মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

ছোট অণু, লম্বা শিকল: পলিথিন আর নাইলন যেভাবে তৈরি হয়

পলিমার হলো হাজার হাজার ছোট অণুর জোড়া লাগা এক লম্বা শিকল। ছোট অণুটির নাম মনোমার। ইথিন C₂H₄, ভর ২৮, বারবার জুড়ে পলিথিন হয়: কিছুই বাদ যায় না। নাইলনে প্রতিটি জোড়ায় এক অণু পানি বেরিয়ে যায়, আর ৫০টি এককের শিকলের ভর হয় ১১,৩১৮।

কার্বন পরমাণুনতুন বন্ধন

যোজন শিকলের দুই প্রান্তের মূলক ধরা হয়নি, বাস্তব দৈর্ঘ্যে তা নগণ্য।

এই শিকলগুলো এত মজবুত যে প্রকৃতিতে সহজে ভাঙে না। তাই ব্যবহারের পর সংগ্রহ, পুনর্ব্যবহার ও কম ব্যবহার জরুরি।

পলিমার আর n বদলাও। যোজন পলিমারে দ্বিবন্ধন খুলে শিকল বাড়ে, কিছুই বেরোয় না। নাইলনে প্রতিটি জোড়ায় এক অণু পানি বেরিয়ে যায়।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

পলিমার বেছে নাও

৪

পরিমাপ

পলিমারকরণের ধরন
যোজন পলিমারকরণ
মনোমার
ইথিন: C₂H₄
পুনরাবৃত্ত একক
–CH₂–CH₂– = C₂H₄
এক এককের ভর (গ্রাম/মোল)
২৮.০
এই শিকলের আণবিক ভর (গ্রাম/মোল)
১১২.০
n = ১০০০ হলে ভর (গ্রাম/মোল)
২৮,০০০.০
নির্গত পানির অণু
কিছু না
নির্গত পানির ভর (গ্রাম/মোল)
০.০
কীসে ব্যবহার হয়
ব্যাগ, মোড়ক, বোতল ও খেলনা

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে “পলিথিন” আর n = ৪ বাছা থাকবে। চালু করলে কার্বন পরমাণুর সারিতে দ্বিবন্ধন একটা একটা করে সরু হয়ে একক বন্ধন হয়, আর মনোমারগুলোর মাঝে সবুজ নতুন বন্ধন জন্মায়।
  2. শেষে সবুজ বন্ধনীর ভেতরে পুনরাবৃত্ত একক ফুটে ওঠে, পাশে ছোট n। ওটাই পুরো শিকলের ছাঁচ।
  3. “নাইলন-৬,৬” বাছো। নীল অ্যাসিড-অণু আর লাল অ্যামিন-অণু পর পর জোড়া লাগে, আর প্রতিটি জোড়া থেকে একটা ছোট H₂O উঠে চলে যায়।
  4. n-এর স্লাইডার সরাও। ডানের রিডআউটে শিকলের ভর আর পানির সংখ্যা সঙ্গে সঙ্গে বদলায়।
  5. পলিথিন, পলিপ্রোপিন আর পিভিসির এককের ভর তুলনা করো। শুধু পার্শ্ব-মূলক (H, CH₃, Cl) বদলেছে, শিকল একই ধাঁচের।

ব্যাগ থেকে মাছ ধরার জাল

সকালে বাজারের ব্যাগ, দুপুরে পানির পাইপ, রাতে নাইলনের শার্ট। আলাদা জিনিস, কিন্তু সবগুলো পলিমার: একই ছোট অণুর লম্বা সারি। শিকলের মূল ছাঁচ আর জোড়ার ধরন বদলালে ব্যাগ নরম হয়, পাইপ শক্ত, সুতো টানলে ছেঁড়ে না।

এই পাতায় দেখবে ছোট অণু কীভাবে জোড়া লাগে, আর জোড়ার সময় কিছু বাদ পড়ে কি না। দুটি পথ আছে, আর পথ দুটোর পার্থক্যই পরীক্ষার সবচেয়ে প্রিয় প্রশ্ন।

