মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

কে দেয়, কে নেয়: জারণ-বিজারণ, এক ইলেকট্রন করে

জারণ-বিজারণ বা রেডক্স বিক্রিয়া হলো এমন বিক্রিয়া, যেখানে এক পদার্থ থেকে আরেক পদার্থে ইলেকট্রন যায়। যে ইলেকট্রন হারায় সে জারিত হয় (তার জারণ সংখ্যা বাড়ে), যে ইলেকট্রন পায় সে বিজারিত হয় (সংখ্যা কমে)। Zn + Cu²⁺ → Zn²⁺ + Cu বিক্রিয়ায় দস্তা ০ থেকে +২ হয়, তামা +২ থেকে ০ হয়, আর ২টি ইলেকট্রন দুজনের মাঝে চলাচল করে।

জারিত (বিজারক)বিজারিত (জারক)ইলেকট্রনসংখ্যা অপরিবর্তিত

সহগ বলে কয়টি করে একক; ছবিতে প্রতিটির একটি করে আঁকা।

লাল পরমাণু ইলেকট্রন হারায় (জারিত), নীল পরমাণু ইলেকট্রন পায় (বিজারিত)। বিক্রিয়া বদলাও, আর “জারণ সংখ্যা লুকাও” চেপে আগে নিজে হিসাব করে নাও।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

বিক্রিয়া বেছে নাও

পরিমাপ

মোট স্থানান্তরিত ইলেকট্রন
২ e⁻
বিজারক
Zn
জারক
Cu²⁺
জারিত পরমাণুর সংখ্যা বদল
Zn: ০ → +২
বিজারিত পরমাণুর সংখ্যা বদল
Cu: +২ → ০
জারণ অর্ধ-সমীকরণ
Zn → Zn²⁺ + 2e⁻
বিজারণ অর্ধ-সমীকরণ
Cu²⁺ + 2e⁻ → Cu

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে “দস্তা ও কপার সালফেট” বাছা থাকবে। আগে ওপরের সারিটা পড়ো। বোঝার চেষ্টা করো, কে ইলেকট্রন নিতে চায়।
  2. চালু করলে কমলা বিন্দুগুলো ড্যাশ-দাগের বাঁকা পথ ধরে দস্তা থেকে তামার দিকে যায়। মোট ২টি ইলেকট্রন। তারপর নিচের সারি ফুটে ওঠে নতুন সংখ্যা নিয়ে: দস্তা +২, তামা ০।
  3. “জারণ সংখ্যা লুকাও” টিক দিয়ে বিক্রিয়া বদলাও। সব পরমাণুর ওপর প্রশ্নচিহ্ন দেখাবে, তাই নিয়ম মেনে নিজে হিসাব করে নিতে হবে।
  4. প্রতিটি বিক্রিয়ায় লাল লেবেল (জারিত, মানে বিজারক) আর নীল লেবেল (বিজারিত, মানে জারক) মিলিয়ে দেখো।
  5. নিচের সারির তলায় দুটি অর্ধ-সমীকরণ আছে। যোগ করে ইলেকট্রন কেটে দাও, ওপরের পূর্ণ সমীকরণ পেয়ে যাবে।

আপেল বাদামি হয়, লোহার গেট লাল হয়

আপেল কেটে টেবিলে রেখে দাও। কয়েক মিনিটেই সাদা শাঁস বাদামি। বৃষ্টিতে লোহার গেট ফেলে রাখো, মাসখানেক পর কমলা রঙের আর ঝুরঝুরে। গ্যাস চুলা জ্বালালে নীল শিখা। তিনটা একেবারে আলাদা দৃশ্য, কিন্তু রসায়ন তিনটাকেই এক খাতায় লেখে: জারণ। কেউ একজন ইলেকট্রন ছাড়ছে, আরেকজন সেটা নিচ্ছে।

সমস্যা হলো ইলেকট্রন চোখে দেখা যায় না। তাই রসায়নবিদরা একটা হিসাবের পদ্ধতি বানিয়েছেন, জারণ সংখ্যা, যা দেখে বলা যায় কোন পরমাণু ইলেকট্রন হারিয়েছে আর কোনটা পেয়েছে। এই পাতায় হিসাব আর আসল চলাচল পাশাপাশি দেখতে পাবে।

