মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

অন্তরজ মানে ছেদক যখন স্পর্শক হয়ে যায়

কোনো বিন্দুতে y = f(x) বক্ররেখার স্পর্শকের ঢালই হলো অন্তরজ f′(x)। P থেকে অল্প দূরে h ব্যবধানে আরেকটি বিন্দু Q নাও, P আর Q দিয়ে ছেদক আঁকো, তার ঢাল (f(x + h) − f(x)) / h। h-কে শূন্যের দিকে ছোট করলে ঢালটি একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় থিতু হয়, সেটাই অন্তরজ, আর ছেদকটি থিতু হয় স্পর্শকে।

ওপরের লেখচিত্রে টেনে P সরাও

বক্ররেখা y = f(x)P ও Q-এর ছেদকP বিন্দুতে স্পর্শকঅন্তরজের লেখচিত্র f′(x)
গতি

নিয়ন্ত্রণ

ফাংশন f(x)

১.০০
২.০০

পরিমাপ

বিন্দু P
(১, ১)
বিন্দু Q
(৩, ৯)
এখন যে রেখা আঁকা
ছেদক (h > 0)
ছেদকের ঢাল
৪
সঠিক অন্তরজ f′(x)
২
দুইয়ের পার্থক্য
২
স্পর্শকের সমীকরণ
y = ২x − ১

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “ফাংশন f(x)” থেকে একটি ফাংশন বেছে নাও: x², x³, sin x, eˣ বা 1/x। ওপরের মোটা বক্ররেখাটি y = f(x)। কালো বিন্দু P হলো যেখানে ঢাল মাপছি। ওপরের লেখচিত্রে টেনে বা “P বিন্দুর x” স্লাইডারে P সরাও।
  2. কমলা বিন্দু Q বসে P থেকে h ব্যবধানে, আর দুই বিন্দু দিয়ে যাওয়া কমলা রেখাটি ছেদক। শুরুতে h = ২, তাই Q অনেক দূরে। ছেদকের ঢাল তখন গড়মাত্র, P-তে বক্ররেখার আসল ঢালের থেকে অনেক আলাদা।
  3. প্লে চাপো। h ধীরে ধীরে কমে, Q বক্ররেখা বেয়ে P-র দিকে আসে আর ছেদক ঘুরতে থাকে। h শূন্যে পৌঁছালে রেখাটি সবুজ হয়ে যায়: এটাই স্পর্শক, যে রেখা P-তে বক্ররেখাকে ছুঁয়ে যায়।
  4. রিডিং দেখো। “ছেদকের ঢাল” হলো (f(x + h) − f(x)) / h। “সঠিক অন্তরজ” হলো আসল f′(x)। h কমতে থাকলে “দুইয়ের পার্থক্য” শূন্যের দিকে নামে। থামিয়ে h স্লাইডার নিজে টেনে যেকোনো মাপে দেখে নাও।
  5. নিচের লেখচিত্র দেখো। ওটা y = f′(x), অর্থাৎ অন্তরজ ফাংশন। সবুজ বিন্দু P-তে f′ চিহ্নিত করে, ফাঁপা কমলা বৃত্তটি বর্তমান ছেদকের ঢাল। h শূন্যের দিকে গেলে বৃত্তটি সবুজ বিন্দুর ওপর বসে যায়।
  6. P অন্য জায়গায় টেনে আবার দেখো। x²-এ সবুজ বিন্দু একটি সরলরেখা বেয়ে ওঠে, sin x-এ সে কোসাইন তরঙ্গ অনুসরণ করে। রিডিংয়ে স্পর্শকের সমীকরণও প্রতি অবস্থানে বদলায়।

বক্ররেখা কতটা খাড়া?

সরলরেখার ঢাল সব জায়গায় একই: উল্লম্ব বাড়া ভাগ আনুভূমিক বাড়া। কিন্তু বক্ররেখা একটু জটিল। ওপরে ছোড়া বল প্রথমে খাড়া উঠে, চূড়ায় এসে সমতল হয়, তারপর নামে। প্রতি মুহূর্তে তার খাড়াভাব বদলায়। তাহলে “ঠিক এই বিন্দুর ঢাল” বলতে কী বোঝায়?

