মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

চুম্বকের মধ্যে তড়িৎবাহী তার লাফিয়ে ওঠে কেন, আর সেখান থেকে মোটর বানানো যায় কীভাবে

দুটো চুম্বকের মেরুর মাঝখানে একটা তার ঝুলিয়ে তাতে বিদ্যুৎ চালাও। তারটা হঠাৎ একপাশে ছিটকে যাবে, অথচ কেউ তাকে ছোঁয়নি। এটাই মোটর ক্রিয়া। ফ্যান, ড্রিল আর ইলেকট্রিক গাড়ি, সবকিছুর পেছনে এই একটা ধারণাই কাজ করে। স্লাইডার টেনে দেখো ধাক্কাটা কতটা জোরালো, কোন দিকে, আর একটা তারের পাক কীভাবে সেই ধাক্কাকে থামহীন ঘূর্ণনে বদলে দেয়।

বলক্ষেত্রপ্রবাহ
গতি

নিয়ন্ত্রণ

কী দেখবে

০.৫০ T
৪.০ A
০.১০ m
৯০ °

পরিমাপ

তারের ওপর বল, F
০.২০০N
সর্বোচ্চ সম্ভাব্য বল, BIL
০.২০০N

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. “সোজা তার” অবস্থায় ডিফল্ট মান নিয়ে শুরু করো: B = ০.৫ T, I = ৪ A, L = ০.১ m, θ = ৯০°। লাল তীরটা বল, F = ০.২০০ N। ড্যাশ দেওয়া রেখাটা তারের আগের জায়গা, ক্ষেত্র ধাক্কা দেওয়ার আগে তার যেখানে ছিল।
  2. কোণের স্লাইডারটা ০°-এর দিকে টানো। তীর ছোট হতে থাকে, আর ০°-তে তার ক্ষেত্ররেখা বরাবর শুয়ে পড়ে, বল হয় ০.০০০ N। ৩০° দিয়েও দেখো: বল ০.১০০ N, ঠিক সর্বোচ্চ মানের অর্ধেক।
  3. “প্রবাহ উল্টে দাও” টিক দাও। চার্জের বিন্দুগুলো ঘুরে যায়, আর বলের তীর পাতার উল্টো দিকে লাফ দেয়। এবার “ক্ষেত্র উল্টে দাও”-ও টিক দাও, তীর আবার আগের দিকে ফিরে আসে। দুটো উল্টানো একে অপরকে কাটাকাটি করে দেয়।
  4. ছোট হাতের নকশাটা দৃশ্যের সঙ্গে মেলাও। তর্জনী ক্ষেত্র, মধ্যমা প্রবাহ, বুড়ো আঙুল বল। এটাই ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম।
  5. “ডিসি মোটর” বেছে নাও। দুই মেরুর মাঝখানে একটা কুণ্ডলী, পাশ থেকে দেখা। দুই বাহুতে সমান আর বিপরীত বল কাজ করে, তাই কুণ্ডলী ঘোরে। আধপাক ঘোরার পরপরই বিন্দু আর ক্রস (পাতা থেকে বেরোনো ও পাতায় ঢোকা প্রবাহ) জায়গা বদলাচ্ছে, কারণ বিভক্ত বলয়ের স্পর্শ বদলে যাচ্ছে।
  6. কম্যুটেটরের টিক তুলে দাও। কুণ্ডলী একটু দোলে, ছাড়িয়ে যায়, তারপর খাড়া হয়ে থেমে যায়। প্রবাহ না বদলালে আধপাক ঘোরার পর ধাক্কা টানে পরিণত হয়। আবার টিক দিলে ঘূর্ণন চলতে থাকে।