জারণ-বিজারণ মানে কী, তিন ধাপে

শব্দটার অর্থ দুইবার বদলেছে। প্রথমে জারণ মানে ছিল অক্সিজেনের সঙ্গে যুক্ত হওয়া: লোহা আর অক্সিজেন মিলে মরিচা, তাই লোহা জারিত। বিজারণ মানে উল্টোটা, অক্সিজেন হারানো, যেমন লোহার আকরিককে কার্বন দিয়ে গরম করলে লোহা ফেরত আসে।

তারপর দেখা গেল হাইড্রোজেনের বেলাতেও একই ছক। হাইড্রোজেন যোগ হলে বিজারণ, হাইড্রোজেন সরে গেলে জারণ।

শেষে এল ইলেকট্রনের সংজ্ঞা, যা সব ক্ষেত্র একসঙ্গে ঢেকে দেয়। জারণ হলো ইলেকট্রন হারানো। বিজারণ হলো ইলেকট্রন পাওয়া। মনে রাখার সহজ উপায় ইংরেজি OIL RIG: Oxidation Is Loss, Reduction Is Gain। ইলেকট্রন হাওয়ায় মিলিয়ে যায় না, তাই একজন হারালে আরেকজন পাবেই। এজন্যই বলি জারণ-বিজারণ, কেউ একা ঘটে না।

জারণ সংখ্যা: ইলেকট্রনের হিসাব-খাতা

জারণ সংখ্যা হলো সেই আধান, যা পরমাণুটার থাকত যদি প্রতিটি ভাগাভাগি করা ইলেকট্রন-জোড়া বেশি তড়িৎঋণাত্মক পরমাণুর কাছে পুরোপুরি চলে যেত। Cu²⁺ জাতীয় আয়নে এটা আসল আধান। HCl-এর মতো সমযোজী অণুতে এটা হিসাবের উপায়, তবু ইলেকট্রন কোথায় সরল তা ঠিকই বলে দেয়। নিয়মগুলো এই ক্রমে প্রয়োগ করো:

নিয়মউদাহরণ
মৌল অবস্থায় যেকোনো পরমাণুর জারণ সংখ্যা ০Zn, O₂, Cl₂, Fe: সবই ০
সরল আয়নের জারণ সংখ্যা তার আধানের সমানCu²⁺ হলো +২, Cl⁻ হলো −১
১ম শ্রেণির ধাতু +১, ২য় শ্রেণির ধাতু +২NaCl-এ Na +১, MgCl₂-এ Mg +২
হাইড্রোজেন +১ (শুধু ধাতব হাইড্রাইডে −১)HCl-এ H +১, NaH-এ H −১
অক্সিজেন −২ (পারঅক্সাইডে −১)H₂O-তে O −২, H₂O₂-তে O −১
হ্যালোজেন সাধারণত −১MgCl₂-এ Cl −১
সব সংখ্যার যোগফল = যৌগ বা আয়নের আধানMnO₄⁻-এর যোগফল −১, KMnO₄-এর ০

অ্যানিমেশন কীভাবে পড়বে

ক্যানভাসে দুটি সারি। ওপরের “আগে” সারিতে বিক্রিয়কগুলো। প্রতিটি পরমাণু একটি বৃত্ত, ভেতরে চিহ্ন, ওপরে জারণ সংখ্যা। রঙিন বলয় মানে এই পরমাণুর সংখ্যা বদলাবে, ধূসর বলয় মানে বদলাবে না। সংকেতের সামনের সংখ্যা বলে কয়টি একক আছে, ছবিতে প্রতিটির একটি করে আঁকা।

কমলা বিন্দুগুলো ইলেকট্রন। লাল লেবেলের পদার্থ (জারিত, “বিজারক”) থেকে বেরিয়ে ড্যাশ-দাগের বাঁকা পথে নীল লেবেলের পদার্থের (বিজারিত, “জারক”) দিকে যায়। পথের ওপরের সংখ্যাটি সমীকরণ যেমন লেখা আছে সেই অনুযায়ী মোট স্থানান্তরিত ইলেকট্রন।

তারপর “পরে” সারি ফুটে ওঠে উৎপাদ নিয়ে। রঙিন পরমাণুর সংখ্যা মেলাও। সংখ্যা বাড়লে সেই পরমাণু জারিত, কমলে বিজারিত। ক্যানভাসের নিচের দুটি অর্ধ-সমীকরণ একই কথা ইলেকট্রনের ভাষায় বলে।

