মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

ইলেকট্রন আসলে কোথায় থাকে? অরবিটালের আকার নিজের হাতে ঘুরিয়ে দেখো

অরবিটাল হলো নিউক্লিয়াসের চারপাশের সেই ত্রিমাত্রিক অঞ্চল, যেখানে ইলেকট্রনকে পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (সাধারণত ৯০%)। এটা বোর-এর কক্ষপথের মতো নির্দিষ্ট পথ নয়। s গোলকাকার, p ডাম্বেলের মতো, d চার পাপড়ির ফুলের মতো। প্রতিটি অরবিটালে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকতে পারে।

তরঙ্গ-ফাংশন ধনাত্মক (+) অংশতরঙ্গ-ফাংশন ঋণাত্মক (−) অংশনোড: যেখানে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্যঅক্ষ

p অরবিটাল ডাম্বেলের মতো: দুটি লোব, একটি ধনাত্মক আর একটি ঋণাত্মক, মাঝে নিউক্লিয়াসে একটা নোডাল তল। তিনটি p একে অপরের সাথে ৯০° কোণে।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

কোন অরবিটাল

২,২০০
১.৩ ×

পরিমাপ

প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা, n
২
সহকারী (আজিমুথাল) সংখ্যা, l
১
উপস্তর
২p
চৌম্বক সংখ্যা, mₗ-এর মান
−১, ০, +১
রেডিয়াল নোড (n − l − 1)
০
কৌণিক নোড (l)
১
মোট নোড (n − 1)
১
উপস্তরে অরবিটাল (2l + 1)
৩
উপস্তরে সর্বোচ্চ ইলেকট্রন
৬
কেন্দ্র থেকে গড় দূরত্ব
৫.০a₀
একই দূরত্ব পিকোমিটারে
২৬৫pm

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. সিমুলেশন খুললেই 2pz অরবিটালটা নিজে নিজে ঘুরতে থাকে। প্রতিটি বিন্দু যেন ইলেকট্রনের একটা কাল্পনিক স্ন্যাপশট, হাজারটা স্ন্যাপশট জুড়ে ডাম্বেলের আকার ফুটে ওঠে। নীল (থিমের রঙ) অংশ ধনাত্মক, কমলা অংশ ঋণাত্মক চিহ্নের লোব।
  2. “কোন অরবিটাল” বোতাম থেকে 1s, 2s, 2p বা 3d বেছে নাও। ডান পাশের পরিমাপ প্যানেলে n, l, mₗ-এর মান, নোডের সংখ্যা, উপস্তরে অরবিটাল ও ইলেকট্রনের সংখ্যা এবং কেন্দ্র থেকে গড় দূরত্ব বদলে যেতে দেখবে।
  3. ক্যানভাসে মাউস বা আঙুল টেনে নিজে ঘোরাও, অথবা ক্যানভাসে ফোকাস দিয়ে তীর-চিহ্নের কি চাপো। “থামাও” চাপলে ঘোরা বন্ধ হয়, তখন ঠান্ডা মাথায় আকৃতি দেখো। জুম আর বিন্দুর সংখ্যা স্লাইডার দিয়ে মেঘকে কাছে এনে বা ঘন করে নাও।
  4. “নোড দেখাও” টিক দাও। লাল তল বা গোলক দেখাবে, যেখানে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা ঠিক শূন্য। 2s-এ একটা গোলক, 2p-তে একটা তল, 3d-তে দুটি তল (dz²-এ দুটি শঙ্কু) আসবে। পরিমাপ প্যানেলের নোড-সংখ্যার সাথে মিলিয়ে নাও।

ইলেকট্রনকে ধরা যায় না, শুধু খোঁজা যায়

ধরো অন্ধকার ঘরে একটা মশা উড়ছে। তুমি প্রতি সেকেন্ডে একবার ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে ছবি তুলছো। এক হাজার ছবি জুড়ে দিলে কী পাবে? মশার একটা নির্দিষ্ট পথ নয়, বরং ঘরের কিছু কোণে বেশি, কিছু কোণে কম বিন্দুর একটা মেঘ। মেঘ যেখানে ঘন, মশা সেখানে বেশি সময় কাটায়।

পরমাণুর ইলেকট্রনের বেলায় ঠিক এটাই ঘটে, শুধু তফাত এই যে ইলেকট্রনের ছবি তোলার ফ্ল্যাশই তাকে নাড়িয়ে দেয়। হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি বলে, কোনো মুহূর্তে ইলেকট্রনের অবস্থান আর বেগ দুটোই নিখুঁতভাবে জানা অসম্ভব। তাই আমরা “ইলেকট্রন ঠিক কোথায়” প্রশ্ন ছেড়ে জিজ্ঞেস করি, “কোথায় পাওয়ার সম্ভাবনা কত”।