কৌশলটা হলো জুম করা। যেকোনো মসৃণ বক্ররেখায় যথেষ্ট জুম করলে সেটা সরলরেখার মতো দেখায়। ওই ছোট সরল অংশের ঢালই সেই বিন্দুতে বক্ররেখার ঢাল, আর রেখাটির নাম স্পর্শক। অন্তরজ হলো সেই সংখ্যা বের করার যন্ত্র।

ছেদক থেকে স্পর্শক

একটি বিন্দু থেকে ঢাল পাওয়া যায় না, দুটি বিন্দু লাগে। তাই একটু কৌশল করি। বক্ররেখার ওপর P নিই, আর একটু দূরে Q। দুই বিন্দু দিয়ে যাওয়া রেখার নাম ছেদক, তার ঢাল সোজা: উল্লম্ব দূরত্ব ভাগ আনুভূমিক দূরত্ব।

এবার Q-কে P-র দিকে সরাও। ছেদক ঘোরে আর ঢাল বদলায়। নিচে x = ১ বিন্দুতে x²-এর হিসাব, যেখানে P = (১, ১)। বাঁ কলামে ব্যবধান h, ডানে ছেদকের ঢাল।

  • h = ১ হলে ছেদকের ঢাল ৩.০০০০। এটা পুরো এক একক জুড়ে গড় ঢাল, তাই আসল মান থেকে দূরে।
  • h = ০.১ হলে ঢাল ২.১০০০, আর h = ০.০০১ হলে ২.০০১০।
  • সংখ্যাগুলো ২-এর দিকে এগোচ্ছে। এই লক্ষ্যই x = ১ বিন্দুতে x²-এর অন্তরজ।
hছেদকের ঢাল
১৩.০০০০
০.৫২.৫০০০
০.১২.১০০০
০.০১২.০১০০
০.০০১২.০০১০

সংজ্ঞাটা লিখে ফেলি

x আর x + h দিয়ে যাওয়া ছেদকের ঢাল (f(x + h) − f(x)) / h। h শূন্যের দিকে ছোট হলে এই অনুপাত যেখানে থিতু হয়, সেটাই অন্তরজ। এই “থিতু হওয়া”র সঠিক নাম সীমা।

আমরা কখনো h = ০ বসাই না, কারণ ০ ÷ ০ কিছুই বোঝায় না। শুধু দেখি অনুপাতটি কোন মানের কাছাকাছি যাচ্ছে। সিমুলেশনে শেষ ধাপে h = ০ বসানো হয় কেবল চূড়ান্ত স্পর্শক আঁকার জন্য।

f′(x) = lim (h → 0) [f(x + h) − f(x)] / hপ্রথম নীতি থেকে সংজ্ঞা

স্পর্শক: y = f′(a)·(x − a) + f(a)x = a বিন্দুতে স্পর্শকের সমীকরণ

অন্তরজেরও লেখচিত্র আছে

P সরালে স্পর্শকের ঢাল বদলায়। প্রতিটি x-এর ঢাল লিখে গেলে নতুন একটি ফাংশন পাওয়া যায়, f′(x)। সিমুলেশনের নিচের লেখচিত্রটি সেটাই। ওপরের বক্ররেখা যেখানে ওঠে সেখানে নিচের লেখচিত্র শূন্যের ওপরে। যেখানে চূড়া বা খাদ, সেখানে নিচের লেখচিত্র শূন্য ছুঁয়ে যায়। যেখানে বক্ররেখা নামে, সেখানে নিচেরটি ঋণাত্মক।

x²-এর জন্য পাঁচটি বিন্দুর উচ্চতা ও ঢাল নিচের ছকে। ঢাল ঠিক x-এর দ্বিগুণ।

xx²x²-এর ঢাল
-২৪-৪
-১১-২
০০০
১১২
২৪৪

সিমুলেশনের পাঁচটি ফাংশন

এদের প্রতিটির অন্তরজ জানা। ছকে অন্তরজ আর শেষ কলামে x = ১-এ ঢাল দেওয়া আছে, “P বিন্দুর x” ১ করে সিমুলেশনে মিলিয়ে নাও।

