নিয়ন্ত্রণ
গ্যাস
পরিমাপ
- গড়বর্গমূল দ্রুতি, √(3RT/M)
- ৫১৭m/s
- প্রতি অণুর গড় গতিশক্তি, (3/2)kT
- ৬.২১×10⁻²¹ J
- ধাক্কা থেকে মাপা চাপ
- ০kPa
- সূত্র অনুযায়ী চাপ, NkT/V
- ৪৯৭kPa
- মাপা ÷ সূত্রের মান
- ০%
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- ডিফল্ট মান দিয়ে শুরু করো: ৩০০ K তাপমাত্রায় N₂ গ্যাস, অণু ১২০টি। অণুগুলো দ্রুতি অনুযায়ী রঙিন: নীল ধীর, লাল দ্রুত। কোনো অণু দেয়ালে ধাক্কা খেলে দেয়াল এক মুহূর্ত কমলা রঙে জ্বলে ওঠে।
- চাপের প্যানেল দেখো। ওপরের দণ্ডটি দেয়ালে ধাক্কার ঘাত যোগ করে পাওয়া চাপ। নিচের দণ্ড NkT/V সূত্রের মান। কয়েক সেকেন্ড অপেক্ষা করো: প্রথম দণ্ড বাড়তে বাড়তে দ্বিতীয়টার কাছে পৌঁছায়, তারপর কয়েক শতাংশ কাঁপে। এই কাঁপুনি আসল, আর অণুর সংখ্যা বাড়ালে তা কমে।
- তাপমাত্রা বাড়াও। অণুগুলো দ্রুত হয়, জোরে আর ঘনঘন ধাক্কা দেয়, দুটি চাপ-দণ্ডই বাড়ে। হিস্টোগ্রামে পুরো টিলাটা ডানে সরে চ্যাপ্টা হয়ে যায়, আর সবুজ ড্যাশ রেখা (গড়বর্গমূল দ্রুতি) সঙ্গে সঙ্গে সরে।
- গ্যাস N₂ থেকে He করো। তাপমাত্রা একই, কিন্তু অণুগুলো অনেক দ্রুত। হিলিয়াম নাইট্রোজেনের চেয়ে ৭ গুণ হালকা, তাই এর দ্রুতি প্রায় ২.৬৫ গুণ। লক্ষ করো গড় গতিশক্তির রিডিং বদলায়নি, কারণ সেটা শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।
- আয়তনের স্লাইডার অর্ধেকে নামাও। একই অণুরা এখন কম জায়গা পেয়েছে, তাই দেয়ালে পৌঁছায় দ্বিগুণ ঘনঘন, চাপ হয় দ্বিগুণ। এটাই বয়েলের সূত্র, আর এবার তোমাকে বিশ্বাস করে নিতে হয়নি।
- N কমিয়ে ২০ করো: হিস্টোগ্রাম এবড়োখেবড়ো হয়, চাপ-দণ্ড ছটফট করে। N বাড়িয়ে ২০০ করো: দুটোই শান্ত হয়ে আসে। গ্যাসের সূত্র ভিড় নিয়ে কথা বলে, একজন একজনকে নিয়ে নয়।
গ্যাস মানে ছোট্ট বলের ঝাঁক
গতিতত্ত্বের শুরু প্রায় দুষ্টুমির মতো সরল একটা ছবি থেকে: গ্যাস হলো অসংখ্য ক্ষুদ্র কণা, যারা সোজা পথে ছুটছে আর পাত্রের দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে। গাড়ির টায়ারের চাপ থেকে ঘরের উষ্ণতা পর্যন্ত বাকি সবকিছু এই এক ছবি থেকেই আসে।
এই অধ্যায়ের কাজ ছবিটাকে সংখ্যায় বদলানো। আমরা চাই চাপের একটা সূত্র, তাপমাত্রার একটা মানে, আর অণুর একটা দ্রুতি। শেষে তিনটিই পাবে, আর প্রতিটির একটা রিডিং আছে সিমুলেশনে।
আদর্শ গ্যাস নিয়ে আমরা যা ধরে নিই