সেই সম্ভাবনার মানচিত্রটাই অরবিটাল। এই পাতার সিমুলেশনের প্রতিটি বিন্দু একটা কাল্পনিক ছবি, আর বিন্দুগুলোর ঘন-ফিকে মিলিয়ে অরবিটালের চেহারা। বিন্দুগুলো গণিত দিয়ে বসানো, এলোমেলো ছবি নয়, তবে প্রতিবার একই বীজ থেকে তৈরি বলে ঝিলমিল করে না।

নিচে একদম গোড়া থেকে বুঝব অরবিটাল আর কক্ষপথ কেন আলাদা, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা কী বলে, নোড কীভাবে গুনতে হয়, আর কেন s, p, d-এর আকার ওই রকম। সাথে সিমুলেশনে হাতেকলমে মিলিয়ে নেবে।

কক্ষপথ আর অরবিটাল: দুটো আলাদা ধারণা

নীলস বোর ১৯১৩ সালে বলেছিলেন, ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসকে ঘিরে নির্দিষ্ট বৃত্তাকার কক্ষপথে ঘোরে, ঠিক সূর্যকে ঘিরে গ্রহের মতো। হাইড্রোজেনের জন্য এই ছবিতে প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ ৫২.৯ pm (এটাকে বোর ব্যাসার্ধ a₀ বলে)। ছবিটা সহজ, আর হাইড্রোজেনের বর্ণালী ব্যাখ্যা করার ক্ষেত্রে বেশ কাজের।

কিন্তু এই ছবি টেকে না। এক ইলেকট্রনের বেশি থাকলে হিসাব মেলে না, আর হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতির সাথে সরাসরি সংঘর্ষ হয়, কারণ নির্দিষ্ট পথ মানেই নির্দিষ্ট অবস্থান আর বেগ একসাথে জানা। ১৯২৬ সালে শ্রোডিঙ্গার একটি সমীকরণ দিলেন, যার সমাধান ψ (সাই) নামের তরঙ্গ-ফাংশন।

ψ নিজে সরাসরি মাপা যায় না। কিন্তু ψ²-কে বলা হয় সম্ভাবনা ঘনত্ব: কোনো বিন্দুর চারপাশের ছোট আয়তনে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সেখানকার ψ²-এর সমানুপাতিক। যে অঞ্চলে ψ² বড়, সেখানে ইলেকট্রন বেশি সময় কাটায়। ψ²-এর ঘন অঞ্চলের যে ত্রিমাত্রিক রূপ তাকেই আমরা অরবিটাল বলি।

বিষয়কক্ষপথ (বোর)অরবিটাল (কোয়ান্টাম)
প্রকৃতিদ্বিমাত্রিক বৃত্তাকার পথত্রিমাত্রিক অঞ্চল
ইলেকট্রনের অবস্থাননির্দিষ্ট, নির্ভুল জানা যায়শুধু সম্ভাবনা বলা যায়
অনিশ্চয়তা নীতিমেনে চলে নামেনে চলে
ধারণক্ষমতাকোশে ২n² ইলেকট্রনএক অরবিটালে সর্বোচ্চ ২ ইলেকট্রন
আকৃতিশুধু বৃত্তগোলক, ডাম্বেল, ফুল ইত্যাদি

অরবিটালের প্রয়োজনীয় শব্দের তালিকা

সংজ্ঞা লিখতে গেলে এই শব্দগুলো নির্ভুল দরকার। পরীক্ষায় বারবার এসব শব্দ ফিরে ফিরে আসে।

শব্দঅর্থউদাহরণ
অরবিটালনিউক্লিয়াসের চারপাশের যে অঞ্চলে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি1s, 2px
কোশ (শক্তিস্তর)একই প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা n-এর সব অরবিটালের দলn = ১, ২, ৩
উপস্তরএকই n ও l-এর অরবিটালের দল, s, p, d, f নামে3d
তরঙ্গ-ফাংশন, ψইলেকট্রনের অবস্থা বর্ণনাকারী গাণিতিক ফাংশনψ₁ₛ
সম্ভাবনা ঘনত্ব, ψ²কোনো বিন্দুতে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনার মাপনিউক্লিয়াসের কাছে 1s-এ সর্বোচ্চ
নোডযে স্থানে ψ = 0, অর্থাৎ ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য2p-এর মাঝের তল
রেডিয়াল নোডনিউক্লিয়াসকে ঘিরে গোলাকার নোড2s-এ একটি
কৌণিক নোডনিউক্লিয়াসের ভেতর দিয়ে যাওয়া তল বা শঙ্কু আকারের নোড3d-তে দুটি
লোবঅরবিটালের একেকটি পাপড়ি বা অংশp-এর দুটি লোব
সমশক্তি (ডিজেনারেট) অরবিটালএকই শক্তির একাধিক অরবিটালতিনটি 2p সমশক্তি

