এখনকার সংখ্যা দিয়ে হিসাব
- ১. ঢাল = উল্লম্ব ব্যবধান ÷ অনুভূমিক ব্যবধানΔy / Δx = ৪ / ২ = ২
- ২. x = ০ বসিয়ে y-অক্ষের ছেদবিন্দুx = 0 ⇒ y = −৪
- ৩. y = ০ বসিয়ে x-অক্ষের ছেদবিন্দুy = 0 ⇒ x = ২
- ৪. tan θ = ঢাল, তাই কোণtan θ = ২ ⇒ θ ≈ ৬৩.৪৩°
নিয়ন্ত্রণ
কী আঁকবে
পরিমাপ
- রেখার সমীকরণ
- y = ২x − ৪
- ঢাল, m
- ২
- x-অক্ষের সাথে কোণ, θ
- ৬৩.৪৩°
- y-অক্ষের ছেদবিন্দু
- (0, −৪)
- x-অক্ষের ছেদবিন্দু
- (২, 0)
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- কিছু না ছুঁয়ে আগে দেখো: “একটি রেখা · y = mx + c” মোডে পর্দায় y = ২x − ৪। রেখাটা x-অক্ষকে (২, ০) বিন্দুতে আর y-অক্ষকে (০, −৪) বিন্দুতে কাটছে, কোণ প্রায় ৬৩.৪৩°।
- ঢাল m-এর স্লাইডার বাড়াও-কমাও: রেখা খাড়া হয় বা শুয়ে পড়ে, m ঋণাত্মক হলে ডান দিকে নিচে নামে। c-এর স্লাইডার রেখাটাকে উপর-নিচ সরায়, ঢাল বদলায় না।
- “দুটি বিন্দু” মোডে বেছে নিয়ে বিন্দু দুটি আঙুল বা মাউস দিয়ে টানো। ঢাল সাথে সাথে বদলায়। একই x-এ দুটি বিন্দু রাখলে রেখা খাড়া হয়ে যায় আর ঢাল “সংজ্ঞাহীন” লেখা আসে।
- এবার “দুটি রেখা” মোড। শুরুতে ২x + ৩y = ১২ ও x − y = ১ আঁকা আছে, কমলা বিন্দুটি (৩, ২), সেটাই সমাধান। নিচের “সমাধানের ধরন” ঘরে লেখা “একটি মাত্র সমাধান”।
- a₂, b₂ স্লাইডার নেড়ে দ্বিতীয় রেখাকে প্রথমটার সমান্তরাল বানাও: ছেদবিন্দু মিলিয়ে যায়, ধরন বদলে “কোনো সমাধান নেই” হয়। এবার c₂ ঠিক করে দুটি রেখাকে এক করে ফেলো, ধরন হবে “অসংখ্য সমাধান”।
- “হিসাব ধাপে ধাপে দেখাও” চালু রাখো। নিচে তোমার বেছে নেওয়া সংখ্যা দিয়েই ঢাল, ছেদক, কোণ, অনুপাত পরীক্ষা আর বজ্রগুণনের হিসাব আসে। “দৃশ্যমান পরিসর” বাড়িয়ে দূরের ছেদবিন্দুও ধরো।
দুই রিকশাওয়ালা আর একটা বিন্দু যেখানে ভাড়া সমান
বাসার সামনে দুজন রিকশাওয়ালা দাঁড়িয়ে। প্রথমজন বলছেন, “আগে ২০ টাকা ধরো, তারপর কিলোমিটারপ্রতি ১০ টাকা।” দ্বিতীয়জন বলছেন, “আমার কোনো আগাম নেই, কিলোমিটারপ্রতি ১৫ টাকা।” কার রিকশায় উঠলে লাভ?
উত্তর: দূরত্বের উপর নির্ভর করে। কাছে গেলে দ্বিতীয়জন সস্তা, কারণ প্রথমজনের আগামটাই ভারী। কিন্তু দূরে গেলে প্রথমজন সস্তা, কারণ তাঁর কিলোমিটারপ্রতি রেট কম। মাঝখানে একটা দূরত্ব আছে যেখানে দুজনের ভাড়া ঠিক সমান। সেটা বের করতে আমরা ভাড়াকে y আর দূরত্বকে x ধরে দুটি সমীকরণ লিখি: y = ১০x + ২০ এবং y = ১৫x।
দুটোই সরল সমীকরণ, তাই লেখচিত্রে দুটি সরলরেখা। রেখা দুটি যেখানে কাটে, সেখানে একই x-এর জন্য দুটি y-ই সমান, মানে ভাড়া সমান। হিসাব করলে পাই ৪ কিলোমিটারে ভাড়া দুজনেরই ৬০ টাকা। এর কম দূরত্বে দ্বিতীয়জন, বেশি দূরত্বে প্রথমজন সস্তা।
এই পাতা সেই ছেদবিন্দু খোঁজারই পাতা। উপরের সিমুলেশনে তুমি রেখা আঁকবে, ঢাল আর ছেদক বুঝবে, তারপর দুটি সহসমীকরণ লেখচিত্রে ফেলে সমাধান পড়বে। আর শিখবে কেন কখনো দুটি রেখা কাটে না, কখনো একেবারে মিলে যায়।
| দূরত্ব (কিমি) | প্রথমজনের ভাড়া (টাকা) | দ্বিতীয়জনের ভাড়া (টাকা) |
|---|---|---|
| ০ | ২০ | ০ |
| ২ | ৪০ | ৩০ |
| ৪ | ৬০ | ৬০ |
| ৬ | ৮০ | ৯০ |
| ৮ | ১০০ | ১২০ |
একদম শুরু থেকে: স্থানাঙ্ক সমতল
একটা সাদা কাগজে একটা আড়াআড়ি সরলরেখা আর একটা খাড়া সরলরেখা টানো, যেখানে দুটি কাটে সেই বিন্দুর নাম মূলবিন্দু, লেখা হয় O দিয়ে। আড়াআড়ি রেখাটি x-অক্ষ, খাড়া রেখাটি y-অক্ষ। মূলবিন্দু থেকে ডানে ও উপরে ধনাত্মক সংখ্যা, বামে ও নিচে ঋণাত্মক।
