মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

দুটি তির যোগ করলে কী পাই? লব্ধির খেলা

ভেক্টর এমন রাশি, যার মান আছে এবং দিকও আছে। দুটি ভেক্টর যোগ করতে হয় ত্রিভুজ বা সামান্তরিক সূত্রে, কারণ দিক বদলালে ফলও বদলায়। লব্ধির মান R = √(A² + B² + 2AB cosθ)। নিচের সিমুলেশনে তির টেনে, নৌকা আর ছাতার দৃশ্য ঘুরিয়ে নিজেই যাচাই করো।

তিরের মাথা টেনে মান ও দিক বদলাও

ভেক্টর Aভেক্টর Bলব্ধি Rউপাংশ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

দৃশ্য বেছে নাও

যোগের সূত্র

৩.০ N
৪.০ N
৯০ °
২০ °

পরিমাপ

লব্ধির মান, R
৫.০০N
লব্ধির দিক, α (A থেকে)
৫৩.১°
x-উপাংশ, Rx
১.৪৫N
y-উপাংশ, Ry
৪.৭৮N
শুধু মান যোগ, A + B
৭.০০N
মধ্যবর্তী কোণ, θ
৯০°

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “দুই ভেক্টরের যোগ” দৃশ্যে শুরুতেই A = ৩ N আর B = ৪ N, মাঝে ৯০°। লব্ধি R = ৫.০০ N। এটা সেই বিখ্যাত ৩-৪-৫।
  2. তিরের মাথা ক্যানভাসে টেনে মান ও দিক বদলাও, অথবা স্লাইডার সরাও। “ত্রিভুজ সূত্র” আর “সামান্তরিক সূত্র” বদলে বদলে দেখো, লব্ধি একই থাকে।
  3. মধ্যবর্তী কোণ ০° থেকে ১৮০° পর্যন্ত ঘুরিয়ে R কীভাবে বদলায় লক্ষ করো, আর “শুধু মান যোগ” মানের সঙ্গে তুলনা করো।
  4. “নদী পারের নৌকা” দৃশ্যে নৌকার মুখ ঘোরাও। ভাটিতে কতটা সরে গেল, পার হতে কত সময় লাগল, পরিমাপ প্যানেলে দেখো। তারপর “ন্যূনতম দূরত্বের মুখ নাও” চালু করো।
  5. “বৃষ্টি ও ছাতা” দৃশ্যে হাঁটার বেগ বাড়াও। ছাতা কতটা সামনে কাত হলে ভেজা বন্ধ হয়, tan θ = হাঁটার বেগ ÷ বৃষ্টির বেগ সূত্রে মিলিয়ে নাও।

নৌকা কেন সোজা যায় না?

নদীর এপারে দাঁড়িয়ে ঠিক উল্টো দিকের ঘাটের দিকে নৌকার মুখ ঘুরিয়ে বৈঠা বাইলে কী হয়? নৌকা ওই ঘাটে পৌঁছায় না, ভাটির দিকে খানিকটা সরে গিয়ে ওঠে। মাঝি জানে এটা, তাই সে শুরুতেই মুখ একটু উজানের দিকে রাখে।

বৃষ্টির দিনেও একই কাণ্ড। বৃষ্টি সোজা নিচে পড়ছে, তবু রিকশায় বা হেঁটে চলার সময় মনে হয় বৃষ্টি সামনে থেকে তেড়ে আসছে। ছাতাটা একটু সামনে কাত না করলে মুখ ভিজে যায়।

দুটো ঘটনার মূল কথা এক: একটা জিনিসের ওপর দুটি আলাদা গতি বা বল একসঙ্গে কাজ করছে, আর দুটির দিক আলাদা। তখন সোজা সংখ্যা যোগ করলে চলে না। ৩ আর ৪ যোগ করে সবসময় ৭ পাওয়া যায় না, কখনো ৫, কখনো ১, কখনো ৬.০৮। কেন, সেটাই এই পাঠে জানব।

একদম শুরু থেকে: স্কেলার আর ভেক্টর

কিছু রাশি বোঝাতে শুধু সংখ্যা আর একক হলেই চলে। “আমার ওজন ৫০ kg”, “ঘরের তাপমাত্রা ৩০°C”, “রাস্তাটা ২ km লম্বা”। এগুলো স্কেলার রাশি। ২ kg আর ৩ kg যোগ করলে সবসময় ৫ kg।