চার কোয়ান্টাম সংখ্যা: ইলেকট্রনের ঠিকানা

কোনো বাড়ির ঠিকানা যেভাবে বলা হয়: এলাকা, রাস্তা, বাড়ি নম্বর, তলা। ঠিক তেমনই পরমাণুর প্রতিটি ইলেকট্রনের চারটি সংখ্যার একটি ঠিকানা থাকে। প্রথম তিনটি বলে ইলেকট্রন কোন অরবিটালে আছে, চতুর্থটি বলে ওই অরবিটালের ভেতরে সে কীভাবে ঘুরছে।

প্রধান কোয়ান্টাম সংখ্যা, n (এলাকা)

n = ১, ২, ৩, ... পূর্ণসংখ্যা। এটি ঠিক করে ইলেকট্রন কোন কোশে আছে, মানে অরবিটালের মোটামুটি আকার ও শক্তি। n যত বড়, অরবিটাল তত বড় আর ইলেকট্রনের শক্তি তত বেশি (কম ঋণাত্মক)।

n-তম কোশে অরবিটালের মোট সংখ্যা n²। তাই চতুর্থ কোশে ১৬টি অরবিটাল। সিমুলেশনে 1s থেকে 3d-তে গেলে “গড় দূরত্ব” প্রায় ১.৫ a₀ থেকে বেড়ে ১০.৫ a₀ হয়, মানে অরবিটাল বড় হয়।

সহকারী (আজিমুথাল) কোয়ান্টাম সংখ্যা, l (রাস্তা)

l-এর মান 0 থেকে n − 1 পর্যন্ত। এটি অরবিটালের আকৃতি ঠিক করে: l = 0 হলে s (গোলক), l = 1 হলে p (ডাম্বেল), l = 2 হলে d (ফুল), l = 3 হলে f (জটিল)।

তাই n = ১-এ শুধু s আছে, n = ২-এ s আর p, আর n = ৩-এ s, p, d। l-এর মানই কৌণিক নোডের সংখ্যা, এটা পরে আসছে।

চৌম্বক কোয়ান্টাম সংখ্যা, mₗ (বাড়ির নম্বর)

mₗ-এর মান −l থেকে +l পর্যন্ত, শূন্যসহ। মোট (2l + 1)টি মান, তাই একই উপস্তরে ততগুলো অরবিটাল। s-এর mₗ: ০; p-এর: −১, ০, +১; d-এর: −২, −১, ০, +১, +২; f-এর: −৩, −২, −১, ০, +১, +২, +৩।

mₗ বলে অরবিটালটা মহাকাশে কোন দিকে ফিরে আছে। চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে এই দিকগুলো আলাদা শক্তি পায়, তাই নামে চৌম্বক। সাধারণ ক্ষেত্রে তিন p অরবিটালের শক্তি একই।

স্পিন কোয়ান্টাম সংখ্যা, mₛ (তলা)

mₛ-এর মান +½ বা −½। এটি ইলেকট্রনের নিজ অক্ষে ঘোরার দুই সম্ভাব্য দিক, যাকে বলে স্পিন। অরবিটালের আকৃতির সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

পাউলির বর্জন নীতি বলে, একই পরমাণুতে দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যা হুবহু এক হতে পারে না। তাই এক অরবিটালে সর্বোচ্চ দুটি ইলেকট্রন থাকে, আর তাদের স্পিন উল্টো।

s, p, d: তিন পরিবারের আকৃতি

এবার সিমুলেশনের সামনে বসো। প্রতিটি আকৃতির পেছনে যুক্তি আছে, আর সে যুক্তি l-এর মান থেকেই আসে। আকৃতি মুখস্থ করার চেয়ে যুক্তিটা ধরলে সব কটা বেশি মনে থাকে।

s অরবিটাল: নিখুঁত গোলক

l = 0 মানে কোনো কৌণিক নোড নেই, তাই সব দিকে সমান। 1s গোলকের কেন্দ্রের কাছে বিন্দু সবচেয়ে ঘন, কিন্তু একটা মজার কথা: নিউক্লিয়াসের ঠিক ওপরে ঘনত্ব সর্বোচ্চ হলেও ছোট গোলকের আয়তন এত কম যে ইলেকট্রন সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় নিউক্লিয়াস থেকে একটু দূরে।

হাইড্রোজেনের 1s-এ সেই সবচেয়ে সম্ভাব্য দূরত্ব ঠিক ১ a₀, মানে ৫২.৯ pm। এজন্যই বোর তাঁর প্রথম কক্ষপথের ব্যাসার্ধ ওই মানে পেয়েছিলেন।

p অরবিটাল: ডাম্বেল ও তার নোডাল তল

l = 1 মানে একটি কৌণিক নোড, একটি তল যা নিউক্লিয়াসের ভেতর দিয়ে যায়। তলের দুই দিকে দুটি লোব, একটির চিহ্ন ধনাত্মক, অন্যটির ঋণাত্মক। তিনটি p অরবিটাল x, y, z অক্ষ বরাবর শুয়ে আছে, পরস্পরের সাথে ৯০° কোণে।

