নিয়ন্ত্রণ
কোন বক্ররেখা চাও
পরিমাপ
- বক্ররেখা
- উপবৃত্ত
- তলের ঢাল θ
- ৩০°
- উৎকেন্দ্রিকতা e
- ০.৭০৭
- নিয়ম
- ০ < e < ১
- আদর্শ সমীকরণ
- x²/৩.০০ + y²/১.৫০ = 1
- অর্ধ-মুখ্য অক্ষ a
- ১.৭৩২
- অর্ধ-গৌণ অক্ষ b
- ১.২২৫
- কেন্দ্র থেকে ফোকাসের দূরত্ব
- ১.২২৫
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- বাঁ দিকে দেখো ত্রিমাত্রিক দ্বিশঙ্কু, তার মধ্য দিয়ে একটা স্বচ্ছ তল গেছে, আর যেখানে কেটেছে সেখানে উজ্জ্বল কমলা বক্ররেখা। বাঁ অংশে টেনে শঙ্কুটা ঘোরাতে পারো, অথবা চালু করলে নিজে নিজেই ঘুরবে। ডান দিকে একই কমলা বক্ররেখা সমতলে আঁকা হয়েছে।
- “কোন বক্ররেখা চাও” দিয়ে সোজা চলে যাও। বৃত্ত বাটনে ঢাল ০°, উপবৃত্তে ৩০°, পরাবৃত্তে ৪৫°, অধিবৃত্তে ৬৫°। শুরুতে ঢাল ৩০°, তাই ছেদটা উপবৃত্ত।
- “তলের ঢাল” স্লাইডার ধীরে ধীরে ০° থেকে ৮০°-তে টানো। দেখবে বৃত্ত লম্বা হয়ে উপবৃত্ত হচ্ছে, আরও লম্বা হচ্ছে, তারপর ঠিক ৪৫°-এ এসে পরাবৃত্ত। ওই কোণে তল শঙ্কুর গায়ের সমান্তরাল। ৪৫° পেরোলে একটা বক্ররেখা ভেঙে দুই শাখা: অধিবৃত্ত।
- উৎকেন্দ্রিকতা e দেখো (ডান অংশের নিচে আর পরিমাপে)। ৩০°-এ এর মান ০.৭০৭। ঢাল বাড়ালে e বাড়ে: বৃত্তে ০, পরাবৃত্তে ১, অধিবৃত্তে ১-এর বেশি।
- “অক্ষের কোন উচ্চতায় কাটা” নাড়াও। তল অক্ষ বরাবর ওপরে-নিচে সরে। বক্ররেখা বড় বা ছোট হয়, কিন্তু আকৃতি আর e বদলায় না, কারণ আকৃতি ঠিক করে শুধু ঢাল।
- “আদর্শ সমীকরণ” পরিমাপটা দেখো। শুরুর অবস্থানে সেখানে x²/৩.০০ + y²/১.৫০ = ১ লেখা, আর ফোকাস F, F′ কেন্দ্র থেকে ১.২২৫ একক দূরে।
অন্ধকার ঘরে টর্চের আলো
অন্ধকার ঘরে টর্চ জ্বালিয়ে দেয়ালের দিকে সোজা ধরো। আলোর দাগটা গোল, মানে বৃত্ত। এবার টর্চটা একটু ওপরে কাত করো। গোল দাগ লম্বা হয়ে ডিমের মতো হবে। আরও কাত করলে ডিমটা ছাদের দিকে ছুটে গিয়ে খোলা, U-আকৃতির কিনারা হয়ে যাবে। আরও কাত করলে আলোর সীমানা দুই আলাদা শাখার বক্ররেখা, যার এক শাখা দেয়ালে, আরেকটা তোমার পেছনে (কল্পনা করো আলোর শঙ্কু টর্চের পেছন দিকেও গেছে)।