মনোমার, পলিমার আর পুনরাবৃত্ত একক

মনোমার হলো ছোট অণু, যা বারবার জুড়ে যেতে পারে। পলিমার হলো সেই লম্বা শিকল। শিকলের যে অংশটুকু বারবার ফিরে আসে সেটাই পুনরাবৃত্ত একক, আর কতবার ফিরে এল সেই সংখ্যা n, যাকে পলিমারকরণ মাত্রাও বলে।

বাস্তবে n হাজারের ঘরে। ধরো পলিথিনের একটি শিকলের আণবিক ভর ৫৬,০০০। এককের ভর ২৮, তাই n = ৫৬,০০০ ÷ ২৮ = ২,০০০। ভরের হিসাবে ধরা হয়েছে C = ১২, H = ১, O = ১৬, N = ১৪, Cl = ৩৫.৫।

দুই পথ: যোজন আর ঘনীভবন

পলিমারকরণের দুটি মূল ধরন। পার্থক্যটা এক নজরে:

যোজনঘনীভবন
মনোমারে কী থাকতে হয়দ্বিবন্ধন (C=C)দুই প্রান্তে দুটি সক্রিয় মূলক
কী ঘটেদ্বিবন্ধন খুলে যায়, অণুগুলো জোড়া লাগেদুই অণু জোড়া লাগে আর একটি ছোট অণু বেরিয়ে যায়
উপজাতকিছু নাসাধারণত পানি (H₂O)
শিকলের ভরঠিক n × মনোমারের ভরমনোমারের ভরের যোগফলের চেয়ে কম
উদাহরণপলিথিন, পলিপ্রোপিন, পিভিসিনাইলন-৬,৬, পলিয়েস্টার

অ্যানিমেশন কীভাবে পড়বে

যোজন দেখলে ক্যানভাসে ২n সংখ্যক কার্বন পরমাণু বসানো, দুটি করে এক মনোমার। শুরুতে প্রতিটি জোড়ায় দ্বিবন্ধন (দুই দাগ)। ঘটনা এগোলে দুটি দাগ মিলে এক হয়, আর পাশের মনোমারের সঙ্গে সবুজ নতুন দাগ জন্মায়।

সারি ছয় পরমাণুর বেশি হলে শিকল পরের সারিতে নেমে আসে, সাপের মতো আঁকাবাঁকা, যাতে এক টানা শিকল দেখা যায়। শেষে সবুজ বন্ধনী ধরে প্রথম পুনরাবৃত্ত একক চিহ্নিত হয়।

ঘনীভবনে নীল আর লাল ব্লক পর পর বসানো। প্রতিটি ব্লক এক মনোমার অণু। ব্লকের মাঝে সবুজ দাগ জন্মালে, তার ঠিক ওপর থেকে একটি নীলচে সবুজ ফোঁটা (H₂O) উঠে মিলিয়ে যায়। ওপরে লেখা বেরিয়ে যাওয়া পানির গোনা চলতে থাকে।

যোজন পলিমারকরণ: ইথিন থেকে পলিথিন

ইথিন CH₂=CH₂-এর দ্বিবন্ধনে দুটি বন্ধন আছে। একটি দৃঢ়, অন্যটি দুর্বল। দুর্বলটি খুলে গেলে প্রতিটি কার্বনের একটি করে হাত ফাঁকা হয়, আর সেই হাত ধরে পরের অণুর কার্বনকে। এভাবে শিকল বাড়ে। কোনো পরমাণু বাদ যায় না, তাই এককের ভর মনোমারের ভরের সমান: ২৮।

