মূলপাতা
লগইন

Color

Indigo
Red
Green
Teal
Blue
Purple
Rose

Mode

Light
EN

একটি মূলক, একটি স্বভাব: জৈব যৌগের আট পরিবার

কার্যকরী মূলক হলো অণুর সেই ছোট অংশ, যা যৌগের রাসায়নিক স্বভাব ঠিক করে দেয়। C₂H₆O সংকেতের ইথানলে মূলক –OH, তাই সে অ্যালকোহল। C₂H₄O₂ সংকেতের ইথানোয়িক অ্যাসিডে মূলক –COOH, তাই NaHCO₃ দিলে ফেনিয়ে ওঠে। কার্বন শিকল একই থাকলেও মূলক বদলালে গোটা যৌগই বদলে যায়।

কার্যকরী মূলককার্বন শিকল

সমগোত্রীয় শ্রেণি

Cনামসংকেতভর
১methanolCH₄O৩২.০
২ethanolC₂H₆O৪৬.০
৩propan-1-olC₃H₈O৬০.০
৪butan-1-olC₄H₁₀O৭৪.০
৫pentan-1-olC₅H₁₂O৮৮.০

পরপর দুই সদস্যের ভরের ফারাক সবসময় একটি CH₂-এর ভর।

পরিবার বদলাও, কার্বন সংখ্যা সরাও। রঙিন অংশটাই মূলক, ওটাই যৌগের স্বভাব ঠিক করে। নিচের সারণিতে বর্তমান সদস্য চিহ্নিত।

গতি

নিয়ন্ত্রণ

পরিবার বেছে নাও

২

পরিমাপ

IUPAC নাম
ethanol
আণবিক সংকেত
C₂H₆O
সাধারণ সংকেত
CₙH₂ₙ₊₁OH
কার্যকরী মূলক
–OH
নামের প্রত্যয়
-ol
আণবিক ভর (গ্রাম/মোল)
৪৬.০
চেনার পরীক্ষা
অম্লীয় K₂Cr₂O₇ দিয়ে গরম করলে কমলা রং সবুজ হয় (প্রাইমারি অ্যালকোহল); সোডিয়াম ধাতু দিলে H₂ বুদবুদ ওঠে।

সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে

  1. শুরুতে “অ্যালকোহল” আর দুটি কার্বন বাছা থাকবে। ইথানলের গঠন এক এক করে ফুটে উঠবে, আর –OH অংশটা কমলা রঙে জ্বলজ্বল করবে।
  2. পরিবার বদলে দেখো, প্রতিবার কমলা অংশটা কীভাবে বদলায়। কার্বন শিকল ধূসর থাকে, বদলায় শুধু ওই মূলক।
  3. কার্বন সংখ্যার স্লাইডার সরাও। নাম, সংকেত আর ভর ঠিক ১৪ করে বাড়বে, কারণ প্রতিবার একটি CH₂ যোগ হয়।
  4. কিটোন, এস্টার বা ইথারে স্লাইডার ছোট করলে ছবি ঠিক থাকে। ওই পরিবারের ক্ষুদ্রতম সদস্যটাই দেখায় আর নিচে একটি লাইন বলে দেয়।
  5. ডানের রিডআউটে নাম, সাধারণ সংকেত, প্রত্যয় বা উপসর্গ আর চেনার পরীক্ষা পড়ে নাও। নিচের সারণিতে বর্তমান সদস্যের সারি চিহ্নিত থাকে।

একই কার্বন, আলাদা স্বভাব

সাত-আটটা কার্বনের একটা শিকল ভাবো। শুধু শেষ মাথায় –OH বসালে সে অ্যালকোহল, দাহ্য, অল্প মাতাল-করা গন্ধ। ওখানেই –COOH বসালে সে ভিনেগারের মতো টক অ্যাসিড। আবার –NH₂ বসালে মাছের গন্ধওয়ালা ক্ষার। কার্বনের শিকল একই, তবু তিনটা একেবারে আলাদা পদার্থ।

জৈব রসায়নের হাজার হাজার যৌগ মুখস্থ করা অসম্ভব। কিন্তু আট-দশটা মূলক চিনে ফেললে প্রায় সবটা আন্দাজ করা যায়, কারণ একই মূলক সব যৌগে প্রায় একই রকম আচরণ করে। এই পাতার অ্যানিমেশন সেই চেনার অনুশীলন।

