একটা বাধা দাও আর লাল ও নীল রেখা দেখো: কিছুক্ষণ এলোমেলো থাকার পর আবার মিলে যায়। Q আর Kc-এর তুলনা বলে দেয় বিক্রিয়া কোন দিকে সরবে।
নিয়ন্ত্রণ
সাম্যাবস্থায় বাধা দাও
পরিমাপ
- তাপমাত্রা
- ৫০০K
- চাপ
- ১atm
- সাম্যধ্রুবক Kc
- ১.০০
- এখনকার Q
- ০.০০০
- সরার দিক
- অগ্রগামী দিকে সরছে: আরও NH₃ তৈরি হচ্ছে
- সম্মুখ হার
- ০.৫৪০
- বিপরীত হার
- ০.০০০
- [N₂]
- ১.০০mol/L
- [H₂]
- ৩.০০mol/L
- [NH₃]
- ০.০০mol/L
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- শুরুতে শুধু N₂ আর H₂ আছে। ওপরের লেখচিত্রে নীল সম্মুখ হার সবচেয়ে বড়, লাল বিপরীত হার শূন্য। কিছুক্ষণ চলতে দাও: নীল নামে, লাল ওঠে, তারপর দুটো মিলে যায়। ওই মুহূর্তেই সাম্যাবস্থা। নিচের লেখচিত্রে ঘনমাত্রাগুলো সমতল হয়ে যায়।
- সাম্য এলে ডানের “এখনকার Q” আর “সাম্যধ্রুবক Kc” মিলিয়ে দেখো: দুটো প্রায় সমান (১.০০ আর ১.০০)।
- এবার “বিক্রিয়ক যোগ করো (N₂)” চাপো। N₂ হঠাৎ ১ মোল/লিটার বেড়ে যাবে, Q কমে যাবে, আর ওপরের বার্তা বলবে বিক্রিয়া অগ্রগামী দিকে সরছে।
- এবার তাপমাত্রা বাড়াও, চাপ বাড়াও, উৎপাদ সরাও। প্রতিবার কোন রেখা লাফ দিল আর কোনদিকে সরল, লিখে রাখো।
- যেকোনো বাধার পরে ঘনমাত্রা আবার সমতল হতে সময় নেয়। সেটা শেষ হওয়ার আগেই আরেকটা বাধা দিলে কী হয়, সেটাও পরীক্ষা করে দেখো।
কল খোলা, নর্দমাও খোলা: তবু পানির স্তর স্থির
একটা বালতির কথা ভাবো। ওপরের কল থেকে প্রতি মিনিটে এক লিটার পানি পড়ছে, আর তলার ফুটো দিয়ে ঠিক এক লিটারই বেরিয়ে যাচ্ছে। বালতির পানির স্তর কি বদলাবে? না, স্থির থাকবে। অথচ পানি কিন্তু মোটেই থেমে নেই, ঢুকছে আর বেরোচ্ছে।
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা হুবহু এমন। বিক্রিয়া থামে না, দুই দিকেই চলতে থাকে। বিক্রিয়ক ভেঙে উৎপাদ হচ্ছে, উৎপাদও ভেঙে বিক্রিয়ক হচ্ছে। দুই হার সমান হলে বাইরে থেকে কিছুই বদলাচ্ছে না মনে হয়: রঙ, চাপ, ঘনমাত্রা সব স্থির। তাই একে বলে গতিশীল সাম্যাবস্থা।
একটা কথা পরিষ্কার করে নিই। সাম্যাবস্থায় ঘনমাত্রা স্থির থাকে, কিন্তু সমান হয় না। কলের সঙ্গে ফুটোর পানির প্রবাহ সমান, বালতিতে কতটা পানি আছে তা অন্য ব্যাপার। সিমুলেশনে দেখো, সাম্যে হার দুটো মেলে, কিন্তু N₂, H₂ আর NH₃-এর রেখা আলাদা উচ্চতায় থাকে।