সমতলের যেকোনো বিন্দুকে দুটি সংখ্যা দিয়ে চেনানো যায়: (x, y)। প্রথম সংখ্যা বলে মূলবিন্দু থেকে কতটা ডানে (বা বামে), দ্বিতীয়টি বলে কতটা উপরে (বা নিচে)। একে ক্রমজোড় বা স্থানাঙ্ক বলে। (৩, ২) মানে ৩ ঘর ডানে, ২ ঘর উপরে। (২, ৩) কিন্তু অন্য বিন্দু, তাই ক্রমটা গুরুত্বপূর্ণ।
অক্ষ দুটি সমতলকে চার ভাগে ভাগ করে, নাম চতুর্ভাগ। প্রথম ভাগে x, y দুটিই ধনাত্মক; দ্বিতীয়তে x ঋণাত্মক, y ধনাত্মক; তৃতীয়তে দুটিই ঋণাত্মক; চতুর্থে x ধনাত্মক, y ঋণাত্মক। x-অক্ষের উপরের যেকোনো বিন্দুতে y = ০, y-অক্ষের উপরের যেকোনো বিন্দুতে x = ০। এই দুটি তথ্য একটু পরেই ছেদক বের করতে কাজে লাগবে।
সিমুলেশনের গ্রাফ পেপারে ঠিক এই ব্যবস্থাই আছে: মাঝখানে মূলবিন্দু, প্রতি ঘর এক একক। “দৃশ্যমান পরিসর” স্লাইডার দিয়ে তুমি পর্দা ছোট-বড় করতে পারো, ঘর বড় করে ছোট সংখ্যা দেখতে অথবা ছোট করে দূরের ছেদবিন্দু ধরতে।
একটি সরল সমীকরণ মানেই একটি সরলরেখা
দুটি অজানা x আর y-সহ সমীকরণ ax + by = c-এর (a ও b একসাথে শূন্য নয়) অসংখ্য সমাধান আছে। যেমন x + y = ৫-এর সমাধান (১, ৪), (২, ৩), (৫, ০), (৭, −২), এমনকি (০.৫, ৪.৫)। যে কোনো x ধরো, y নিজে থেকে ঠিক হয়ে যায়।
এই সমাধানগুলোকে বিন্দু হিসেবে বসালে দেখবে সবগুলো একটি সরলরেখার উপর পড়ছে। উল্টোটাও সত্য: রেখাটির যেকোনো বিন্দুর স্থানাঙ্ক সমীকরণ মানে। তাই সমীকরণ আর রেখা একই জিনিসের দুই রূপ। এজন্যই এই সমীকরণকে বলা হয় সরল (রৈখিক) সমীকরণ।
এতে একটা সুন্দর ফল আসে। রেখা আঁকতে মাত্র দুটি বিন্দু লাগে, কারণ দুটি ভিন্ন বিন্দু দিয়ে ঠিক একটি সরলরেখা যায়। ভুল ধরার জন্য তৃতীয় একটি বিন্দু বের করে মিলিয়ে নেওয়া ভালো অভ্যাস। তিনটি বিন্দু এক সরলরেখায় না পড়লে কোথাও হিসাব ভুল হয়েছে।
দুটি সমীকরণ একসাথে দিলে তাকে সহসমীকরণ বলে। সহসমীকরণের সমাধান হলো এমন (x, y), যা দুটি সমীকরণকেই সিদ্ধ করে। লেখচিত্রের ভাষায়: যে বিন্দু দুটি রেখার উপরেই আছে। দুটি রেখার উপরে থাকা বিন্দু থাকলে সেটা ছেদবিন্দু ছাড়া আর কী হবে?
দরকারি শব্দগুলো এক জায়গায়
সৃজনশীলের জ্ঞানমূলক প্রশ্ন আসে এই পরিভাষা থেকেই, তাই টেবিলটা মাথায় বসিয়ে নাও।
| পরিভাষা | প্রতীক | অর্থ |
|---|---|---|
| সরল সহসমীকরণ | a₁x + b₁y = c₁, a₂x + b₂y = c₂ | দুই চলকের দুটি সরল সমীকরণ, যাদের একসাথে সিদ্ধ করতে হবে |
| লেখচিত্র | — | সমীকরণের সব সমাধানের বিন্দু আঁকলে যে চিত্র হয় |
| মূলবিন্দু | O (০, ০) | দুটি অক্ষ যেখানে কাটে |
| অক্ষ | x-অক্ষ, y-অক্ষ | স্থানাঙ্ক মাপার দুটি লম্ব রেখা |
| ঢাল | m | অনুভূমিক ১ একক এগোলে উল্লম্ব কতটা ওঠানামা হয় |
| ছেদক | x-ছেদক, y-ছেদক | রেখা অক্ষকে মূলবিন্দু থেকে কত দূরে কাটে |
| ছেদবিন্দু | (x, y) | দুটি রেখা যে বিন্দুতে কাটে, সহসমীকরণের সমাধান |
| সমঞ্জস | — | যে সহসমীকরণের অন্তত একটি সমাধান আছে |
| অসমঞ্জস | — | যে সহসমীকরণের কোনো সমাধান নেই |
| পরস্পর নির্ভরশীল | — | সমীকরণ দুটি আসলে একই রেখা, একটি অন্যটির গুণিতক |
| পরস্পর অনির্ভরশীল | — | সমীকরণ দুটি ভিন্ন রেখা, কেউ কারও গুণিতক নয় |
ঢাল: দুটি বিন্দু থেকে পড়ে ফেলো
ঢাল মাপে রেখাটি কতটা খাড়া। একটা সিঁড়ির কথা ভাবো: প্রতি ধাপে সামনে যতটা এগোও তাকে বলে অনুভূমিক ব্যবধান (run), আর উপরে যতটা ওঠো তাকে উল্লম্ব ব্যবধান (rise)। ঢাল = উল্লম্ব ব্যবধান ÷ অনুভূমিক ব্যবধান। সিমুলেশনের ধূসর ড্যাশ-করা ত্রিভুজটিই এই দুটি ব্যবধান দেখায়।