সিমুলেশনে 2pz বেছে নাও আর নোড অন করো। দেখবে xy তল দুই লোবের মাঝখান দিয়ে কেটে গেছে। 2px বা 2py নিলে তলটা বদলে যায়, কিন্তু আকৃতি একই।

d অরবিটাল: ফুল আর একটা ব্যতিক্রম

l = 2 মানে দুটি কৌণিক নোড আর পাঁচটি অরবিটাল (mₗ = −২, −১, ০, +১, +২)। চারটি d অরবিটাল ফুলের চার পাপড়ির মতো। 3dxy, 3dxz, 3dyz-এর পাপড়ি দুটি অক্ষের মাঝ বরাবর, আর 3dx²−y²-এর পাপড়ি সরাসরি অক্ষ বরাবর। এই চারটির নোড দুটি সমকোণী তল।

পঞ্চমটি 3dz² আলাদা। এতে z অক্ষ বরাবর দুটি বড় লোব আর xy তলে একটি আংটি। নোড দুটি তল নয়, দুটি শঙ্কু, যার অর্ধকোণ z অক্ষ থেকে ৫৪.৭°। এটা আসলে দুটি ফুল-আকারের মিশ্রণ, এজন্য দেখতে অন্যরকম।

নোড গোনার সহজ নিয়ম

নোড দুই রকম। রেডিয়াল নোড একটি গোলক, যা নিউক্লিয়াস ঘিরে থাকে। কৌণিক নোড একটি তল (বা শঙ্কু), যা নিউক্লিয়াসের ভেতর দিয়ে যায়। দুটোর সংখ্যা বের করার সূত্র খুব সোজা: রেডিয়াল নোড = n − l − 1, কৌণিক নোড = l, তাই মোট নোড = n − 1।

নোডে সম্ভাবনা শূন্য বলে ইলেকট্রন ঐ জায়গায় পাওয়া যায় না, কিন্তু সে এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে পারে। এটা কোয়ান্টাম জগতের এক অদ্ভুত ব্যাপার, মানে নোডকে দেয়াল ভাবা চলবে না।

রেডিয়াল নোড = n − l − 1গোলাকার নোডের সংখ্যা

কৌণিক নোড = lতল বা শঙ্কু নোডের সংখ্যা

মোট নোড = n − 1দুটি যোগ করলে

উপস্তররেডিয়াল নোডকৌণিক নোডমোট নোডঅরবিটালের সংখ্যাসর্বোচ্চ ইলেকট্রন
১s০০০১২
২s১০১১২
৩s২০২১২
২p০১১৩৬
৩p১১২৩৬
৩d০২২৫১০
৪d১২৩৫১০

লোবের + আর − চিহ্ন: কেন গুরুত্বপূর্ণ

সিমুলেশনে দুই রঙের বিন্দু দেখেছো? এটা ψ-এর চিহ্ন। ψ একটা তরঙ্গ-ফাংশন, তাই কোনো অংশে ধনাত্মক আবার কোনো অংশে ঋণাত্মক হতে পারে, ঠিক পানির ঢেউয়ের চূড়া আর খাদের মতো। ঋণাত্মক মানে ঋণাত্মক চার্জ নয়, শুধু তরঙ্গের উল্টো দিকের দশা।

সম্ভাবনা যেহেতু ψ², চিহ্ন বদলালে ঘনত্বের কিছু যায় আসে না। বিন্দুর ঘনত্ব দুই রঙেই সমান হিসাবে বসানো। তাহলে চিহ্ন কী কাজে লাগে? দুটি পরমাণু যখন বন্ধন গড়ে, তাদের অরবিটাল একে অন্যের ওপর চাপে। একই চিহ্নের লোব মিললে তরঙ্গ জোরালো হয়, ইলেকট্রন দুই নিউক্লিয়াসের মাঝে জমে, বন্ধন তৈরি হয়।

উল্টো চিহ্নের লোব মিললে তরঙ্গ একে অন্যকে কাটে, মাঝখানে একটা নোড তৈরি হয়, এটা প্রতিবন্ধন (অ্যান্টিবন্ডিং)। অণুর আকার ও বন্ধন-কোণ বোঝার জন্য এই চিহ্নই ভিত্তি। দুই pz মুখোমুখি মিললে σ বন্ধন, পাশাপাশি মিললে π বন্ধন হয়।