মোটর ক্রিয়া আসলে কী

কোনো চার্জ চুম্বকের ক্ষেত্রের ভেতর দিয়ে ছুটলে সে পাশের দিকে একটা ধাক্কা খায়। তড়িৎ প্রবাহ মানেই চলমান চার্জের স্রোত, তাই ক্ষেত্রে রাখা তড়িৎবাহী তারও সব চার্জের ধাক্কা যোগ হয়ে একসঙ্গে বল অনুভব করে। চার্জগুলো ধাতু ছেড়ে বেরোতে পারে না, ফলে ঠেলা খায় পুরো তারটাই। একেই বলে মোটর ক্রিয়া।

এর জন্য তিনটি জিনিস একসঙ্গে লাগে: প্রবাহ, চৌম্বক ক্ষেত্র, আর এমন একটা তার যা ক্ষেত্রের সঙ্গে এক লাইনে নেই। যেকোনো একটা বাদ গেলে কিছুই ঘটবে না। তারের পাশে কম্পাসের কাঁটা নড়ে ওঠার ঘটনাটা এরই উল্টো দিক: সেখানে তারের নিজের ক্ষেত্র কাঁটাকে ঠেলে।

বলটা প্রবাহের দিকেও নয়, ক্ষেত্রের দিকেও নয়। সেটা দুটোরই সঙ্গে সমকোণে। এই কারণেই ছবি মাথায় আনা কঠিন লাগে। নিচের হাতের নিয়মটা ঠিক এই সমস্যার সহজ সমাধান।

সূত্র: F = BIL sin θ

সুষম ক্ষেত্র B-এর মধ্যে L দৈর্ঘ্যের একটা সোজা তারে I প্রবাহ চললে বল হয় তিনটির গুণফল, সঙ্গে কোণের একটি গুণক।

θ হলো তার আর ক্ষেত্ররেখার মধ্যবর্তী কোণ। তার ক্ষেত্রের আড়াআড়ি (θ = ৯০°) থাকলে sin-এর মান ১ আর বল সবচেয়ে বেশি, BIL। তার ক্ষেত্র বরাবর (θ = ০° বা ১৮০°) থাকলে sin = ০, তাই কোনো বলই নেই। মাঝামাঝি অবস্থায় ক্ষেত্রের যে অংশটুকু তারের আড়াআড়ি, শুধু সেটুকুই কাজ করে।

F = B I L sin θতারের ওপর বল, নিউটনে

F(সর্বোচ্চ) = B I Lতার ক্ষেত্রের সঙ্গে সমকোণে থাকলে

1 T = 1 N / (A · m)টেসলার সংজ্ঞা

ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম

বাম হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা পরস্পর সমকোণে মেলে ধরো, ঘরের কোণায় তিনটি অক্ষ যেমন থাকে। তর্জনী রাখো চৌম্বক ক্ষেত্রের দিকে (উত্তর থেকে দক্ষিণ)। মধ্যমা রাখো প্রচলিত প্রবাহের দিকে। তাহলে বুড়ো আঙুল দেখাবে বলের দিক।

মনে রাখার উপায়: বুড়ো আঙুল বল, তর্জনী ক্ষেত্র, মধ্যমা প্রবাহ, ইংরেজিতে F-B-I। মোটরের জন্য বাম হাত, কারণ মোটরে প্রবাহ আর ক্ষেত্র মিলে গতি তৈরি করে।

সিমুলেশনে বল সবসময় পাতার সঙ্গে লম্ব, তাই তীরটা তির্যক করে আঁকা, যেন পর্দা থেকে বেরিয়ে আসছে বা পর্দার ভেতরে ঢুকছে। ওপরে-ডানে মানে পাতার ভেতরে, নিচে-বামে মানে পাতার বাইরে। প্রবাহ উল্টালে তীরও উল্টে যায়, কারণ একটা আঙুল ঘুরলে বুড়ো আঙুলকেও ঘুরতে হয়।

