স: ক্ষমতা মানে ১০০ ÷ দূর বিন্দু (cm)। স্বাভাবিক সমন্বয়ে চশমা ছাড়া এই চোখের নিকট বিন্দু প্রায় ২২.২ cm।

অঙ্ক ৫: দূরের জন্য পড়ার চশমা

৮০ cm নিকট বিন্দুর একজন বয়স্ক মানুষ পড়ার চশমা পরে ৬০০ cm দূরের সাইনবোর্ডের দিকে তাকালেন। প্রতিবিম্ব কোথায় তৈরি হবে?

পড়ার লেন্স +২.৭৫ D। চোখ ৪০ D-এর নিচে নামতে পারে না, তাই মোট ক্ষমতা প্রায় ২.৫৮ D বেশি। রশ্মি রেটিনার সামনে মেলে, লেন্স থেকে ২.৩৫ cm দূরে, ২.৫ cm-এর বদলে। সাইনবোর্ড ঝাপসা।

যে ভুলে নম্বর কাটা যায়

পরীক্ষার আগে তালিকাটা মিলিয়ে নাও। প্রতিটি ভুলে কেউ না কেউ নম্বর হারিয়েছে।

  • লেন্স গুলিয়ে ফেলা। ক্ষীণদৃষ্টিতে অবতল, দীর্ঘদৃষ্টিতে উত্তল। মনে রাখো, অবতল লেন্স রশ্মি ছড়ায়, তাই বেশি শক্তিশালী চোখের জোর কমায়।
  • ক্ষীণদৃষ্টিতে প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে বলে দেওয়া। আসলে সামনে। পেছনে পড়ে দীর্ঘদৃষ্টিতে।
  • দীর্ঘদৃষ্টির লেন্সে নিকট বিন্দুকেই ফোকাস দূরত্ব ধরা। ফোকাস দূরত্ব আসে লেন্সের সূত্র থেকে, u = −২৫ cm আর v = −(নিকট বিন্দু) বসিয়ে।
  • ক্ষমতার চিহ্ন ভুলে যাওয়া। অবতল মানে ঋণাত্মক। ক্ষীণদৃষ্টির জন্য P = ২ D লিখলে নম্বর যায়।
  • P = 1/f-এ সেন্টিমিটার বসানো। সূত্রে মিটার লাগে।
  • প্রেসবায়োপিয়াকে দীর্ঘদৃষ্টির সমান বলে দেওয়া। লেন্স এক, কিন্তু দীর্ঘদৃষ্টি গড়নের দোষ আর প্রেসবায়োপিয়া বয়সের দোষ।
  • সংশোধক লেন্স চোখের পরে এঁকে ফেলা। চশমার লেন্স চোখের সামনে বসে, তার কাজ বস্তুকে এমনভাবে দেখানো যেন সেটা চোখের স্পষ্ট দেখার সীমার ভেতরে আছে।

আরও ত্রুটি, আর সঙ্গী পাতা

অ্যাস্টিগম্যাটিজম আলাদা ত্রুটি: কর্নিয়া গোল নয়, তাই এক দিকের রশ্মি অন্য দিকের চেয়ে আলাদা জায়গায় ফোকাস হয়। এর জন্য বেলনাকার লেন্স লাগে, গোলীয় নয়। ছানি (ক্যাটারাক্ট) হলো লেন্স ঘোলা হয়ে যাওয়া, চশমায় তা সারে না, অস্ত্রোপচার করে লেন্স বদলাতে হয়।

চোখের গড়ন, রেটিনা কীভাবে আলোকে সংকেত বানায় আর পেশি কীভাবে লেন্স চাপে, তা জানতে জীববিজ্ঞানের সঙ্গী পাতা “মানুষের চোখ” (human-eye-biology) পড়ো। এই পদার্থবিজ্ঞানের পাতা গড়নটাকে ধরে নিয়েই শুধু দেখে রশ্মি কোথায় যায়। লেন্সের সূত্র ঝালাতে চাইলে লেন্সের রশ্মি-চিত্রের পাতা ভালো ওয়ার্ম-আপ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ক্ষীণদৃষ্টি আর দীর্ঘদৃষ্টির পার্থক্য কী?

ক্ষীণদৃষ্টিতে দূরের বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে তৈরি হয়, তাই দূরের জিনিস ঝাপসা। দীর্ঘদৃষ্টিতে কাছের বস্তুর প্রতিবিম্ব রেটিনার পেছনে পড়তে চায়, তাই কাছের জিনিস ঝাপসা। প্রথমটি অবতল লেন্সে, দ্বিতীয়টি উত্তল লেন্সে সারে।

ক্ষীণদৃষ্টি সারাতে কোন লেন্স লাগে, কেন?

অবতল (অপসারী) লেন্স। চোখ বেশি শক্তিশালী, তাই লেন্স আসা রশ্মিকে একটু ছড়িয়ে দেয়, ফলে চোখ সেগুলোকে রেটিনায় ফোকাস করতে পারে। লেন্সের ফোকাস দূরত্ব দূর বিন্দুর সমান, চিহ্ন ঋণাত্মক।

দীর্ঘদৃষ্টির লেন্সের ক্ষমতা কীভাবে বের করব?

লেন্সের সূত্রে বস্তু ২৫ cm-এ আর অসদ প্রতিবিম্ব ব্যক্তির নিকট বিন্দুতে বসাও। ফল P = ৪ − 1/(নিকট বিন্দু, মিটারে), ডায়োপ্টারে, ধনাত্মক।

ডায়োপ্টার কী?

লেন্সের ক্ষমতার একক, প্রতি মিটার। ১ m ফোকাস দূরত্বের লেন্সের ক্ষমতা ১ D। উত্তল লেন্স ধনাত্মক, অবতল ঋণাত্মক।

প্রেসবায়োপিয়া কী, কাদের হয়?

বয়সের সঙ্গে লেন্সের নমনীয়তা কমে যায়, ফলে নিকট বিন্দু দূরে সরে। সাধারণত চল্লিশের কোঠায় শুরু হয়, প্রায় সবারই হয়। উত্তল লেন্সের পড়ার চশমা বা বাইফোকাল লেন্স এটা সারায়।

পড়ার চশমা পরলে দূরের জিনিস ঝাপসা লাগে কেন?

পড়ার লেন্স অভিসারী ক্ষমতা যোগ করে, যা দূরের বস্তুর জন্য দরকার নেই। শিথিল চোখ নিজের ক্ষমতা আর কমাতে পারে না, তাই প্রতিবিম্ব রেটিনার সামনে পড়ে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি সাধারণ বিজ্ঞান

ভর্তি

মেডিকেল ভর্তি ২০২৬-২৭

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