তত্ত্বটা কাজ করে কয়েকটা সরলীকরণ মেনে নেওয়ার কারণে। এগুলো মুখস্থ রাখো, পরীক্ষায় নিয়মিত আসে।
- গ্যাসে অনেক অনেক অভিন্ন অণু থাকে, এরা সারাক্ষণ এলোমেলো গতিতে চলছে।
- অণুগুলো তাদের মধ্যকার দূরত্বের তুলনায় এত ছোট যে তাদের নিজেদের আয়তন উপেক্ষা করা যায়।
- সংঘর্ষের সময় ছাড়া অণুদের মধ্যে কোনো বল কাজ করে না, আর সংঘর্ষ পূর্ণ স্থিতিস্থাপক। শক্তি নষ্ট হয় না।
- দেয়ালের সঙ্গে সংঘর্ষও স্থিতিস্থাপক, আর সংঘর্ষে সময় লাগে নগণ্য।
- দুই সংঘর্ষের মাঝে অণু সোজা পথে চলে। অভিকর্ষ উপেক্ষা করা হয়।
- সব দিক সমান সম্ভাব্য, তাই গ্যাসের কোনো সামগ্রিক প্রবাহ নেই।
দেয়ালে ধাক্কা কীভাবে চাপ হয়ে যায়
m ভরের একটা অণু vₓ দ্রুতিতে সোজা এসে দেয়ালে লেগে একই পথে ফিরে গেলে তার ভরবেগ +mvₓ থেকে −mvₓ হয়ে যায়। দেয়াল পায় 2mvₓ ঘাত। একটা ধাক্কা কিছুই না। কিন্তু ১২০টি অণু যখন বারবার ধাক্কা দেয়, দেয়াল পায় নিরবচ্ছিন্ন ঠেলা, আর চাপ হলো প্রতি একক ক্ষেত্রফলে সেই ঠেলা।
L বাহুর ঘনক বাক্সে হিসাবটা করো। একটা অণু প্রতি 2L/vₓ সেকেন্ডে বাক্স পার হয়ে ফেরে, তাই ওই দেয়ালে সেকেন্ডে vₓ/2L বার ধাক্কা দেয়। একটা অণু থেকে বল 2mvₓ × vₓ/2L = mvₓ²/L। N অণুর যোগফল নাও, দেয়ালের ক্ষেত্রফল L² দিয়ে ভাগ করো, আর তিন দিক সমান ধরো। নিচের ফলটা পাবে।
P = (1/3) (N/V) m v²(rms)অণুর গতি থেকে চাপ
P = (1/3) ρ v²(rms)ঘনত্ব ρ = Nm/V দিয়ে একই কথা
প্রতি ধাক্কায় ঘাত = 2 m vₓসিমুলেশন এটাই যোগ করে
PV = NkT: তত্ত্ব থেকে গ্যাসের সূত্র
অণুর কথা কেউ ভাবার আগেই পরীক্ষা থেকে পাওয়া গিয়েছিল PV = NkT (বা মোল ধরলে PV = nRT)। গতিতত্ত্ব তার ব্যাখ্যা দেয়। চাপের ফল P = (1/3)(N/V) m v²(rms) আর পরীক্ষালব্ধ সূত্র পাশাপাশি রাখলে PV গুণফলটা N গুণ এমন একটা রাশি হয় যা শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে।
ধ্রুবকগুলো: k = ১.৩৮১ × 10⁻²³ J/K বোল্টজম্যান ধ্রুবক, গ্যাস ধ্রুবক R = ৮.৩১৪ J/(mol·K), আর N অণুর সংখ্যা। সিমুলেশনে বাক্সের প্রতিটি বাহু ১০ nm, তাই আয়তন ১ × 10⁻²⁴ m³।
ডিফল্ট গ্যাস নাও: T = ৩০০ K-এ N = ১২০টি অণু। তাহলে kT = ৪.১৪ × 10⁻²¹ J, আর P = NkT/V = ১২০ × ৪.১৪ × 10⁻²¹ ÷ ১ × 10⁻²⁴ ≈ ৪৯৭ kPa, যা প্রায় ৪.৯ বায়ুমণ্ডলের সমান। আয়তনের স্লাইডার ১-এ থাকলে নিচের চাপ-দণ্ডে ঠিক এই মান দেখাবে।
PV = N k Tপ্রতি অণুর রূপ