কোশ ও উপস্তরে কতজন ইলেকট্রন ধরে

মূল সূত্র একটাই: এক অরবিটালে সর্বোচ্চ ২ ইলেকট্রন। কোনো উপস্তরে অরবিটাল (2l + 1)টি, তাই ধারণক্ষমতা 2(2l + 1)। s-এ ২, p-তে ৬, d-তে ১০, f-এ ১৪। পুরো n-তম কোশের ক্ষমতা 2n²: প্রথম কোশে ২, দ্বিতীয়তে ৮, তৃতীয়তে ১৮, চতুর্থে ৩২।

অরবিটাল ভরার ক্রম নির্ধারণ হয় (n + l) নিয়মে: যার n + l কম, সে আগে ভরে; সমান হলে কম n আগে। যেমন 4s-এর n + l = ৪, 3d-এর ৫, তাই 4s আগে ভরে। পুরো ক্রম: ১s, ২s, ২p, ৩s, ৩p, ৪s, ৩d, ৪p, ৫s।

এই ক্রমে ইলেকট্রন ঢালতে থাকলে সংখ্যাগুলো এমন দাঁড়ায়: ১s: ২ · ২s: ৪ · ২p: ১০ · ৩s: ১২ · ৩p: ১৮ · ৪s: ২০ · ৩d: ৩০ · ৪p: ৩৬ · ৫s: ৩৮। অর্থাৎ 4s ভরলে ২০, 3d ভরা শেষ হলে ৩০ ইলেকট্রন লাগে (এটি দস্তার পরমাণু ক্রমাঙ্ক)।

উপস্তরের ধারণক্ষমতা = 2(2l + 1)প্রতি অরবিটালে ২টি

কোশের ধারণক্ষমতা = 2n²n-তম কোশে মোট ইলেকট্রন

কোশে অরবিটাল = n²সব উপস্তর মিলিয়ে

সিমুলেশনে নিজে করে দেখার পরীক্ষা

প্রতিটি পরীক্ষা এক-দুই মিনিটের। করতে করতে নিজে নিজে সূত্রগুলো ধরা পড়বে।

  • পরীক্ষা ১ (আকার): 1s, 2s, 3d বেছে প্যানেলের “গড় দূরত্ব” পড়ো। কোশ যত বড়, অরবিটাল তত ছড়ানো, মানে ইলেকট্রন গড়ে তত দূরে থাকে।
  • পরীক্ষা ২ (নোড গোনা): 2s আর 2pz-তে নোড অন করো। দুটিতে মোট নোড একই (n − 1), কিন্তু একটিতে গোলাকার, অন্যটিতে তল। বিন্দুর রঙ কোথায় বদলায় সেটাও দেখো।
  • পরীক্ষা ৩ (p-এর তিন দিক): 2px, 2py, 2pz পর পর নিয়ে লোবের দিক বদলাতে দেখো। তিনটির আকার হুবহু এক, শুধু দিক আলাদা, তাই শক্তিও সমান।
  • পরীক্ষা ৪ (d-র ফুল): 3dxy আর 3dx²−y² তুলনা করো। একটি 45° ঘোরানো আরেকটির মতো। তারপর 3dz² নিয়ে আংটিটা খুঁজে বের করো।
  • পরীক্ষা ৫ (দৃষ্টিকোণ): “থামাও” চেপে মেঘ টেনে এমনভাবে ঘোরাও যেন z অক্ষ বরাবর দেখছো। pz তখন একটা বৃত্তের মতো দেখায়, কিন্তু আসলে ডাম্বেল। একটা দিক থেকে দেখে আকৃতি বিচার করা যায় না।
  • পরীক্ষা ৬ (ঘনত্ব): বিন্দুর সংখ্যা ৫০০-এ নামাও, তারপর ৪০০০-এ তোলো। কম বিন্দুতে আকার অস্পষ্ট, বেশিতে স্পষ্ট। এটা অরবিটালের সম্ভাবনা-মেঘের চরিত্র।

সমাধান করা অঙ্ক

প্রতিটি অঙ্কের সংখ্যা সূত্র থেকে হিসাব করে বসানো। সূত্র বুঝে নিজে হিসাব করে মিলিয়ে নাও।

অঙ্ক ১: 3d-র কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

3d উপস্তরের জন্য n = ৩, l = ২। mₗ-এর মান −২, −১, ০, +১, +২, মানে ৫টি অরবিটাল। ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ সংখ্যা ৫ × ২ = ১০।

রেডিয়াল নোড = ৩ − ২ − ১ = ০, কৌণিক নোড = ২, মোট নোড = ৩ − ১ = ২।

অঙ্ক ২: চতুর্থ কোশের ধারণক্ষমতা

n = ৪-এ l-এর মান 0 থেকে ৩, মানে ৪টি উপস্তর: s, p, d, f। অরবিটাল = ১ + ৩ + ৫ + ৭ = ১৬, যা n² = ১৬-এর সাথে মেলে।