এই পথ চলে তাপ, চাপ আর অনুঘটকের সাহায্যে। শিকল কত দীর্ঘ হবে এবং কতটা শাখা-প্রশাখা থাকবে, সেটা অবস্থার ওপর নির্ভর করে, আর তাতেই পলিথিন নরম থলে নাকি শক্ত বোতল হবে ঠিক হয়।

n CH₂=CH₂ → [–CH₂–CH₂–]ₙপলিথিন

n CH₂=CH(CH₃) → [–CH₂–CH(CH₃)–]ₙপলিপ্রোপিন

n CH₂=CHCl → [–CH₂–CHCl–]ₙপিভিসি

ঘনীভবন পলিমারকরণ: নাইলন-৬,৬

এখানে দুটি আলাদা মনোমার: ডাইঅ্যাসিড C₆H₁₀O₄ (ভর ১৪৬) এবং ডাইঅ্যামিন C₆H₁₆N₂ (ভর ১১৬)। অ্যাসিডের –COOH থেকে OH আর অ্যামিনের –NH₂ থেকে একটি H মিলে H₂O হয়ে বেরিয়ে যায়, আর C–N বন্ধন (অ্যামাইড –CO–NH–) জন্মায়।

একটি পুনরাবৃত্ত এককে একটি অ্যাসিড আর একটি অ্যামিন থাকে, দুটি জোড়ায় দুই অণু পানি গেছে। তাই এককের সংকেত C₁₂H₂₂N₂O₂, ভর ২২৬। চেনের দুই প্রান্তে একটি H আর একটি OH থাকে, মোট ১৮। n একক হলে পানি বেরোয় (২n − ১)টি।

n HOOC–(CH₂)₄–COOH + n H₂N–(CH₂)₆–NH₂ → [–CO–(CH₂)₄–CO–NH–(CH₂)₆–NH–]ₙ + (2n − 1) H₂Oনাইলন-৬,৬

চার পলিমার পাশাপাশি

সিমুলেশনের চারটি পলিমার, সংকেত ও এককের ভরসহ। সবগুলো ভর অণুর পরমাণু গুনে বের করা।

পলিমারমনোমারমনোমারের সংকেতপুনরাবৃত্ত এককএককের ভরব্যবহার
পলিথিনইথিনC₂H₄–CH₂–CH₂–২৮.০ব্যাগ, মোড়ক, বোতল ও খেলনা
পলিপ্রোপিনপ্রোপিনC₃H₆–CH₂–CH(CH₃)–৪২.০খাবারের কৌটা, দড়ি, বোতলের ঢাকনা ও কার্পেট
পিভিসিক্লোরোইথিনC₂H₃Cl–CH₂–CHCl–৬২.৫পানির পাইপ, তারের আবরণ ও জুতার সোল
নাইলন-৬,৬হেক্সেনডাইওয়িক অ্যাসিড + হেক্সেন-১,৬-ডাইঅ্যামিনC₆H₁₀O₄ + C₆H₁₆N₂–NH–(CH₂)₆–NH–CO–(CH₂)₄–CO–২২৬.০কাপড়, দড়ি, মাছ ধরার জাল ও গাড়ির যন্ত্রাংশ

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

ক্রমানুসারে করো। আগে অনুমান লিখে রাখো, তারপর দেখো।

  • পরীক্ষা ১: “পলিথিন”, n = ২। দ্বিবন্ধনের দুটি দাগ কখন এক হয়, আর নতুন সবুজ বন্ধন কখন জন্মায়, লক্ষ করো।
  • পরীক্ষা ২: n = ৬ করো। চেনের সারি দ্বিতীয় লাইনে নেমে আসে। শিকলের ভর কতটা বাড়ল রিডআউটে দেখো।
  • পরীক্ষা ৩: “পিভিসি” বাছো। দ্বিতীয় কার্বনের নিচে Cl বসে। এককের ভর পলিথিনের চেয়ে কত বেশি?
  • পরীক্ষা ৪: “নাইলন-৬,৬”, n = ৩। ছয়টি ব্লক, পাঁচটি জোড়া, পাঁচটি পানির ফোঁটা। রিডআউটের সংখ্যার সঙ্গে মেলাও।
  • পরীক্ষা ৫: যেকোনো যোজন পলিমারে “নির্গত পানি” কত? তারপর নাইলনে। কেন এই পার্থক্য?

