মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

নলের পানি নামাতে নামাতে হঠাৎ এক জায়গায় জোরে আওয়াজ হয়, পরের জায়গায় আবার চুপ। কেন?

কম্পমান সুরশলাকা লম্বা নলের মুখে ধরে নলের পানি আস্তে আস্তে নামাও। বেশির ভাগ উচ্চতায় প্রায় কিছুই শোনা যায় না, তারপর একটা উচ্চতায় নলটা গমগম করে ওঠে। আরও নামালে শব্দ মিলিয়ে যায়, আবার জোর হয়। এই পাতায় পুরো পরীক্ষাটা পর্দায় করা যায়: শলাকা বেছে নাও, পানির স্তর টানো, আর দুটো জোর শব্দের জায়গা থেকে শব্দের দ্রুতি বের করো।

বায়ুকণাদৈর্ঘ্য অনুযায়ী জোরঅনুনাদের দৈর্ঘ্য
গতি

নিয়ন্ত্রণ

সুরশলাকার কম্পাঙ্ক

০.৩০০ m
২০ °C
২.০ cm

পরিমাপ

এখন নলে
অনুনাদ নেই
জোর
৪%
তরঙ্গদৈর্ঘ্য λ
০.৬৭০m
শব্দের প্রকৃত দ্রুতি
৩৪৩.০m/s
প্রথম অনুনাদ L₁
০.১৫৫m
দ্বিতীয় অনুনাদ L₂
০.৪৯০m
দ্রুতি v = 2f(L₂ − L₁)
৩৪৩.০m/s
প্রান্ত সংশোধন e
১.২cm

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে ৫১২ Hz এর শলাকা, ২০ °C তাপমাত্রা আর ২ cm ব্যাসার্ধের নল নাও। শব্দের প্রকৃত দ্রুতি দেখাবে ৩৪৩.০ m/s, তরঙ্গদৈর্ঘ্য ০.৬৭০ m।
  2. বায়ুস্তম্ভের দৈর্ঘ্য L স্লাইডার ধরে ওপর থেকে আস্তে আস্তে বাড়াও। ডানের নীল জোরের রেখা আর “জোর” রিডিং লক্ষ করো। বেশির ভাগ সময় এটা শূন্যের কাছেই থাকে।
  3. যেখানে জোর ১০০% এ লাফিয়ে ওঠে সেখানে থামো। নল সবুজ হয়ে যায়, বায়ুকণারা বড় বড় দোল খায়। এটাই প্রথম অনুনাদ, L₁ = ০.১৫৫ m।
  4. এগিয়ে চলো। পরের জোর জায়গা L₂ = ০.৪৯০ m, তার পরেরটা ০.৮২৫ m এ। খেয়াল করো L₁ আর L₂ এর ফারাক ০.৩৩৫ m, ঠিক λ/২ = ০.৩৩৫ m।
  5. শলাকা বদলাও। কম্পাঙ্ক বেশি মানে তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম, তাই সব জোর জায়গা নলের ওপরের দিকে উঠে আসে আর কাছাকাছি ঘেঁষে যায়।
  6. তাপমাত্রা বাড়াও, জোর জায়গাগুলো নিচের দিকে নামে, কারণ শব্দ দ্রুত চলে আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড় হয়। নলের ব্যাসার্ধ বাড়ালে সবগুলো সামান্য ওপরে ওঠে, কারণ প্রান্ত সংশোধন বাড়ে।

পুরো পরীক্ষাটা এক নজরে

যন্ত্রপাতি সাদামাটা: পানিভরা পাত্রে দাঁড় করানো একটা লম্বা কাচের নল, একটা ক্ল্যাম্প আর জানা কম্পাঙ্কের একটা সুরশলাকা। নল ওঠানো-নামানো করে বা পানি ঝরিয়ে পানির ওপরের বায়ুস্তম্ভের দৈর্ঘ্য বদলানো যায়। রবারের প্যাডে শলাকায় ঘা দিয়ে নলের মুখের ঠিক ওপরে ধরা হয়।