ইলেকট্রন = ২ + ৬ + ১০ + ১৪ = ৩২, যা 2n² = ৩২-এর সাথে মেলে।

অঙ্ক ৩: 3p আর 3s-এর নোড তুলনা

3p-র জন্য n = ৩, l = ১। রেডিয়াল নোড = ৩ − ১ − ১ = ১, কৌণিক নোড = ১, মোট ২। 3s-এ রেডিয়াল ২, কৌণিক ০, মোটও ২।

দেখো, একই কোশে মোট নোড সবসময় সমান (n − 1), কিন্তু রেডিয়াল আর কৌণিকের ভাগ l অনুযায়ী বদলায়।

অঙ্ক ৪: হাইড্রোজেনের শক্তি ও লাল রেখার তরঙ্গদৈর্ঘ্য

হাইড্রোজেনে n-তম স্তরের শক্তি E = −১৩.৬ / n² eV। অতএব n = ১: -১৩.৬০ eV, n = ২: -৩.৪০ eV, n = ৩: -১.৫১ eV, n = ৪: -০.৮৫ eV।

n = ৩ থেকে n = ২-এ নামলে শক্তির পার্থক্য ১.৮৯ eV। রিডবার্গ সূত্রে 1/λ = R(1/২² − 1/৩²), R = ১.০৯৭ × 10⁷ m⁻¹, ফলে λ প্রায় ৬৫৬ nm। এটি বালমার শ্রেণির লাল রেখা (Hα)।

অঙ্ক ৫: নিউক্লিয়াস থেকে গড় দূরত্ব

হাইড্রোজেনের মতো পরমাণুর জন্য গড় দূরত্ব ⟨r⟩ = a₀ × (3n² − l(l + 1)) / 2। সূত্রটা সরাসরি বসাও।

উপস্তর⟨r⟩ (a₀)⟨r⟩ (pm)
১s১.৫৭৯
২s৬.০৩১৮
২p৫.০২৬৫
৩d১০.৫৫৫৬

অঙ্ক ৬: কোন কোয়ান্টাম সংখ্যার সেট বৈধ

নিয়ম মনে রাখো: l সবসময় n-এর চেয়ে ছোট, আর mₗ-এর মান −l থেকে +l-এর মধ্যে। এবার পাঁচটি সেট যাচাই করো।

সেটফলাফল
n = ৩, l = ২, mₗ = −২বৈধ
n = ২, l = ২, mₗ = ০অবৈধ: l সবসময় n-এর চেয়ে ছোট হতে হয়
n = ৩, l = ১, mₗ = +২অবৈধ: mₗ-এর মান −l থেকে +l-এর বাইরে যেতে পারে না
n = ৪, l = ৩, mₗ = −৩বৈধ
n = ১, l = ১, mₗ = ০অবৈধ: l সবসময় n-এর চেয়ে ছোট হতে হয়

অঙ্ক ৭: কোন উপস্তর আগে ভরে

3d (n + l = ৫) আর 4s (n + l = ৪) এর মধ্যে 4s-এর n + l কম, তাই আগে ভরে। সব উপস্তর সাজালে ক্রম হয়: ১s, ২s, ২p, ৩s, ৩p, ৪s, ৩d, ৪p, ৫s।

ইলেকট্রনের সবচেয়ে সম্ভাব্য দূরত্ব

গড় দূরত্ব আর সবচেয়ে সম্ভাব্য দূরত্ব এক জিনিস নয়। কোনো উপস্তরে n এবং l = n − 1 হলে (যেমন 1s, 2p, 3d) ইলেকট্রনের সর্বোচ্চ সম্ভাব্য দূরত্ব n² a₀। নিচের মান সূত্র থেকে বসানো।