কিছু রাশির জন্য দিকও বলতে হয়। “আমি ৫ km হাঁটলাম” অসম্পূর্ণ খবর, কারণ কোথায় পৌঁছালাম জানা যায় না। “উত্তরে ৫ km” বললে জায়গাটা ঠিক হয়। বেগ, বল, সরণ, ত্বরণ এমন রাশি। এদের বলে ভেক্টর রাশি।

ভেক্টরকে আমরা তির দিয়ে আঁকি। তিরের দৈর্ঘ্য মান বোঝায়, তিরের মুখ দিক বোঝায়। বই-খাতায় ভেক্টর লেখা হয় মোটা অক্ষরে বা অক্ষরের ওপর তির চিহ্ন দিয়ে; আমরা এখানে শুধু A, B, R লিখছি আর মান বোঝাতে |A|-ও ব্যবহার করব।

স্কেলার রাশিভেক্টর রাশিতফাতটা কোথায়
দূরত্বসরণদূরত্ব পথের দৈর্ঘ্য, সরণ শুরু থেকে শেষের সরলরেখা ও দিক
দ্রুতিবেগবেগ = দ্রুতি + দিক
ভরওজন (বল)ওজন সবসময় নিচের দিকে
কাজ, শক্তিবলবল দিক দিয়ে বদলায়, শক্তি বদলায় না
তাপমাত্রাত্বরণত্বরণ বেগ বদলের দিকে

যে শব্দগুলো জানতেই হবে

এই অধ্যায়ের প্রশ্নে নিচের শব্দগুলো বারবার ফিরে আসে। অর্থসহ মিলিয়ে রাখো।

শব্দসহজ মানেকোথায় দেখা যায়
ভেক্টরমান ও দিক দুটিই আছে এমন রাশিবেগ, বল, সরণ
স্কেলারশুধু মান আছে, দিক নেইভর, সময়, তাপমাত্রা
লব্ধিএকাধিক ভেক্টরের সমান প্রভাবের একটিমাত্র ভেক্টরদুই দড়ির টানের মিলিত ফল
উপাংশভেক্টরকে দুই অক্ষ বরাবর ভাঙা দুই অংশঢালু পথে বলের অনুভূমিক ও উল্লম্ব অংশ
ত্রিভুজ সূত্রএক ভেক্টরের মাথায় অন্যটির লেজ বসিয়ে যোগপায়ে হাঁটা দুই ধাপের সরণ
সামান্তরিক সূত্রদুই ভেক্টরের লেজ এক বিন্দুতে রেখে সামান্তরিক পূরণএকই বিন্দুতে দুই দড়ির টান
আপেক্ষিক বেগএক বস্তুকে অন্য বস্তু থেকে দেখলে যে বেগ মনে হয়চলন্ত বাসে বসে দেখা বৃষ্টি
একক ভেক্টরমান ১ এমন ভেক্টর, শুধু দিক জানায়অক্ষ বরাবর দিক

ত্রিভুজ সূত্র: তিরের মাথায় তিরের লেজ

ধরো তুমি পূর্ব দিকে ৩ m হাঁটলে, তারপর ঘুরে উত্তরে ৪ m। শুরুর বিন্দু থেকে এখন তুমি কত দূরে, কোন দিকে? ছবিতে প্রথম তির আঁকো, তার মাথায় দ্বিতীয় তিরের লেজ বসাও। শুরু থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত তৃতীয় তির টানলেই সেটা লব্ধি।

এটাই ত্রিভুজ সূত্র। দুটি ভেক্টরকে যদি একটি ত্রিভুজের দুই বাহু হিসেবে একই ক্রমে আঁকা যায়, তবে ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু বিপরীত ক্রমে ওই দুটির লব্ধিকে মান ও দিকে প্রকাশ করে।

সিমুলেশনে ডিফল্ট অবস্থায় A আর B মিলে ৯০° কোণ করে, তাই ত্রিভুজটা সমকোণী: ৩, ৪ আর কর্ণ ৫.০০। পিথাগোরাসের হিসাবেই মিলে গেল।

আরেকটা মজা: B আগে না A আগে বসালে কি ফল বদলায়? বদলায় না। ভেক্টর যোগে ক্রম বদলালে ফল একই থাকে, A + B = B + A। সিমুলেশনে দুটি তির উল্টে বসিয়ে দেখো, লব্ধির তির একই জায়গায় থামে।

R = A + Bলব্ধি ভেক্টর, ক্রম বদলালেও একই

A + B = B + Aবিনিময় নিয়ম

সামান্তরিক সূত্র: দুই লেজ এক জায়গায়

দুজন মিলে একটা ভারী বস্তা টানছে, দুজনেই একই বিন্দুতে দড়ি বেঁধেছে। দুটি দড়ির টান দুটি বল, লেজ এক জায়গায়। এখানে ত্রিভুজ সূত্র আঁকা একটু বেখাপ্পা, তাই সামান্তরিক সূত্র।