সাম্যাবস্থা কাকে বলে, শুরু থেকে
কিছু বিক্রিয়া একমুখী: কাগজ পুড়ে ছাই হলে ছাই থেকে কাগজ ফেরে না। কিন্তু অনেক বিক্রিয়া উভমুখী, অর্থাৎ বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ হয়, আবার উৎপাদ থেকে বিক্রিয়কও ফিরে আসে। এটা বোঝাতে আমরা ⇌ চিহ্ন লিখি: N₂ + 3H₂ ⇌ 2NH₃।
বদ্ধ পাত্রে এমন বিক্রিয়া শুরু করলে প্রথমে শুধু সম্মুখ বিক্রিয়া চলে, কারণ উৎপাদ নেই। যত উৎপাদ জমে, বিপরীত বিক্রিয়ার হার বাড়ে। আর বিক্রিয়ক কমলে সম্মুখ হার কমে। একসময় দুই হার সমান হয়ে যায়। এটাই সাম্য।
সিমুলেশনে এই গল্পটাই ঘটে। শুরুর মিশ্রণে N₂ ১ আর H₂ ৩ মোল/লিটার। ৫০০ K-এ সাম্যে পৌঁছে N₂ ০.৪৬, H₂ ১.৩৭ আর NH₃ ১.০৯ মোল/লিটার দাঁড়ায়। তার মানে শুরুর N₂-এর প্রায় ৫৪ শতাংশ অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো
পরীক্ষায় এই শব্দগুলো নির্ভুল লিখতে পারা চাই।
| শব্দ | অর্থ | চিহ্ন বা উদাহরণ |
|---|---|---|
| উভমুখী বিক্রিয়া | যে বিক্রিয়া দুই দিকেই চলতে পারে | ⇌ |
| সম্মুখ বিক্রিয়া | বিক্রিয়ক থেকে উৎপাদ তৈরির দিক | N₂ + 3H₂ → 2NH₃ |
| বিপরীত বিক্রিয়া | উৎপাদ থেকে বিক্রিয়ক ফিরে আসার দিক | 2NH₃ → N₂ + 3H₂ |
| গতিশীল সাম্য | দুই দিকের হার সমান, ঘনমাত্রা স্থির | হার(সম্মুখ) = হার(বিপরীত) |
| সাম্যধ্রুবক (Kc) | সাম্যাবস্থার ঘনমাত্রার একটি অনুপাত, নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ধ্রুব | [NH₃]² ÷ ([N₂][H₂]³) |
| বিক্রিয়া-ভাগফল (Q) | যেকোনো মুহূর্তের ঘনমাত্রা দিয়ে একই সূত্রে পাওয়া মান | Q < Kc হলে অগ্রগামী |
| লা শাতেলিয়ের নীতি | সাম্যে বাধা দিলে সিস্টেম সেই বাধা কমানোর দিকে সরে | চাপ, তাপ, ঘনমাত্রা |
| অনুঘটক | দুই দিকের হার সমান বাড়ায়, Kc বদলায় না | আয়রন, হেবার প্রক্রিয়ায় |
Kc আর Q: সাম্যের হিসাব
বিক্রিয়ার সমীকরণে প্রতিটি পদার্থের ঘনমাত্রা তার সহগের সমান ঘাতে বসিয়ে উৎপাদকে বিক্রিয়ক দিয়ে ভাগ করলে Kc পাওয়া যায়। নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় এই মান ধ্রুব, ঘনমাত্রা যাই থাকুক না কেন। আর কঠিন বা বিশুদ্ধ তরলের ঘনমাত্রা ধরা হয় না।