উপস্তরসবচেয়ে সম্ভাব্য দূরত্ব (a₀)পিকোমিটারে
১s১৫৩
২p৪২১২
৩d৯৪৭৬

এই ভুলগুলো অনেকেই করে

পরীক্ষার খাতায় এই ভুলগুলো নম্বর কাটে। মিলিয়ে দেখো তুমিও করছো কিনা।

  • অরবিটালকে কক্ষপথ বলা। কক্ষপথ নির্দিষ্ট পথ, অরবিটাল সম্ভাবনার অঞ্চল। দুটি শব্দ পরস্পরের বদলে বসানো যায় না।
  • ধরে নেওয়া যে p-তে ইলেকট্রন ডাম্বেল ধরে ৮-এর মতো ঘুরছে। ইলেকট্রনের কোনো নির্দিষ্ট পথ নেই, সে দুই লোবেই থাকতে পারে, শুধু মাঝের নোডাল তলে পাওয়া যায় না।
  • + আর − চিহ্নকে চার্জ ভাবা। এটা তরঙ্গ-ফাংশনের চিহ্ন, ইলেকট্রনের চার্জ সবসময় ঋণাত্মকই।
  • নোডকে ইলেকট্রনের জন্য দেয়াল ভাবা। নোডে শুধু পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য; ইলেকট্রন এক পাশ থেকে অন্য পাশে যেতে পারে।
  • l ≥ n লিখে ফেলা। l-এর সর্বোচ্চ মান n − 1, তাই 2d বা 1p বলে কিছু নেই।
  • mₗ-এর মান −l থেকে +l ধরতে ভুলে একপাশের মান বাদ দেওয়া, ফলে অরবিটালের সংখ্যা ভুল হয়।
  • 3dz²-এর আংটিকে ভুল বোঝা। এটা d অরবিটালেরই অংশ, কোনো আলাদা s অরবিটাল নয়। এর নোড দুটি শঙ্কু।
  • একই কোশে 4s আর 3d-র ভরার ক্রম এলোমেলো করা। 4s আগে ভরে, কিন্তু আয়নিত হওয়ার সময় আগে 4s-এর ইলেকট্রন বেরোয়।

বাস্তব জীবনে অরবিটালের ছাপ

অরবিটাল শুধু খাতার ছবি নয়। চারপাশের বহু জিনিসের ব্যাখ্যা এখান থেকেই আসে।

  • রঙিন যৌগ: তামার সালফেটের নীল রং, কপার (II) আয়নের 3d অরবিটালের ইলেকট্রন আলো শুষে এক d থেকে আরেক d অরবিটালে লাফ দেয় বলে। d অরবিটাল না থাকলে এই রং হতো না।
  • আতশবাজির রং: গরমে ইলেকট্রন উঁচু অরবিটালে ওঠে, নামার সময় নির্দিষ্ট তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ছাড়ে। সোডিয়াম হলুদ, স্ট্রনশিয়াম লাল, কপার নীল-সবুজ।
  • অণুর আকার: মিথেনের চার C–H বন্ধন সমান, কারণ একটি s আর তিন p মিশে চারটি সমান sp³ সংকর অরবিটাল তৈরি হয়। অরবিটালের আকার জানলে অণুর আকারও বোঝা যায়।
  • চুম্বকত্ব: লোহার 3d অরবিটালে অযুগ্ম ইলেকট্রন থাকে, তাই লোহা চুম্বকের প্রতি আকৃষ্ট হয়। অযুগ্ম ইলেকট্রনের সংখ্যা জানলে পদার্থ পরাচৌম্বক হবে কিনা বলা যায়।
  • সেমিকন্ডাক্টর ও LED: সিলিকনের s আর p অরবিটাল মিশে শক্তি ব্যান্ড হয়। ব্যান্ডের ফাঁক ঠিক করে ইলেকট্রন কত শক্তির আলো ছাড়বে।

পরীক্ষার কোণ: এসএসসি ও এইচএসসি সৃজনশীল প্রশ্ন

পাঠ্যবইয়ে অরবিটাল, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও ইলেকট্রন বিন্যাস প্রায় প্রতি বছর আসে। সৃজনশীল প্রশ্নের চারটি অংশ এভাবে সাজানো থাকে।

ক (জ্ঞানমূলক, ১ নম্বর)

সংজ্ঞা সোজাসুজি লিখতে হয়। উদাহরণ: অরবিটাল কী? উত্তর: নিউক্লিয়াসের চারপাশে যে ত্রিমাত্রিক অঞ্চলে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি (প্রায় ৯০%), তাকে অরবিটাল বলে।

খ (অনুধাবনমূলক, ২ নম্বর)

ব্যাখ্যা করতে হয়। উদাহরণ: কক্ষপথ ও অরবিটাল এক নয় কেন? উত্তরে অনিশ্চয়তা নীতি টানো: নির্দিষ্ট পথ মানে অবস্থান আর বেগ একসাথে জানা, যা সম্ভব নয়, তাই ইলেকট্রনের জন্য সম্ভাবনার অঞ্চল (অরবিটাল) বলা হয়।

গ (প্রয়োগমূলক, ৩ নম্বর)

হিসাব করতে হয়। উদাহরণ: উদ্দীপকের একটি 3p ইলেকট্রনের চার কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড সংখ্যা বের করো। n = ৩, l = ১, mₗ-এর মান −১, ০, +১, mₛ = ±½। রেডিয়াল নোড ১, কৌণিক নোড ১।

ঘ (উচ্চতর দক্ষতা, ৪ নম্বর)

বিশ্লেষণ করে মত দিতে হয়। উদাহরণ: “3d অরবিটালের ইলেকট্রনের শক্তি 4s-এর চেয়ে বেশি হলেও 4s আগে ভরে, যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করো।” উত্তরে (n + l) নিয়ম টানো: 4s-এর মান ৪, 3d-র ৫, তাই 4s কম শক্তি নিয়ে আগে ভরে।