  • x²-এর ঢাল ধীরে বাড়ে: 2x। ০-তে সমতল, ডানে ওপরে, বাঁয়ে নিচে।
  • x³-এর ঢাল 3x², যা কখনো ঋণাত্মক হয় না। বক্ররেখা কখনো নামে না, তবে ০-তে এক মুহূর্ত সমতল হয়।
  • sin x-এর ঢাল cos x। অন্তরজের লেখচিত্র একই তরঙ্গ, শুধু এক-চতুর্থাংশ সরানো।
  • eˣ এমন ফাংশন যার ঢাল সব জায়গায় তার উচ্চতার সমান। দুটি লেখচিত্র হুবহু এক।
  • 1/x-এর ঢাল −1/x², সবসময় ঋণাত্মক। ০-তে ফাঁকের দুই পাশেই বক্ররেখা নামে।
f(x)f′(x)x = ১-এ ঢাল
x²2x২
x³3x²৩
sin xcos x০.৫৪০৩
eˣeˣ২.৭১৮৩
1/x−1/x²-১

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

ছয়টি ছোট পরীক্ষা, প্রতিটি এক মিনিটের।

  • x² বেছে প্লে চাপো, h কমতে দেখো। শেষে ছেদকের ঢাল দেখে তোমার P-তে 2x-এর সঙ্গে মিলিয়ে নাও।
  • থামিয়ে x² বক্ররেখায় P-কে x = ০-তে নাও। স্পর্শক সমতল। নিচের লেখচিত্রে কত দেখাচ্ছে?
  • eˣ বেছে দুটি লেখচিত্র দেখো। নাম না দেখে কোনটা কোনটা বলতে পারো?
  • sin x বেছে P-কে তরঙ্গের চূড়ায় নাও, স্পর্শক সমতল। এবার যেখানে বক্ররেখা অক্ষ কাটে সেখানে নাও। স্পর্শক কি এখানে সবচেয়ে খাড়া?
  • 1/x বেছে P-কে ডানে ০-র খুব কাছে নাও, তারপর বাঁয়ে। ঢাল এত বড় হয় কেন?
  • x³ বেছে h = ২ রেখে P ঘোরাও। বড় h-এ ছেদক বেশি ছাড়িয়ে যায়। h কত ছোট হলে সেটা স্পর্শকের মতো দেখতে লাগে?

সমাধানসহ আটটি সমস্যা

আটটি পরিচিত প্রশ্ন। নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের একই ফাংশন দিয়ে হিসাব করা।

সমস্যা ১: x = ১-এ x²-এর ঢাল

P = (১, ১)। ছেদকের ঢাল ওপরের ছকে ২-এর দিকে যাচ্ছে। প্রথম নীতিতে: (১ + h)² − ১ = 2h + h², h দিয়ে ভাগ করে পাই ২ + h, h শূন্য হলে সেটা ২। স্পর্শক: y = ২x − ১।

সমস্যা ২: x = ২-এ x³-এর স্পর্শক

P = (২, ৮)। ঢাল 3x² = ৩ × ৪ = ১২। ছকে ছেদকের ঢাল ওপর দিক থেকে ১২-এ নামছে। স্পর্শক: y = ১২x − ১৬।

hছেদকের ঢাল
১১৯.০০০০
০.৫১৫.২৫০০
০.১১২.৬১০০
০.০১১২.০৬০১
০.০০১১২.০০৬০

সমস্যা ৩: ০ আর π/২ বিন্দুতে sin x-এর ঢাল

x = ০ বিন্দুতে ছেদকের ঢাল sin h ÷ h। নিচের মানগুলো ১-এর দিকে উঠছে। তাই মূলবিন্দুতে স্পর্শক y = x: ছোট কোণের জন্য sin x প্রায় x।

x = π/২ (তরঙ্গের চূড়া) বিন্দুতে উচ্চতা ১, ঢাল cos(π/২) = ০, অর্থাৎ সমতল স্পর্শক: y = ১।