রেখার উপরের যেকোনো দুটি বিন্দু (x₁, y₁) ও (x₂, y₂) হলে ঢাল m = (y₂ − y₁) / (x₂ − x₁)। শুরুর দুটি বিন্দু (−২, −৩) ও (২, ৫) নিলে উল্লম্ব ব্যবধান ৫ − (−৩) = ৮, অনুভূমিক ব্যবধান ২ − (−২) = ৪, তাই m = ৮/৪ = ২।
বিন্দু দুটির ক্রম বদলালেও ঢাল বদলায় না, কারণ উপর-নিচ দুটিতেই চিহ্ন একসাথে উল্টে যায়। শুধু একটা নিয়ম মানতে হবে: লব আর হরে একই বিন্দু আগে বসাও। (y₂ − y₁) লিখে হরে (x₁ − x₂) লিখলে চিহ্ন ভুল হয়ে যাবে।
ঢালের চিহ্ন বলে দেয় রেখা কোনদিকে। ঢাল যত বড়, রেখা তত খাড়া। ঢাল শূন্য মানে অনুভূমিক রেখা। আর অনুভূমিক ব্যবধান শূন্য হলে ভাগ করা যায় না, তাই খাড়া রেখার ঢাল সংজ্ঞাহীন। সিমুলেশনে দুটি বিন্দু একই x-এ আনলে এটা নিজের চোখে দেখবে।
ঢালের সাথে কোণের সম্পর্কও আছে। রেখা x-অক্ষের ধনাত্মক দিকের সাথে যে কোণ θ তৈরি করে, তার tan θ-ই ঢাল। যেমন m = ১ হলে θ = ৪৫°; শুরুর রেখায় m = ২ তাই θ ≈ ৬৩.৪৩°। ঢাল ঋণাত্মক হলে কোণও ঋণাত্মক, মানে রেখা ডান দিকে নিচে নামছে।
m = (y₂ − y₁) / (x₂ − x₁)দুটি বিন্দু থেকে ঢাল
m = tan θθ হলো x-অক্ষের সাথে কোণ
| ঢাল m | রেখা দেখতে | উদাহরণ |
|---|---|---|
| m > ০ | বাম থেকে ডানে উপরে ওঠে | y = ২x − ৪ |
| m < ০ | বাম থেকে ডানে নিচে নামে | y = −x + ৩ |
| m = ০ | অনুভূমিক, x-অক্ষের সমান্তরাল | y = ৩ |
| হর = ০ | খাড়া, y-অক্ষের সমান্তরাল, ঢাল সংজ্ঞাহীন | x = ৩ |
রেখার সমীকরণের রূপগুলো
একই রেখাকে কয়েকভাবে লেখা যায়, আর পরীক্ষায় একটা থেকে আরেকটায় যেতে পারাটাই কাজ। সবচেয়ে বেশি লাগে ঢাল-ছেদক রূপ y = mx + c। এখানে m ঢাল আর c হলো y-ছেদক, অর্থাৎ x = ০ বসালে যে y পাই। রেখা y-অক্ষকে (০, c) বিন্দুতে কাটে।
সহসমীকরণে সাধারণত দেওয়া থাকে আদর্শ রূপ ax + by = c। এটাকে y-এর জন্য সাজালে y = (−a/b)x + c/b। তাই ঢাল −a/b আর y-ছেদক c/b। x-ছেদক পেতে y = ০ বসাও: x = c/a। শুরুর প্রথম সমীকরণ ২x + ৩y = ১২-এ ঢাল −২/৩ = −২/৩; ছেদক দুটি (৬, ০) ও (০, ৪)।
ছেদক রূপ x/p + y/q = ১ আরেকটি সুবিধার রূপ। এখানে রেখা x-অক্ষকে (p, ০) আর y-অক্ষকে (০, q) বিন্দুতে কাটে। আদর্শ রূপকে c দিয়ে ভাগ করলেই এটা পাওয়া যায়। এই রূপে রেখা প্রায় মুখে মুখেই আঁকা যায়: অক্ষের দুই বিন্দু দাগ দিয়ে সোজা টানো।
ঢাল জানা আছে আর একটি বিন্দু (x₀, y₀) জানা থাকলে বিন্দু-ঢাল রূপ y − y₀ = m(x − x₀)। দুটি বিন্দু জানা থাকলে আগে ঢাল বের করে এই রূপ বসাও। আর খাড়া রেখার জন্য আলাদা রূপ x = k, যার কোনো ঢাল নেই। এই রূপ y = mx + c-তে ফেলা যায় না, তাই b = ০ হলে সবসময় আলাদা করে ভাবতে হবে।
y = mx + cঢাল-ছেদক রূপ
ax + by = cআদর্শ রূপ, ঢাল = −a/b
x/p + y/q = ১ছেদক রূপ
y − y₀ = m(x − x₀)বিন্দু-ঢাল রূপ
x = kখাড়া রেখা
লেখচিত্রে সহসমীকরণ সমাধানের ধাপ
ধরো সমাধান করতে হবে ২x + ৩y = ১২ এবং x − y = ১। ধাপগুলো সবসময় একই, তাই একবার শিখলে সব অঙ্কে চলে।
- প্রতিটি সমীকরণের জন্য আলাদা মানের তালিকা বানাও। x-এর এমন কয়েকটি মান নাও, যাতে y পূর্ণসংখ্যা হয়।
- গ্রাফ পেপারে দুই অক্ষ এঁকে একটা সুবিধামতো স্কেল ঠিক করো, যেমন ছোট এক ঘরে এক একক।
- প্রথম সমীকরণের বিন্দুগুলো বসাও আর স্কেল ধরে সরলরেখা টেনে দুই দিকে বাড়িয়ে দাও।
- একই অক্ষে দ্বিতীয় সমীকরণের বিন্দুগুলো বসিয়ে দ্বিতীয় রেখা আঁকো।