জারক আর বিজারক: কে কাকে বদলায়

এখানে প্রায় সবাই গোলমাল করে। জারক সেই পদার্থ, যে অন্যকে জারিত করে, আর তা করতে গিয়ে নিজে বিজারিত হয়। বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়। নাম দেওয়া হয়েছে অন্যের ওপর কাজের ভিত্তিতে, নিজের ওপর কী ঘটল তার ভিত্তিতে নয়।

প্রথম বিক্রিয়ায় যাচাই করো। Cu²⁺ দস্তার কাছ থেকে ইলেকট্রন নেয়। Cu²⁺-এর কারণে দস্তা জারিত হয়, তাই Cu²⁺ জারক, আর সে নিজে বিজারিত। দস্তা ইলেকট্রন দেয়, তাই দস্তা বিজারক। সিমুলেশনের পাঁচটি বিক্রিয়া একসঙ্গে:

বিক্রিয়াবিজারকজারকস্থানান্তরিত ইলেকট্রন
Zn + Cu²⁺ → Zn²⁺ + CuZnCu²⁺২
4Fe + 3O₂ → 2Fe₂O₃4Fe3O₂১২
Mg + 2HCl → MgCl₂ + H₂Mg2HCl২
MnO₄⁻ + 5Fe²⁺ + 8H⁺ → Mn²⁺ + 5Fe³⁺ + 4H₂O5Fe²⁺MnO₄⁻৫
H₂ + Cl₂ → 2HClH₂Cl₂২

অর্ধ-সমীকরণ ও তা দিয়ে সমতা

অর্ধ-সমীকরণ স্থানান্তরের শুধু একটা অর্ধেক দেখায়, ইলেকট্রনকে স্পষ্ট লিখে। জারণে ইলেকট্রন থাকে ডান দিকে (উৎপাদে), বিজারণে বাঁ দিকে (বিক্রিয়কে)। মজা হলো দুটো যোগ করলে ইলেকট্রন কেটে যায়, আর পূর্ণ সমীকরণ পাওয়া যায়।

পারম্যাঙ্গানেট আর আয়রন(II) দিয়ে পদ্ধতিটা দেখি। ধাপ ১: দুই অর্ধ আলাদা লেখো। Fe²⁺ → Fe³⁺ + e⁻ (লোহা +২ থেকে +৩) এবং MnO₄⁻ → Mn²⁺ (ম্যাঙ্গানিজ +৭ থেকে +২)। ধাপ ২: অক্সিজেন মেলাও H₂O দিয়ে, হাইড্রোজেন মেলাও H⁺ দিয়ে, তারপর আধান মেলাতে ইলেকট্রন বসাও: MnO₄⁻ + 8H⁺ + 5e⁻ → Mn²⁺ + 4H₂O। ধাপ ৩: ইলেকট্রন সমান করো। ম্যাঙ্গানিজ নেয় ৫টি, লোহা দেয় ১টি, তাই ম্যাঙ্গানিজের অর্ধকে ১ দিয়ে, লোহার অর্ধকে ৫ দিয়ে গুণ করো। ধাপ ৪: যোগ করে ইলেকট্রন কাটো।

ফল: MnO₄⁻ + ৫Fe²⁺ + 8H⁺ → Mn²⁺ + ৫Fe³⁺ + 4H₂O। “KMnO₄ দিয়ে Fe²⁺” বিক্রিয়া বেছে বাঁকা পথে ৫টি ইলেকট্রন চলতে দেখো: ৫টি আয়রনের প্রত্যেকে একটি করে দিচ্ছে।

MnO₄⁻ + 8H⁺ + 5e⁻ → Mn²⁺ + 4H₂Oবিজারণ অর্ধ

5Fe²⁺ → 5Fe³⁺ + 5e⁻জারণ অর্ধ

পাঁচটি বিক্রিয়া, একটা একটা করে

প্রতিটি বিক্রিয়া জারণ-বিজারণের একটু আলাদা দিক দেখায়। পড়তে পড়তে বিক্রিয়া বদলাও।