সূত্র দিয়ে করা উদাহরণ

চারটি ছোট অঙ্ক। প্রতিটা করার পর স্লাইডারে মিলিয়ে দেখো।

উদাহরণ ১: ডিফল্ট তার

০.১ m লম্বা একটা তারে ৪ A প্রবাহ চলছে, সেটা ০.৫ T ক্ষেত্রের সঙ্গে সমকোণে (θ = ৯০°)। বল F = ০.৫ × ৪ × ০.১ × sin ৯০° = ০.২০০ N।

উদাহরণ ২: তারটা কাত করো

একই তার, কিন্তু এখন ক্ষেত্রের সঙ্গে ৩০° কোণে। sin ৩০° = ০.৫, তাই F = ০.৫ × ৪ × ০.১ × ০.৫ = ০.১০০ N। বল অর্ধেক। তার ক্ষেত্র বরাবর শুয়ে থাকলে F = ০.০০০ N।

উদাহরণ ৩: বড় আয়োজন

০.২৫ m দৈর্ঘ্যের তারে ৬ A প্রবাহ, ০.৮ T ক্ষেত্রের আড়াআড়ি, ৯০° কোণে। F = ০.৮ × ৬ × ০.২৫ = ১.২০ N। একটা ছোট আপেলের ওজনের কাছাকাছি, এবং তা এসেছে একটা সরু তার থেকে। লাউডস্পিকারের সরু তারের কুণ্ডলী সামান্য প্রবাহেই তার পর্দাকে নাড়াতে পারে এ কারণেই।

উদাহরণ ৪: ক্ষেত্র বের করা

০.২ m তারে ৩ A প্রবাহ, অজানা ক্ষেত্রের সঙ্গে ৯০° কোণে, বল ০.১৫ N। সূত্র সাজিয়ে পাই B = F ÷ (I L) = ০.১৫ ÷ (৩ × ০.২) = ০.১৫ ÷ ০.৬০ = ০.২৫ T।

ধাক্কা থেকে ঘূর্ণন: কুণ্ডলী

একটা সোজা তার একবার ধাক্কা খেয়ে চুম্বকের এলাকা থেকে বেরিয়ে যায়। চলতে থাকার জন্য দরকার এমন কিছু যা ঘোরে। তারটাকে আয়তাকার পাকে বাঁকাও, অক্ষদণ্ডের ওপর মেরুদ্বয়ের মাঝে বসাও, আর তাতে প্রবাহ চালাও।

লম্বা দুই বাহুতে প্রবাহ উল্টো দিকে চলে (একটায় ওপরে, অন্যটায় নিচে)। বাম হাতের নিয়মে একটা বাহুতে বল ওপরে, অন্যটায় নিচে। সমান ও বিপরীত দুই বল, কিন্তু ক্রিয়ারেখা আলাদা, এরা একটা বলযুগ্ম। কুণ্ডলীকে পাশে সরায় না, ঘোরায়।

দুই প্রান্তের ছোট বাহু সমতল অবস্থানে ক্ষেত্রের সঙ্গে সমান্তরাল, তাই তাদের ওপর কাজের কোনো বল নেই, আর যেটুকু থাকে তা পরস্পরকে কাটাকাটি করে।

টর্কের সূত্র: τ = NBIA sin θ

N পাকের কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল A (দৈর্ঘ্য L গুণ প্রস্থ W)। দুই লম্বা বাহুর প্রতিটিতে বল N B I L। ঘোরানোর ক্ষমতা হলো সেই বল গুণ কুণ্ডলীর প্রস্থ, যা নিচের ছোট সূত্রে এসে দাঁড়ায়।

এখানে θ হলো কুণ্ডলীর অভিলম্ব (তল থেকে বেরোনো লম্ব রেখা) আর ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ। কুণ্ডলী ক্ষেত্র বরাবর শুয়ে থাকলে অভিলম্ব ৯০° কোণে, টর্ক সর্বোচ্চ। কুণ্ডলী ক্ষেত্রের মুখোমুখি থাকলে অভিলম্ব ক্ষেত্র বরাবর, θ = ০°, বলগুলো কুণ্ডলীর নিজের তলেই পড়ে। তারা পাকটাকে শুধু টান টান করে, টর্ক শূন্য।