টর্চের আলোর আকার একটা শঙ্কু, আর দেয়াল হলো তাকে কাটা তল। দাগের কিনারাই শাঙ্কব ছেদ। প্রায় দুই হাজার বছর আগে মেনাইকমাস আর অ্যাপোলোনিয়াসের মতো গ্রিক গণিতবিদরা এই বক্ররেখা নিয়ে কাজ করেছিলেন, তখনো কেউ জানত না গ্রহেরা এই পথেই চলে। এই পাতায় তুমি স্লাইডার দিয়েই টর্চের পরীক্ষাটা করতে পারবে।
শঙ্কু কাটা: একটা ঢাল, চারটা বক্ররেখা
সিমুলেশনের শঙ্কুর অর্ধশীর্ষকোণ ৪৫°, মানে তার গা ভূমির সঙ্গে ৪৫° কোণ করে। কাটার তলটা অনুভূমিক থেকে θ কোণে কাত করা। নিয়মটা ছোট।
e = √২ · sin θএই ৪৫° শঙ্কুর ছেদের উৎকেন্দ্রিকতা; θ = ০-তে ০, θ = ৪৫°-এ ঠিক ১
- θ = ০°, তল অক্ষের ওপর লম্ব: বৃত্ত।
- ০° < θ < ৪৫°, শঙ্কুর গায়ের চেয়ে চ্যাপ্টা: উপবৃত্ত।
- θ = ৪৫°, শঙ্কুর গায়ের সমান্তরাল: পরাবৃত্ত (একটাই খোলা শাখা)।
- θ > ৪৫°, শঙ্কুর গায়ের চেয়ে খাড়া: অধিবৃত্ত (দুই শাখা, শঙ্কুর দুই অর্ধে একটা করে)।
| ঢাল θ | বক্ররেখা | উৎকেন্দ্রিকতা e |
|---|---|---|
| ০° | বৃত্ত | ০.০০০ |
| ১৫° | উপবৃত্ত | ০.৩৬৬ |
| ৩০° | উপবৃত্ত | ০.৭০৭ |
| ৪৫° | পরাবৃত্ত | ১.০০০ |
| ৬০° | অধিবৃত্ত | ১.২২৫ |
| ৭৫° | অধিবৃত্ত | ১.৩৬৬ |
উৎকেন্দ্রিকতা: বক্ররেখা কতটা টানা?
শঙ্কু ছাড়াও শাঙ্কব ছেদের সংজ্ঞা দেওয়া যায়। একটা বিন্দু F (ফোকাস) আর একটা সরলরেখা d (নিয়ামক রেখা) নাও। কোনো বিন্দু P বক্ররেখার ওপর থাকবে যখন F থেকে তার দূরত্ব, d থেকে দূরত্বের একটা নির্দিষ্ট গুণ e: PF = e × Pd। এই e-ই উৎকেন্দ্রিকতা।
উৎকেন্দ্রিকতাকে ভাবো “টানার মাপ” হিসেবে। বৃত্তে e = ০, একদম গোল। e যত ১-এর দিকে বাড়ে, উপবৃত্ত ততই লম্বা আর সরু। ঠিক ১-এ সেটা খুলে পরাবৃত্ত। ১-এর বেশি হলে ভেঙে অধিবৃত্তের দুই বাহু, আর e যত বড়, বাহু তত চ্যাপ্টা।
PF = e × Pdফোকাস-নিয়ামক সংজ্ঞা
e = c / aউপবৃত্তে (c = কেন্দ্র থেকে ফোকাসের দূরত্ব, a = অর্ধ-মুখ্য অক্ষ)
| উৎকেন্দ্রিকতা | বক্ররেখা |
|---|---|
| e = ০ | বৃত্ত |
| ০ < e < ১ | উপবৃত্ত |
| e = ১ | পরাবৃত্ত |
| e > ১ | অধিবৃত্ত |
বৃত্ত: সবচেয়ে সহজ শাঙ্কব ছেদ
বৃত্তের প্রতিটি বিন্দু কেন্দ্র থেকে একই দূরত্ব r-এ। কেন্দ্র মূলবিন্দুতে হলে আদর্শ সমীকরণ x² + y² = r²। এখানে দুই ফোকাস মিশে কেন্দ্রে এসে গেছে, তাই উৎকেন্দ্রিকতা শূন্য।