একই বিন্দু থেকে দুই ভেক্টর A আর B আঁকো। তারপর তাদের ওপর ভিত্তি করে সামান্তরিক পূরণ করো, মানে A-এর মাথা থেকে B-এর সমান্তরাল একটি রেখা, B-এর মাথা থেকে A-এর সমান্তরাল একটি রেখা। দুটি রেখা যেখানে মিলল, সেটাই কর্ণের মাথা। শুরু বিন্দু থেকে ওই মাথা পর্যন্ত কর্ণই লব্ধি।

সামান্তরিকের বিপরীত বাহু সমান। তাই B-এর সমান আরেকটি বাহু A-এর মাথা থেকে আঁকা মানেই ত্রিভুজ সূত্র। দুটি সূত্র আসলে একই ছবি, শুধু আঁকার ভঙ্গি আলাদা। সিমুলেশনে দুই সূত্র পাল্টে দেখো, R-এর তির নড়ে না।

লব্ধির মান ও দিক বের করার সূত্র

ছবি এঁকে আন্দাজ করা গেল। এবার সংখ্যায় বের করি। A বরাবর অক্ষ ধরো। B-কে ভাঙো দুই অংশে: A-এর দিকে B cosθ, তার লম্ব দিকে B sinθ। তখন লব্ধির A-বরাবর অংশ A + B cosθ, লম্ব অংশ B sinθ।

এই দুই অংশ একটি সমকোণী ত্রিভুজের দুই বাহু, লব্ধি তার কর্ণ। পিথাগোরাস লাগালেই R² = (A + B cosθ)² + (B sinθ)²। বন্ধনী খুলে sin²θ + cos²θ = 1 বসালে ভেতরের জঞ্জাল কেটে যায় আর থাকে বিখ্যাত সূত্রটি।

দিক পেতে সমকোণী ত্রিভুজের স্পর্শক লাগাও: লম্ব অংশ ÷ লাগোয়া অংশ। α হলো লব্ধি আর A-এর মধ্যবর্তী কোণ। ইংরেজি অক্ষর α এখানে শুধু একটা নাম।

R² = (A + B cosθ)² + (B sinθ)²দুই অংশে পিথাগোরাস

R = √(A² + B² + 2AB cosθ)লব্ধির মান, θ = A ও B-এর মধ্যবর্তী কোণ

tan α = B sinθ ÷ (A + B cosθ)লব্ধি A-এর সঙ্গে α কোণ করে

কোণ বদলালে লব্ধি কীভাবে বদলায়

৩ N আর ৪ N ধরে θ-কে খোলো। সারণির সংখ্যাগুলো কোডে হিসাব করা, সিমুলেশনে মান ৩ আর ৪ রেখে θ স্লাইডার ঘুরিয়ে মিলিয়ে নাও।

চরম দুটি অবস্থা মনে রাখার মতো। θ = ০° হলে তির দুটি একই দিকে, R সবচেয়ে বড়, A + B। θ = ১৮০° হলে উল্টো দিকে, R সবচেয়ে ছোট, A − B-এর পরম মান। বাকি সব কোণে R এই দুইয়ের মাঝামাঝি। ডিফল্টে ৩ + ৪ = ৭ হলেও লব্ধি ৫.০০, কারণ কোণটা ৯০°।

  • θ = ০°: তির একমুখী, মান সরাসরি যোগ।
  • θ = ৯০°: সমকোণ, R = √(A² + B²)।
  • θ = ১৮০°: তির বিপরীতমুখী, মান বিয়োগ।
  • A = B হলে R = 2A cos(θ/2), এবং লব্ধি ঠিক মাঝের দিকে।
θ (ডিগ্রি)cosθR (N)α (ডিগ্রি)
০১.০০৭.০০০.০
৬০০.৫০৬.০৮৩৪.৭
৯০০.০০৫.০০৫৩.১
১২০-০.৫০৩.৬১৭৩.৯
১৮০-১.০০১.০০১৮০.০

উপাংশ: একটা ভেক্টরকে ভেঙে দুই ভাগ

যোগের উল্টো কাজও আছে। একটা তির্যক ভেক্টরকে দুই অক্ষ বরাবর ভেঙে ফেলা যায়। ঢালু পথে ঠেলাগাড়ি টানার সময় যে বল দাও, তার একটা অংশ গাড়িকে সামনে নেয়, আরেকটা অংশ গাড়িকে উপরে তুলতে চায়। এই অংশগুলোই উপাংশ।

x অক্ষের সঙ্গে θ কোণে F বল থাকলে x বরাবর উপাংশ F cosθ, y বরাবর F sinθ। উপাংশ দুটি লম্ব, তাই আবার জুড়লে পিথাগোরাস দিয়ে F ফেরত আসে।