τ = N B I A sin θকুণ্ডলীর টর্ক, নিউটন-মিটারে

A = L × Wকুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল

τ(সর্বোচ্চ) = N B I Aকুণ্ডলীর তল ক্ষেত্রের সমান্তরাল হলে

উদাহরণ ৫: সিমুলেটেড মোটর

N = ২০, B = ০.৫ T, I = ৪ A, L = ০.১ m, আর কুণ্ডলীর প্রস্থ W = ০.০৮ m ধরলে ক্ষেত্রফল A = ০.১ × ০.০৮ = ০.০০৮০ m²।

প্রতিটি লম্বা বাহুতে বল ২০ × ০.৫ × ৪ × ০.১ = ৪.০০ N। সর্বোচ্চ টর্ক ২০ × ০.৫ × ৪ × ০.০০৮০ = ০.৩২ N·m। দ্বিতীয় উপায়ে মিলিয়ে নাও: ৪.০০ N × ০.০৮ m = ০.৩২ N·m।

উদাহরণ ৬: আধা ঘোরার পথে

অভিলম্ব ক্ষেত্রের সঙ্গে ৩০° কোণ করলে একই কুণ্ডলীতে τ = ০.৩২ × sin ৩০° = ০.১৬ N·m। যে মুহূর্তে কুণ্ডলীর তল ক্ষেত্রের সঙ্গে লম্ব, টর্ক শূন্য।

উদাহরণ ৭: পাক বাড়ালে

টর্ক N-এর সমানুপাতিক। পাক ২০ থেকে ৪০-এ নিলে সর্বোচ্চ টর্ক ০.৩২ থেকে ০.৬৪ N·m হয়। বাস্তব মোটরে একটা মোটা পাকের বদলে সরু তারের অনেক পাক দেওয়া হয় এই কারণেই।

কম্যুটেটর: মোটর আটকে যায় না কেন

একটা সমস্যা আছে। কুণ্ডলী খাড়া অবস্থান পেরোলেই যে বাহু ওপরে উঠছিল সে অক্ষের অন্য পাশে চলে যায়, আর বাম হাতের নিয়মে এবার তাকে নিচে ঠেলে। কিছু না বদলালে কুণ্ডলী পেরিয়ে যেত, ধীর হত, ঘুরে ফিরত, শেষে থেমে যেত। সিমুলেশনে কম্যুটেটর বন্ধ করে ঠিক এটাই দেখো।

সমাধান বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটর। একটা বলয়কে দু ভাগে কেটে প্রতিটি অংশ কুণ্ডলীর একেক প্রান্তে জোড়া। দুটো স্থির কার্বন ব্রাশ অংশ দুটিকে ছুঁয়ে থাকে আর প্রবাহ দেয়। কুণ্ডলী খাড়া অবস্থান পেরোতেই প্রতিটি অংশ এক ব্রাশ থেকে অন্য ব্রাশে সরে যায়, ফলে কুণ্ডলীর প্রবাহ ঠিক সঠিক মুহূর্তে উল্টে যায়। এখন যে বাহু বামে আছে, তার প্রবাহ সবসময় এমন দিকে যে তাকে ওপরের দিকেই ঠেলা লাগে।

সিমুলেশনের ডানদিকের লেখচিত্রে ফলটা দেখা যায়। কম্যুটেটর ছাড়া টর্ক sin θ বরাবর চলে, দ্বিতীয় আধপাকে ঋণাত্মক হয়ে যায়। কম্যুটেটর থাকলে টর্ক |sin θ| বরাবর, সবসময় ধনাত্মক। তবু প্রতি পাকে দুবার টর্ক শূন্য ছুঁয়ে যায়। কুণ্ডলীর জড়তা তাকে ওই দুই মরা বিন্দু পার করিয়ে নেয়।