- রেখা দুটি কোথায় কাটছে দেখো এবং সেই বিন্দুর স্থানাঙ্ক পড়ো, সেটাই সমাধান।
- সমাধানটি দুটি সমীকরণেই বসিয়ে যাচাই করো।
প্রথম রেখা ২x + ৩y = ১২-এর মানের তালিকা
y = (১২ − ২x) / ৩। x-এর মান ৩-এর গুণিতক নিলে y পূর্ণসংখ্যা হয়:
| x | y |
|---|---|
| ০ | ৪ |
| ৩ | ২ |
| ৬ | ০ |
দ্বিতীয় রেখা x − y = ১-এর মানের তালিকা
এখানে y = x − ১, তাই যেকোনো পূর্ণসংখ্যা x-এর জন্যই y পূর্ণসংখ্যা:
| x | y |
|---|---|
| ০ | −১ |
| ১ | ০ |
| ৩ | ২ |
| ৪ | ৩ |
রেখা দুটি কোথায় মিলল
দুটি রেখা (৩, ২) বিন্দুতে কাটে। যাচাই: প্রথম সমীকরণে ২ × ৩ + ৩ × ২ = ১২। দ্বিতীয় সমীকরণে ৩ − ২ = ১। দুটোই মিলেছে, তাই x = ৩, y = ২। সিমুলেশনের “দুটি রেখা” মোডে ঠিক এই ছবিটাই শুরুতে আঁকা আছে।
লেখচিত্রের পদ্ধতির একটা সীমা আছে: ছেদবিন্দু ঘরের কোণায় না পড়লে চোখে পড়া উত্তর আন্দাজ হয়ে যায়। এজন্য ভগ্নাংশের উত্তর বা বড় সংখ্যা এলে বীজগাণিতিক পদ্ধতি (প্রতিস্থাপন, অপনয়ন, বজ্রগুণন) লাগে।
তিন রকম ফল আর অনুপাত পরীক্ষা
দুটি সরলরেখা সমতলে তিনভাবে থাকতে পারে, আর ঠিক এই তিনটিই সহসমীকরণের তিন রকম ফল। (১) রেখা দুটি একটি বিন্দুতে কাটে: তখন একটি মাত্র সমাধান, সহসমীকরণ সমঞ্জস ও অনির্ভরশীল। (২) রেখা দুটি সমান্তরাল, কখনো মেলে না: কোনো সমাধান নেই, সহসমীকরণ অসমঞ্জস। (৩) রেখা দুটি একই রেখা: অসংখ্য সমাধান, সহসমীকরণ সমঞ্জস কিন্তু পরস্পর নির্ভরশীল।
লেখচিত্র না এঁকেও এটা বলা যায়, সহগের অনুপাত দেখে। সহসমীকরণ a₁x + b₁y = c₁ ও a₂x + b₂y = c₂ হলে তিনটি অনুপাত a₁/a₂, b₁/b₂, c₁/c₂ তুলনা করো। a₁/a₂ ≠ b₁/b₂ হলে রেখা দুটির ঢাল আলাদা, তাই কাটবেই। a₁/a₂ = b₁/b₂ হলে ঢাল সমান, তাই সমান্তরাল বা এক। তখন c₁/c₂ দেখো: সমান না হলে সমান্তরাল, সমান হলে একই রেখা।
শুরুর জোড়ায় a₁/a₂ = ২, b₁/b₂ = −৩। দুটি আলাদা, তাই রেখা কাটবে। সিমুলেশনের পরিমাপ প্যানেলে এই তিনটি অনুপাত আর a₁b₂ − a₂b₁ (এখানে −৫) সব সময় দেখা যায়। নির্ণায়ক শূন্য না হলেই একটিই সমাধান।
বীজগাণিতিকভাবে বজ্রগুণন সূত্র: D = a₁b₂ − a₂b₁ ≠ ০ হলে x = (c₁b₂ − c₂b₁) / D এবং y = (a₁c₂ − a₂c₁) / D। শুরুর জোড়ায় D = −৫, x = −১৫/(−৫) = ৩, y = −১০/(−৫) = ২। এটা আগের লেখচিত্রের উত্তরের সাথে মিলে গেল।
a₁/a₂ ≠ b₁/b₂একটি সমাধান
a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂কোনো সমাধান নেই
a₁/a₂ = b₁/b₂ = c₁/c₂অসংখ্য সমাধান
| অনুপাত | রেখা দুটি | সমাধান | নাম |
|---|---|---|---|
| a₁/a₂ ≠ b₁/b₂ | একটি বিন্দুতে কাটে | একটি মাত্র | সমঞ্জস, অনির্ভরশীল |
| a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂ | সমান্তরাল | নেই | অসমঞ্জস |
| a₁/a₂ = b₁/b₂ = c₁/c₂ | একই রেখা | অসংখ্য | সমঞ্জস, নির্ভরশীল |
সিমুলেশনে নিজে করে দেখো
প্রতিটি পরীক্ষা এক-দুই মিনিটের। আগে অনুমান করো, তারপর মিলিয়ে দেখো।
পরীক্ষা ১: ঢাল বদলে কোণ দেখো
“একটি রেখা” মোডে c ঠিক রেখে m-কে ধীরে ধীরে ০ থেকে বাড়াও। রেখা শুয়ে থাকা অবস্থা থেকে খাড়া হতে থাকে আর কোণ θ বাড়ে। m = ১ হলে θ ঠিক ৪৫°।
এবার m ঋণাত্মক করো। রেখা উল্টো দিকে হেলে যায়, θ ঋণাত্মক হয়। m = ০-তে রেখা পুরো অনুভূমিক আর x-ছেদক উধাও, কারণ সমান্তরাল রেখা অক্ষকে কাটে না।
পরীক্ষা ২: c বদলে রেখা সরাও