কেন এমন সূত্র? সম্মুখ হার kf[N₂][H₂]³, বিপরীত হার kr[NH₃]²। সাম্যে দুটো সমান, তাই kf ÷ kr = [NH₃]² ÷ ([N₂][H₂]³) = Kc। সিমুলেশন ঠিক এই সূত্রে চলে: kr = kf ÷ Kc ধরা আছে।
Q-র সূত্র Kc-র মতোই, কিন্তু ঘনমাত্রা বসে এখনকার। Q আর Kc-র তুলনাই বলে দেয় বিক্রিয়া কোন দিকে যাবে।
Kc = [NH₃]² ÷ ([N₂] × [H₂]³)ঘাত = সহগ
Q < Kc → অগ্রগামী (উৎপাদ বাড়বে)উৎপাদ কম, তাই বিক্রিয়া এগোবে
Q > Kc → পশ্চাদগামী (বিক্রিয়ক বাড়বে)উৎপাদ বেশি
Q = Kc → সাম্যকোনো দিকে সরবে না
Kp = Kc × (RT)^Δnগ্যাসের জন্য; এখানে Δn = −2
লা শাতেলিয়ের নীতি: বাধা দিলে কী হয়
ধরো, তুমি একটা স্প্রিং চেপে ধরেছ। ছাড়লে সে বাধার উল্টো দিকে ঠেলে। সাম্যাবস্থাও তেমন। সাম্যে বাধা দিলে সিস্টেম সেই বাধার প্রভাব কমানোর দিকে সরে যায়। ফরাসি রসায়নবিদ হেনরি লা শাতেলিয়ের এই নীতি দিয়েছিলেন।
সিমুলেশনের চারটি বাধা চার রকম প্রভাব ফেলে। নিচের সারণিতে সবগুলো এক জায়গায়।
| বাধা | কোন দিকে সরে | কারণ | Kc বদলায়? |
|---|---|---|---|
| বিক্রিয়ক যোগ (N₂) | অগ্রগামী | বাড়তি N₂ কমাতে চায়, Q কমে যায় | না |
| উৎপাদ সরানো (NH₃) | অগ্রগামী | কমে যাওয়া NH₃ পূরণ করতে চায়, Q কমে | না |
| তাপমাত্রা বাড়ানো | পশ্চাদগামী (তাপউৎপাদী বিক্রিয়ায়) | সিস্টেম তাপ শুষে নিতে চায় | হ্যাঁ, Kc কমে |
| চাপ বাড়ানো | অগ্রগামী (গ্যাসের মোল কমে: ৪ → ২) | সিস্টেম মোট মোল কমিয়ে চাপ কমাতে চায় | না |
| অনুঘটক | কোনো দিকেই না | দুই হার সমান বাড়ে | না |
তাপমাত্রা: Kc-কে বদলাতে পারে একমাত্র সে
হেবার বিক্রিয়ায় ΔH = −৯২ kJ, অর্থাৎ বিক্রিয়ায় তাপ বের হয়। তাপমাত্রা বাড়ালে সিস্টেম সেই তাপ শুষে নেওয়ার চেষ্টা করে, মানে বিপরীত দিকে যায়। ভ্যান্ট হফের সমীকরণ থেকে Kc-র মান বের হয়, আর সিমুলেশনে প্রতিটি ধাপে ৫০ K করে বদলায়।
৫০০ K থেকে ৫৫০ K-এ গেলে Kc ১.০০ থেকে ০.১৩৪-এ নামে, মানে মূল মানের ০.১৩ গুণ। তাপমাত্রার ধাপগুলো সাজিয়ে দেখো:
| তাপমাত্রা | Kc | সাম্যে [NH₃] (মোল/লিটার) | N₂-এর রূপান্তর |
|---|---|---|---|
| ৪০০ K | ২৫৩ | ১.৭১ | ৮৬% |
| ৪৫০ K | ১১.৭ | ১.৪৩ | ৭২% |
| ৫০০ K | ১.০০ | ১.০৯ | ৫৪% |
| ৫৫০ K | ০.১৩৪ | ০.৭৫ | ৩৭% |
| ৬০০ K | ০.০২৫ | ০.৪৮ | ২৪% |
| ৬৫০ K | ০.০০৬ | ০.২৯ | ১৫% |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