  • ব্রাশ স্থির, সরবরাহের প্রবাহ বয়ে আনে। বিভক্ত বলয় কুণ্ডলীর সঙ্গে ঘোরে।
  • উল্টানো ঘটে যখন কুণ্ডলীর তল ক্ষেত্রের সঙ্গে লম্ব, অর্থাৎ যেখানে টর্ক এমনিতেই শূন্য।
  • পূর্ণ পাকে গড় টর্ক সর্বোচ্চ মানের ০.৬৩৭ গুণ, অর্থাৎ 2/π। সিমুলেটেড মোটরের জন্য তা ০.২০৪ N·m।

বাস্তব মোটরকে শক্তিশালী আর মসৃণ করা

ঘোরানোর জোর বাড়ানোর চারটি পথ: বেশি পাক, শক্তিশালী ক্ষেত্র (বড় চুম্বক বা তড়িৎচুম্বক), বেশি প্রবাহ, আর বড় ক্ষেত্রফলের কুণ্ডলী। টর্কের সূত্রে চারটিই আছে, সিমুলেশনেও প্রতিটির স্লাইডার আছে।

ঘূর্ণন যাতে ধাক্কায় ধাক্কায় না হয়ে মসৃণ হয়, তাই বাস্তব মোটরে আলাদা আলাদা কোণে বসানো অনেক কুণ্ডলী থাকে, আর কম্যুটেটরে থাকে অনেক খণ্ড। একটা কুণ্ডলী মরা বিন্দুতে গেলে আরেকটা তখন পূর্ণ টর্কে থাকে। কুণ্ডলীগুলো নরম লোহার কোরের ওপর জড়ানো হয়, তাতে ক্ষেত্র ঘনীভূত হয়।

ডিসি মোটরের ঘূর্ণনের দিক উল্টাতে চাইলে প্রবাহ উল্টাও, নয়তো ক্ষেত্র উল্টাও। দুটোই উল্টালে মোটর আবার আগের দিকে ঘোরে। সিমুলেশনে দুটো টগল একসঙ্গে চালিয়ে দেখো।

চেনা ভুল

এই জায়গাগুলোতেই সাধারণত নম্বর কাটা যায়।

  • F = BIL sin θ-তে ক্ষেত্রের অভিলম্বের সঙ্গে কোণ ব্যবহার করা। তারের ক্ষেত্রে θ হলো তার ও ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ।
  • বল ক্ষেত্র বরাবর বা তার বরাবর বলা। বল সবসময় দুটোরই সঙ্গে সমকোণে।
  • ডান হাত ব্যবহার করা। মোটর ক্রিয়ায় বাম হাত।
  • মনে না রাখা যে প্রচলিত প্রবাহ + থেকে − দিকে যায় আর মধ্যমা সেটাই অনুসরণ করে।
  • কম্যুটেটরকে সরবরাহের সুইচ বলা। সে কুণ্ডলীর প্রবাহ উল্টায়, সরবরাহ নয়।
  • কুণ্ডলীর জন্য τ = BIL লেখা। কুণ্ডলীতে N পাক আর ক্ষেত্রফল আছে, তাই τ = NBIA sin θ।

পরীক্ষার কোণ

ছোট প্রশ্নে সাধারণত ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম বলতে বলা হয়, নকশায় বলের দিক দেখাতে বলা হয়, F = BIL sin θ লিখে কখন তা শূন্য হয় জানতে চাওয়া হয়। বড় প্রশ্নে চিত্রসহ ডিসি মোটরের কাজ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়: কুণ্ডলী, চুম্বক, বিভক্ত বলয় আর ব্রাশের নাম এবং বলয় কেন ভাগ করা তার কারণ।

অঙ্কে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে F = BIL sin θ আর τ = NBIA sin θ। সূত্র লেখো, এককসহ মান বসাও, আর উত্তর নিউটন বা নিউটন-মিটারে দাও। দিক জানতে চাইলে তিন আঙুলের ছবি এঁকে দেখাও।