সিমুলেশনে ঢাল ০° করলে বৃত্তের ব্যাসার্ধ হয় তল যে উচ্চতা c-তে অক্ষকে কাটে সেটাই। এটা স্বাভাবিক: x² + y² = z² শঙ্কুর যেকোনো উচ্চতায় ব্যাসার্ধ আর উচ্চতা সমান।
x² + y² = r²কেন্দ্র মূলবিন্দুতে, ব্যাসার্ধ r
উপবৃত্ত: দুই ফোকাসের টানা বৃত্ত
উপবৃত্ত হলো সেইসব বিন্দুর সেট, যাদের দুটি নির্দিষ্ট বিন্দু (ফোকাস F আর F′) থেকে দূরত্বের যোগফল ধ্রুব, ২a। লম্বা দিকের অর্ধেক a হলো অর্ধ-মুখ্য অক্ষ, ছোট দিকের অর্ধেক b হলো অর্ধ-গৌণ অক্ষ। ফোকাস দুটো লম্বা অক্ষে কেন্দ্র থেকে c দূরত্বে, যেখানে c² = a² − b²। উৎকেন্দ্রিকতা e = c ÷ a।
সিমুলেশন শুরুর অবস্থানে (ঢাল ৩০°, c = ১.০) ছেদটা উপবৃত্ত, যার a² = ৩.০০ আর b² = ১.৫০। তাই c² = ৩.০০ − ১.৫০, ফোকাস কেন্দ্র থেকে ১.২২৫ দূরে, আর e = ১.২২৫ ÷ ১.৭৩২ = ০.৭০৭, যা √২ · sin ৩০°-এর সঙ্গে মেলে।
x²/a² + y²/b² = ১কেন্দ্র মূলবিন্দুতে, a > b
c² = a² − b²ফোকাস (±c, ০)-তে
PF + PF′ = ২aসুতোর সংজ্ঞা
পরাবৃত্ত: যে বক্ররেখা কখনো বন্ধ হয় না
পরাবৃত্ত হলো সেইসব বিন্দুর সেট, যারা একটা ফোকাস F আর একটা সরলরেখা (নিয়ামক রেখা) থেকে সমান দূরে। শীর্ষ মূলবিন্দুতে আর বক্ররেখা ডান দিকে খোলা হলে F = (a, ০), নিয়ামক রেখা x = −a, সমীকরণ y² = ৪ax। এখানে a (অনেকে p লেখে) হলো ফোকাস-দূরত্ব। সিমুলেশনে নিয়ামক রেখা লাল ড্যাশে আঁকা আর পরিমাপে p দেখানো হয়।
পরাবৃত্তের দ্বিতীয় ফোকাস নেই, কেন্দ্রও নেই, তাই a আর b-এর ঘরে “নেই” লেখা ঠিকই আছে। এর উৎকেন্দ্রিকতা ঠিক ১। একটা বিশেষ ঢাল (এখানে ৪৫°) ঠিক এই কারণেই বিশেষ: সে বন্ধ হওয়া বক্ররেখা আর না-হওয়া বক্ররেখার সীমারেখা।
y² = ৪axশীর্ষ মূলবিন্দুতে, ডানে খোলা, ফোকাস (a, ০), নিয়ামক x = −a
x² = ৪ayওপরে খোলা, ফোকাস (০, a)
অধিবৃত্ত: দুই শাখা আর দুই অনন্তস্পর্শক
অধিবৃত্ত হলো সেইসব বিন্দুর সেট, যাদের দুই ফোকাস থেকে দূরত্বের পার্থক্য ধ্রুব, ২a। এর দুটো আলাদা শাখা। কেন্দ্র থেকে অনেক দূরে প্রতিটি শাখা y = ±(b/a)x রেখা দুটোর দিকে সোজা হয়ে যায়; এদের অসীমতট বা অনন্তস্পর্শক বলে। ফোকাস শীর্ষের চেয়ে কেন্দ্র থেকে দূরে: c² = a² + b², তাই e = c ÷ a সবসময় ১-এর বেশি।