ঢাল ঠিক রেখে c-কে ওঠানামা করাও। পুরো রেখাটা সমান্তরালভাবে উপর-নিচ সরে, আকার-কোণ একই থাকে। y-ছেদক বিন্দু (০, c) সবসময় y-অক্ষের উপর চলাচল করে।
লক্ষ করো, x-ছেদকও সরে যাচ্ছে। একই ঢালের রেখাগুলো একটা পরিবার, শুধু c দিয়ে আলাদা। এই পরিবারের রেখা কখনো একে অপরকে কাটে না।
পরীক্ষা ৩: দুটি বিন্দু টেনে ঢাল পড়ো
“দুটি বিন্দু” মোড বেছে P₁ ও P₂ টানো। শুরুতে P₁ (−২, −৩) আর P₂ (২, ৫), ঢাল ২। P₂-কে সোজা উপরে তুললে ঢাল বাড়ে, নিচে নামালে কমে।
দুটি বিন্দুকে একই x-এ আনো: রেখা খাড়া হয়, ঢাল “সংজ্ঞাহীন”, θ = ৯০° আর y-ছেদক নেই। দুটি বিন্দু একেবারে এক জায়গায় আনলে রেখা ঠিক হয় না, পর্দায় সেটা লেখা আসে।
পরীক্ষা ৪: সমান্তরাল রেখা বানাও
“দুটি রেখা” মোডে শুরু ২x + ৩y = ১২ ও x − y = ১। a₂-কে ২, b₂-কে −২ করো, তাহলে দ্বিতীয়টি ২x − ২y = c₂। প্রথম রেখার ঢাল −২/৩, দ্বিতীয়ের ঢাল ১, এখনো সমান নয়, তাই অনুপাত হাতে মেলাতে হবে।
যে কোনো জোড়া নিয়ে a₁/a₂ = b₁/b₂ বানাও, যেমন (২, ৩) ও (৪, ৬)। এবার c₁ ও c₂ এমন রাখো যাতে c₁/c₂ আলাদা। ছেদবিন্দু উধাও হবে, ধরন “কোনো সমাধান নেই”।
পরীক্ষা ৫: দুই রেখাকে এক করে ফেলো
আগের সমান্তরাল জোড়া থেকে c₂-কে এমন বসাও যাতে তিন অনুপাতই সমান হয়। দ্বিতীয় রেখা ড্যাশ হয়ে প্রথমের উপর বসে যায়, ধরন বদলে “অসংখ্য সমাধান” হয়।
এবার “দৃশ্যমান পরিসর” ২০-এ নিয়ে যাও আর ছেদবিন্দু দূরে ঠেলে দাও: a₂ ও b₂ প্রায় সমান্তরালের কাছাকাছি করলে ছেদবিন্দু অনেক দূরে চলে যায়। প্রায় সমান্তরাল রেখা কাটলেও কাটে অনেক দূরে।
সমাধানকৃত উদাহরণ (সব সংখ্যা হিসাব করে বসানো)
প্রতিটি অঙ্ক পরীক্ষার ধাপ মেনে সাজানো। উদাহরণ ১ সিমুলেশনের শুরুর রেখা, ২ আর ৩ সহসমীকরণ।
উদাহরণ ১: y = ২x − ৪ রেখার ঢাল, ছেদক ও কোণ
রেখা y = ২x − ৪। এখানে m = ২, c = −৪। y-ছেদক (০, −৪)। x-ছেদক: y = ০ বসিয়ে ০ = ২x + (−৪), তাই x = ২।
কোণ: tan θ = ২ হলে θ ≈ ৬৩.৪৩°। ঢাল ধনাত্মক, তাই রেখা বাম থেকে ডানে উঠছে। প্রতি ২ একক ডানে গেলে রেখা ৪ একক ওঠে।
উদাহরণ ২: ২x + ৩y = ১২ ও x − y = ১ (শুরুর জোড়া)
ঢাল-ছেদক রূপে y = −(২/৩)x + ৪ এবং y = x − ১। ঢাল −২/৩ ও ১, ভিন্ন, তাই একটি সমাধান।
বজ্রগুণনে D = ২ × (−১) − ১ × ৩ = −৫। x = (১২ × (−১) − ১ × ৩) / (−৫) = −১৫/(−৫) = ৩। y = (২ × ১ − ১ × ১২) / (−৫) = −১০/(−৫) = ২।
সমাধান (৩, ২), সমঞ্জস ও অনির্ভরশীল।
উদাহরণ ৩: x + y = ৭ ও x − y = ৩
যোগ করে অপনয়ন: x + y = ৭ আর x − y = ৩ যোগ করলে ২x = ৭ + ৩, তাই x = ৫। প্রথম সমীকরণে বসিয়ে y = ৭ − ৫ = ২।
লেখচিত্রে প্রথম রেখা ঢাল −১-এ নেমে যায়, দ্বিতীয়টি ঢাল ১-এ ওঠে। এই বিপরীত ঢালের দুটি রেখা (৫, ২) বিন্দুতে মিলেছে।
উদাহরণ ৪: ২x + ৩y = ৬ ও ৪x + ৬y = ১৮
অনুপাত: a₁/a₂ = ১/২, b₁/b₂ = ১/২, c₁/c₂ = ১/৩। প্রথম দুটি সমান, তৃতীয়টি ভিন্ন, তাই a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂।
রেখা দুটি সমান্তরাল, কোনো সমাধান নেই, সহসমীকরণ অসমঞ্জস। বীজগণিতেও একই ফল: প্রথমটিকে ২ দিয়ে গুণ করলে ৪x + ৬y = ১২, কিন্তু দ্বিতীয়টি বলছে ১৮, তাই ১২ = ১৮ অসম্ভব।
উদাহরণ ৫: x − ২y = ৪ ও ৩x − ৬y = ১২
অনুপাত: ১/৩, ১/৩, ১/৩। তিনটি সমান, তাই a₁/a₂ = b₁/b₂ = c₁/c₂।
দ্বিতীয় সমীকরণ প্রথমটির ৩ গুণ, অর্থাৎ একই রেখা। অসংখ্য সমাধান, যেমন x = ৪, y = ০ অথবা x = ২, y = −১। সহসমীকরণ সমঞ্জস কিন্তু পরস্পর নির্ভরশীল।
উদাহরণ ৬: অনুপাত দিয়ে চারটি জোড়ার ধরন