এই পরীক্ষাগুলো একটা একটা করে করো, প্রতিবার আগে অনুমান লিখে তারপর দেখো।
- পরীক্ষা ১: কিছু না করে চলতে দাও। সাম্যে হার দুটো মিলল, [NH₃] ১.০৯ মোল/লিটার। পাশে Q আর Kc ১.০০ আর ১.০০।
- পরীক্ষা ২: সাম্যে এসে “বিক্রিয়ক যোগ করো” চাপো। Q হয় ০.৩১৪, যা Kc-র চেয়ে কম, তাই অগ্রগামী। নতুন সাম্যে [NH₃] বেড়ে ১.২৯ হয়।
- পরীক্ষা ৩: “অর্ধেক উৎপাদ সরাও” চাপো। NH₃ ১.০৯ থেকে নেমে ০.৫৪ হয়, Q ০.২৫০। নতুন সাম্যে আবার ০.৭২-এ ফেরে।
- পরীক্ষা ৪: “চাপ বাড়াও” চাপো। সব ঘনমাত্রা একসঙ্গে দ্বিগুণ হয়ে যায়, Q হঠাৎ ০.২৫ গুণে নেমে ০.২৫০ হয়। বিক্রিয়া অগ্রগামী, কারণ ৪ মোল গ্যাস ২ মোলে নামে।
- পরীক্ষা ৫: “তাপমাত্রা বাড়াও” চাপো। Kc নামে, তাই Q > Kc হয়ে যায় এবং NH₃ ভাঙতে থাকে। দুই হারই এক ধাক্কায় বাড়ে, তাই সাম্যে আসতে আগের চেয়ে কম সময় লাগে।
সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা
এখানকার সব সংখ্যা সিমুলেশনের মডেল থেকেই নেওয়া, তাই পর্দার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারবে।
সমস্যা ১: সিমুলেশনে ৫০০ K-এ Kc যাচাই করো
সাম্যে [N₂] = ০.৪৬, [H₂] = ১.৩৭, [NH₃] = ১.০৯ মোল/লিটার। Kc = ১.০৯² ÷ (০.৪৬ × ১.৩৭³) = ১.০০। মডেলের Kc ১.০০। দুটো মিলে যায়।
সমস্যা ২: ১ মোল/লিটার N₂ যোগ করলে কোন দিকে সরবে?
যোগের পরে [N₂] = ০.৪৬ + ১ = ১.৪৬। Q = ০.৩১৪। যেহেতু Q < Kc (১.০০), বিক্রিয়া অগ্রগামী। নতুন সাম্যে [NH₃] = ১.২৯, আর [N₂] = ১.৩৬।
সমস্যা ৩: চাপ দ্বিগুণ করলে Q কত গুণ হয়?
ঘনমাত্রা সব দ্বিগুণ হলে লবে (২)² = ৪ গুণ, হরে ২ × (২)³ = ১৬ গুণ। তাই Q হয় ৪ ÷ ১৬ = ১ ÷ ৪ গুণ, অর্থাৎ ০.২৫। Q = ০.২৫০ < Kc, তাই অগ্রগামী। নতুন সাম্যে [NH₃] = ২.৫৯।
মোলের হিসাবে দেখো: মূল পাত্রের হিসাবে NH₃ ছিল ১.০৯ মোল, চাপ দেওয়ার পর সাম্যে আছে ১.২৯ মোল। বেশি চাপে বেশি অ্যামোনিয়া।
সমস্যা ৪: H₂ + I₂ ⇌ 2HI, Kc = ৫০
১ মোল/লিটার করে H₂ ও I₂ দিয়ে শুরু। x মোল/লিটার বিক্রিয়া করলে [H₂] = [I₂] = ১ − x, [HI] = 2x। Kc = (2x)² ÷ (১ − x)² = ৫০। দুই পাশে বর্গমূল নিলে 2x ÷ (১ − x) = √৫০, তাই x = ০.৭৮০।
অতএব [HI] = ১.৫৬, আর [H₂] = [I₂] = ০.২২০ মোল/লিটার।
সমস্যা ৫: Kp কত, যখন T = ৫০০ K?