প্রিসেট চেপে দেখো। ৬৫° ঢালে (c = ১) পরিমাপে দেখাবে a = ০.৬৫৭, b = ০.৫২৭, e = ১.২৮২। ত্রিমাত্রিক ছবিতে দেখা যায় দুই শাখা কেন: একটা শঙ্কুর ওপরের অর্ধে, আরেকটা নিচের অর্ধে।
x²/a² − y²/b² = ১কেন্দ্র মূলবিন্দুতে, বাঁ-ডানে খোলা
c² = a² + b²ফোকাস (±c, ০)-তে
y = ±(b/a)xঅসীমতট
সমীকরণ দেখে বক্ররেখার নাম বলো
পরীক্ষায় অনেক সময় সমীকরণ দিয়ে জানতে চায় এটা কোন শাঙ্কব ছেদ। আগে বর্গগুলো দেখো। x আর y দুটোরই বর্গ, চিহ্ন একই, সহগও সমান হলে ভাবো বৃত্ত। চিহ্ন একই কিন্তু সহগ আলাদা হলে উপবৃত্ত। চিহ্ন উল্টো হলে অধিবৃত্ত। শুধু একটার বর্গ থাকলে পরাবৃত্ত।
সাধারণ সমীকরণ Ax² + Bxy + Cy² + Dx + Ey + F = ০-এর জন্য B² − 4AC একধাপেই বলে দেয়: ঋণাত্মক হলে উপবৃত্ত (A = C আর B = ০ হলে বৃত্ত), শূন্য হলে পরাবৃত্ত, ধনাত্মক হলে অধিবৃত্ত।
| সমীকরণ | কী দেখছ | বক্ররেখা |
|---|---|---|
| x² + y² = ২৫ | একই চিহ্ন, সমান সহগ | বৃত্ত |
| ৪x² + ৯y² = ৩৬ | একই চিহ্ন, ভিন্ন সহগ | উপবৃত্ত |
| y² = ৮x | শুধু y-এর বর্গ | পরাবৃত্ত |
| x² − y² = ৪ | উল্টো চিহ্ন | অধিবৃত্ত |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
পাঁচটা ছোট পরীক্ষা। প্রতিটায় এক মিনিটও লাগবে না।
- ঢাল ০° থেকে ধীরে ৪৪°-এ তোলো। e শূন্য থেকে বাড়ছে, উপবৃত্ত লম্বা হচ্ছে। ৪৪° আর ৪৫° পর পর দেখো: উপবৃত্ত এত লম্বা যে শঙ্কু ছেড়ে প্রায় বেরিয়ে যাচ্ছে।
- পরাবৃত্ত বাটন চাপো। নিয়ামক রেখা ফুটে উঠবে। তলের উচ্চতা c নাড়াও: পরাবৃত্ত চওড়া হয়, p বাড়ে, কিন্তু আকৃতি পরাবৃত্তই থাকে।
- অধিবৃত্ত বাটন চেপে শঙ্কুটা ঘুরিয়ে দেখো। দুই শাখা খুঁজে বের করো, শঙ্কুর দুই অর্ধে একটা করে।
- ঢাল ৪৬° থেকে ৮০°-তে তোলো। অধিবৃত্তের দুই বাহু ক্রমে দুটো কাটাকাটি সরলরেখার দিকে সরে আসছে। ৯০°-তে তল অক্ষকেই ধারণ করত, আর শঙ্কুকে কাটত দুটো সরলরেখায়।
- ঘূর্ণন থামিয়ে উচ্চতা c বদলাও আর a, b ও সমীকরণ মিলিয়ে দেখো। কোনগুলো বদলায়, কোনগুলো বদলায় না?