সিমুলেশনে “লব্ধির উপাংশ দেখাও” চালু থাকলে সবুজ রেখায় Rx আর Ry দেখা যায়। ডিফল্টে Rx = ১.৪৫ N, Ry = ৪.৭৮ N। A আর B-এর উপাংশ আলাদা করে যোগ করলেও একই সংখ্যা মেলে। এই পথেই কঠিন অঙ্ক সহজ হয়: প্রতিটি ভেক্টরকে ভাঙো, x-এর সঙ্গে x, y-এর সঙ্গে y যোগ করো, শেষে একবার পিথাগোরাস।

Fx = F cosθx অক্ষ বরাবর উপাংশ

Fy = F sinθy অক্ষ বরাবর উপাংশ

F = √(Fx² + Fy²)উপাংশ জুড়ে আবার মূল মান

Rx = Ax + Bx, Ry = Ay + Byলব্ধির উপাংশ = উপাংশের যোগফল

নদীতে নৌকা: দুটি বেগ একসঙ্গে

নৌকা নিজের ইঞ্জিন বা বৈঠায় স্থির জলে v বেগে যেতে পারে। কিন্তু জলটাই চলছে u বেগে। তীর থেকে দেখলে নৌকার আসল বেগ দুটোর ভেক্টর যোগফল।

নৌকার মুখ সোজা ওপারে রাখলে নৌকার বেগ আর স্রোতের বেগ সমকোণে। লব্ধি বেগ √(v² + u²)। পার হতে সময় শুধু ওপারমুখী উপাংশের ওপর নির্ভর করে, স্রোত তাতে কিছু যোগ করে না। স্রোত শুধু নৌকাকে ভাটির দিকে ভাসায়। এখন ১০০ m চওড়া নদী, v = ৫ m/s, u = ৩ m/s ধরে সময় ২০.০ s আর ভাটিতে সরণ ৬০.০ m।

এখন প্রশ্ন দুটো, আর দুটোর উত্তর আলাদা। কম সময়ে পার হতে চাইলে মুখ সোজা ওপারে। কম দূরত্বে, মানে ঠিক সামনের ঘাটে নামতে চাইলে মুখ উজানের দিকে হেলাতে হবে।

শর্ত হলো ভাটির দিকের নেট বেগ শূন্য হতে হবে, মানে নৌকার বেগের উজানমুখী উপাংশ স্রোতের বেগকে কেটে দেবে: v sinφ = u। এর থেকে sinφ = u ÷ v। যদি u ≥ v হয়, ডান পাশ ১ ছাড়িয়ে যায়, সমাধান নেই। স্রোত নৌকার চেয়ে জোরে হলে সোজা ওপারে নামা অসম্ভব, যতই মুখ ঘোরাও।

আরেকটি মজার কথা: সবচেয়ে কম সময়ের পথ আর সবচেয়ে ছোট পথ এক নয়। সবচেয়ে কম সময় চাইলে সোজা ওপারে মুখ করে সর্বোচ্চ ওপারমুখী বেগ নাও। ছোট পথ চাইলে সময় বেশি লাগবে।

vx = u − v sinφভাটিমুখী নেট বেগ (φ = উজানের দিকে হেলানো কোণ)

vy = v cosφওপারমুখী বেগ

t = d ÷ (v cosφ)নদীর প্রস্থ d হলে পার হওয়ার সময়

sinφ = u ÷ vঠিক সামনে নামার শর্ত, শুধু u < v হলে সম্ভব

বৃষ্টি আর ছাতা: আপেক্ষিক বেগ

বৃষ্টির ফোঁটা সোজা v বেগে নিচে পড়ছে। তুমি u বেগে সামনে হাঁটছ। তোমার চোখে ফোঁটা কোন বেগে আসছে? এক বস্তুকে অন্য বস্তুর সাপেক্ষে দেখার এই বেগই আপেক্ষিক বেগ। নিয়ম: যাকে দেখছ তার বেগ থেকে যে দেখছে তার বেগ বিয়োগ করো।

অর্থাৎ বৃষ্টির আপেক্ষিক বেগ = বৃষ্টির বেগ − তোমার বেগ। বিয়োগ মানে −u যোগ করা, যা তোমার চলার উল্টো দিকে একটি তির। সুতরাং বৃষ্টির নিচমুখী তিরের সঙ্গে পেছনমুখী একটি তির যোগ হয়ে বৃষ্টি তোমার দিকে তির্যকভাবে আসে।