Δn = ২ − (১ + ৩) = −২। RT = ০.০৮২১ × ৫০০ = ৪১.১। Kp = Kc × (RT)⁻² = ১.০০ ÷ ৪১.১² = ০.০০১ (atm⁻², মডেলের মান)।
যে ভুলগুলো সবাই করে
পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর কাটে এই জায়গাগুলোতে।
- সাম্যে ঘনমাত্রা সমান ধরা: স্থির মানে সমান নয়।
- সাম্যে বিক্রিয়া থেমে গেছে ভাবা: দুই দিকের হার সমান, কোনোটাই শূন্য নয়।
- চাপ বদলালে Kc বদলে যায় ভাবা: শুধু তাপমাত্রা Kc বদলায়।
- অনুঘটক ফলন বাড়ায় ভাবা: সে শুধু আগে সাম্যে পৌঁছে দেয়।
- Kc-র সূত্রে সহগকে ঘাত না করা: H₂-এর সহগ ৩ হলে [H₂]³ লিখতে হবে।
- কঠিন পদার্থের ঘনমাত্রা Kc-তে বসানো: বিশুদ্ধ কঠিন ও তরলের মান ধ্রুব, তাই বাদ।
বাস্তব জীবনে সাম্যাবস্থা
সাম্যাবস্থার নীতি কারখানা থেকে আমাদের শরীর পর্যন্ত ছড়ানো।
- সার কারখানা: হেবার প্রক্রিয়ায় বাতাসের নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেন থেকে অ্যামোনিয়া হয়, তারপর ইউরিয়া সার। কারখানা উচ্চ চাপ আর অনুঘটক ব্যবহার করে, আর তৈরি অ্যামোনিয়া ক্রমাগত সরিয়ে নিয়ে সাম্যকে এগোতে বাধ্য করে।
- সোডা পানি: বোতল সিল করা থাকলে CO₂ গ্যাস আর দ্রবীভূত CO₂ সাম্যে থাকে। ঢাকনা খুললে চাপ কমে, সাম্য সরে গ্যাস বেরিয়ে আসে, তাই বুদবুদ ওঠে।
- রক্তে অক্সিজেন: হিমোগ্লোবিন আর অক্সিজেনের বিক্রিয়া উভমুখী। ফুসফুসে অক্সিজেন বেশি, তাই বাঁধে; কোষে কম, তাই ছাড়ে।
- গরম পানিতে চিনি: দ্রবণ আর অদ্রবীভূত চিনির সাম্য থাকে। তাপ দিলে আরও চিনি গলে, কারণ দ্রবীভূত হওয়া তাপগ্রাহী।
- রং বদলানো পরীক্ষা: কিছু আয়নের দ্রবণ ঠান্ডা-গরমে রং বদলায়, সাম্য সরার সরাসরি প্রমাণ।
পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)
নিচের প্রশ্নগুলো নিজে করে তারপর উত্তর মিলিয়ে নাও।
- সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন: গতিশীল সাম্যাবস্থা কাকে বলে? লা শাতেলিয়ের নীতি বলো। অনুঘটকের ভূমিকা কী?
- গাণিতিক: সাম্যে N₂ ০.৫, H₂ ১.৫ আর NH₃ ০.৪ মোল/লিটার। Kc কত? উত্তর: ০.০৯৫।
- একই তথ্যে বিপরীত বিক্রিয়ার Kc কত? উত্তর: ১ ÷ Kc = ১০.৫।
- যদি সমীকরণ অর্ধেক করে ½N₂ + 3⁄2H₂ ⇌ NH₃ লেখা হয়, নতুন Kc = √Kc = ০.৩০৮।
- একটি মিশ্রণে N₂ = H₂ = NH₃ = ১ মোল/লিটার। Q = ১.০০, আর Kc = ১.০০ হলে বিক্রিয়া কোন দিকে যাবে? Q কম হলে অগ্রগামী, বেশি হলে পশ্চাদগামী।
পুনরালোচনা: এক নজরে
পরীক্ষার আগের রাতে এই তালিকাটা পড়ে নাও।
- সাম্যে দুই দিকের হার সমান, কিন্তু বিক্রিয়া থামে না।
- Kc = উৎপাদের ঘনমাত্রা (সহগ ঘাতে) ÷ বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা (সহগ ঘাতে)।
- Q < Kc হলে অগ্রগামী, Q > Kc হলে পশ্চাদগামী, Q = Kc হলে সাম্য।
- বিক্রিয়ক যোগ বা উৎপাদ সরানো: অগ্রগামী। উল্টোটা করলে পশ্চাদগামী।
- চাপ বাড়লে কম গ্যাস-মোলের দিকে সরে; তাপ বাড়লে তাপগ্রাহী দিকে সরে।
- শুধু তাপমাত্রাই Kc বদলায়; অনুঘটক Kc বদলায় না, শুধু সাম্যে পৌঁছানো দ্রুত করে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে?