বেশির ভাগ সময় যা শোনা যায় তা শলাকার নিজের ক্ষীণ গুঞ্জন। নির্দিষ্ট কিছু উচ্চতায় নলের বাতাসও যোগ দেয়, আর আওয়াজ অনেক বেড়ে যায়। এই যোগ দেওয়াটাই অনুনাদ। শলাকা নিজের কম্পাঙ্কে বাতাসকে ঠেলতে থাকে, আর বায়ুস্তম্ভের দৈর্ঘ্য ঠিকঠাক হলে প্রতিটা ঠেলা নলের ভেতরে ঘুরতে থাকা তরঙ্গের সঙ্গে তালে তাল মেলায়, ফলে তরঙ্গ বড় হতে থাকে।

এটা জানার দরকার কী? কারণ জোর শব্দের জায়গাগুলো থেকে তরঙ্গদৈর্ঘ্য পাওয়া যায়, আর তরঙ্গদৈর্ঘ্য গুণ কম্পাঙ্ক হলো শব্দের দ্রুতি। একটা শলাকা, একটা নল আর একটা স্কেল দিয়ে স্কুলের ল্যাবে শব্দের দ্রুতি কয়েক শতাংশ ভুলের মধ্যে মাপা যায়।

বায়ুস্তম্ভ হলো এক মুখ বন্ধ নল

পানির তল বন্ধ প্রান্তের মতো কাজ করে: বাতাস পানি ভেদ করে যেতে পারে না, তাই সেখানকার কণা দুলতে পারে না। এটা সরণের নোড। নলের খোলা মুখ উল্টো: বাতাস সেখানে মুক্ত, তাই সেটা সরণের অ্যান্টিনোড। স্থির তরঙ্গের পাতায় দেখা এক মুখ বন্ধ নলের সঙ্গে হুবহু মিল।

একটা নোড আর তার সবচেয়ে কাছের অ্যান্টিনোডের দূরত্ব এক-চতুর্থাংশ তরঙ্গদৈর্ঘ্য। তাই স্থির তরঙ্গ বসাতে পারে এমন সবচেয়ে ছোট স্তম্ভ λ/৪ লম্বা। পরেরটায় আরও আধা তরঙ্গদৈর্ঘ্য জোড়া হয়, পাওয়া যায় ৩λ/৪, তারপর ৫λ/৪, এভাবে চলে। প্রতিবার পানিতে নোড আর মুখে অ্যান্টিনোড রাখতে হয় বলে প্রতিটা নতুন জোর জায়গা আগেরটার চেয়ে অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য নিচে।

অ্যানিমেশনে নীল বিন্দুগুলো বায়ুকণা। অনুনাদের সময় পানির কাছের কণা প্রায় নড়ে না, মুখের কাছের কণা সবচেয়ে বেশি দোলে। মুখের একটু ওপরের সবুজ ড্যাশ-রেখা দেখায় অ্যান্টিনোড আসলে কোথায় বসে। কাচের ঠিক মুখে নয় কেন, সেটা পরের অংশে।

L = (2k − 1) λ / 4k = 1, 2, 3, … (আদর্শ নল, প্রান্ত সংশোধন ছাড়া)

λ = v / fতরঙ্গের দ্রুতি ভাগ শলাকার কম্পাঙ্ক

প্রান্ত সংশোধন, সহজ কথায়

ভালো করে দেখলে বোঝা যায় প্রথম জোর জায়গাটা λ/৪ এর চেয়ে একটু ছোট দৈর্ঘ্যে পড়ে। প্রথমবার পরীক্ষায় অনেকেই এতে চমকে যায়। কারণ: বাতাস ঠিক নলের মুখে এসে দোলা থামায় না। মুখের বাইরের একটুখানি বাতাসও টানা পড়ে, তাই অ্যান্টিনোড মুখের সামান্য ওপরে বসে।

ওই দূরত্বটাই প্রান্ত সংশোধন e। নল কত চওড়া তার ওপর এটা নির্ভর করে, মোটামুটি নিয়ম e ≈ ০.৬ r, যেখানে r হলো নলের ভেতরের ব্যাসার্ধ। ডিফল্ট ২ cm নলে e = ১.২ cm = ০.০১২ m। ব্যাসার্ধ স্লাইডার নাড়িয়ে দেখো: চওড়া নলে অ্যান্টিনোড আরও বাইরে সরে যায়, জোর জায়গাগুলো ছোট স্তম্ভে চলে আসে।