কার্যকরী মূলক আসলে কী

কার্যকরী মূলক হলো কোনো যৌগের সেই পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ, যেখানে বেশিরভাগ বিক্রিয়া ঘটে। বাকি অংশ, মানে হাইড্রোকার্বন শিকল, তুলনায় নিষ্ক্রিয়। তাই মূলকটাকে যৌগের “হাতল” ভাবতে পারো: বিক্রিয়ক ওটাকেই ধরে।

একই মূলকওয়ালা সব যৌগ নিয়ে একটা পরিবার বা সমগোত্রীয় শ্রেণি হয়। এক শ্রেণিতে পরপর দুই সদস্যের পার্থক্য ঠিক একটি CH₂, ভরে ১৪ গ্রাম/মোল। ভর ধরা হয়েছে C = ১২, H = ১, O = ১৬, N = ১৪, Cl = ৩৫.৫।

আট পরিবার এক নজরে

তিন কার্বনের সদস্য ধরে প্রতিটি পরিবার পাশাপাশি রাখা হলো। মূলক, নামের প্রত্যয় আর উদাহরণ মিলিয়ে নাও।

পরিবারমূলকপ্রত্যয়/উপসর্গউদাহরণ
অ্যালকোহল–OH-olpropan-1-ol, C₃H₈O
অ্যালডিহাইড–CHO-alpropanal, C₃H₆O
কিটোন>C=O-onepropanone, C₃H₆O
কার্বক্সিলিক অ্যাসিড–COOH-oic acidpropanoic acid, C₃H₆O₂
এস্টার–COO–-oatemethyl ethanoate, C₃H₆O₂
অ্যামিন–NH₂-aminepropan-1-amine, C₃H₉N
হ্যালোঅ্যালকেন–Clchloro-1-chloropropane, C₃H₇Cl
ইথারC–O–Calkoxy-methoxyethane, C₃H₈O

অ্যানিমেশন কীভাবে পড়বে

ক্যানভাসের ওপরে যৌগের IUPAC নাম। মাঝখানে গঠন: প্রতিটি পরমাণু তার হাইড্রোজেনসহ লেখা, যেমন CH₃, CH₂, OH। হাইড্রোজেনের সংখ্যা আমি লিখে দিইনি, প্রতিটি পরমাণুর যোজ্যতা থেকে গুনে নেওয়া হয়েছে: কার্বন ৪, অক্সিজেন ২, নাইট্রোজেন ৩, ক্লোরিন ১।

কমলা পরমাণু আর কমলা বন্ধনগুলো মিলে কার্যকরী মূলক। দ্বিবন্ধন দুটি সমান্তরাল দাগে আঁকা। একদম নিচের লাইনে মূলকের নাম আর সংকেত।

বাঁ দিক থেকে ডান দিকে এক এক করে পরমাণু ফুটে ওঠে, যেন কেউ কাগজে আঁকছে। পরিবার বা কার্বন সংখ্যা বদলালেই আঁকা নতুন করে শুরু হয়।

IUPAC নাম লেখার নিয়ম, ধাপে ধাপে

নামে তিনটা অংশ: কার্বনের সংখ্যা বোঝাতে মূল শব্দ (meth, eth, prop, but, pent), শিকল একক বন্ধনে হলে “an”, আর শেষে মূলকের প্রত্যয়। যেমন prop + an + ol = propanol। তিন কার্বন বা তার বেশি হলে মূলক কোন কার্বনে বসেছে সেটা সংখ্যায় লেখা হয়: propan-1-ol।

এস্টারের নাম দুই টুকরোয় লেখা হয়: আগে অ্যালকোহল থেকে আসা অংশ (methyl), তারপর অ্যাসিড থেকে আসা অংশ (-oate)। সবচেয়ে ছোট এস্টার methyl methanoate, সংকেত C₂H₄O₂। হ্যালোজেন আর ইথার প্রত্যয় নেয় না, উপসর্গ নেয়: chloro-, methoxy-। তাই CH₃Cl-এর নাম chloromethane, আর C₂H₆O-এর নাম methoxymethane।