ছাতা ঠিক সেই কোণে ধরতে হবে, যেদিক থেকে বৃষ্টি আসছে। উল্লম্ব থেকে সামনের দিকে θ কোণে, যেখানে tan θ = তোমার বেগ ÷ বৃষ্টির বেগ। ডিফল্টে ৪ m/s বৃষ্টি আর ৩ m/s হাঁটা: tan θ = ০.৭৫, θ = ৩৬.৯°, আর আপেক্ষিক বেগ ৫.০০ m/s।

এখানে এক কৌতূহলী কথা: তুমি দ্রুত হাঁটলে বৃষ্টি তোমার চোখে বেশি তির্যক ও দ্রুত লাগে, যদিও আকাশে বৃষ্টি আগের মতোই। সিমুলেশনে “ব্যক্তির চোখে দেখো” চালালে ফোঁটাগুলো সত্যিই হেলে পড়ে।

v(আপেক্ষিক) = v(বৃষ্টি) − v(ব্যক্তি)ভেক্টর বিয়োগ

tan θ = v(ব্যক্তি) ÷ v(বৃষ্টি)ছাতার কাত উল্লম্ব থেকে

|v(আপেক্ষিক)| = √(v(বৃষ্টি)² + v(ব্যক্তি)²)দুটি বেগ লম্ব, তাই পিথাগোরাস

সিমুলেশনে হাতে-কলমে পরীক্ষা

প্রতিটি পরীক্ষা এক মিনিটের। করে দেখো, সূত্র আর কখনো ভুলবে না।

  • পরীক্ষা ১: প্রথম দৃশ্যে B-কে ধীরে ধীরে ঘুরিয়ে θ = ০° করো। লব্ধি দুই মানের যোগফল হলো? এবার θ = ১৮০° করো। লব্ধি কত কমল?
  • পরীক্ষা ২: A = B করো। θ ১২০° করলে R কত হয়? লব্ধির মান A-এর সমান কেন, ভাবো।
  • পরীক্ষা ৩: সামান্তরিক সূত্র চালিয়ে কর্ণটা লব্ধির তিরের ওপর বসে কি না দেখো। এরপর ত্রিভুজ সূত্রে বদলাও।
  • পরীক্ষা ৪: “লব্ধির উপাংশ দেখাও” চালু রেখে A ঘুরিয়ে Rx আর Ry-এর চিহ্ন কখন বদলায় খুঁজে বের করো।
  • পরীক্ষা ৫: নদী দৃশ্যে স্রোত ০ করে নৌকার মুখ ঘোরাও। ভাটিতে সরণ কত? এবার স্রোত বাড়িয়ে মুখ বদলাও।
  • পরীক্ষা ৬: নৌকার বেগ ৩ m/s আর স্রোত ৪ m/s রাখো, কেন ন্যূনতম পথের মুখ “—” দেখাচ্ছে বোঝো।
  • পরীক্ষা ৭: বৃষ্টির দৃশ্যে স্বয়ংক্রিয় কাত বন্ধ করো। ছাতার কাত স্লাইডারে কমিয়ে বাড়িয়ে ঠিক কোন কোণে “শুকনো” লেখা আসে, টুকে রাখো, তারপর tan θ দিয়ে মিলিয়ে নাও।

সমাধান করা অঙ্ক

প্রতিটি সংখ্যা কোডে হিসাব করা। আগে নিজে খাতায় করে তবে নিচের ধাপ দেখো।

অঙ্ক ১: ৩ N আর ৪ N সমকোণে

দুটি বল ৩ N আর ৪ N পরস্পর ৯০° কোণে একই বিন্দুতে কাজ করছে। লব্ধির মান ও দিক কত?

R = √(৩² + ৪² + 2 × ৩ × ৪ × cos ৯০°) = ৫.০০ N, কারণ cos ৯০° = ০। দিক: tan α = ৪ sin ৯০° ÷ (৩ + ৪ cos ৯০°) = ৪ ÷ ৩, তাই α = ৫৩.১°, ৩ N বলের সঙ্গে।

অঙ্ক ২: ১০ N আর ৬ N ৬০° কোণে

দুটি বল ১০ N আর ৬ N-এর মধ্যবর্তী কোণ ৬০°। লব্ধির মান ও দিক নির্ণয় করো।

A + B cosθ = ১০ + ৬ × ০.৫০ = ১৩.০০। B sinθ = ৬ × ০.৮৬৬ = ৫.২০। R² = ১৩.০০² + ৫.২০² = ১৯৬, তাই R = ১৪.০০ N। tan α = ৫.২০ ÷ ১৩.০০, α = ২১.৮°। কোণ ছোট বলে R প্রায় সরাসরি যোগফলের কাছাকাছি।

অঙ্ক ৩: সমান দুই বল ১২০° কোণে

দুটি সমান বলের প্রতিটি ৮ N, মধ্যবর্তী কোণ ১২০°। লব্ধি কত?

R = 2P cos(θ/2) = 2 × ৮ × cos ৬০° = 2 × ৮ × ০.৫০ = ৮.০০ N। অবাক হওয়ার মতো ব্যাপার: লব্ধি প্রতিটি বলের সমান। লব্ধি আসলে ৬০° কোণে, ঠিক দুই বলের মাঝখানে। তিন সমান বল ১২০° অন্তরে টানলে তারা পরস্পরকে কেটে দেয়, তাই এই ছবিটা ভারসাম্যের চাবি।

অঙ্ক ৪: ঢালু রশিতে টান

একটি স্লেজ গাড়িকে ৫০ N বলে ভূমির সঙ্গে ৩০° কোণে টানা হচ্ছে। বলের অনুভূমিক ও উল্লম্ব উপাংশ কত?

Fx = ৫০ cos ৩০° = ৪৩.৩০ N, Fy = ৫০ sin ৩০° = ২৫.০০ N। গাড়িকে সামনে ঠেলছে শুধু ৪৩.৩০ N। বাকি ২৫.০০ N ওপরে টানছে, ওজন কিছুটা কমিয়ে।

অঙ্ক ৫: নদী পার হওয়া

১০০ m চওড়া নদীতে স্রোতের বেগ ৩ m/s। নৌকার বেগ স্থির জলে ৫ m/s। (ক) মুখ সোজা ওপারে রাখলে লব্ধি বেগ, সময় ও ভাটিতে সরণ কত? (খ) ঠিক সামনের ঘাটে নামতে হলে কোন কোণে মুখ রাখবে, সময় কত?

(ক) লব্ধি বেগ √(৫² + ৩²) = ৫.৮৩ m/s। ওপারমুখী বেগ ৫ m/s, তাই সময় ১০০ ÷ ৫ = ২০.০ s। সরণ ৩ × ২০.০ = ৬০.০ m। পথ সোজা থেকে ৩১.০° কোণে।

(খ) sinφ = ৩ ÷ ৫ = ০.৬০, তাই φ = ৩৬.৯° উজানের দিকে। ওপারমুখী বেগ √(৫² − ৩²) = ৪.০০ m/s, সময় ১০০ ÷ ৪.০০ = ২৫.০ s। সময় বাড়ল, কিন্তু সরণ শূন্য।

অঙ্ক ৬: হাঁটার সময় ছাতা

বৃষ্টি ৪ m/s বেগে খাড়া নিচে পড়ছে, একজন ৩ m/s বেগে হাঁটছে। বৃষ্টির আপেক্ষিক বেগ কত? ছাতা উল্লম্ব থেকে কত কোণে ধরবে?

আপেক্ষিক বেগ √(৪² + ৩²) = ৫.০০ m/s। tan θ = ৩ ÷ ৪ = ০.৭৫, তাই θ = ৩৬.৯°, সামনের দিকে কাত করে।

অঙ্ক ৭: উল্টো পথের অঙ্ক

একজন সাইকেলচালক ৬ m/s বেগে যাচ্ছে। তার মনে হচ্ছে বৃষ্টি উল্লম্ব থেকে ৩০° কোণে আসছে। বৃষ্টির আসল বেগ কত?

tan ৩০° = ০.৫৭৭ = ৬ ÷ v(বৃষ্টি), তাই v(বৃষ্টি) = ৬ ÷ ০.৫৭৭ = ১০.৩৯ m/s। যাচাই: আপেক্ষিক বেগ √(১০.৩৯² + ৬²) = ১২.০০ m/s।

যে ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়

খাতা দেখার সময় একই কয়েকটা ভুল বারবার ধরা পড়ে। তালিকাটা পড়ে নিজের ভুলগুলো চিনে রাখো।

  • ভেক্টরের মান সরাসরি যোগ করা। ৩ N আর ৪ N-এর লব্ধি ৭ N শুধু একই দিকে হলে, অন্যথায় ছোট।
  • θ বলতে দুই ভেক্টরের লেজ এক বিন্দুতে রেখে তাদের মধ্যবর্তী কোণ। ত্রিভুজ আঁকার সময় ভেতরের কোণ আর θ আলাদা, কারণ ভেতরের কোণ হয় ১৮০° − θ।
  • tan α-এর হরে A + B cosθ লিখতে ভুলে শুধু A লেখা। হরে কোণের প্রভাব থাকবেই।
  • নদীর অঙ্কে সময় বের করতে লব্ধি বেগ দিয়ে প্রস্থ ভাগ করা। সময় হিসাবে শুধু ওপারমুখী উপাংশ লাগে।
  • বৃষ্টির আপেক্ষিক বেগে যোগ বিয়োগ গুলিয়ে ফেলা। দর্শকের বেগ উল্টো করে যোগ করতে হয়।
  • tan θ = ভ্যালু ÷ ভ্যালু লিখে কোণ নির্ণয় করার সময় ক্যালকুলেটর ডিগ্রি মোডে না রাখা।
  • ভেক্টর আর স্কেলারের একক গুলিয়ে ফেলা। লব্ধির একক উপাদান ভেক্টরের একক।

চারপাশের জীবনে ভেক্টর যোগ

একবার চিনতে শিখলে সবখানে দেখবে। কয়েকটা নমুনা:

  • বিমান আর বাতাস: পাইলট একদিকে মুখ করে, কিন্তু বাতাস অন্যদিকে ঠেলে। ঠিক ঠিকানায় পৌঁছাতে মুখ আগে থেকে হেলাতে হয়।
  • নৌকা আর লঞ্চ: সদরঘাট থেকে নদীর ওপারে যাওয়ার সময় সারেং এই হিসাবই করেন।
  • টাগ-অফ-ওয়ার: দুই দলের টান দুই ভেক্টর, লব্ধি কোন দিকে সেটাই জয়-পরাজয়।
  • গাছের ডালে ঝোলানো দোলনা: দুই দড়ির টানের লব্ধি দোলনার ওজনকে ভারসাম্যে রাখে।
  • ফুটবলে কোণাকুনি শট: পায়ের বল আর বাতাসের ধাক্কা মিলে বাঁক খায়।
  • ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথ: বাতাসের বেগ ও সমুদ্রস্রোত মিলে লব্ধি পথ।

পরীক্ষার কোণ: SSC ও HSC

ভেক্টর অধ্যায়ে সৃজনশীল প্রশ্নের উদ্দীপক সাধারণত নদী, নৌকা আর বলের লব্ধি নিয়ে আসে। একটি নমুনা দেখো।

নমুনা সৃজনশীল প্রশ্ন

উদ্দীপক: ২০০ m চওড়া একটি নদীর স্রোতের বেগ ৩ m/s। রহিম স্থির জলে ৫ m/s বেগে বৈঠা বাইতে পারে। সে একবার সোজা ওপারে মুখ রেখে যায়, আরেকবার ঠিক সামনের ঘাটে পৌঁছাতে চায়।

ক. ভেক্টর রাশি কাকে বলে? (১ নম্বর)

খ. স্রোতের বেগ নৌকার ওপারে যাওয়ার সময় বদলায় না কেন? (২ নম্বর)

গ. সোজা ওপারে মুখ রাখলে রহিমের সময় ও ভাটিতে সরণ নির্ণয় করো। (৩ নম্বর) উত্তর: সময় ২০০ ÷ ৫ = ৪০.০ s, সরণ ৩ × ৪০.০ = ১২০.০ m।

ঘ. ঠিক সামনের ঘাটে পৌঁছাতে সে কোন কোণে মুখ রাখবে এবং সময় কত লাগবে? দুই ক্ষেত্রের সময়ের তুলনা করো। (৪ নম্বর) উত্তর: φ = ৩৬.৯°, সময় ২০০ ÷ ৪.০০ = ৫০.০ s।

উত্তর লেখার কৌশল

গ-তে আগে লেখো, নদীর প্রস্থ পার হওয়ার সময় শুধু ওপারমুখী উপাংশ ঠিক করে। ঘ-তে শর্ত লেখো: ভাটিতে নেট বেগ শূন্য। তারপর সূত্র বসাও। তুলনা লাইনে লিখো, ঠিক সামনে পৌঁছাতে সময় বেশি লাগে, কারণ ওপারমুখী উপাংশ কমে গেছে।

অনুশীলন: (১) ৬ N ও ৮ N বল সমকোণে, লব্ধি ১০.০০ N। (২) দুটি ১০ N বল ৬০° কোণে, লব্ধি ১৭.৩২ N। (৩) বৃষ্টি ৬ m/s, মানুষ ৮ m/s, আপেক্ষিক বেগ ১০.০০ m/s, কোণ ৫৩.১°।

দ্রুত রিভিশন

পরীক্ষার আগের রাতে এই কয়েক লাইন চোখ বুলিয়ে নাও।

  • ভেক্টরের মান ও দিক দুটিই আছে। স্কেলারের শুধু মান।
  • ত্রিভুজ সূত্র: একটির মাথায় অন্যটির লেজ। সামান্তরিক সূত্র: দুই লেজ এক বিন্দুতে। ফল একই।
  • R = √(A² + B² + 2AB cosθ) এবং tan α = B sinθ ÷ (A + B cosθ)।
  • θ = ০° হলে R সর্বোচ্চ, ১৮০° হলে সর্বনিম্ন।
  • উপাংশ: F cosθ আর F sinθ। লব্ধির উপাংশ = উপাংশের যোগফল।
  • নদী: সময় = প্রস্থ ÷ ওপারমুখী বেগ। ঠিক সামনে নামতে sinφ = u ÷ v।
  • বৃষ্টি: tan θ = ব্যক্তির বেগ ÷ বৃষ্টির বেগ, আপেক্ষিক বেগ = বৃষ্টির বেগ − ব্যক্তির বেগ।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

ভেক্টর যোগ করলে মান যোগ হয় না কেন?

কারণ ভেক্টরের একটি দিকও আছে, আর দিক আলাদা হলে একটির প্রভাব অন্যটিকে আংশিক কেটে দেয়। মান সরাসরি যোগ হয় কেবল দুটি ভেক্টর একই দিকে থাকলে। বাকি সব ক্ষেত্রে R = √(A² + B² + 2AB cosθ) এবং ফল সবসময় A + B-এর চেয়ে ছোট বা সমান।

ত্রিভুজ সূত্র আর সামান্তরিক সূত্রে ফল কি আলাদা?

না, দুটি আসলে একই ছবি। সামান্তরিকের বিপরীত বাহু সমান, তাই কর্ণ বরাবর লব্ধি আর ত্রিভুজের তৃতীয় বাহু একই তির। বিমূর্ত পার্থক্য শুধু আঁকার শুরু: ত্রিভুজে মাথায় লেজ, সামান্তরিকে লেজে লেজ।

লব্ধি কখন শূন্য হয়?

দুটি ভেক্টরের মান সমান আর তারা সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী হলে, মানে θ = ১৮০° এবং A = B। তখন তির দুটি পরস্পরকে কেটে দেয়। তিনটি সমান ভেক্টর ১২০° অন্তরে থাকলেও লব্ধি শূন্য।

নদী পার হতে কম সময় আর কম দূরত্বের উত্তর আলাদা কেন?

সময় নির্ভর করে শুধু ওপারমুখী বেগের ওপর, তাই সবচেয়ে কম সময়ে মুখ সোজা ওপারে। কিন্তু তখন স্রোত নৌকাকে ভাটিতে ভাসায়। ঠিক সামনে নামতে মুখ উজানে হেলাতে হয়, ফলে ওপারমুখী বেগ কমে এবং সময় বাড়ে।

স্রোত নৌকার চেয়ে জোরে হলে কি সোজা ওপারে নামা যায়?

না। ঠিক সামনে নামার শর্ত sinφ = u ÷ v, আর u ≥ v হলে ডান পাশ ১ বা তার বেশি হয়, যা সম্ভব নয়। তখন কম ভাটিতে ভাসার জন্য সবচেয়ে ভালো মুখ খুঁজতে হয়, কিন্তু শূন্য সরণ মিলবে না।

আপেক্ষিক বেগ কী?

একটি বস্তুকে অন্য একটি চলমান বস্তু থেকে দেখলে যে বেগ মনে হয়, সেটাই আপেক্ষিক বেগ। নিয়ম: যাকে দেখছ তার বেগ থেকে যে দেখছে তার বেগ ভেক্টর হিসেবে বিয়োগ করো। হাঁটতে থাকা মানুষের চোখে খাড়া বৃষ্টিও তির্যক দেখায় এই কারণে।

ছাতা কোন কোণে ধরলে ভিজব না?

যে দিক থেকে বৃষ্টি আসছে সে দিকে। উল্লম্ব থেকে সামনের দিকে θ কোণে, যেখানে tan θ = ব্যক্তির বেগ ÷ বৃষ্টির বেগ। দাঁড়িয়ে থাকলে θ = ০°, মানে সোজা ছাতা। যত জোরে হাঁটবে, তত বেশি কাত করতে হবে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