মাপা হয় মুখ থেকে পানি পর্যন্ত, তাই প্রতিটা অনুনাদের দৈর্ঘ্য আদর্শ মানের চেয়ে e কম। পাই L₁ = λ/৪ − e আর L₂ = ৩λ/৪ − e। ডিফল্ট শলাকায় λ/৪ = ০.১৬৭ m, তাই L₁ = ০.১৫৫ m আর L₂ = ০.৪৯০ m। অ্যানিমেশন এই চূড়াগুলো ধরেই জোরের রেখা আঁকে।

L₁ = λ/4 − eপ্রথম অনুনাদ

L₂ = 3λ/4 − eদ্বিতীয় অনুনাদ

e ≈ 0.6 rভেতরের ব্যাসার্ধ r এর নলের প্রান্ত সংশোধন

দুটো রিডিং থেকে শব্দের দ্রুতি

L₂ থেকে L₁ বিয়োগ করো: L₂ − L₁ = (৩λ/৪ − e) − (λ/৪ − e) = λ/২। e উধাও। তাই λ = ২(L₂ − L₁), আর v = f λ বলে শব্দের দ্রুতি v = 2f(L₂ − L₁)।

ডিফল্ট সেটিংয়ে জোর জায়গা দুটো ০.১৫৫ m আর ০.৪৯০ m, ফারাক ০.৩৩৫ m, তাই v = ২ × ৫১২ × ০.৩৩৫ = ৩৪৩.০ m/s। ২০ °C এ প্রকৃত মান ৩৪৩.০ m/s, অর্থাৎ পদ্ধতিটা খাটে। ডান দিকের রিডিং প্যানেলে একই L₁ আর L₂ দিয়ে v হিসাব হচ্ছে, নিজেই মিলিয়ে নাও।

L₁ আর নলের ব্যাসার্ধ জানা থাকলে v = 4f(L₁ + e) ব্যবহার করা যায়। এতে একটা অনুনাদই লাগে, কিন্তু e এর আন্দাজ যতটা ভালো, উত্তরও ততটা। অনেক ল্যাব-শিটে দুই পদ্ধতিই করতে বলা হয়, যাতে মিলিয়ে দেখা যায়।

L₂ − L₁ = λ / 2প্রান্ত সংশোধন কেটে যায়

v = 2 f (L₂ − L₁)দুই অনুনাদের পদ্ধতি

v = 4 f (L₁ + e)এক অনুনাদের পদ্ধতি, e লাগে

e = (L₂ − 3 L₁) / 2নিজের রিডিং থেকে e বের করা

শলাকার কম্পাঙ্ক কী বদলায়

শলাকা বদলালে পুরো নকশা চেপে যায় বা ছড়িয়ে পড়ে। উঁচু সুরের শলাকার তরঙ্গদৈর্ঘ্য ছোট, তাই জোর জায়গাগুলো নলের মুখের কাছে আর গায়ে গায়ে। নিচু সুরের শলাকার তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড়, জোর জায়গাগুলো নলের অনেক নিচে আর দূরে দূরে।

টেবিলে ২০ °C আর ২ cm নলে স্ট্যান্ডার্ড সেটের পাঁচটা শলাকার মান। দেখো ২৫৬ Hz শলাকার দ্বিতীয় অনুনাদ নলের তলার দিকে, ছোট নলে সেটা ধরাই পড়বে না। তাই ল্যাবে এমন শলাকা বাছা হয় যার L₂ হাতের নলে আঁটে।

শলাকা (Hz)তরঙ্গদৈর্ঘ্য (m)L₁ (m)L₂ (m)
২৫৬১.৩৪০০.৩২৩০.৯৯৩
২৮৮১.১৯১০.২৮৬০.৮৮১
৩২০১.০৭২০.২৫৬০.৭৯২
৩৮৪০.৮৯৩০.২১১০.৬৫৮
৫১২০.৬৭০০.১৫৫০.৪৯০

তাপমাত্রা কী বদলায়

বাতাসে শব্দের দ্রুতি প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রায় ০.৬ m/s বাড়ে, অর্থাৎ v ≈ ৩৩১ + ০.৬ T। ০ °C এ এটা ৩৩১.০ m/s, ৪০ °C এ ৩৫৫.০ m/s। শলাকার কম্পাঙ্ক বদলায় না, তাই দ্রুতি বাড়লে তরঙ্গদৈর্ঘ্য বাড়ে আর জোর জায়গা নিচে নামে।