  • ধাপ ১: মূলক-যুক্ত দীর্ঘতম কার্বন শিকল খোঁজো।
  • ধাপ ২: কার্বন গুনে মূল শব্দ বসাও।
  • ধাপ ৩: প্রত্যয় বা উপসর্গ বসাও। আবশ্যক হলে মূলকের কার্বনে সংখ্যা দাও।

সমগোত্রীয় শ্রেণি: প্রতি ধাপে একটি CH₂

অ্যালকোহলের সারণিটা দেখো। কার্বন যত বাড়ে, ভর তত বাড়ে, ঠিক ১৪ করে। এই নিয়মিত ধারাকে সমগোত্রীয় শ্রেণি বলে।

একই শ্রেণির সদস্যদের রাসায়নিক ধর্ম প্রায় এক, কারণ মূলক একই। ভৌত ধর্ম ধীরে ধীরে বদলায়: কার্বন বাড়লে স্ফুটনাঙ্ক বাড়ে আর পানিতে দ্রবণীয়তা কমে। এজন্য মিথানল পানির সঙ্গে সহজে মেশে, কিন্তু লম্বা শিকলের অ্যালকোহল প্রায় মেশে না।

অ্যাসিডের ধারা

মিথানোয়িক থেকে পেন্টানোয়িক পর্যন্ত পাঁচটি সদস্য:

Cনামসংকেতভর
১methanoic acidCH₂O₂৪৬.০
২ethanoic acidC₂H₄O₂৬০.০
৩propanoic acidC₃H₆O₂৭৪.০
৪butanoic acidC₄H₈O₂৮৮.০
৫pentanoic acidC₅H₁₀O₂১০২.০
Cনামসংকেতভর
১methanolCH₄O৩২.০
২ethanolC₂H₆O৪৬.০
৩propan-1-olC₃H₈O৬০.০
৪butan-1-olC₄H₁₀O৭৪.০
৫pentan-1-olC₅H₁₂O৮৮.০

সমাণু: একই সংকেত, আলাদা পরিবার

ইথানল C₂H₆O আর methoxymethane C₂H₆O: দুটির সংকেত একই, ভরও এক (৪৬ আর ৪৬)। কিন্তু একটিতে –OH, অন্যটিতে C–O–C। একটি তরল, সোডিয়ামের সঙ্গে H₂ দেয়; অন্যটি গ্যাস, সোডিয়ামকে পাত্তাই দেয় না।

প্রোপানাল (অ্যালডিহাইড) আর প্রোপানোন (কিটোন) দুটিরই সংকেত C₃H₆O, ভর ৫৮ আর ৫৮। ইথানোয়িক অ্যাসিড আর methyl methanoate দুটিই C₂H₄O₂, ভর ৬০ ও ৬০। ভর মিলে গেলেও পরিবার আলাদা, তাই পরীক্ষা আলাদা। এই জোড়াগুলোকে কার্যকরী মূলক সমাণু বলে।

চেনার পরীক্ষা, পরিবার ধরে ধরে

ল্যাবে মূলক চেনা হয় এক-দুটো সহজ পরীক্ষায়। মনে রাখার সুবিধার জন্য সবগুলো এক সারণিতে।

পরিবারপরীক্ষা ও ফল
অ্যালকোহলঅম্লীয় K₂Cr₂O₇ দিয়ে গরম করলে কমলা রং সবুজ হয় (প্রাইমারি অ্যালকোহল); সোডিয়াম ধাতু দিলে H₂ বুদবুদ ওঠে।
অ্যালডিহাইডটলেন বিকারকে রুপার আয়না পড়ে; ফেহলিং দ্রবণে লালচে-বাদামি অধঃক্ষেপ পড়ে।
কিটোনটলেন বিকারকে আয়না পড়ে না (অ্যালডিহাইড থেকে আলাদা করার উপায়); 2,4-DNPH দিলে কমলা অধঃক্ষেপ আসে।
কার্বক্সিলিক অ্যাসিডNaHCO₃ দিলে CO₂-এর বুদবুদ ফেনিয়ে ওঠে; নীল লিটমাস লাল হয়।
এস্টারমিষ্টি, ফলের মতো গন্ধ। NaOH-এর সঙ্গে ফোটালে ভেঙে অ্যাসিডের লবণ ও অ্যালকোহল হয়।
অ্যামিনলাল লিটমাস নীল হয় (ক্ষারীয়), মাছের মতো গন্ধ; HCl-এর ধোঁয়ার সংস্পর্শে সাদা ধোঁয়া হয়।
হ্যালোঅ্যালকেনNaOH-এর সঙ্গে গরম করো, HNO₃ দিয়ে অম্লীয় করো, তারপর AgNO₃ দাও: সাদা AgCl অধঃক্ষেপ।
ইথারসহজে বিক্রিয়া করে না; সোডিয়াম ধাতুর সঙ্গে H₂ দেয় না (অ্যালকোহল থেকে আলাদা)। খুব দাহ্য।