  • দস্তা ও কপার সালফেট: ক্লাসিক উদাহরণ। নীল কপার সালফেটে ধূসর দস্তার পাত ডোবালে ধীরে ধীরে তামার বাদামি আস্তরণ পড়ে, নীল রং ফিকে হয়। প্রতি Zn-এ ২টি ইলেকট্রন: দস্তা ০ থেকে +২, তামা +২ থেকে ০।
  • লোহায় মরিচা: ৪টি লোহার পরমাণু আর তিনটি O₂ মিলে দুটি Fe₂O₃। লোহা ০ থেকে +৩, অক্সিজেন ০ থেকে −২, আর ১২টি ইলেকট্রন চলে। মরিচা ধীর গতির জারণ-বিজারণ, পানি আর লবণ তাকে বাড়ায়।
  • ম্যাগনেসিয়াম ও HCl: ম্যাগনেসিয়াম +২ হয়, হাইড্রোজেন +১ থেকে ০ নামে, আর যে বুদবুদ দেখো সেটা H₂। ক্লোরিন পুরো সময় −১ থাকে, সে দর্শক আয়ন, তাই অ্যানিমেশনে তার বলয় ধূসর।
  • KMnO₄ দিয়ে Fe²⁺: বেগুনি পারম্যাঙ্গানেট (ম্যাঙ্গানিজ +৭) বিজারিত হয়ে প্রায় বর্ণহীন Mn²⁺ (+২) হয়। তাই টাইট্রেশনে এ নিজেই নির্দেশক।
  • হাইড্রোজেন ও ক্লোরিন: দুই মৌলই শুরুতে ০। হাইড্রোজেন শেষে +১, ক্লোরিন −১। HCl গ্যাসে আয়ন নেই, আছে ক্লোরিনের দিকে টানা একটা ভাগাভাগি জোড়া, তবু জারণ সংখ্যা বলে দেয় কোন পরমাণু কার্যত ইলেকট্রন হারিয়েছে।

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

ক্রমানুসারে করো। আগে অনুমান লিখে রাখো, তারপর দেখো।

  • পরীক্ষা ১: সংখ্যা লুকিয়ে Mg + 2HCl-এর প্রতিটি পরমাণুর জারণ সংখ্যা অনুমান করো। চালাও, তারপর সংখ্যা দেখিয়ে নিজের নম্বর দাও।
  • পরীক্ষা ২: “লোহায় মরিচা” বাছো। পথে ইলেকট্রন গোনো (১২টি), লোহার পরমাণু দিয়ে ভাগ দাও (৪টি)। প্রতিটি লোহার আয়নের আধান পেয়ে যাবে।
  • পরীক্ষা ৩: “KMnO₄ দিয়ে Fe²⁺” বাছো আর যে পরমাণুদের রঙিন বলয় নেই (H⁺ ও অক্সিজেন) তাদের খোঁজো। তাদের সংখ্যা বদলায় না, তাই ইলেকট্রন স্থানান্তরে তারা অংশ নেয় না।
  • পরীক্ষা ৪: পাঁচটি বিক্রিয়ার প্রতিটিতে লেবেল পড়ার আগে বিজারকের নাম বলো। ভুল হলে কোন নিয়মে ফসকালে খুঁজে বের করো।
  • পরীক্ষা ৫: বিন্দুগুলো পৌঁছানোর মুহূর্তে থামাও, দুটি অর্ধ-সমীকরণ খাতায় যোগ করে ইলেকট্রন সত্যিই কাটে কি না দেখো।

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

এখানকার সব সংখ্যা অ্যানিমেশনের একই গণনা থেকে নেওয়া।

সমস্যা ১: KMnO₄-এ Mn-এর জারণ সংখ্যা

K হলো +১, চারটি O প্রতিটি −২, মোট −৮। যৌগ নিরপেক্ষ, তাই x + ১ − ৮ = ০ এবং x = +৭। ম্যাঙ্গানিজ এখানে সর্বোচ্চ জারণ অবস্থায়, তাই পারম্যাঙ্গানেট এত শক্তিশালী জারক।

সমস্যা ২: Cr₂O₇²⁻-এ Cr-এর জারণ সংখ্যা

সাতটি অক্সিজেনে −১৪। আয়নের আধান −২, তাই ২x − ১৪ = −২, অর্থাৎ ২x = ১২ এবং প্রতিটি ক্রোমিয়ামের x = +৬। ডাইক্রোমেট কমলা, বিজারিত Cr³⁺ সবুজ। পুরনো ব্রেথঅ্যানালাইজার পরীক্ষায় এই রং বদলই দেখা যেত।

সমস্যা ৩: ৬.৫ গ্রাম দস্তা গললে কত আধান প্রবাহিত হয়?