সমাধান না করে শুধু অনুপাত দেখে ধরন বলো:
(ক) ৩x + ২y = ১২; ৬x + ৪y = ২৪: ১/২, ১/২, ১/২, তাই a₁/a₂ = b₁/b₂ = c₁/c₂, অসংখ্য সমাধান। (খ) x + ২y = ৪; ২x + ৪y = ৯: ১/২, ১/২, ৪/৯, তাই a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂, সমাধান নেই।
(গ) ২x − y = ৩; x + y = ৩: ২ ≠ −১, একটি সমাধান (২, ১)। (ঘ) ৫x − ৩y = ২; ১০x − ৬y = ৭: ১/২, ১/২, ২/৭, তাই a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂, সমাধান নেই।
উদাহরণ ৭: k-এর মান বের করো
k-এর কোন মানে ২x + ৩y = ৮ ও ৪x + ৬y = ২০ সমীকরণ দুটির কোনো সমাধান থাকবে না?
সমান্তরাল হতে হলে a₁/a₂ = b₁/b₂, অর্থাৎ ২/৪ = k/৬, তাই k = ৩। তখন c₁/c₂ = ৮/২০, যা ২/৪ থেকে ভিন্ন। অতএব k = ৩-এ কোনো সমাধান নেই।
একই k-এ c₂ = ১৬ করলে c₁/c₂ = ৮/১৬ হয়, যা ২/৪-এর সমান। তখন তিন অনুপাত সমান, অসংখ্য সমাধান। k-এর অন্য মানে সবসময় একটি সমাধান।
উদাহরণ ৮: দুটি সংখ্যা
দুটি সংখ্যার যোগফল ২৫ আর অন্তর ৭। সংখ্যা দুটি x ও y ধরলে x + y = ২৫ এবং x − y = ৭।
যোগ করে ২x = ২৫ + ৭, তাই x = ১৬। তাহলে y = ২৫ − ১৬ = ৯। সংখ্যা দুটি ১৬ ও ৯।
উদাহরণ ৯: কলম আর খাতার দাম
৩টি কলম ও ২টি খাতার দাম ৭০ টাকা, আবার ২টি কলম ও ৫টি খাতার দাম ১২০ টাকা। কলমের দাম x, খাতার দাম y ধরলে ৩x + ২y = ৭০ এবং ২x + ৫y = ১২০।
D = ৩ × ৫ − ২ × ২ = ১১। x = (৭০ × ৫ − ১২০ × ২) / ১১ = ১১০/১১ = ১০। y = (৩ × ১২০ − ২ × ৭০) / ১১ = ২২০/১১ = ২০।
কলম ১০ টাকা, খাতা ২০ টাকা। যাচাই: প্রথম শর্তে ৭০, দ্বিতীয়তে ১২০। দুটোই মেলে।
উদাহরণ ১০: (১, ২) ও (৪, −৪) দিয়ে যাওয়া রেখা
ঢাল m = (−৪ − ২) / (৪ − ১) = −৬/৩ = −২। ঋণাত্মক ঢাল, তাই রেখা নিচে নামছে এবং কোণ ≈ −৬৩.৪৩°।
বিন্দু-ঢাল রূপে y − ২ = −২(x − ১), সাজিয়ে y = −২x + ৪। y-ছেদক ৪, x-ছেদক ২। আদর্শ রূপে −৬x − ৩y = −১২।
উদাহরণ ১১: ঢাল ৩, বিন্দু (২, ১)
y − ১ = ৩(x − ২) থেকে y = ৩x − ৬ + ১, অর্থাৎ y = ৩x − ৫। y-ছেদক −৫।
x-ছেদক: y = ০ বসিয়ে x = ৫/৩ ≈ ১.৬৭। ছেদক ভগ্নাংশ হলে গ্রাফ পেপারে আন্দাজে বসাতে হয়, তাই সূত্র দিয়ে সঠিক মান আগে বের করে রাখা ভালো।
উদাহরণ ১২: (৩, −২) ও (৩, ৪) বিন্দুদ্বয়ের রেখা
অনুভূমিক ব্যবধান ৩ − ৩ = ০, তাই ঢাল ৬/০ সংজ্ঞাহীন। এটা খাড়া রেখা: x = ৩।
এই রেখা y-অক্ষের সমান্তরাল, y-অক্ষকে কাটে না, আর x-অক্ষকে কাটে x = ৩ বিন্দুতে। সিমুলেশনে দুটি বিন্দুকে একই x-এ রেখে নিজে দেখে নাও।
উদাহরণ ১৩: ছেদবিন্দু যখন পূর্ণসংখ্যা নয়
২x + ৩y = ৭ ও ৪x − y = ১। D = −১৪, x = −১০/(−১৪) = ৫/৭ ≈ ০.৭১, y = −২৬/(−১৪) = ১৩/৭ ≈ ১.৮৬।
গ্রাফ পেপারে এই বিন্দুটা ঘরের কোণায় পড়ে না, তাই লেখচিত্র থেকে শুধু আন্দাজ মেলে। এজন্যই সূত্রে সঠিক মান বের করা জরুরি। সিমুলেশন ভগ্নাংশটাই দেখায়, দশমিক আন্দাজ নয়।
উদাহরণ ১৪: অক্ষের সাথে ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল
২x + ৩y = ১২ রেখা অক্ষ দুটির সাথে একটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি করে। x-ছেদক ৬, y-ছেদক ৪, তাই ক্ষেত্রফল = ½ × ৬ × ৪ = ১২ বর্গ একক।
যে ভুলগুলো সবাই করে
এই ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়, তাই আগে থেকে সাবধান।
- ক্রমজোড় উল্টে লেখা: (২, ৩) আর (৩, ২) আলাদা বিন্দু, প্রথমটি x।
- ঢাল বের করতে লব আর হরে বিন্দুর ক্রম গুলিয়ে ফেলা। যে বিন্দু লবে আগে, হরেও আগে।