টেবিলে ৫১২ Hz শলাকা ধরা হয়েছে। পুরো পাল্লায় প্রথম অনুনাদ সরে মোটামুটি এক সেন্টিমিটার, দ্বিতীয়টা প্রায় তিনগুণ, আর তোমার হিসাব করা দ্রুতি তাপমাত্রাকে বিশ্বস্তভাবে অনুসরণ করে। ল্যাব-শিটে শুরুর আগে ঘরের তাপমাত্রা লিখে রাখতে বলার কারণ এটাই।

তাপমাত্রা (°C)শব্দের দ্রুতি (m/s)তরঙ্গদৈর্ঘ্য (m)L₁ (m)
০৩৩১.০০.৬৪৬০.১৫০
১০৩৩৭.০০.৬৫৮০.১৫৩
২০৩৪৩.০০.৬৭০০.১৫৫
৩০৩৪৯.০০.৬৮২০.১৫৮
৪০৩৫৫.০০.৬৯৩০.১৬১

সমাধানসহ অঙ্ক

পরীক্ষার ধাঁচে চারটা অঙ্ক, অ্যানিমেশনের একই ফাংশন দিয়ে হিসাব করা।

অঙ্ক ১: ল্যাবে কী দেখার কথা

৫১২ Hz এর শলাকা ২ cm ব্যাসার্ধের নলের মুখে ২০ °C এ ব্যবহার করা হলো। প্রথম তিনটা অনুনাদ-দৈর্ঘ্য বের করো।

শব্দের দ্রুতি v = ৩৩১ + ০.৬ × ২০ = ৩৪৩.০ m/s, তাই λ = v / f = ০.৬৭০ m। প্রান্ত সংশোধন e = ০.৬ × ২ cm = ০.০১২ m। তাহলে L₁ = λ/৪ − e = ০.১৫৫ m, L₂ = ৩λ/৪ − e = ০.৪৯০ m, L₃ = ৫λ/৪ − e = ০.৮২৫ m।

মিলিয়ে দেখো: L₂ − L₁ = ০.৩৩৫ m, মানে λ/২। v = 2f(L₂ − L₁) দিলে ৩৪৩.০ m/s, শুরুর ৩৪৩.০ m/s এর সঙ্গে মেলে।

অঙ্ক ২: এক ছাত্রের রিডিং

একজন ছাত্র ৩২০ Hz এর শলাকা নিয়ে ২৫.৪ cm আর ৭৮.৮ cm এ অনুনাদ পেল। শব্দের দ্রুতি আর প্রান্ত সংশোধন বের করো।

L₂ − L₁ = ০.৭৮৮ − ০.২৫৪ = ০.৫৩৪ m, তাই λ = ২ × ০.৫৩৪ = ১.০৬৮ m, আর v = f λ = ৩৪১.৮ m/s।

প্রান্ত সংশোধন: e = (L₂ − ৩L₁) / ২ = (০.৭৮৮ − ৩ × ০.২৫৪) / ২ = ০.০১৩ m, অর্থাৎ ১.৩ cm। ০.৬ দিয়ে ভাগ করলে নলের ব্যাসার্ধ দুয়েক সেন্টিমিটার আসে, ল্যাবের সাধারণ নলই।

অঙ্ক ৩: গরম দিনে নিচু শলাকা

২৫৬ Hz এর শলাকা ৩০ °C এ ৩ cm ব্যাসার্ধের নলে ব্যবহার করা হলো। প্রথম দুটো অনুনাদ কোথায়?

v = ৩৩১ + ০.৬ × ৩০ = ৩৪৯.০ m/s, λ = ১.৩৬৩ m, e = ০.৬ × ৩ cm = ০.০১৮ m। L₁ = λ/৪ − e = ০.৩২৩ m আর L₂ = ৩λ/৪ − e = ১.০০৪ m। দ্বিতীয় অনুনাদ দেখতে নল ১.০০৪ m এর চেয়ে লম্বা হতে হবে, ছোট নলে শুধু প্রথমটাই মিলবে।