দস্তার মোল = ৬.৫ ÷ ৬৫ = ০.১০ মোল। প্রতিটি দস্তা ২টি ইলেকট্রন দেয়, তাই ০.২০ মোল ইলেকট্রন। এক মোল ইলেকট্রনের আধান ৯৬,৪৮৫ কুলম্ব (ফ্যারাডে ধ্রুবক), তাই মোট আধান = ০.২০ × ৯৬,৪৮৫ = ১৯,২৯৭ কুলম্ব।

সমস্যা ৪: কোন সালফার যৌগ দুই ভূমিকাই নিতে পারে?

সালফারের জারণ সংখ্যা H₂S-এ −২ থেকে H₂SO₄-এ +৬ পর্যন্ত, আর SO₂ মাঝখানে +৪। মাঝের অবস্থায় থাকা পদার্থ ওপরে-নিচে দুদিকেই যেতে পারে, তাই SO₂ জারিতও হতে পারে (H₂SO₄ হয়ে), বিজারিতও হতে পারে (S বা H₂S হয়ে)। H₂S শুধু জারিত হতে পারে, H₂SO₄ শুধু বিজারিত। একটা সমীকরণ না লিখেই এই নিয়মে অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলে।

যৌগS-এর জারণ সংখ্যাজারিত হতে পারে?বিজারিত হতে পারে?
H₂S−২✓✗
SO₂+৪✓✓
H₂SO₄+৬✗✓

সমস্যা ৫: ২০ মি.লি. ০.০২ মোলার KMnO₄ কত আয়রন(II)-কে জারিত করে?

পারম্যাঙ্গানেটের মোল = ০.০২ × ২০ ÷ ১০০০, অর্থাৎ ০.৪০ মিলিমোল। অর্ধ-সমীকরণ থেকে অনুপাত ১ MnO₄⁻ : ৫ Fe²⁺, তাই Fe²⁺ = ২.০ মিলিমোল। মোলার ভর ৫৫.৮৫ গ্রাম/মোল ধরলে ভর = ২.০ × ৫৫.৮৫ = ০.১১২ গ্রাম। ওষুধের বড়ি আর আকরিকের আয়রন এভাবেই মাপা হয়।

যে ভুলগুলো সবাই করে

প্রতি বছর এখানেই নম্বর কাটে।

  • জারক আর যে পরমাণু বদলায় তাদের গুলিয়ে ফেলা: জারক সেই পদার্থ, যে নিজে বিজারিত হয়।
  • জারণ সংখ্যা চিহ্ন আগে বসিয়ে লেখা: +২, ২+ নয়। আধান উল্টো করে লেখা হয়: Cu²⁺।
  • অক্সিজেন সব জায়গায় −২ ধরা। H₂O₂ জাতীয় পারঅক্সাইডে সে −১।
  • সংকেতে একাধিক পরমাণু থাকলে একটার হিসাব করা: Cr₂O₇²⁻-এ দুটি ক্রোমিয়ামের জন্য একসঙ্গে সমীকরণ।
  • সব বিক্রিয়াকেই রেডক্স ভাবা। NaOH + HCl → NaCl + H₂O-তে কোনো জারণ সংখ্যা বদলায় না।
  • অর্ধ-সমীকরণে ইলেকট্রন উল্টো দিকে লেখা: জারণে ইলেকট্রন হারায়, তাই উৎপাদের দিকে।

চারপাশে জারণ-বিজারণ

সারাদিন আমরা এই বিক্রিয়ার মধ্যেই বাস করি।

  • ব্যাটারি: প্রতিটি কোষে একটি স্বতঃস্ফূর্ত রেডক্স বিক্রিয়া জমানো থাকে, ইলেকট্রন তোমার ফোনের ভেতর দিয়ে ঘুরে অন্য প্রান্তে যায়।
  • শ্বসন: গ্লুকোজ জারিত হয়ে CO₂ হয়, অক্সিজেন বিজারিত হয়ে পানি। কোষ ধাপে ধাপে শক্তি ধরে রাখে।
  • ব্লিচ ও জীবাণুনাশক: ক্লোরিনঘটিত যৌগ জারক, জীবাণু ও দাগের রসায়ন নষ্ট করে।
  • ধাতু নিষ্কাশন: ব্লাস্ট ফার্নেসে কার্বন দিয়ে লোহার আকরিক বিজারিত হয়; অ্যালুমিনিয়াম বিজারিত হয় তড়িৎ বিশ্লেষণে।
  • মরিচা রোধ: গ্যালভানাইজিং-এ ইস্পাতের ওপর দস্তা দেওয়া হয়। দস্তা শক্তিশালী বিজারক, তাই সে আগে জারিত হয় আর ইস্পাত বেঁচে যায়।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