PV = n R Tপ্রতি মোলের রূপ, n = N / Nₐ
R = Nₐ kবোল্টজম্যান ধ্রুবক থেকে গ্যাস ধ্রুবক
বয়েল ও চার্লসের সূত্র, সোজা স্লাইডার থেকে
তাপমাত্রা একই রেখে আয়তন অর্ধেক করো: ৩০০ K-এ ১২০টি অণুতে এখন P = NkT/(V/2) = ৯৯৪ kPa। চাপ দ্বিগুণ হলো, অর্থাৎ চাপ আয়তনের ব্যস্তানুপাতিক। এটাই বয়েলের সূত্র।
আয়তন একই রেখে তাপমাত্রা ৩০০ K থেকে ৬০০ K করলে P = ৯৯৪ kPa। চাপ পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক, এটা গে-লুসাকের সূত্র। স্থির চাপে একই যুক্তিতে আয়তন T-এর সমানুপাতিক হয়, সেটা চার্লসের সূত্র।
প্রতিবার স্লাইডার কী বদলাচ্ছে সেটা খেয়াল করো। আয়তন কমালে সেকেন্ডে দেয়ালে ধাক্কার সংখ্যা বাড়ে। তাপমাত্রা বাড়ালে ধাক্কা আরও জোরালো হয় এবং আরও ঘনঘনও হয়, কারণ অণু বাক্স পার হয় দ্রুততর।
তাপমাত্রা হলো গড় গতিশক্তি
চাপের দুটি রূপ পাশাপাশি রাখো: P = (1/3)(N/V) m v²(rms) আর PV = NkT। N আর V কেটে যায়, থাকে একটি অণু নিয়ে পরিচ্ছন্ন একটা কথা।
প্রতি অণুর গড় স্থানান্তর গতিশক্তি (3/2)kT। ৩০০ K-এ তা ৬.২১ × 10⁻²¹ J, অর্থাৎ 10⁻²¹ J এককে ৬.২১, রিডিংয়েও তা-ই দেখাচ্ছে। এতে অণুর ভর আসেই না। একই তাপমাত্রায় হিলিয়ামের একটি পরমাণু আর অক্সিজেনের একটি অণুর গড় গতিশক্তি সমান। ভারী অণু শুধু ধীর।
অণুর স্তরে তাপমাত্রার মানে এটাই। সে তাপ নয়, মোট শক্তিও নয়। সে অণুদের গড় গতিশক্তির মাপ। চিরায়ত ছবিতে পরম শূন্য তাপমাত্রায় এই গতি থেমে যেত।
½ m v²(rms) = (3/2) k Tপ্রতি অণুর গড় গতিশক্তি
প্রতি মোলে শক্তি = (3/2) R Tএকই কথা, প্রতি মোল গ্যাসের জন্য
গড়বর্গমূল দ্রুতি: √(3RT/M)
(1/2)m v² = (3/2)kT সূত্রটা উল্টে নাও, দ্রুতি বেরিয়ে আসে। মোলার ভর M কিলোগ্রাম প্রতি মোলে আর গ্যাস ধ্রুবক R ধরলে গড়বর্গমূল দ্রুতির সূত্র নিচেরটি। খেয়াল রাখো M যেন kg/mol-এ হয়: ২৮ g/mol মানে ০.০২৮ kg/mol।
নামেই হিসাবের ক্রম বলা আছে। প্রতিটি দ্রুতির বর্গ নাও, তার গড় করো, তারপর বর্গমূল। সাধারণ গড় দ্রুতির চেয়ে এটা বড় হয়, কারণ বর্গ করলে দ্রুত অণুর প্রভাব বেড়ে যায়।
v(rms) = √(3RT / M)M kg/mol-এ, T কেলভিনে
v(rms) = √(3kT / m)একটি অণুর ভর m দিয়ে একই সূত্র
উদাহরণ ১: ৩০০ K-এ নাইট্রোজেন
3RT = 3 × ৮.৩১৪ × ৩০০ = ৭,৪৮২.৬। M = ০.০২৮ দিয়ে ভাগ: ৭,৪৮২.৬ ÷ ০.০২৮ = ২,৬৭,২৩৬। বর্গমূল ৫১৭ m/s। ডিফল্ট অবস্থায় হিস্টোগ্রামের সবুজ ড্যাশ রেখা এই মানেই থাকে।