এক নজরে রিভিশন

পরীক্ষার আগের রাতে শুধু এই তালিকাটা একবার পড়ে নিলেই যথেষ্ট।

  • অরবিটাল হলো নিউক্লিয়াসের চারপাশে ইলেকট্রন পাওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য ত্রিমাত্রিক অঞ্চল, ψ²-এর ঘন অংশ।
  • চার কোয়ান্টাম সংখ্যা: n (কোশ ও আকার), l (আকৃতি), mₗ (দিক), mₛ (স্পিন)।
  • l-এর মান 0 থেকে n − 1; mₗ-এর মান −l থেকে +l; mₛ = ±½।
  • রেডিয়াল নোড = n − l − 1, কৌণিক নোড = l, মোট নোড = n − 1।
  • s গোলক, p ডাম্বেল (তিনটি, ৯০° কোণে), d ফুল (পাঁচটি, dz² ব্যতিক্রম)।
  • উপস্তরের ধারণক্ষমতা 2(2l + 1); কোশে অরবিটাল n², ইলেকট্রন 2n²।
  • পাউলির নীতি: এক অরবিটালে সর্বোচ্চ ২ ইলেকট্রন, উল্টো স্পিনে।
  • ভরার ক্রম (n + l) নিয়মে: 4s, 3d-র আগে।
  • লোবের + আর − চিহ্ন তরঙ্গের দশা, চার্জ নয়; বন্ধন গঠনে এটাই গুরুত্বপূর্ণ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

অরবিটাল আর কক্ষপথের পার্থক্য কী?

কক্ষপথ বোর-এর মডেলে ইলেকট্রনের নির্দিষ্ট বৃত্তাকার পথ। অরবিটাল কোয়ান্টাম মডেলে নিউক্লিয়াসের চারপাশের ত্রিমাত্রিক অঞ্চল, যেখানে ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। অনিশ্চয়তা নীতির কারণে নির্দিষ্ট পথ বলা যায় না, তাই আধুনিক বিজ্ঞানে অরবিটালই গ্রহণযোগ্য।

এক অরবিটালে কয়টি ইলেকট্রন থাকতে পারে?

সর্বোচ্চ দুটি, আর তাদের স্পিন উল্টো হতে হয় (+½ ও −½)। এটি পাউলির বর্জন নীতির ফল, যা বলে একই পরমাণুতে দুটি ইলেকট্রনের চার কোয়ান্টাম সংখ্যা হুবহু এক হতে পারে না।

p অরবিটাল ডাম্বেলের মতো কেন?

p অরবিটালের l = 1, মানে একটি কৌণিক নোড। নোডাল তল নিউক্লিয়াসের ভেতর দিয়ে গিয়ে অরবিটালকে দুই লোবে ভাগ করে, একটি ধনাত্মক আর একটি ঋণাত্মক চিহ্নের। দুই লোব মিলিয়ে ডাম্বেলের চেহারা হয়।

নোড বলতে কী বোঝায় এবং কীভাবে গুনব?

নোড হলো সেই স্থান বা তল, যেখানে তরঙ্গ-ফাংশন শূন্য, অর্থাৎ ইলেকট্রন পাওয়ার সম্ভাবনা শূন্য। রেডিয়াল নোডের সংখ্যা n − l − 1, কৌণিক নোডের সংখ্যা l, আর মোট নোড n − 1। যেমন 2s-এ একটি রেডিয়াল নোড আছে, কৌণিক নেই।

d উপস্তরে কয়টি অরবিটাল এবং কয়টি ইলেকট্রন ধরে?

d উপস্তরে l = 2, তাই mₗ-এর মান −2, −1, 0, +1, +2, মানে পাঁচটি অরবিটাল। প্রতিটিতে দুটি করে ইলেকট্রন, মোট দশটি। পাঁচটি অরবিটাল হলো dxy, dxz, dyz, dx²−y² এবং dz²।

কেন 4s অরবিটাল 3d-র আগে ভরে?

(n + l) নিয়মে 4s-এর মান 4 আর 3d-র মান 5। যার (n + l) কম তার শক্তি কম, তাই আগে ভরে। 4s নিউক্লিয়াসের কাছে ঢুকে যেতে পারে বলে তার শক্তি বহু পরমাণুতে 3d-র চেয়ে কম থাকে।

অরবিটালে লোবের + আর − চিহ্নের মানে কী?

এটা তরঙ্গ-ফাংশন ψ-এর চিহ্ন, ঢেউয়ের দশার মতো, চার্জ নয়। সম্ভাবনা ψ²-এর ওপর নির্ভর করে বলে চিহ্ন ঘনত্বে ফারাক আনে না। কিন্তু দুই অরবিটাল অতিক্রমণের সময় একই চিহ্ন বন্ধন আর উল্টো চিহ্ন প্রতিবন্ধন তৈরি করে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