না দেখে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।

  • KMnO₄-এ Mn-এর জারণ সংখ্যা কত? (উত্তর: +৭) K₂Cr₂O₇-এ Cr-এর? (উত্তর: +৬)
  • Mg + 2HCl → MgCl₂ + H₂ বিক্রিয়ায় জারক, বিজারক ও জারিত পদার্থ কোনটি? উত্তর: জারক HCl, বিজারক Mg, জারিত পদার্থ Mg।
  • Zn + Cu²⁺ বিক্রিয়ার দুটি অর্ধ-সমীকরণ লেখো আর স্থানান্তরিত ইলেকট্রনের সংখ্যা বলো (২টি)।
  • H₂O₂ কেন জারক ও বিজারক দুই ভূমিকাই নিতে পারে? (অক্সিজেন −১, যা ০ আর −২-এর মাঝখানে।)
  • এক মোল MnO₄⁻ অম্লীয় মাধ্যমে কত মোল Fe²⁺ জারিত করে? উত্তর: ৫ মোল।

পুনরালোচনা: এক মিনিটে পুরো পাতা

পরীক্ষার আগে এটুকু পড়ে নাও।

  • জারণ = ইলেকট্রন হারানো = জারণ সংখ্যা বাড়ে। বিজারণ = ইলেকট্রন পাওয়া = সংখ্যা কমে।
  • জারক নিজে বিজারিত হয়; বিজারক নিজে জারিত হয়।
  • মৌল ০; O −২, H +১; সব সংখ্যার যোগফল = আধান।
  • অর্ধ-সমীকরণে জারণে ইলেকট্রন উৎপাদে, বিজারণে বিক্রিয়কে।
  • সমতার ধাপ: অর্ধ আলাদা করো, O-এর জন্য H₂O, H-এর জন্য H⁺, ইলেকট্রন বসাও, সমান করো, যোগ করো।
  • যত ইলেকট্রন হারায়, ঠিক তত ইলেকট্রন পায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

জারণ আর বিজারণের পার্থক্য কী?

জারণ হলো ইলেকট্রন হারানো, তখন পরমাণুর জারণ সংখ্যা বাড়ে। বিজারণ হলো ইলেকট্রন পাওয়া, তখন সংখ্যা কমে। মনে রাখো OIL RIG।

কোনটি জারক?

জারক সেই পদার্থ, যে অন্যের কাছ থেকে ইলেকট্রন নেয় এবং নিজে বিজারিত হয়। Zn + Cu²⁺ বিক্রিয়ায় Cu²⁺ জারক আর Zn বিজারক।

জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করব?

নিয়মগুলো পরপর প্রয়োগ করো: মৌল ০, সরল আয়নের সংখ্যা তার আধান, অক্সিজেন সাধারণত −২, হাইড্রোজেন সাধারণত +১, আর সব সংখ্যার যোগফল আধানের সমান। তারপর অজানা পরমাণুর জন্য সমীকরণ বসাও।

প্রতিটি বিক্রিয়াই কি জারণ-বিজারণ?

না। কোনো জারণ সংখ্যা না বদলালে সেটা রেডক্স নয়। অম্ল-ক্ষারকের প্রশমন আর অধঃক্ষেপণ এর সাধারণ উদাহরণ।

মরিচা পড়া কেন জারণ-বিজারণ?

লোহা ইলেকট্রন হারিয়ে ০ থেকে +৩ হয়, অক্সিজেন ইলেকট্রন পেয়ে ০ থেকে −২ হয়। সিমুলেশনে চারটি লোহার পরমাণুর জন্য ১২টি ইলেকট্রন চলে।

একই পদার্থ কি একই বিক্রিয়ায় জারিত ও বিজারিত হতে পারে?

পারে। একে বিষম অনুপাতন (ডিসপ্রোপোরশনেশন) বলে। হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড ভেঙে পানি ও অক্সিজেন হওয়া সাধারণ উদাহরণ, কারণ অক্সিজেন −১ থেকে একই সঙ্গে −২ ও ০ হয়।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন

কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