উভমুখী বিক্রিয়ায় যখন সম্মুখ বিক্রিয়ার হার ও বিপরীত বিক্রিয়ার হার সমান হয়ে যায়, তখন বিক্রিয়ক ও উৎপাদের ঘনমাত্রা আর বদলায় না। এই অবস্থাকে রাসায়নিক সাম্যাবস্থা বলে। এটি গতিশীল, কারণ দুই দিকেই বিক্রিয়া চলতে থাকে।
সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে?
সাম্যাবস্থার ঘনমাত্রা নিয়ে উৎপাদের গুণফলকে বিক্রিয়কের গুণফল দিয়ে ভাগ করে, প্রতিটির ঘাত হলো তার সহগ। N₂ + 3H₂ ⇌ 2NH₃-এর জন্য Kc = [NH₃]² ÷ ([N₂][H₂]³)। সিমুলেশনের সাম্যে মান ১.০০।
লা শাতেলিয়ের নীতি কী?
সাম্যাবস্থায় থাকা সিস্টেমে ঘনমাত্রা, চাপ বা তাপমাত্রার পরিবর্তন করলে সিস্টেম নিজে সেই পরিবর্তনের প্রভাব কমানোর দিকে সরে গিয়ে নতুন সাম্যে পৌঁছায়।
Q আর Kc-র পার্থক্য কী?
দুটোর সূত্র একই। Kc-তে বসে সাম্যের ঘনমাত্রা, Q-তে বসে এখনকার ঘনমাত্রা। Q < Kc হলে বিক্রিয়া অগ্রগামী, Q > Kc হলে পশ্চাদগামী, দুটো সমান হলে সাম্য।
চাপ বাড়ালে সাম্য কোন দিকে সরে?
যে দিকে গ্যাসের মোল সংখ্যা কম। হেবার বিক্রিয়ায় বাঁয়ে ৪ মোল, ডানে ২ মোল, তাই চাপ বাড়ালে অগ্রগামী দিকে সরে। Kc অপরিবর্তিত থাকে।
তাপমাত্রা বাড়ালে কী হয়?
তাপউৎপাদী বিক্রিয়ায় তাপমাত্রা বাড়ালে সাম্য পশ্চাদগামী দিকে সরে এবং Kc কমে। সিমুলেশনে ৫০০ K থেকে ৫৫০ K-এ Kc ১.০০ থেকে ০.১৩৪ হয়।
অনুঘটক সাম্য বদলায় কি?
না। অনুঘটক সম্মুখ ও বিপরীত দুই হারকেই সমানভাবে বাড়ায়, তাই সাম্যের অবস্থান ও Kc একই থাকে। শুধু সাম্যে পৌঁছানো দ্রুত হয়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই
English
Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: পরিবেশ দূষণ
English
Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
জাপানের MEXT স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)
টুল
Final grade calculator (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)
আরও রসায়ন অ্যানিমেশন
SSC · HSC
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।
SSC · HSC
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমযোজী বন্ধন
সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।
SSC · HSC
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।
SSC · HSC
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।
Class 9 · SSC
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।
HSC
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।
HSC
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।
SSC · HSC
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।
SSC · HSC
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।
SSC · HSC
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।
HSC
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।
SSC · HSC
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।
HSC
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।
HSC
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