- ax + by = c থেকে ঢাল −a/b, কিন্তু a/b লিখে ফেলা। চিহ্ন হারিয়ে যায়।
- সমান্তরাল রেখার ক্ষেত্রে “অসংখ্য” লেখা। অনুপাত দুটি সমান হলে তৃতীয়টি দেখতে ভুলে যাওয়া।
- x-ছেদক বের করতে x = ০ বসানো, অথচ x-ছেদকের জন্য y = ০ বসাতে হয়।
- সমাধান লেখচিত্র থেকে পড়ে দুটি সমীকরণে বসিয়ে যাচাই না করা।
- গ্রাফ পেপারে দুই অক্ষে ভিন্ন স্কেল নেওয়া, ফলে ঢাল ভুল দেখায়।
- রেখাকে ছোট টুকরো করে আঁকা। রেখা দুই দিকে বাড়িয়ে টানো, না হলে ছেদবিন্দু বাদ পড়তে পারে।
- খাড়া রেখাকে y = mx + c-তে ফেলার চেষ্টা। এর ঢাল নেই, সমীকরণ x = k।
বাস্তব জীবনে সরল সমীকরণ ও সহসমীকরণ
লেখচিত্র আর ছেদবিন্দু আমাদের দৈনন্দিন সিদ্ধান্তের পেছনেই লুকিয়ে আছে:
- মোবাইল প্যাকেজ বাছাই: একটিতে মাসিক ফি বেশি কিন্তু প্রতি মিনিটে কম, অন্যটিতে উল্টো। কোন ব্যবহারে কোনটা সস্তা, ছেদবিন্দু তা বলে দেয়।
- ভাড়া, ট্যাক্সি বা রাইড শেয়ারের হিসাব: আগাম ফি আর কিলোমিটারপ্রতি রেট মিলে একটি রেখা।
- ব্যবসার লাভ-লোকসান: আয়ের রেখা আর খরচের রেখা যেখানে কাটে, সেটাই সমবিন্দু (ব্রেক-ইভেন)।
- পাহাড়ি পথ বা র্যাম্পের খাড়াভাব: ঢাল বাড়লে চড়া কঠিন হয়, হুইলচেয়ার র্যাম্পের ঢাল তাই কম রাখা হয়।
- দুটি ট্রেনের গতি আর যাত্রাপথ: দূরত্ব বনাম সময়ের রেখা দুটি যেখানে কাটে, ট্রেন দুটি সেখানে একসাথে থাকে। ঢাল এখানে গতি।
- ফোনের ডেটা ব্যবহার বনাম ব্যাটারির চার্জ: সরল সম্পর্কের রেখা দেখে কতক্ষণ চলবে তা আন্দাজ করা যায়।
পরীক্ষার কর্নার: SSC গণিত
এই বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে সাধারণত একটি উদ্দীপক থাকে: দুটি সমীকরণ বা একটি বাস্তব পরিস্থিতি। (ক) অংশে সংজ্ঞা বা সহজ হিসাব, যেমন ঢাল বা ছেদক কাকে বলে, কিংবা একটি বিন্দু সমীকরণ সিদ্ধ করে কি না। (খ) অংশে সমীকরণজোড়ার সমাধান বা শর্ত থেকে k নির্ণয়।
(গ) অংশে সাধারণত লেখচিত্র আঁকতে বলা হয়, এবং ছেদবিন্দু থেকে সমাধান লিখতে বলা হয়। (ঘ) অংশে অক্ষের সাথে রেখার তৈরি ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল, বা রেখাদুটির কোনো ফল ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। লেখচিত্র আঁকার সময় স্কেল স্পষ্ট লেখো, অক্ষে নাম দাও, বিন্দুগুলো দাগ দিয়ে নাম লেখো।
বহুনির্বাচনিতে দ্রুত মনে রাখো: a₁/a₂ ≠ b₁/b₂ হলে একটি সমাধান; তিন অনুপাত সমান হলে অসংখ্য; প্রথম দুটি সমান ও তৃতীয়টি ভিন্ন হলে নেই। ax + by = c-এর ঢাল −a/b, x-ছেদক c/a, y-ছেদক c/b। খাড়া রেখার ঢাল সংজ্ঞাহীন, অনুভূমিক রেখার ঢাল ০।
এক পাতায় রিভিশন
পরীক্ষার আগের রাতে এটুকু দেখে নাও:
- সরল সমীকরণ ax + by = c-এর লেখচিত্র সরলরেখা; রেখা আঁকতে দুটি বিন্দুই যথেষ্ট, তৃতীয়টি যাচাইয়ের জন্য।
- ঢাল m = (y₂ − y₁)/(x₂ − x₁) = tan θ = −a/b।
- y = mx + c-তে m ঢাল, c হলো y-ছেদক। x-ছেদক পেতে y = ০ বসাও।
- সহসমীকরণের সমাধান = দুটি রেখার ছেদবিন্দু।
- a₁/a₂ ≠ b₁/b₂: একটি সমাধান, সমঞ্জস, অনির্ভরশীল।
- a₁/a₂ = b₁/b₂ ≠ c₁/c₂: সমান্তরাল, সমাধান নেই, অসমঞ্জস।
- a₁/a₂ = b₁/b₂ = c₁/c₂: এক রেখা, অসংখ্য সমাধান, নির্ভরশীল।
- বজ্রগুণন: x = (c₁b₂ − c₂b₁)/D, y = (a₁c₂ − a₂c₁)/D, D = a₁b₂ − a₂b₁।
- খাড়া রেখা x = k: ঢাল সংজ্ঞাহীন। অনুভূমিক রেখা y = k: ঢাল শূন্য।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
সরল সহসমীকরণ কাকে বলে?