সমাধান করা অঙ্ক
সাতটা পরিচিত প্রশ্ন। নিচের প্রতিটি সংখ্যা সিমুলেশনের একই সূত্র থেকে হিসাব করা।
অঙ্ক ১: কোন ঢালে কোন বক্ররেখা? (২০°, ৪৫°, ৭০°)
শঙ্কুর গা ৪৫°-তে, তাই প্রতিটি ঢালকে ৪৫°-এর সঙ্গে তুলনা করো। ২০° ছোট: উপবৃত্ত, e = √২ · sin ২০° = ০.৪৮৪। ৪৫° সমান: পরাবৃত্ত, e = ১.০০০। ৭০° বড়: অধিবৃত্ত, e = ১.৩২৯।
অঙ্ক ২: x²/২৫ + y²/৯ = ১-এর ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতা
x²/a² + y²/b² = ১-এর সঙ্গে মেলাও: a² = ২৫, তাই a = ৫; b² = ৯, তাই b = ৩। তাহলে c² = a² − b² = ২৫ − ৯ = ১৬, অতএব c = ৪।
ফোকাস (±৪, ০)। উৎকেন্দ্রিকতা e = c ÷ a = ৪ ÷ ৫ = ০.৮০। মুখ্য অক্ষের দৈর্ঘ্য ২a = ১০। ফোকাসগামী, মুখ্য অক্ষের ওপর লম্ব জ্যা (নাভিলম্ব) ২b² ÷ a = ৩.৬০।
অঙ্ক ৩: y² = ১২x-এর ফোকাস ও নিয়ামক রেখা
y² = ৪ax-এর সঙ্গে মেলাও: ৪a = ১২, তাই a = ৩। ফোকাস (৩, ০), নিয়ামক রেখা x = -৩। নাভিলম্বের দৈর্ঘ্য ৪a = ১২।
যাচাই: x = ৩ বিন্দুতে y² = ১২ × ৩, তাই y = ±৬। বিন্দুটি ফোকাসের ঠিক ওপরে, তাই ফোকাস থেকে দূরত্ব ৬। নিয়ামক রেখা x = -৩ থেকে দূরত্ব ৩ + ৩ = ৬। দুটোই ৬, ঠিক যেমন PF = Pd সংজ্ঞা দাবি করে।
অঙ্ক ৪: x²/৯ − y²/১৬ = ১-এর অসীমতট ও উৎকেন্দ্রিকতা
এখানে a² = ৯, b² = ১৬, তাই a = ৩, b = ৪। অধিবৃত্তে c² = a² + b² = ৯ + ১৬ = ২৫, অতএব c = ৫।
ফোকাস (±৫, ০)। শীর্ষ (±৩, ০)। উৎকেন্দ্রিকতা e = c ÷ a = ৫ ÷ ৩ = ১.৬৭, যা ১-এর বেশি, ঠিক যেমন হওয়ার কথা। অসীমতট y = ±(b/a)x = ±১.৩৩x।
অঙ্ক ৫: প্রতিটি বক্ররেখার নাম বলো
৪x² + ৯y² = ৩৬: দুটোরই বর্গ, একই চিহ্ন, ভিন্ন সহগ। ৩৬ দিয়ে ভাগ করলে x²/৯ + y²/৪ = ১: উপবৃত্ত। A = ৪, B = ০, C = ৯ ধরে B² − 4AC = -১৪৪, ঋণাত্মক।
x² − y² = ৪: উল্টো চিহ্ন, অধিবৃত্ত। a = b হলে একে আয়তাকার অধিবৃত্ত বলে, যার উৎকেন্দ্রিকতা √২ = ১.৪১৪। y² = ৮x: শুধু y-এর বর্গ, তাই পরাবৃত্ত, ৪a = ৮, a = ২। x² + y² = ২৫: ব্যাসার্ধ ৫ এর বৃত্ত।
অঙ্ক ৬: ফোকাস (±৩, ০), e = ০.৬০ হলে উপবৃত্তের সমীকরণ
e = c ÷ a এবং c = ৩, তাই a = c ÷ e = ৩ ÷ ০.৬০ = ৫। তখন b² = a² − c² = ২৫ − ৯ = ১৬।
উপবৃত্তটি x²/২৫ + y²/১৬ = ১।
অঙ্ক ৭: স্যাটেলাইট ডিশের রিসিভার কোথায় বসবে?