hছেদকের ঢাল
১০.৮৪১৫
০.৫০.৯৫৮৯
০.১০.৯৯৮৩
০.০১১.০০০০
০.০০১১.০০০০

সমস্যা ৪: ০ আর ১ বিন্দুতে eˣ-এর ঢাল

x = ০ বিন্দুতে ছেদকের ঢাল ১-এর কাছে যায়, স্পর্শক y = x + ১। x = ১ বিন্দুতে উচ্চতা e ≈ ২.৭১৮৩, ঢালও সেই একই সংখ্যা, তাই স্পর্শক y = ২.৭১৮৩x: এটা সোজা মূলবিন্দু দিয়ে যায়, eˣ-এর একটি মজার বৈশিষ্ট্য।

h০ বিন্দুতে ছেদকের ঢাল
১১.৭১৮৩
০.৫১.২৯৭৪
০.১১.০৫১৭
০.০১১.০০৫০
০.০০১১.০০০৫

সমস্যা ৫: x = ২-এ 1/x-এর স্পর্শক

P = (২, ০.৫)। ঢাল −1/x² = −১/৪ = -০.২৫। স্পর্শক: y = −০.২৫x + ১। ছকের ছেদকের ঢাল -০.২৫-এর দিকে যায়, তবে শুরু অনেক দূর থেকে, কারণ ০-র কাছে বক্ররেখা তীব্র বাঁক নেয়।

hছেদকের ঢাল
১-০.১৬৬৭
০.৫-০.২০০০
০.১-০.২৩৮১
০.০১-০.২৪৮৮
০.০০১-০.২৪৯৯

সমস্যা ৬: x²-এর কোথায় স্পর্শক y = 4x + 1 রেখার সমান্তরাল?

সমান্তরাল রেখার ঢাল সমান, তাই 2x = ৪ আর x = ২। বিন্দু (২, ৪), স্পর্শক y = ৪x − ৪। ঢাল মিলেছে, কিন্তু ছেদাংশ আলাদা, তাই রেখা দুটি কখনো মেলে না।

সমস্যা ৭: x = ৩-এ x²-এর প্রথম নীতি

(৩ + h)² − ৩² = 6h + h²। h দিয়ে ভাগ করলে ৬ + h। ছকে তিনটি ব্যবধানের লব আর ঢাল; ঢাল ৬-এর দিকে যাচ্ছে।

h(৩ + h)² − ৯ছেদকের ঢাল
১৭৭.০০
০.১০.৬১৬.১০
০.০১০.০৬০১৬.০১

সমস্যা ৮: x³-এর ঢাল ১২ কোথায়?

3x² = ১২ থেকে x² = ৪, তাই x = ২ বা x = −২। স্পর্শক দুটি: (২, ৮) বিন্দুতে y = ১২x − ১৬ এবং (−২, -৮) বিন্দুতে y = ১২x + ১৬। দুই বিন্দু, এক ঢাল, কারণ 3x² ধনাত্মক আর ঋণাত্মক x আলাদা করে না।

বাস্তব উদাহরণ: গাড়ির অবস্থান t সেকেন্ডে s = t² মিটার। t = ৩-এ বেগ হলো ঢাল, ৬ মি/সে, আর t = ৫-এ ১০ মি/সে।

সাধারণ ভুল

প্রতি বছর নম্বর কাটা যায় এমন চারটি ভুল।

  • ভগ্নাংশে সরাসরি h = ০ বসানো। ০ ÷ ০ পাবে। আগে বিস্তার ও সরলীকরণ করো, তারপর h ছোট করো।
  • ছেদক আর স্পর্শক গুলিয়ে ফেলা। ছেদক বক্ররেখার দুই বিন্দু যোগ করে, স্পর্শক এক বিন্দুতে ছোঁয়।
  • অন্তরজকে উচ্চতা ভাবা। f′(a) হলো a-তে ঢাল, f(a) নয়।
  • স্পর্শকের সমীকরণে বিন্দুটি ভুলে যাওয়া: y = f′(a)(x − a) + f(a) লেখো, শুধু y = f′(a)x নয়।

অন্তরজ কোথায় কাজে লাগে

বেগ হলো অবস্থানের অন্তরজ, ত্বরণ বেগের অন্তরজ। জনসংখ্যা বাড়ার হার, ট্যাংক খালি হওয়ার হার, রক্তে ওষুধ কমার হার, সবই অন্তরজ। অর্থনীতিবিদ প্রান্তিক ব্যয়ে, প্রকৌশলী সংকেত কত দ্রুত ওঠে তাতে, আর মেশিন লার্নিং ঢাল বেয়ে নামতে নামতেই শেখে।