একই দুটি অজানা (x ও y) যুক্ত দুটি সরল সমীকরণকে একসাথে ধরলে তাকে সরল সহসমীকরণ বলে, যেমন a₁x + b₁y = c₁ ও a₂x + b₂y = c₂। এদের সমাধান এমন (x, y), যা দুটি সমীকরণকেই সিদ্ধ করে। লেখচিত্রে এটা রেখা দুটির ছেদবিন্দু।
লেখচিত্র থেকে সহসমীকরণের সমাধান কীভাবে পাব?
প্রতিটি সমীকরণের জন্য মানের তালিকা বানিয়ে একই গ্রাফ পেপারে দুটি রেখা আঁকো। রেখা দুটি যে বিন্দুতে কাটে তার x ও y-ই সমাধান। শেষে দুটি সমীকরণে বসিয়ে যাচাই করো।
ঢাল কাকে বলে এবং কীভাবে বের করব?
অনুভূমিক এক একক এগোলে উল্লম্ব দিকে কতটা ওঠানামা হয়, তাকে ঢাল বলে। দুটি বিন্দু (x₁, y₁), (x₂, y₂) থেকে m = (y₂ − y₁)/(x₂ − x₁)। ax + by = c থেকে ঢাল −a/b।
ছেদক কাকে বলে?
রেখা যে বিন্দুতে অক্ষকে কাটে, সেই বিন্দুর স্থানাঙ্ককে ছেদক বলে। x = ০ বসিয়ে পাওয়া y হলো y-ছেদক, আর y = ০ বসিয়ে পাওয়া x হলো x-ছেদক।
কখন সহসমীকরণের কোনো সমাধান থাকে না?
যখন a₁/a₂ = b₁/b₂ কিন্তু c₁/c₂ তাদের সমান নয়। তখন রেখা দুটির ঢাল সমান অথচ তারা আলাদা, তাই সমান্তরাল, কখনো কাটে না। এমন সহসমীকরণকে অসমঞ্জস বলে।
কখন অসংখ্য সমাধান থাকে?
যখন তিনটি অনুপাত a₁/a₂, b₁/b₂, c₁/c₂ সমান। তখন একটি সমীকরণ অন্যটির গুণিতক, দুটি রেখা এক হয়ে যায় এবং রেখার প্রতিটি বিন্দু সমাধান। সহসমীকরণ সমঞ্জস কিন্তু পরস্পর নির্ভরশীল।
সমঞ্জস আর অসমঞ্জস সহসমীকরণের পার্থক্য কী?
যে সহসমীকরণের অন্তত একটি সমাধান আছে সেটি সমঞ্জস। কোনো সমাধান না থাকলে অসমঞ্জস। সমঞ্জস সহসমীকরণ আবার একটি সমাধানে অনির্ভরশীল, অসংখ্য সমাধানে নির্ভরশীল।
খাড়া রেখার ঢাল কত?
খাড়া রেখার ঢাল সংজ্ঞাহীন, কারণ দুটি বিন্দুর x একই হওয়ায় হর শূন্য হয়ে যায়। এর সমীকরণ x = k আর কোণ ৯০°। অনুভূমিক রেখার ঢাল ০।
দুটি বিন্দু দিয়ে রেখার সমীকরণ কীভাবে লিখব?
আগে ঢাল m = (y₂ − y₁)/(x₂ − x₁) বের করো, তারপর যেকোনো একটি বিন্দু দিয়ে y − y₁ = m(x − x₁) লেখো। যেমন (১, ২) ও (৪, −৪) থেকে y = −২x + ৪।
বজ্রগুণন পদ্ধতি কী?
a₁x + b₁y = c₁ ও a₂x + b₂y = c₂-এ D = a₁b₂ − a₂b₁ ≠ ০ হলে x = (c₁b₂ − c₂b₁)/D এবং y = (a₁c₂ − a₂c₁)/D। এটা একধাপেই দুই চলকের মান দেয়।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি সাজেশন
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
y = A sin(Bx + C) + D আঁকো স্লাইডার টেনে: বিস্তার, পর্যায়কাল, দশা সরণ, মানের পরিসর আর tan-এর অসীমতট নিজে দেখো। সমাধানসহ ত্রিকোণমিতিক লেখচিত্র।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