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

এখানকার সব সংখ্যা অ্যানিমেশনের একই গণনা থেকে নেওয়া।

সমস্যা ১: পলিথিনের শিকলের ভর ৫৬,০০০। n কত?

এককের ভর ২৮ (C₂H₄ = ২×১২ + ৪×১)। n = ৫৬,০০০ ÷ ২৮ = ২,০০০। অর্থাৎ ২,০০০টি ইথিন অণু জুড়েছে।

সমস্যা ২: ১ কেজি পলিথিনের জন্য কত মোল ইথিন লাগে?

যোজনে কোনো পরমাণু বাদ যায় না, তাই ১০০০ গ্রাম পলিথিনের জন্য ১০০০ গ্রাম ইথিন লাগে। মোল = ১০০০ ÷ ২৮ = ৩৫.৭।

সমস্যা ৩: ৫০ এককের নাইলন-৬,৬ শিকলের ভর ও নির্গত পানি

শিকলের ভর = ৫০ × ২২৬ + ১৮ (প্রান্তের H ও OH) = ১১,৩১৮। পানি বেরোয় (২×৫০ − ১) = ৯৯টি, মোট ৯৯ × ১৮ = ১,৭৮২ গ্রাম প্রতি মোল শিকলে।

সমস্যা ৪: ভরের হিসাব মেলে কি না? (n = ৩)

মনোমারের মোট ভর = ৩ × (১৪৬ + ১১৬) = ৭৮৬। শিকল ৬৯৬, আর ৫টি পানি ৯০। ৬৯৬ + ৯০ = ৭৮৬। কিছুই হারায়নি।

সমস্যা ৫: পিভিসিতে ক্লোরিন কত শতাংশ?

এককের ভর ৬২.৫, তাতে একটি Cl (৩৫.৫)। ভাগ = ৩৫.৫ ÷ ৬২.৫ × ১০০ = ৫৬.৮%। আরও দেখো: নাইলনে মনোমারের ভরের ৮৬.৩% শিকলে থাকে, বাকিটা পানি হয়ে বেরিয়ে যায়।

প্লাস্টিক আর আমাদের আবর্জনা

যে মজবুতি পলিমারকে কাজের করে, সেই মজবুতিই তাকে ঝামেলার করে। বেশিরভাগ পলিমারের শিকল প্রকৃতিতে জীবাণু ভাঙতে পারে না, তাই ফেলে দেওয়া থলে বছরের পর বছর নর্দমা আটকায়, মাটিতে থাকে, ছোট ছোট টুকরা হয়ে পানিতে মেশে।

তিনটা কাজ সাহায্য করে: কম ব্যবহার করা (কাপড়ের থলে), ব্যবহার আবার ব্যবহার করা, আর আলাদা করে সংগ্রহ করে পুনর্ব্যবহার করা। কিছু পলিমার গরম করে আবার গলানো যায়, কিছু যায় না। আর কিছু নতুন পলিমার উদ্ভিজ্জ উৎস থেকে বানানো, যা সময়ের সঙ্গে ভাঙে। কোন পরিমাণ কত, সেটা সময়ের সঙ্গে বদলায়, তাই সংখ্যা মুখস্থ নয়, কারণটা বোঝো।

যে ভুলগুলো সবাই করে

প্রতি বছর এখানেই নম্বর কাটে।

  • যোজন ও ঘনীভবনের পার্থক্য উল্টে ফেলা। যোজনে কিছু বেরোয় না; ঘনীভবনে ছোট অণু বেরোয়।
  • পুনরাবৃত্ত এককে দ্বিবন্ধন রেখে দেওয়া। পলিমারে C=C নেই, শুধু C–C।
  • নাইলনে পানির সংখ্যা ২n ধরা। ঠিক সংখ্যা (২n − ১), কারণ n-এককে ২n অণু, জোড়া ২n − ১টি।
  • বন্ধনীর বাইরে n লেখা ভুলে যাওয়া: [–CH₂–CH₂–]ₙ।
  • মনোমার আর পুনরাবৃত্ত এককের নাম গুলিয়ে ফেলা। পলিথিনের মনোমার ইথিন, একক –CH₂–CH₂–।
  • পিভিসির মনোমার ক্লোরোইথিন (CH₂=CHCl), এথিলিন বা ক্লোরোইথেন নয়।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