অঙ্ক ৪: শুধু একটা অনুনাদ

৩৮৪ Hz এর শলাকা ২ cm ব্যাসার্ধের নলে ০.২০৫ m এ প্রথম অনুনাদ দিল। শব্দের দ্রুতি আন্দাজ করো।

e = ০.৬ × ২ cm = ০.০১২ m। তাহলে v = ৪f(L₁ + e) = ৪ × ৩৮৪ × ০.২১৭ = ৩৩৩.৩ m/s।

প্রান্ত সংশোধন ভুলে গেলে কী হয়

ধরো এক ছাত্র L₁ কে সোজা λ/৪ ধরে v = ৪fL₁ হিসাব করল, শলাকা ৫১২ Hz। আদর্শ প্রথম দৈর্ঘ্য ০.১৬৭ m, কিন্তু নল আসলে বাজে ০.১৫৫ m এ, কারণ অ্যান্টিনোড মুখের ০.০১২ m ওপরে। তাই ৪ × ৫১২ × ০.১৫৫ = ৩১৮.৪ m/s, যা প্রকৃত ৩৪৩.০ m/s থেকে ৭.২% দূরে।

ভুলটা ছোট, কিন্তু পদ্ধতিগত: সবসময় একই দিকে। L₂ − L₁ নিলে এটা কেটে যায়, তাই ভালো রিপোর্টে দুটো অনুনাদই দেখানো হয়।

যেসব ভুলে নম্বর কাটা যায়

ব্যবহারিক পরীক্ষার আগে তালিকাটা মিলিয়ে নাও। প্রতিটা ভুলে কেউ না কেউ নম্বর হারিয়েছে।

  • L₁ = λ/২ লেখা। বন্ধ নলের প্রথম অনুনাদ এক-চতুর্থাংশ তরঙ্গদৈর্ঘ্যে, অর্ধেকে নয়।
  • L₂ − L₁ কে λ এর সমান ধরা। পরপর দুই অনুনাদের ফারাক অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য।
  • v = 2f(L₂ − L₁) এ ২ গুণকটা ভুলে যাওয়া।
  • একক গুলিয়ে ফেলা: দৈর্ঘ্য সেন্টিমিটারে, দ্রুতি মিটার/সেকেন্ডে। আগে বদলে নাও।
  • ভুল তাপমাত্রার দ্রুতি ধরা। ঘরের তাপমাত্রা লিখে রাখো, আর মিলিয়ে দেখতে v = ৩৩১ + ০.৬ T ব্যবহার করো।
  • L₂ দেখানোর মতো লম্বা নল না নিয়ে দ্বিতীয় রিডিং আন্দাজে লেখা।
  • ভাবা যে নল শূন্য থেকে শব্দ বানায়। অনুনাদে শলাকার ছোট ঠেলাই বাতাসে বড় তরঙ্গ গড়ে তোলে, ফলে শলাকা তাড়াতাড়ি থেমে যায়।

আর কোথায় বায়ুস্তম্ভের অনুনাদ দেখা যায়

বোতলের মুখের ওপর দিয়ে ফুঁ দিলে গুনগুন আওয়াজ হয়: বোতলের বাতাস এক মুখ বন্ধ নল, আর পানি ঢেলে ফেললে বাতাস বাড়ে বলে সুর নিচে নামে। ক্লারিনেট আর মাথা বন্ধ অর্গান-নল একই কায়দায় বাজে। বাঁশের বাঁশি খোলা নলের কাছাকাছি, তাই তাতে শুধু বিজোড় নয়, সব সমমেলই থাকে।

কানেও অনুনাদ আছে: কানের নালি প্রায় ২.৫ cm লম্বা একটা ছোট বন্ধ নল, তাই প্রায় ৩,০০০ Hz এর আশপাশের শব্দ জোরালো শোনায়, কথার ব্যঞ্জনধ্বনি মোটামুটি ওই এলাকায় থাকে। নোড, অ্যান্টিনোড আর সমমেলের পুরো ছবির জন্য এরপর স্থির তরঙ্গের অ্যানিমেশন দেখো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

বায়ুস্তম্ভে অনুনাদ কী?

সুরশলাকার মতো উৎসের কম্পাঙ্ক যখন বায়ুস্তম্ভের স্বাভাবিক কম্পাঙ্কের সমান হয়, তখন স্তম্ভ অনেক বড় বিস্তারে কাঁপে আর শব্দ জোরালো হয়। একেই অনুনাদ বলে।

অনুনাদ নল থেকে শব্দের দ্রুতির সূত্র কী?

v = 2f(L₂ − L₁), যেখানে f শলাকার কম্পাঙ্ক আর L₁, L₂ পরপর দুই অনুনাদের দৈর্ঘ্য। L₂ − L₁ হলো অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য।

প্রান্ত সংশোধন কী?