ডিশ হলো একটা পরাবৃত্তজ, তার প্রস্থচ্ছেদ পরাবৃত্ত y² = ৪ax। ধরো ডিশের ব্যাস ২.৪ মিটার আর গভীরতা ০.৪৫ মিটার। শীর্ষ মূলবিন্দুতে নিলে কিনারা x = ০.৪৫, y = ১.২। বসাও: ১.২² = ৪a × ০.৪৫, অর্থাৎ ১.৪৪ = ১.৮০a, তাই a = ০.৮০ মিটার।
রিসিভার বসবে ফোকাসে, অক্ষ বরাবর শীর্ষ থেকে ০.৮০ মিটার দূরে। অক্ষের সমান্তরালে আসা প্রতিটি রশ্মি প্রতিফলিত হয়ে ওই একটা বিন্দুতে মিলবে।
সচরাচর ভুল
প্রতি বছরই এসব ভুলে নম্বর কাটা যায়।
- a, b আর c গুলিয়ে ফেলা। উপবৃত্তে a বড়টি আর c² = a² − b²। অধিবৃত্তে c² = a² + b², আর a সবসময় a ও b-র বড়টি হয় না।
- পরাবৃত্তের e ০ আর ১-এর মাঝে বলা। এটা ঠিক ১।
- ভাবা যে তলের উচ্চতা আকৃতি বদলায়। সে শুধু আকার বদলায়; বক্ররেখা বাছে ঢাল।
- অধিবৃত্তের দুই শাখা আর পরাবৃত্তের এক শাখা ভুলে যাওয়া।
- y² = ৪ax-এর ফোকাস (৪a, ০) লেখা। ঠিক উত্তর (a, ০)।
- xy পদ বাদ দিয়ে সরল করা সমীকরণে B² − 4AC খোঁজা। B = ০ হলে AC-র চিহ্নই একই কাজ করে।
বাস্তব জীবনে শাঙ্কব ছেদ
শাঙ্কব ছেদ শুধু পরীক্ষার বক্ররেখা নয়। চারপাশের গতি আর আকৃতি এরাই বর্ণনা করে।
- গ্রহ ও ধূমকেতু সূর্যকে একটা ফোকাসে রেখে উপবৃত্তে চলে। যে ধূমকেতু আর ফেরে না, সে চলে পরাবৃত্ত বা অধিবৃত্ত পথে।
- স্যাটেলাইট ডিশ, টর্চের প্রতিফলক ও গাড়ির হেডলাইট পরাবৃত্তাকার: বিন্দু উৎসকে সমান্তরাল রশ্মিতে বদলায়, উল্টোটাও করে।
- ফিসফিস গ্যালারিতে উপবৃত্ত কাজে লাগে: এক ফোকাসের শব্দ প্রতিফলিত হয়ে অন্য ফোকাসে পৌঁছায়।
- দুটো সংকেত পৌঁছানোর সময়ের পার্থক্য থেকে অবস্থান বের করার নেভিগেশনে অধিবৃত্ত ব্যবহার হয়।
- ওপরে ছোড়া বল (বাতাস উপেক্ষা করলে) পরাবৃত্ত পথে ওঠে-নামে।
- বাতির শেডের আলো দেয়ালে অধিবৃত্তের দুই শাখার ছায়া ফেলে।
পরীক্ষার কোণ
এইচএসসি, এ-লেভেল, জেইই বা এসএটি-র শাঙ্কব ছেদের প্রশ্ন সাধারণত এই ধাঁচের হয়।
- সমীকরণ দেখে বক্ররেখা চেনা (B² − 4AC দিয়ে)।
- আদর্শ সমীকরণ থেকে ফোকাস, শীর্ষ, উৎকেন্দ্রিকতা ও নিয়ামক রেখা বের করা।
- দুটো তথ্য থেকে সমীকরণ লেখা, যেমন ফোকাস ও e, বা শীর্ষ ও ফোকাস।
- দুটো সমীকরণ একসঙ্গে সমাধান করে স্পর্শকের সমীকরণ বা রেখা ও বক্ররেখার ছেদবিন্দু বের করা।
- ডিশ, খিলান বা কক্ষপথের গাণিতিক সমস্যা: আদর্শ সমীকরণ ধরে একটা জানা বিন্দু বসাও।
দ্রুত পুনরালোচনা
একটা কথাই মনে রাখলে মনে রেখো: কাটার তলের ঢাল বক্ররেখা ঠিক করে, আর e তাকে মাপে।
বৃত্ত: x² + y² = r² (e = ০)
উপবৃত্ত: x²/a² + y²/b² = ১, c² = a² − b², e = c/a < ১
পরাবৃত্ত: y² = ৪ax, ফোকাস (a, ০), নিয়ামক x = −a, e = ১
অধিবৃত্ত: x²/a² − y²/b² = ১, c² = a² + b², e = c/a > ১
সচরাচর জিজ্ঞাসা
শাঙ্কব ছেদ কী?