উদাহরণ ২: অক্সিজেন ও হিলিয়াম
একই তাপমাত্রায় M = ৩২ g/mol হলে ৪৮৪ m/s। হিলিয়ামে M = ৪ g/mol, তাই ১,৩৬৮ m/s। সিমুলেশনে গ্যাস বদলে প্রথম রিডিংটা মিলিয়ে নাও।
উদাহরণ ৩: হিলিয়াম এত দ্রুত কেন
দ্রুতি 1/√M-এর সমানুপাতিক। নাইট্রোজেন হিলিয়ামের চেয়ে ৭ গুণ ভারী, আর √৭ = ২.৬৫। তাই হিলিয়ামের rms দ্রুতি ২.৬৫ গুণ, যা ১,৩৬৮ ÷ ৫১৭-এর সঙ্গে মেলে। হিলিয়ামের বেলুন ধীরে ধীরে চুপসে যায় এ কারণেই: হিলিয়াম সূক্ষ্ম ফাঁক দিয়ে বাতাসের চেয়ে অনেক দ্রুত বেরোয়।
উদাহরণ ৪: দ্বিগুণ দ্রুতির জন্য কত গরম
দ্রুতি √T-এর সমানুপাতিক, তাই দ্রুতি দ্বিগুণ করতে তাপমাত্রা চার গুণ লাগে। নাইট্রোজেনের জন্য সেটা ১,২০০ K, দ্রুতি ১,০৩৪ m/s, অর্থাৎ ৩০০ K-এর দ্রুতির ২.০০ গুণ। তাপমাত্রা শুধু দ্বিগুণ করলে দ্রুতি বাড়ে মাত্র ১.৪১ গুণ।
সব অণু সমান দ্রুত নয়: ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান
rms দ্রুতি একটা সাধারণ দ্রুতি, সবার দ্রুতি নয়। গ্যাসের অণুরা নিজেদের সঙ্গে আর দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে শক্তি বিনিময় করে, তাই যেকোনো মুহূর্তে কেউ ধীর, বেশিরভাগ মাঝারি, আর কয়েকজন খুব দ্রুত। ডানের হিস্টোগ্রামে বাক্সের অণুদের দ্রুতি দেখানো আছে। লাল বক্ররেখাটা তত্ত্বের ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বণ্টন।
বক্ররেখা শূন্য থেকে শুরু করে (প্রায় কোনো অণুই স্থির নয়), একটা শীর্ষে ওঠে, তারপর ডানে লম্বা লেজ টানে। আকারটা একপেশে, তাই তিনটি পরিচিত দ্রুতি আলাদা। ৩০০ K-এ নাইট্রোজেনের সর্বাধিক সম্ভাব্য দ্রুতি ৪২২ m/s, গড় দ্রুতি ৪৭৬ m/s, আর rms দ্রুতি ৫১৭ m/s।
গ্যাস গরম করলে শীর্ষ ডানে সরে নিচু হয়ে যায়, কারণ বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল সবসময় সমান (প্রতিটি অণু কোথাও না কোথাও আছেই)। একই তাপমাত্রায় হালকা গ্যাসে একই আকার বেশি দ্রুতির দিকে টান খায়। N কম হলে স্তম্ভগুলো এবড়োখেবড়ো, N বাড়ালে বক্ররেখার ওপর গিয়ে বসে।
- সর্বাধিক সম্ভাব্য দ্রুতি v(p) = √(2RT/M) বক্ররেখার শীর্ষ।
- গড় দ্রুতি = √(8RT/πM) সাধারণ গড়।
- rms দ্রুতি = √(3RT/M) তিনটির মধ্যে বড়। তাদের অনুপাত প্রায় ১ : ১.১৩ : ১.২২।
- ঠান্ডা গ্যাসেও কয়েকটা অণু পালাতে বা বিক্রিয়া করতে পারে ওই লেজের কারণে।
অ্যানিমেশন কী সরল করেছে
আসল অণু দেখার পক্ষে বড্ড ছোট আর বড্ড দ্রুত। ঘরের তাপমাত্রায় একটি নাইট্রোজেন অণু ১০ nm-এর বাক্স পার হয় প্রায় বিশ পিকোসেকেন্ডে। তাই অ্যানিমেশন চলছে চরম ধীরগতিতে, বাস্তবের চেয়ে প্রায় দশ হাজার কোটি গুণ ধীরে। তাপমাত্রা আর গ্যাসের তুলনায় দ্রুতির মাপ ঠিক আছে, কিন্তু তোমার ঘড়ির সেকেন্ডে নয়।
বাক্সটা ১০ nm বাহুর ঘনক, তাই তাতে ১২০টি অণু মানে বেশ ঘন গ্যাস, প্রায় ৪.৯ বায়ুমণ্ডল চাপ। একটা সত্যিকারের ঘরে 10²⁵-এর বেশি অণু থাকে, তাই বাস্তবে গ্যাসের চাপ কখনো চোখে কাঁপে না।
চেনা ভুল
প্রতি বছর এগুলোতেই নম্বর যায়।
- √(3RT/M)-এ M গ্রাম প্রতি মোলে বসিয়ে ফেলা। সূত্রে কিলোগ্রাম প্রতি মোল লাগে।
- T সেলসিয়াসে নেওয়া। গ্যাসের সূত্রে কেলভিন লাগে।
- ভারী গ্যাসের অণুর গতিশক্তি কম বলা। একই তাপমাত্রায় গড় গতিশক্তি সমান। ভারী অণু ধীর।
- rms দ্রুতিকে গড় দ্রুতি বলা। কাছাকাছি, কিন্তু সমান নয়।
- তাপমাত্রাকে গ্যাসের মোট শক্তি বলা। এটা প্রতি অণুর গড় শক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত, যোগফলের নয়।
- ভুলে যাওয়া যে চাপ আসে দেয়ালে সংঘর্ষ থেকে। দেয়ালে ধাক্কা না থাকলে গ্যাসের চাপও নেই।
পরীক্ষার কোণ
ছোট প্রশ্নে সাধারণত গতিতত্ত্বের অনুমানগুলো, P = (1/3)ρv²(rms) সূত্র, অথবা স্থির পাত্রে গ্যাস গরম করলে চাপ কেন বাড়ে তা জানতে চাওয়া হয়। বড় প্রশ্নে ঘনক বাক্সের জন্য চাপের সূত্রের প্রতিপাদন, নয়তো দুটি গ্যাসের rms দ্রুতির তুলনা আসে।
তুলনার প্রশ্নে দুটো আলাদা করে না কষে অনুপাত নাও। একই তাপমাত্রায় v₁/v₂ = √(M₂/M₁), যেমন হিলিয়াম ও নাইট্রোজেনের উদাহরণে।
ঝালিয়ে নেওয়ার তালিকা
পরীক্ষার আগে জোরে জোরে বলে নাও।
- গ্যাসের চাপ আসে অণুর দেয়ালে ধাক্কা থেকে। প্রতি ধাক্কায় ঘাত 2mvₓ।
- P = (1/3)(N/V) m v²(rms), আর PV = NkT-এর সঙ্গে মিলিয়ে গড় গতিশক্তি (3/2)kT।
- তাপমাত্রা প্রতি অণুর গড় গতিশক্তির মাপ, সব গ্যাসে সমান।
- v(rms) = √(3RT/M), M kg/mol-এ আর T কেলভিনে।
- একই তাপমাত্রায় দ্রুতি 1/√M-এর সমানুপাতিক। একই গ্যাসে দ্রুতি √T-এর সমানুপাতিক।
- দ্রুতি ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখা মানে: v(p) < গড় < v(rms)।
- বয়েল: V অর্ধেক হলে P দ্বিগুণ। গে-লুসাক: স্থির V-এ T দ্বিগুণ হলে P দ্বিগুণ।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
গ্যাসের গতিতত্ত্ব কী?