সিমুলেশনে নিজে করে দেখো

ক্রমানুসারে করো। প্রতিবার আগে অনুমান লিখে রাখো, তারপর ক্যানভাস দেখো।

  • পরীক্ষা ১: “অ্যালকোহল” আর ৪ কার্বন বাছো। নাম, সংকেত আর ভর টুকে রাখো। এবার “কার্বক্সিলিক অ্যাসিড” করো, কী কী বদলাল?
  • পরীক্ষা ২: অ্যালডিহাইড আর কিটোন দুটিকেই ৩ কার্বনে রাখো। সংকেত আর ভর হুবহু এক (৫৮), কিন্তু কমলা অংশ কোথায় বসেছে তাতে ফারাক।
  • পরীক্ষা ৩: কিটোন বেছে স্লাইডার ১-এ নামাও। কিটোন হতে অন্তত তিনটি কার্বন লাগে, তাই ছবি কেন ৩-এ থাকে বুঝিয়ে বলো।
  • পরীক্ষা ৪: এস্টার আর ইথারে ২ কার্বন রাখো। দুটোতেই –O– আছে, তাহলে এস্টার কেন এস্টার? কমলা অংশে একটা বাড়তি পরমাণু খুঁজে বের করো।
  • পরীক্ষা ৫: প্রতিটি পরিবারে ১ থেকে ৫ কার্বন চালিয়ে ভরের তালিকা লেখো। প্রতিটি ধাপের পার্থক্য ঠিক ১৪ কি না যাচাই করো।

সমাধান করা গাণিতিক সমস্যা

এখানকার সব সংখ্যা অ্যানিমেশনের একই গণনা থেকে নেওয়া।

সমস্যা ১: তিন কার্বনের অ্যালকোহলের সংকেত ও ভর

সূত্র CₙH₂ₙ₊₁OH-এ n = ৩ বসালে C₃H₈O। ভর = ৩×১২ + ৮×১ + ১৬ = ৬০। চার কার্বনের অ্যালকোহলের ভর ৭৪, ফারাক ঠিক ১৪।

সমস্যা ২: একটি অ্যাসিডের সাধারণ সংকেত CₙH₂ₙO₂, ভর ৭৪। n কত?

১৪n + ৩২ = ৭৪, অর্থাৎ ১৪n = ৪২ এবং n = ৩। যৌগটি propanoic acid, সংকেত C₃H₆O₂।

একই সংকেতের এস্টারও হতে পারে: methyl ethanoate। দুটির ভর এক, কিন্তু NaHCO₃ দিলে শুধু অ্যাসিডটি ফেনায়।

সমস্যা ৩: ০.৬০ গ্রাম ইথানোয়িক অ্যাসিডে NaHCO₃ দিলে কত CO₂ হয়?

ইথানোয়িক অ্যাসিডের মোলার ভর ৬০। মোল = ০.৬০ ÷ ৬০ = ০.০১০। এক মোল অ্যাসিড থেকে এক মোল CO₂ হয়। ঘরের তাপমাত্রায় ১ মোল গ্যাসের আয়তন ২৪,০০০ ঘন সেমি ধরলে CO₂ = ০.০১০ × ২৪,০০০ = ২৪০ ঘন সেমি।

CH₃COOH + NaHCO₃ → CH₃COONa + H₂O + CO₂ফেনা ওঠার বিক্রিয়া

সমস্যা ৪: ক্লোরোমিথেনে ক্লোরিন কত শতাংশ?

CH₃Cl-এর ভর ৫০.৫। ক্লোরিনের ভাগ = ৩৫.৫ ÷ ৫০.৫ × ১০০ = ৭০.৩%। AgNO₃ দিয়ে সাদা অধঃক্ষেপ পাওয়ার ক্লোরাইড এখান থেকেই আসে।

সমস্যা ৫: ছবির হাইড্রোজেন ঠিক কি না, কীভাবে যাচাই করবে?

চার কার্বনের অ্যালকোহল CₙH₂ₙ₊₂O-এর সূত্র বলছে হাইড্রোজেন ১০। আঁকা গঠনে যোজ্যতা থেকে গুনলে পাওয়া যায় ১০। দুটো মিলে গেলে গঠনটা সম্ভাব্য।

মিথানামিনও দেখো: CH₅N, ভর ৩১।

যে ভুলগুলো সবাই করে

প্রতি বছর এখানেই নম্বর কাটে।

  • অ্যালডিহাইডের –CHO আর অ্যাসিডের –COOH গুলিয়ে ফেলা। অ্যাসিডে কার্বনের সঙ্গে =O আর –OH দুটোই থাকে।
  • কিটোন মানে শুধু “মাঝখানের কার্বনে =O”। তাই তিনটির কম কার্বনে কিটোন হয় না।
  • এস্টারকে ইথারের মতো পড়া: এস্টারের –O– পাশে একটি C=O আছে, ইথারে নেই।
  • ইথানল আর মিথক্সিমিথেন একই সংকেত বলে একই ধরে নেওয়া। মূলক আলাদা, তাই ধর্মও আলাদা।
  • নামে প্রত্যয় ভুল জায়গায় বসানো: অ্যালকোহলে “-ol”, অ্যালডিহাইডে “-al”, কিটোনে “-one”, এস্টারে “-oate”।
  • হাইড্রোজেন গুনতে ভুল: প্রতিটি কার্বনে মোট ৪টি বন্ধন, দ্বিবন্ধন দুটো গোনা হয়।

চারপাশে কার্যকরী মূলক

এই আটটা মূলক তোমার রান্নাঘর আর ওষুধের বাক্সেও আছে।

  • অ্যালকোহল: স্যানিটাইজারের ইথানল জীবাণু মারে, গাড়ির জ্বালানিতেও মেশানো হয়।
  • কার্বক্সিলিক অ্যাসিড: ভিনেগারের ইথানোয়িক অ্যাসিড, লেবুর টক ভাব অন্য অ্যাসিড থেকে।
  • এস্টার: আম, কলা, আনারসের গন্ধ অনেকটাই এস্টারের, তাই কৃত্রিম ফলের এসেন্সে এস্টার মেশানো হয়।
  • অ্যামিন: মাছ পচলে যে গন্ধ, তা অ্যামিনের। লেবুর রস দিলে গন্ধ কমে, কারণ অ্যাসিড অ্যামিনকে লবণে বদলে দেয়।
  • হ্যালোঅ্যালকেন: কিছু দ্রাবক ও কীটনাশকে থাকে; পরিবেশের জন্য সমস্যা, তাই ব্যবহার সীমিত।
  • কিটোন: নেলপলিশ রিমুভারের অ্যাসিটোন (প্রোপানোন) একটি কিটোন।

পরীক্ষার কোণ (SSC, HSC)

না দেখে করো, তারপর মিলিয়ে নাও।

  • অ্যালডিহাইড আর কিটোন আলাদা করার একটি পরীক্ষা লেখো। উত্তর: টলেন বিকারক, অ্যালডিহাইডে রুপার আয়না পড়ে।
  • CₙH₂ₙO₂ সাধারণ সংকেতের যৌগের ভর ৭৪ হলে n কত? উত্তর: ৩।
  • একটি যৌগের সংকেত C₂H₆O। এর দুটি সমাণু আঁকো আর পরিবার বলো। উত্তর: ইথানল ও methoxymethane।
  • কার্বক্সিলিক অ্যাসিড কেন NaHCO₃ দিয়ে চেনা যায়, ফেনল কেন যায় না? (অ্যাসিডটি কার্বনিক অ্যাসিডের চেয়ে প্রবল হতে হয়।)
  • এস্টার তৈরির বিক্রিয়াটির নাম কী? উত্তর: এস্টারীকরণ, অ্যাসিড ও অ্যালকোহল থেকে এস্টার ও পানি।

পুনরালোচনা: এক মিনিটে পুরো পাতা

পরীক্ষার আগে এটুকু পড়ে নাও।

  • কার্যকরী মূলক = যে অংশ যৌগের স্বভাব ঠিক করে।
  • আট পরিবার: অ্যালকোহল –OH, অ্যালডিহাইড –CHO, কিটোন >C=O, অ্যাসিড –COOH, এস্টার –COO–, অ্যামিন –NH₂, হ্যালো –Cl, ইথার C–O–C।
  • সমগোত্রীয় শ্রেণিতে প্রতি ধাপে একটি CH₂ বাড়ে, ভর ১৪ করে।
  • নাম = মূল শব্দ + an + প্রত্যয়; এস্টারে আগে অ্যালকিল, পরে -oate।
  • একই সংকেত, আলাদা মূলক = কার্যকরী মূলক সমাণু।
  • টলেন: অ্যালডিহাইড। NaHCO₃: অ্যাসিড। লাল লিটমাস নীল: অ্যামিন। AgNO₃: হ্যালাইড।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

কার্যকরী মূলক কাকে বলে?

যৌগের যে পরমাণু বা পরমাণুগুচ্ছ বেশিরভাগ রাসায়নিক বিক্রিয়ার জন্য দায়ী এবং যৌগের ধর্ম ঠিক করে, তাকে কার্যকরী মূলক বলে। যেমন অ্যালকোহলে –OH, অ্যাসিডে –COOH।

সমগোত্রীয় শ্রেণি কী?

একই কার্যকরী মূলক ও একই সাধারণ সংকেতযুক্ত যৌগের ধারা, যেখানে পরপর দুই সদস্যের পার্থক্য একটি CH₂, অর্থাৎ ভরে ১৪ গ্রাম/মোল।

অ্যালডিহাইড আর কিটোনের পার্থক্য কী?

দুটিতেই C=O আছে। অ্যালডিহাইডে এটি শিকলের মাথায়, সঙ্গে একটি H; কিটোনে মাঝখানে, দুই পাশে কার্বন। টলেন বিকারকে অ্যালডিহাইড রুপার আয়না দেয়, কিটোন দেয় না।

কার্বক্সিলিক অ্যাসিড কীভাবে চিনব?

NaHCO₃ দ্রবণ দিলে CO₂-এর বুদবুদ ওঠে এবং নীল লিটমাস লাল হয়।

এস্টার আর ইথারের পার্থক্য কী?

দুটিতেই –O– আছে। এস্টারে ওই অক্সিজেনের পাশের কার্বনে আবার C=O থাকে (–COO–), ইথারে নেই (C–O–C)।

একই আণবিক সংকেতে কি আলাদা পরিবার হতে পারে?

হ্যাঁ। C₂H₆O সংকেতে ইথানল (অ্যালকোহল) ও methoxymethane (ইথার) দুই-ই আছে। একে কার্যকরী মূলক সমাণুতা বলে।

এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা

অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।

আরও রসায়ন অ্যানিমেশন

SSC · HSC

পরমাণুর গঠন

পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।

SSC · HSC

এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল

pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ইলেকট্রন বিন্যাস

ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।

SSC · HSC

গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ

বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়

আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র

তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।

SSC · HSC

সমযোজী বন্ধন

সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।

SSC · HSC

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম

পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।

SSC · HSC

বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব

বিক্রিয়ার হার কীসের ওপর নির্ভর করে? সংঘর্ষ তত্ত্বের সিমুলেশনে তাপমাত্রা, ঘনমাত্রা আর প্রভাবক বদলে সক্রিয়ণ শক্তির লেখচিত্র ও উৎপাদের রেখা নিজের চোখে দেখো।

Class 9 · SSC

পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র

কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।

HSC

পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড

1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।

HSC

আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ

ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।

SSC · HSC

মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন

মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।

SSC · HSC

ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র

নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।

SSC · HSC

রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন

রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।

HSC

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি

রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।

SSC · HSC

টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি

টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।

HSC

গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ

গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।

SSC · HSC

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ

জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।

SSC · HSC

হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়

অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।

HSC

পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন

পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।

SSC · HSC

মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ

ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।

HSC

কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব

সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।

HSC

তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু

আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।

অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর প্রতিসরণ

পদার্থবিজ্ঞান

ওহমের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

প্রাসের গতি

পদার্থবিজ্ঞান

সরল দোলক

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎ ক্ষেত্র

পদার্থবিজ্ঞান

তরঙ্গের ব্যতিচার

পদার্থবিজ্ঞান

পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের গতির সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন

পদার্থবিজ্ঞান

তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ

পদার্থবিজ্ঞান

কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি

পদার্থবিজ্ঞান

নততল

পদার্থবিজ্ঞান

বৃত্তাকার গতি

পদার্থবিজ্ঞান

অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

লিভার ও ভ্রামক

পদার্থবিজ্ঞান

ভরকেন্দ্র

পদার্থবিজ্ঞান

স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার

পদার্থবিজ্ঞান

কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ

পদার্থবিজ্ঞান

নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ

পদার্থবিজ্ঞান

তার ও নলে স্থির তরঙ্গ

পদার্থবিজ্ঞান

অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন

পদার্থবিজ্ঞান

ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম

পদার্থবিজ্ঞান

প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু

পদার্থবিজ্ঞান

কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ

পদার্থবিজ্ঞান

একক চিড়ে অপবর্তন

পদার্থবিজ্ঞান

চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার

পদার্থবিজ্ঞান

আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র

পদার্থবিজ্ঞান

ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক

পদার্থবিজ্ঞান

চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড

পদার্থবিজ্ঞান

এসি জেনারেটর

পদার্থবিজ্ঞান

ট্রান্সফর্মার

পদার্থবিজ্ঞান

তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ

পদার্থবিজ্ঞান

আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব

পদার্থবিজ্ঞান

মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর

পদার্থবিজ্ঞান

গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি

পদার্থবিজ্ঞান

অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার

পদার্থবিজ্ঞান

তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা

পদার্থবিজ্ঞান

বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি

জীববিজ্ঞান

মাইটোসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

ব্যাপন ও অভিস্রবণ

জীববিজ্ঞান

সালোকসংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ

জীববিজ্ঞান

মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র

জীববিজ্ঞান

ডিএনএ রেপ্লিকেশন

জীববিজ্ঞান

কোষীয় শ্বসন

জীববিজ্ঞান

এনজাইম ক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল

জীববিজ্ঞান

নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া

জীববিজ্ঞান

মিয়োসিস কোষ বিভাজন

জীববিজ্ঞান

পরিপাকতন্ত্র

জীববিজ্ঞান

শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস

জীববিজ্ঞান

প্রোটিন সংশ্লেষণ

জীববিজ্ঞান

রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট

জীববিজ্ঞান

কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ

জীববিজ্ঞান

প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ

জীববিজ্ঞান

মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন

জীববিজ্ঞান

পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল

জীববিজ্ঞান

উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন

জীববিজ্ঞান

খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম

জীববিজ্ঞান

জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা

জীববিজ্ঞান

প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ

জীববিজ্ঞান

রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া

জীববিজ্ঞান

পরাগায়ন ও নিষেক

গণিত

পিথাগোরাসের উপপাদ্য

গণিত

ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত

গণিত

দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র

গণিত

বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য

গণিত

দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ

গণিত

সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা

গণিত

সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা

গণিত

গড়, মধ্যক ও প্রচুরক

গণিত

সেট ও ভেনচিত্র

গণিত

সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র

গণিত

sin, cos, tan-এর লেখচিত্র

গণিত

পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান

গণিত

বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান

গণিত

ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক

গণিত

সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা

গণিত

স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ

গণিত

শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত

গণিত

ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো

গণিত

অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক

গণিত

রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল

গণিত

সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা

গণিত

ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ

গণিত

ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক

গণিত

জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল

গণিত

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