খোলা প্রান্তের অ্যান্টিনোড নলের সামান্য বাইরে পড়ে। ওই বাড়তি দৈর্ঘ্য e, মোটামুটি নলের ব্যাসার্ধের ০.৬ গুণ, মাপা বায়ুস্তম্ভের সঙ্গে যোগ করতে হয়: প্রথম অনুনাদে L = λ/৪ − e।

প্রথম অনুনাদ λ/৪ এ হয় কেন?

পানির তল নোড আর খোলা মুখ অ্যান্টিনোড। একটা নোড আর তার কাছের অ্যান্টিনোডের দূরত্ব এক-চতুর্থাংশ তরঙ্গদৈর্ঘ্য, তাই সবচেয়ে ছোট স্তম্ভ λ/৪।

একটার বদলে দুটো অনুনাদ নেওয়া হয় কেন?

দুই দৈর্ঘ্য বিয়োগ করলে প্রান্ত সংশোধন কেটে যায়, যেটা মাপা কঠিন। তাদের ফারাক ঠিক অর্ধেক তরঙ্গদৈর্ঘ্য।

তাপমাত্রা কীভাবে অনুনাদ-দৈর্ঘ্য বদলায়?

গরম বাতাসে শব্দ দ্রুত চলে, প্রতি ডিগ্রি সেলসিয়াসে প্রায় ০.৬ m/s। একই শলাকায় তরঙ্গদৈর্ঘ্য বড় হয়, তাই অনুনাদ বড় দৈর্ঘ্যে ঘটে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

HSC

এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

SSC

এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি

পাঠ্যবই

নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই

ভর্তি

ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি

ভর্তি

ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭

English

Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)

বাংলা

প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা

English

Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)

SSC

এসএসসি সাজেশন

HSC

এইচএসসি সাজেশন

ভর্তি

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড

SSC

এসএসসি সিলেবাস

HSC

এইচএসসি সিলেবাস

বিদেশে পড়াশোনা

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা

টেস্ট

Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)

স্কলারশিপ

বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ

IELTS

IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)

টুল

GPA calculator (ইংরেজিতে)

ক্যারিয়ার

Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)

আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন

SSC · HSC

আলোর প্রতিসরণ

আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

ওহমের সূত্র

ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

প্রাসের গতি

প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

সরল দোলক

সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ ক্ষেত্র

তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

তরঙ্গের ব্যতিচার

তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।

SSC · HSC

নিউটনের গতির সূত্র

নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।

SSC · HSC

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।

SSC · HSC

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

নততল

নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।

SSC · HSC

বৃত্তাকার গতি

সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।

SSC · HSC

লিভার ও ভ্রামক

সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভরকেন্দ্র

দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।

SSC · HSC

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।

SSC · HSC

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।

HSC

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।

HSC

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

দুটি বস্তুর টান, ব্যস্তবর্গ সূত্রের লেখচিত্র, পৃথিবীর ওপরে-নিচে g আর উপগ্রহের কক্ষপথ নিজের হাতে চালিয়ে দেখো। কক্ষীয় বেগ, পর্যায়কাল, মুক্তিবেগ আর সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।

HSC

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।

SSC · HSC

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।

HSC

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।

HSC

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

HSC

একক চিড়ে অপবর্তন

চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।

SSC · HSC

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।

SSC · HSC

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।

HSC

এসি জেনারেটর

চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।

SSC · HSC

ট্রান্সফর্মার

ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।

SSC · HSC

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।

SSC · HSC

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।

HSC

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।

HSC

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।

SSC · HSC

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।

HSC

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

রসায়ন

পরমাণুর গঠন

রসায়ন

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

রসায়ন

ইলেকট্রন বিন্যাস

রসায়ন

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

রসায়ন

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

রসায়ন

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

রসায়ন

সমযোজী বন্ধন

রসায়ন

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

রসায়ন

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

রসায়ন

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

রসায়ন

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

রসায়ন

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

রসায়ন

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

রসায়ন

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

রসায়ন

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রসায়ন

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রসায়ন

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

রসায়ন

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

রসায়ন

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

রসায়ন

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

রসায়ন

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

রসায়ন

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

রসায়ন

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

রসায়ন

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

রসায়ন

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