না দেখে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।

  • যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণের দুটি পার্থক্য লেখো।
  • পলিপ্রোপিনের এককের ভর কত? উত্তর: ৪২।
  • নাইলন-৬,৬-এর মনোমার দুটি কী কী? সংকেত ও ভর লেখো। উত্তর: C₆H₁₀O₄ (১৪৬) ও C₆H₁₆N₂ (১১৬)।
  • নাইলনের ৫০ এককের শিকল তৈরিতে কত অণু পানি বেরোয়? উত্তর: ৯৯।
  • প্লাস্টিক ব্যবহারের একটি সুবিধা আর একটি সমস্যা লেখো।

পুনরালোচনা: এক মিনিটে পুরো পাতা

পরীক্ষার আগে এটুকু পড়ে নাও।

  • মনোমার = ছোট অণু; পলিমার = লম্বা শিকল; n = এককের সংখ্যা।
  • যোজন: C=C খুলে যায়, কিছু বেরোয় না, ভর = n × মনোমারের ভর।
  • ঘনীভবন: দুই মূলক মিলে ছোট অণু (সাধারণত H₂O) বেরিয়ে যায়।
  • পলিথিন ২৮, পলিপ্রোপিন ৪২, পিভিসি ৬২.৫, নাইলন-৬,৬ ২২৬ (এককের ভর)।
  • নাইলন: n একক = ২n মনোমার = (২n − ১) পানি।
  • প্লাস্টিক টেকসই বলে কম ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার ও সংগ্রহ জরুরি।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

পলিমারকরণ কাকে বলে?

অনেকগুলো ছোট অণু (মনোমার) পরপর যুক্ত হয়ে একটি বড় অণু (পলিমার) গঠনের প্রক্রিয়াকে পলিমারকরণ বলে।

যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণের পার্থক্য কী?

যোজনে মনোমারের দ্বিবন্ধন খুলে অণুগুলো জোড়া লাগে এবং কোনো উপজাত তৈরি হয় না। ঘনীভবনে দুই মনোমার জোড়া লাগার সময় একটি ছোট অণু, সাধারণত পানি, বেরিয়ে যায়।

পলিথিন কীভাবে তৈরি হয়?

ইথিন (CH₂=CH₂) অণুগুলো তাপ, চাপ ও অনুঘটকের সাহায্যে যোজন পলিমারকরণে জুড়ে [–CH₂–CH₂–]ₙ শিকল গঠন করে।

নাইলন-৬,৬ কী দিয়ে তৈরি?

C₆H₁₀O₄ সংকেতের ডাইঅ্যাসিড আর C₆H₁₆N₂ সংকেতের ডাইঅ্যামিন পরপর জুড়ে ঘনীভবনে নাইলন-৬,৬ হয়। প্রতিটি অ্যামাইড বন্ধনে এক অণু পানি বেরোয়।

শিকলের আণবিক ভর কীভাবে বের করব?

যোজনে n × এককের ভর (পলিথিনের একক ২৮)। নাইলনে n × ২২৬ + প্রান্তের ১৮।

প্লাস্টিক কেন পরিবেশের সমস্যা?

বেশিরভাগ পলিমার শিকল এত মজবুত যে প্রকৃতিতে জীবাণু সহজে ভাঙতে পারে না, তাই ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক দীর্ঘদিন থেকে যায়। কম ব্যবহার, পুনর্ব্যবহার ও সংগ্রহ এর সমাধান।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