দ্বিশঙ্কুকে একটা তল দিয়ে কাটলে যে বক্ররেখা পাওয়া যায় তাকে শাঙ্কব ছেদ বলে: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত। কোনটা পাবে তা নির্ভর করে শুধু তল আর শঙ্কুর অক্ষের মধ্যবর্তী কোণের ওপর।
বৃত্ত কেন উপবৃত্তের বিশেষ রূপ?
উপবৃত্তের দুটো ফোকাস। দুটো ফোকাস এক বিন্দুতে মিশে গেলে দূরত্বের যোগফল কেন্দ্র থেকে একটা ধ্রুব দূরত্বে পরিণত হয়, আর উপবৃত্ত হয়ে যায় বৃত্ত। তার উৎকেন্দ্রিকতা শূন্য।
উৎকেন্দ্রিকতা কী?
উৎকেন্দ্রিকতা e হলো বক্ররেখার কোনো বিন্দুর ফোকাস থেকে দূরত্ব আর নিয়ামক রেখা থেকে দূরত্বের অনুপাত। এটা মাপে বক্ররেখা বৃত্ত থেকে কতটা দূরে: e = ০ বৃত্ত, ০ < e < ১ উপবৃত্ত, e = ১ পরাবৃত্ত, e > ১ অধিবৃত্ত।
সমীকরণ দেখে পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত আলাদা করব কীভাবে?
পরাবৃত্তে একটা চলকেরই বর্গ থাকে (y² = ৪ax)। অধিবৃত্তে দুটোরই বর্গ থাকে, উল্টো চিহ্নে (x²/a² − y²/b² = ১)। সাধারণ রূপে B² − 4AC পরাবৃত্তে শূন্য আর অধিবৃত্তে ধনাত্মক।
পরাবৃত্তের ফোকাস কোথায় থাকে?
y² = ৪ax-এর ফোকাস (a, ০), শীর্ষ থেকে a দূরে, আর নিয়ামক রেখা x = −a। পরাবৃত্তের প্রতিটি বিন্দু এ দুটো থেকে সমান দূরে।
অধিবৃত্তের দুই শাখা কেন?
কারণ দ্বিশঙ্কুর দুটো অর্ধ শীর্ষে জোড়া। শঙ্কুর গায়ের চেয়ে খাড়া তল দুই অর্ধকেই কাটে, আর প্রতিটি অর্ধ থেকে একটা করে শাখা আসে।
তল শঙ্কুর শীর্ষ দিয়ে গেলে কী হয়?
সেটা অবক্ষয়ী অবস্থা। তখন ছেদ একটা বিন্দু, একটা সরলরেখা বা দুটো কাটাকাটি সরলরেখা হয়, প্রকৃত বক্ররেখা নয়। সিমুলেশনে তল শীর্ষ থেকে দূরে রাখা হয়েছে, যাতে সবসময় আসল বক্ররেখা দেখো।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