পরীক্ষার জন্য

এসএসসি উচ্চতর গণিত, এইচএসসি ও প্রথম বর্ষে এই অধ্যায়ের সাধারণ প্রশ্ন।

  • সংজ্ঞা (প্রথম নীতি) থেকে x², x³ বা 1/x-এর f′(x) বের করা।
  • প্রদত্ত বিন্দুতে স্পর্শকের সমীকরণ লেখা।
  • কোন বিন্দুতে স্পর্শক প্রদত্ত রেখার সমান্তরাল বা অনুভূমিক, তা বের করা।
  • লেখচিত্র দেখে অন্তরজ কোথায় ধনাত্মক, শূন্য বা ঋণাত্মক তা বলা।

সংক্ষেপে পুনর্বিবেচনা

বক্ররেখার ঢাল = স্পর্শকের ঢাল। ছেদকের ঢাল = (f(x + h) − f(x)) / h। h শূন্যের দিকে গেলে ছেদক স্পর্শক হয়। সীমাটাই অন্তরজ f′(x)। স্পর্শক: y = f′(a)(x − a) + f(a)।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

সহজ ভাষায় অন্তরজ কী?

একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে বক্ররেখা কতটা খাড়া, অর্থাৎ সেখানকার স্পর্শকের ঢাল। এটা বলে দেয় ঠিক ওই মুহূর্তে x-এর তুলনায় y কত দ্রুত বদলাচ্ছে।

ছেদক আর স্পর্শকের পার্থক্য কী?

ছেদক বক্ররেখাকে দুই বিন্দুতে কাটে। স্পর্শক এক বিন্দুতে ছোঁয় এবং সেখানে বক্ররেখার দিকেই চলে। দ্বিতীয় বিন্দু প্রথমটির কাছে এলে ছেদকের সীমাই স্পর্শক।

সরাসরি h = ০ বসাই না কেন?

কারণ (f(x + h) − f(x)) / h তখন ০ ÷ ০ হয়, যার মান নির্ণয় করা যায় না। আগে সরল করে h কেটে নিই, তারপর দেখি অনুপাতটি কোন মানের কাছে যায়।

স্পর্শকের সমীকরণ কীভাবে লিখব?

f(a) আর f′(a) বের করে y = f′(a)(x − a) + f(a) বসাও। দরকার হলে y = mx + c আকারে সাজাও।

অন্তরজ শূন্য হলে কী বোঝায়?

সেখানে স্পর্শক অনুভূমিক। মসৃণ বক্ররেখায় সাধারণত সেটা চূড়া, খাদ বা এক মুহূর্তের সমতল জায়গা, যেমন ০-তে x³।

1/x-এর ঢাল ০-র কাছে এত বড় হয় কেন?

x যখন ০-র দিকে যায়, বক্ররেখা প্রায় খাড়াভাবে ওপরে বা নিচে ছোটে, তাই x-এর সামান্য বদলে y-এর বিশাল বদল হয়। ঢাল −1/x² সীমাহীনভাবে বাড়ে।

অন্তরজ কি সবসময় থাকে?

না। |x|-এর ডগার মতো তীক্ষ্ণ কোণে বা ছেদে বাঁ আর ডান দিকের ছেদকের ঢাল মেলে না, তাই একটিমাত্র স্পর্শক হয় না। এই সিমুলেশনের সব ফাংশন যেখানে সংজ্ঞায়িত সেখানে মসৃণ।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই

SSC

এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি

English

Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)

বাংলা

রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

টেস্ট

GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

টুল

Compound interest calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Data scientist resume example (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Cover letter examples (ইংরেজিতে)

আরও গণিত অ্যানিমেশন

Class 8 · SSC

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।

SSC · HSC

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।

SSC · HSC

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।

SSC

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।

SSC

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 9 · SSC

সেট ও ভেনচিত্র

সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

Class 8 · SSC

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।

SSC · HSC

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।

Class 9 · SSC

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।

Class 8 · SSC

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।

Class 8 · SSC

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

Class 9 · SSC

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।

HSC

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

Class 9 · SSC

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।

HSC

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

HSC

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।

SSC · HSC

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ

বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক