লেখচিত্রে টেনে a সরাও
নিয়ন্ত্রণ
ফাংশন f(x)
পরিমাপ
- বাম দিকের সীমা
- ১
- ডান দিকের সীমা
- ১
- সীমা আছে কি
- আছে
- সীমা L
- ১
- a বিন্দুতে f-এর মান
- ১
- ε
- ১
- যে δ কাজ করে (সবচেয়ে বড়)
- ০.৫
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- “ফাংশন f(x)” থেকে একটা ফাংশন বেছে নাও। মোটা বক্ররেখাটা y = f(x)। খাড়া বিন্দুযুক্ত রেখাটা a বিন্দু, যাকে লেখচিত্রে টেনে অথবা “বিন্দু a” স্লাইডার দিয়ে সরানো যায়।
- কমলা আনুভূমিক ব্যান্ডটা ε-ব্যান্ড: সীমার মান L থেকে ε-র মধ্যে থাকা উচ্চতার ফালি। “ε” মানে উত্তরে তুমি কতটা ভুল মেনে নিতে রাজি। “ε” স্লাইডার দিয়ে এটা বদলাও।
- সবুজ খাড়া ব্যান্ডটা δ-ব্যান্ড: a-র চারপাশে x-এর সবচেয়ে চওড়া সেই ফালি, যার ভেতরে (শুধু x = a বিন্দুটা বাদে) বক্ররেখা কমলা ব্যান্ডের ভেতরেই থাকে। “যে δ কাজ করে (সবচেয়ে বড়)” রিডিং এর অর্ধেক-প্রস্থ দেখায়।
- প্লে চাপো। ε বারবার ছোট হয়, সবুজ ব্যান্ডও সরু হয়। পুরো সংজ্ঞাটাই এখানে চলছে: তুমি যে ε-ই বাছো, একটা δ থাকবেই।
- “বাম দিকের সীমা” আর “ডান দিকের সীমা” দেখো। দুটো সমান হলে সীমা আছে এবং L হিসেবে দেখানো হয়। বক্ররেখার ফাঁপা বৃত্ত মানে সেখানে ফাংশনের নিজের কোনো মান নেই।
- শেষ ফাংশনটা, লাফ, বেছে নাও। a-কে ০-তে রাখো। দুই পাশ আলাদা, আর ε ১ বা তার কম হলে সবুজ ব্যান্ড হারিয়ে গিয়ে “কোনো δ কাজ করে না” লেখা আসে।
“কাছে যাওয়া” আসলে কী?
ধরো তুমি একটা দোকানের দিকে হাঁটছ। কাছে যাচ্ছ, আরও কাছে যাচ্ছ। “কাছে যাওয়া” মানে পথচলা, পৌঁছানো নয়। সীমাও ফাংশনকে একই প্রশ্ন করে: x যখন a সংখ্যাটার দিকে এগোয়, f(x) কোন উচ্চতার দিকে এগোয়? a-তে কী ঘটে সেটা আমরা জিজ্ঞেসই করি না, শুধু তার আশপাশে।
এই পার্থক্যটা জরুরি। (x² − 1)/(x − 1) নাও। x = 1-এ এটা ০ ÷ ০, অর্থহীন, তাই ফাংশনের সেখানে কোনো মানই নেই। কিন্তু বাকি সব x-এ সে ঠিকঠাক কাজ করে। সীমা আমাদের এমন একটা জায়গা নিয়েও কাজের কথা বলতে দেয়, যেখানে ফাংশন নিজে উত্তর দিতে চায় না।
ε–δ খেলা
বইয়ে সংজ্ঞাটা গ্রিক অক্ষরে লেখা, দেখে ভয় লাগে। আসলে এটা দুজনের খেলা। তুমি সন্দেহবাদী, তুমি একটা সহনসীমা ε বাছো, খুব ছোট ধনাত্মক সংখ্যা: “আমি চাই f(x) যেন L থেকে ε-র মধ্যে থাকে।” অন্য খেলোয়াড়কে δ দিয়ে উত্তর দিতে হবে: “তাহলে x-কে a থেকে δ-র মধ্যে রাখো, তোমাকে কথা দিচ্ছি পাবে।”
তুমি যত ছোট ε-ই ছুড়ে দাও, দ্বিতীয়জন যদি প্রতিবার উত্তর দিতে পারে, তবে সীমা L। এমনকি একটা ε-র জন্যও যদি কোনো δ না মেলে, দাবিটা মিথ্যা। সিমুলেশনে কমলা ব্যান্ড তোমার দাবি, সবুজ ব্যান্ড তার উত্তর।
lim (x → a) f(x) = Lপড়বে: x যখন a-র দিকে যায়, f(x)-এর সীমা L
প্রতিটি ε > 0-র জন্য এমন δ > 0 আছে যে 0 < |x − a| < δ ⇒ |f(x) − L| < εসঠিক বিবৃতি
- 0 < |x − a| মানে x, a-র কাছে কিন্তু a-র সমান নয়। x = a বিন্দুটা ইচ্ছে করেই বাদ দেওয়া।
- |f(x) − L| < ε মানে উচ্চতা কমলা ব্যান্ডের ভেতরে।
- δ ঠিক হয় ε-র ওপর নির্ভর করে। ε আঁটসাঁট হলে সাধারণত δ ছোট লাগে।
সরলরেখা: δ হলো ε-কে ঢাল দিয়ে ভাগ
f(x) = 2x − 1, a = 1 দিয়ে শুরু করি, এখানে L = ১। x-কে δ নড়ালে f(x) নড়ে দ্বিগুণ, তাই আউটপুটের ভুল ২δ। ২δ-কে ε-র নিচে রাখতে হলে δ = ε/২। নিচের সারণি সিমুলেশনের নিজের খোঁজ থেকে হিসাব করা, আর মিলে যায়।
| ε | সবচেয়ে বড় δ |
|---|---|
| ১ | ০.৫০০০ |
| ০.৫ | ০.২৫০০ |
| ০.১ | ০.০৫০০ |
| ০.০১ | ০.০০৫০ |
বক্ররেখা: x² নিয়মটা একটু বাঁকায়
এবার a = 1-এ f(x) = x², L = ১। ১-এর ডানে বক্ররেখা বাঁয়ের চেয়ে খাড়া, তাই দুই পাশ আলাদা প্রস্থ দেয়, আর নিরাপদ δ হলো ছোটটা। সিমুলেশনে সবুজ ব্যান্ড a-র দুই পাশে সমান, আঁটসাঁট পাশ অনুযায়ী মাপা।
- ε ছোট হলে ε দশ ভাগ করলে δ-ও মোটামুটি দশ ভাগ ছোট হয়। বিন্দুর কাছে মসৃণ বক্ররেখা নিজের স্পর্শকের মতো দেখায়, তাই আবার δ ≈ ε / ঢাল।
- আলাদা জায়গায় একই ε-র জন্য আলাদা δ লাগে। a = ২-এ ঢাল ৪ আর L = ৪, সেখানে ε = ০.৫ হলে δ = ০.১২১৩।
| ε | সবচেয়ে বড় δ |
|---|---|
| ১ | ০.৪১৪২ |
| ০.৫ | ০.২২৪৭ |
| ০.১ | ০.০৪৮৮ |
| ০.০১ | ০.০০৫০ |
গর্ত: সীমা আছে, মান নেই
(x² − 1)/(x − 1) বেছে নাও। ১ ছাড়া প্রতিটি x-এর জন্য এটা x + 1-এর সমান, তাই লেখচিত্র y = x + 1 সরলরেখা, শুধু একটা বিন্দু উধাও, ফাঁপা বৃত্তে আঁকা। x দুই পাশ থেকে ১-এর কাছে এলে উচ্চতা ২-এর দিকে ঘনিয়ে আসে।
- f(1) সংজ্ঞাহীন হলেও সীমা ২।
- এখানে সবুজ ব্যান্ড ε-র সমান চওড়া, কারণ রেখার ঢাল ১। ε = ০.৫, ০.১ ও ০.০১-এর জন্য সবচেয়ে বড় δ হলো ০.৫০০০, ০.১০০০, ০.০১০০।
- এই ফাঁককে বলে অপসারণযোগ্য অসন্তত্য: f(1) = ২ ধরে নিলেই গর্ত ভরাট।
| x | f(x) |
|---|---|
| ০.৯ | ১.৯০০ |
| ০.৯৯ | ১.৯৯০ |
| ০.৯৯৯ | ১.৯৯৯ |
| ১.০০১ | ২.০০১ |
| ১.০১ | ২.০১০ |
| ১.১ | ২.১০০ |
০-তে sin x / x: সবচেয়ে বিখ্যাত সীমা
sin x / x বেছে a-কে ০-তে রাখো। x = ০-তে আবার ০ ÷ ০, বক্ররেখায় ফাঁপা বৃত্ত। অথচ দুই পাশের মানগুলো দেখো: সব ঘনিয়ে আসছে ১-এর দিকে।
| x | sin x / x (ডানে) | sin x / x (বামে) |
|---|---|---|
| ১ | ০.৮৪১৪৭১ | ০.৮৪১৪৭১ |
| ০.৫ | ০.৯৫৮৮৫১ | ০.৯৫৮৮৫১ |
| ০.১ | ০.৯৯৮৩৩৪ | ০.৯৯৮৩৩৪ |
| ০.০১ | ০.৯৯৯৯৮৩ | ০.৯৯৯৯৮৩ |
লাফ: যখন কোনো δ-ই কাজ করে না
লাফ ফাংশনটা বেছে নাও: ঋণাত্মক সব x-এ এর মান -১, আর ০ থেকে শুরু করে ১। a-কে ০-তে রাখো। বাম দিক থেকে উচ্চতা -১-এর দিকে যায়, ডান দিক থেকে ১-এর দিকে। দুই একমুখী সীমা আলাদা, তাই একটাই L নেই।
তবু সিমুলেশন মাঝের মান ০-কে ঘিরে ব্যান্ড আঁকে, যাতে তুমি চেষ্টা করতে পারো। ε ১ বা কম হলে ০-র যত কাছেই থাকো, বক্ররেখা ব্যান্ডের বাইরে উঁকি দেয়, সারণিতেও তাই।
- ε = ০.৫ ও ০.৯: δ = ০। কোনো প্রস্থই বাঁচায় না, কারণ দুই টুকরোই মাঝের মান থেকে পুরো এক একক দূরে।
- ε = ১.১: যেকোনো δ চলে, কারণ পুরো বক্ররেখা ০ থেকে ১.১-এর মধ্যে। এমন ঢিলেঢালা দাবি কিছুই প্রমাণ করে না। সীমাকে প্রতিটি ε, ছোটগুলোসহ, পার করতে হয়।
- লাফ থেকে দূরে, ধরো a = ২-এ, দুই পাশ আবার মেলে (দুটোই ১) আর সীমা আছে।
| ε | সবচেয়ে বড় δ |
|---|---|
| ০.৫ | ০ |
| ০.৯ | ০ |
| ১.১ | ≥ ৪ |
বাম, ডান, আর কখন সীমা থাকে
বাম দিকের সীমা শুধু x < a ব্যবহার করে, ডান দিকেরটা শুধু x > a। সাধারণ সীমা তখনই থাকে যখন দুটোই আছে এবং সমান। বাস্তবে এটাই সবচেয়ে দ্রুত পরীক্ষা: দুই পাশ হিসাব করো, মেলাও।
সন্ততা আরও জোরালো দাবি। a-তে ফাংশন সন্তত হয় যখন সীমা আছে, a-তে ফাংশনের মান আছে, আর দুটো সমান। গর্ত দ্বিতীয় শর্ত ভাঙে, লাফ প্রথমটা, তাই সিমুলেশনের গর্ত আর লাফ দুই ফাংশনই নিজেদের বিশেষ বিন্দুতে অসন্তত।
lim (x → a) f(x) আছে ⇔ lim (x → a⁻) f(x) = lim (x → a⁺) f(x)দুই পাশ মেলে
a-তে সন্তত ⇔ lim (x → a) f(x) = f(a)সীমা সমান মানের
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
ছয়টা ছোট পরীক্ষা, এক মিনিট করে।
- ২x − ১ বেছে প্লে চাপো। সবুজ ব্যান্ড ঠিক কমলার অর্ধেক চওড়া থাকে।
- থামিয়ে a-কে x²-এর ওপর ২.৫-এর মতো বড় মানে টানো। একই ε-তে কি একই δ থাকে?
- গর্ত ফাংশনটা বেছে a-কে ১-এ টানো। ফাঁপা বৃত্ত দেখো। এবার a = ২: বৃত্ত ভরাট বিন্দু হয়ে গেল।
- sin x / x বেছে বড় ε = ১.৫ দাও। সবুজ ব্যান্ড বিশাল। ε ছোট করো, ০-র চারপাশে সরু হতে দেখো।
- লাফ বেছে a = ০ আর ε = ০.৫ দাও। “কোনো δ কাজ করে না” আসবে। ε ১-এর ওপরে তোলো। ব্যান্ড ফিরে আসে কেন?
- লাফে a-কে ১-এ টানো। সীমা এখন আছে। ০-র লাফে পৌঁছানোর আগে δ কত চওড়া হতে পারে?
সমাধান করা অঙ্ক
ছয়টা প্রচলিত প্রশ্ন। নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের কোড দিয়ে গণনা করা।
অঙ্ক ১: সরলরেখার δ বের করো
দেখাও lim (x → 2) (3x + 2) = ৮, এবং ε = ০.৩-এর জন্য একটা δ বের করো।
|(3x + 2) − ৮| = 3|x − 2|। এটা ε-র কম হতে হলে |x − 2| < ε/3 লাগে। তাই δ = ε/3, আর ε = ০.৩-এর জন্য δ = ০.১। এর চেয়ে ছোট যেকোনো δ-ও চলে।
অঙ্ক ২: উৎপাদকে ভেঙে সীমা
বের করো lim (x → 2) (x² − 4)/(x − 2)।
x = ২-এ লব ও হর দুটোই ০, বসিয়ে হয় না। উৎপাদকে ভাঙো: x² − 4 = (x − 2)(x + 2), আর x ≠ 2 হলে (x − 2) কাটা যায়, থাকে x + 2। x → 2 হলে এটা ৪-এর দিকে যায়। সারণিও একই বলে।
| x | (x² − 4)/(x − 2) |
|---|---|
| ১.৯ | ৩.৯০০ |
| ১.৯৯ | ৩.৯৯০ |
| ১.৯৯৯ | ৩.৯৯৯ |
| ২.০০১ | ৪.০০১ |
| ২.০১ | ৪.০১০ |
| ২.১ | ৪.১০০ |
অঙ্ক ৩: sin 3x / x
বের করো lim (x → 0) sin 3x / x।
লেখো sin 3x / x = 3 · (sin 3x)/(3x)। দ্বিতীয় উৎপাদক sin u / u, যেখানে u = 3x → 0, আর তার সীমা ১। তাই সীমা ৩। নিচের মানগুলো তার দিকেই এগোয়।
| x | sin 3x / x |
|---|---|
| ০.১ | ২.৯৫৫২০ |
| ০.০১ | ২.৯৯৯৫৫ |
| ০.০০১ | ৩.০০০০০ |
অঙ্ক ৪: ০-তে lim |x|/x কি আছে?
x > 0 হলে |x|/x = ১। x < 0 হলে |x|/x = −১। ডান দিকের সীমা ১, বাম দিকেরটা −১। আলাদা, তাই সীমা নেই। সিমুলেশনের লাফ ফাংশনের মতোই আকার।
অঙ্ক ৫: স্যান্ডউইচ ধারণা
sin(1/x) বন্যভাবে দুললেও lim (x → 0) x² sin(1/x) = ০ কেন? কারণ −x² ≤ x² sin(1/x) ≤ x², আর বাইরের দুই x²-এর সীমাই ০। একই সীমার দুই ফাংশনের মাঝে চেপে থাকা ফাংশনেরও সেই সীমাই।
অঙ্ক ৬: অসীম সীমা
x → 0 হলে 1/x² দেখো। মান ১০০, ১০ ০০০, ১০ ০০ ০০০ সীমাহীনভাবে বাড়ে, তাই সসীম L নেই, বলি সীমা ∞। যেকোনো সসীম সংখ্যার চারপাশে ε উচ্চতার ব্যান্ড শেষে পার হয়ে যায়, ε–δ চোখে এটাই।
যেসব ভুল এড়াবে
এই ভুলগুলোতে বারবার নম্বর কাটা যায়।
- সীমাকে f(a) ভাবা। সীমা a-তে কী ঘটে তা দেখে না; গর্ত আর sin x / x ফাংশনে f(a) নেইই।
- দুই পাশ আলাদা হলেও সীমা লিখে ফেলা। a-তে ফাংশনের নিয়ম বদলালে দুই পাশই দেখো।
- আগে δ বাছা। সংজ্ঞায় ε আগে আসে, তা থেকে δ বের হয়।
- ঠিক ওই বিন্দুতে শূন্য এমন উৎপাদক কেটে ভুলে যাওয়া যে মূল ফাংশন সেখানে এখনও সংজ্ঞাহীন।
- ০ ÷ ০ = ১ লেখা। ০ ÷ ০ অর্থহীন। এটা উৎপাদকে ভাঙার ইঙ্গিত, উত্তর নয়।
সীমা কোথায় কাজে লাগে
প্রতিটি অন্তরজ একটা সীমা (ব্যবধান শূন্যের দিকে গেলে ছেদকের ঢাল), আর প্রতিটি সমাকলনও একটা সীমা (ফালি সরু হলে চিকন ফালির যোগফল)। সীমা ছাড়া ক্যালকুলাস নেই।
প্রকৌশলীরা একই ধারণা সহনসীমায় ব্যবহার করেন: একটা যন্ত্রাংশ নির্দিষ্ট মাপের ε-র মধ্যে থাকতে হবে, আর প্রশ্ন হলো মেশিন কতটা নিখুঁত সেট করা চাই, মানে δ। কম্পিউটার বিজ্ঞানে অভিসৃতিতে: উত্তর ε-র মধ্যে আসতে কত ধাপ লাগে।
পরীক্ষার কোণ
এইচএসসি উচ্চতর গণিত ও ভর্তি পরীক্ষার জন্য মনে রাখো।
- আগে বসিয়ে দেখো। সংখ্যা পেলে সেটাই সীমা। ০/০ পেলে উৎপাদকে ভাঙো, মূলদীকরণ করো বা প্রমিত সীমা কাজে লাগাও।
- প্রমিত সীমা lim (x → 0) sin x / x = ১ বারবার লাগে, x রেডিয়ানে।
- সীমা নেই দেখাতে দুটি আলাদা একমুখী সীমা, অথবা ভিন্ন উত্তরের দুটি পথ বের করো।
- আনুষ্ঠানিক ε–δ প্রমাণে |f(x) − L| < ε থেকে উল্টো দিকে কাজ করে |x − a| কত হওয়া চাই বের করো, তারপর প্রমাণটা সোজা দিকে লেখো।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সহজ ভাষায় ফাংশনের সীমা কী?
x কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যার যত কাছে যায়, f(x) যে মানের যত কাছে আসতে থাকে, সেটাই সীমা, পৌঁছানোর দরকার নেই। ওই সংখ্যায় ফাংশন সংজ্ঞাহীনও হতে পারে।
ε আর δ কী বোঝায়?
ε (এপসিলন) হলো আউটপুট f(x)-কে সীমা L-এর কত কাছে চাও। δ (ডেল্টা) হলো সেটা নিশ্চিত করতে ইনপুট x-কে a-র কত কাছে থাকতে হবে। সংজ্ঞা বলে প্রতিটি ε-র একটা মানানসই δ আছে।
সংজ্ঞায় x = a কেন বাদ?
কারণ সীমা বিন্দুর কাছের আচরণ বর্ণনা করে, বিন্দুতে নয়। a বাদ দিলে ১-এ (x² − 1)/(x − 1) আর ০-তে sin x / x-এর মতো গর্ত নিয়ে কাজ করা যায়।
কখন সীমা থাকে না?
বাম ও ডান দিকের সীমা আলাদা হলে (লাফ), ফাংশন সীমাহীনভাবে বাড়লে, অথবা ০-র কাছে sin(1/x)-এর মতো স্থির না হয়ে চিরকাল দুলতে থাকলে।
সীমা কি ফাংশনের মানের সমান?
সবসময় না। ফাংশন ওই বিন্দুতে সন্তত হলে তবেই সমান। গর্তে সীমা আছে কিন্তু মান নেই।
ছোট ε-র জন্য কেন ছোট δ লাগে?
অনুমোদিত উচ্চতার ব্যান্ড সরু হলে তা নিশ্চিত করার উপায় শুধু a-র আরও কাছে থাকা, কারণ তখন বক্ররেখার ঘোরার জায়গা কম। কতটা ছোট, তা ঢালের ওপর নির্ভর করে।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