ঝালিয়ে নেওয়ার তালিকা

পাতা বন্ধ করার আগে জোরে জোরে বলে নাও।

  • চৌম্বক ক্ষেত্রে থাকা প্রবাহ দুটোরই সঙ্গে সমকোণে বল অনুভব করে।
  • F = BIL sin θ, θ হলো তার ও ক্ষেত্রের কোণ। ক্ষেত্র বরাবর শূন্য, আড়াআড়ি সর্বোচ্চ।
  • বাম হাত: বুড়ো আঙুল বল, তর্জনী ক্ষেত্র, মধ্যমা প্রবাহ।
  • প্রবাহ বা ক্ষেত্র উল্টালে বল উল্টায়। দুটোই উল্টালে আগের মতোই থাকে।
  • কুণ্ডলী বলযুগ্ম অনুভব করে, তাই ঘোরে: τ = NBIA sin θ।
  • বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটর প্রতি আধপাকে প্রবাহ উল্টায়, তাই টর্কের চিহ্ন একই থাকে।
  • N, B, I বা A বাড়ালে টর্ক সমানুপাতে বাড়ে।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

মোটর ক্রিয়া কী?

তড়িৎবাহী তারের ওপর চৌম্বক ক্ষেত্র যে বল প্রয়োগ করে, তাকে মোটর ক্রিয়া বলে। বলটি প্রবাহ ও ক্ষেত্র দুটির সঙ্গেই লম্ব, আর এটাই বৈদ্যুতিক মোটরের মূল নীতি।

তড়িৎবাহী তারের ওপর বলের সূত্র কী?

F = BIL sin θ, যেখানে B টেসলায় চৌম্বক ক্ষেত্র, I অ্যাম্পিয়ারে প্রবাহ, L মিটারে ক্ষেত্রের ভেতরে থাকা তারের দৈর্ঘ্য, আর θ তার ও ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ। এখানকার ডিফল্ট মানে F = ০.২০০ N।

কখন তড়িৎবাহী তারের ওপর বল শূন্য হয়?

তার ক্ষেত্রের সমান্তরাল বা বিপরীত-সমান্তরাল হলে (θ = ০° বা ১৮০°), অথবা প্রবাহ শূন্য হলে। দুই ক্ষেত্রেই B I L sin θ শূন্য।

ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম কীভাবে খাটাবে?

বাম হাতের বুড়ো আঙুল, তর্জনী আর মধ্যমা পরস্পর সমকোণে মেলো। তর্জনী ক্ষেত্রের দিকে, মধ্যমা প্রচলিত প্রবাহের দিকে রাখলে বুড়ো আঙুল বলের দিক দেখায়।

ডিসি মোটরে বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটর লাগে কেন?

এটা না থাকলে প্রতি আধপাকে কুণ্ডলীর টর্কের চিহ্ন বদলে যেত আর কুণ্ডলী শুধু সামনে-পেছনে দুলত। বিভক্ত বলয় প্রতি আধপাকে প্রবাহ উল্টে দেয়, ফলে টর্ক সবসময় একই দিকে কাজ করে।

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী কুণ্ডলীর টর্ক কত?

τ = NBIA sin θ, যেখানে N পাকসংখ্যা, A কুণ্ডলীর ক্ষেত্রফল, আর θ কুণ্ডলীর অভিলম্ব ও ক্ষেত্রের মধ্যবর্তী কোণ। সিমুলেশনের ডিফল্ট কুণ্ডলীর সর্বোচ্চ টর্ক ০.৩২ N·m।

ডিসি মোটরের ঘূর্ণনের দিক কীভাবে উল্টানো যায়?

প্রবাহ বা চৌম্বক ক্ষেত্র, যেকোনো একটি উল্টে দিলেই হয়। দুটোই উল্টালে ঘূর্ণনের দিক আবার আগের মতোই থাকে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