এটি এমন একটি মডেল যেখানে গ্যাসকে অসংখ্য ক্ষুদ্র অণুর সমষ্টি ধরা হয়, যারা সারাক্ষণ এলোমেলো গতিতে চলে এবং নিজেদের ও পাত্রের দেয়ালে স্থিতিস্থাপক ধাক্কা খায়। এ মডেল চাপ, তাপমাত্রা আর গ্যাসের সূত্রগুলোকে ব্যাখ্যা করে।
গ্যাসের চাপ সৃষ্টি হয় কীভাবে?
পাত্রের দেয়ালে অণুর ধাক্কা থেকে। প্রতিটি সংঘর্ষে দেয়াল ঘাত পায়, আর প্রতি সেকেন্ডে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে শত কোটি ঘাতের গড়ই চাপ।
গ্যাস অণুর গড়বর্গমূল দ্রুতির সূত্র কী?
v(rms) = √(3RT/M), যেখানে R = ৮.৩১৪ J/(mol·K), T কেলভিনে আর M কিলোগ্রাম প্রতি মোলে মোলার ভর। ৩০০ K-এ নাইট্রোজেনের জন্য তা ৫১৭ m/s।
গ্যাস অণুর গড় গতিশক্তি কত?
(3/2)kT, যা শুধু তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। ৩০০ K-এ গ্যাস যা-ই হোক, তা ৬.২১ × 10⁻²¹ J।
একই তাপমাত্রায় হালকা গ্যাসের অণু দ্রুত কেন?
একই তাপমাত্রায় সব অণুর গড় গতিশক্তি ½mv² সমান। m ছোট হলে v বড় হতেই হবে। তাই হিলিয়াম (M = ৪) নাইট্রোজেনের (M = ২৮) চেয়ে ২.৬৫ গুণ দ্রুত।
ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বণ্টন কী?
নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গ্যাসের অণুদের দ্রুতির সম্ভাবনা-বণ্টন। বক্ররেখা শূন্য থেকে উঠে সর্বাধিক সম্ভাব্য দ্রুতিতে শীর্ষে পৌঁছায়, তারপর বেশি দ্রুতির দিকে লম্বা লেজ টানে। তাপমাত্রা বাড়ালে শীর্ষ ডানে সরে নিচু হয়ে যায়।
সিমুলেশন চাপ পায় কীভাবে?
দুই পাশের দেয়ালে প্রতিটি ধাক্কার 2m|vₓ| যোগ করে, সময় আর দেয়ালের ক্ষেত্রফল দিয়ে ভাগ করে, আর ফলটাকে NkT/V-এর সঙ্গে তুলনা করে। দুটো কয়েক শতাংশের মধ্যে মেলে, আর অণুর সংখ্যা বাড়ালে আরও কাছাকাছি আসে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















