নিয়ন্ত্রণ
কোন অপেক্ষক
অক্ষের একক
পরিমাপ
- সমীকরণ
- y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১
- বিস্তার |A|
- ২
- পর্যায়কাল
- ১৮০°
- দশা সরণ (−C/B)
- -৩০°
- উলম্ব সরণ
- ১
- মানের পরিসর
- [-১, ৩]
- সর্বোচ্চ মান
- ৩
- সর্বনিম্ন মান
- -১
- বিন্দুর x
- -৩৬০°
- বিন্দুর y
- ২.৭৩
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- প্রথমে “কোন অপেক্ষক” থেকে সাইন, কোসাইন বা ট্যানজেন্ট বেছে নাও। ফিকে ছাই-রঙা ড্যাশ লেখটা মূল অপেক্ষক, গাঢ় রেখাটা তোমার বদলানো লেখ।
- “বিস্তার গুণক, A” স্লাইডার টানো: ঢেউ লম্বা বা খাটো হয়, আর ঋণাত্মক A-তে উল্টে যায়। পরিমাপ প্যানেলের “বিস্তার |A|” ঘরটা মিলিয়ে দেখো।
- “কম্পাঙ্ক গুণক, B” বাড়ালে ঢেউ চাপা পড়ে, পর্যায়কাল ছোট হয়। লেখের নিচের বন্ধনী ঠিক এক পর্যায়কাল দেখায়।
- “দশা, C” দিয়ে ঢেউকে পাশে সরাও, আর “উলম্ব সরণ, D” দিয়ে মধ্যরেখা ওপরে-নিচে নাও। সবুজ বিন্দু লেখ বেয়ে চলবে; ▶ চেপে থামাতে বা চালাতে পারো।
- ট্যানজেন্ট বেছে নিয়ে লাল ড্যাশ রেখাগুলো দেখো: ওগুলো অসীমতট, যেখানে tan সংজ্ঞাহীন। “অক্ষের একক” বদলে ডিগ্রি আর π-এর গুণিতকের মধ্যে ঘুরে দেখো।
ঢেউ সবখানে: কেন sin আর cos-এর ছবি আঁকি
পুকুরে ঢিল ফেললে ঢেউ ওঠে-নামে। হারমোনিয়ামের সুর, নদীর জোয়ার-ভাটা, বাসার সুইচবোর্ডের বিদ্যুৎ, এমনকি ঘুরন্ত নাগরদোলার সিটের উচ্চতা: সবই নির্দিষ্ট সময় পরপর নিজেকে হুবহু পুনরাবৃত্তি করে। গণিতে এই পুনরাবৃত্ত আচরণ ধরার সবচেয়ে সহজ যন্ত্র হলো সাইন আর কোসাইন লেখ।
শুধু মূল sin x আঁকলে চলে না, কারণ বাস্তবের ঢেউ কখনো বড়, কখনো ঘন ঘন, কখনো দেরিতে শুরু। তাই আমরা মূল ঢেউকে চারভাবে বদলাই: লম্বা-খাটো করা, চেপে ধরা, পাশে সরানো আর ওপরে-নিচে তোলা। এই পাঠে সেই চারটা বদলই নিজের হাতে করবে।
একক বৃত্ত থেকে ঢেউ: sin x-এর লেখ আসে কোথা থেকে
একক বৃত্তে একটা বিন্দু ঘুরছে। কোণ θ হলে বিন্দুর উচ্চতা sin θ, আর বাম-ডান অবস্থান cos θ। এবার ওই উচ্চতাটা কোণ বাড়ার সাথে সাথে ডানে রাখতে থাকো, তাহলে একটা মসৃণ ঢেউ আঁকা হয়ে যায়: এটাই y = sin x-এর লেখ। cos x-এর লেখ বানাতে উচ্চতার বদলে বাম-ডান অবস্থানটা বসাও।
দুটো লেখই ৩৬০° পরপর নিজেকে পুনরাবৃত্তি করে, তাই sin আর cos-এর মূল পর্যায়কাল ৩৬০° (রেডিয়ানে ২π)। সর্বোচ্চ মান ১, সর্বনিম্ন -১। sin ০°-এ শুরু হয়ে ওঠে, আর cos শুরু হয় চূড়া থেকে: cos x আসলে sin x-কেই ৯০° বামে সরানো রূপ।
tan x = sin x ÷ cos x। যেখানে cos x = ০ (৯০°, ২৭০° …), সেখানে ভাগ চলে না, তাই tan সংজ্ঞাহীন এবং লেখ ওই রেখার দু-পাশে অসীমে চলে যায়। এমন উলম্ব রেখাকেই বলে অসীমতট। tan-এর পর্যায়কাল মাত্র ১৮০°।
মূল সূত্র: y = A·f(Bx + C) + D
যেকোনো সাইন-কোসাইন-ট্যানজেন্ট লেখ এই এক ছাঁচে পড়ে। f মানে sin, cos বা tan, আর চারটা সংখ্যা A, B, C, D বলে দেয় ঢেউ কেমন হবে। নিচে প্রতিটার কাজ এক লাইনে, পরে আলাদা করে দেখব।
y = A·f(Bx + C) + Dসাধারণ রূপ, f = sin, cos বা tan
বিস্তার = |A|ঢেউ মধ্যরেখা থেকে কতটা ওঠে-নামে (sin, cos)
পর্যায়কাল = ৩৬০°/|B| = ২π/|B|sin ও cos-এর জন্য
পর্যায়কাল = ১৮০°/|B| = π/|B|tan-এর জন্য
দশা সরণ = −C/Bধনাত্মক হলে ডানে, ঋণাত্মক হলে বামে
পরিসর = [D − |A|, D + |A|]sin ও cos-এর মানের সীমা
শব্দগুলো সহজ ভাষায়
পরীক্ষায় এই শব্দগুলো ঘুরেফিরে আসে। টেবিলে প্রতিটার মানে আর সিমুলেশনের ডিফল্ট লেখ থেকে মান দেওয়া হলো।
| শব্দ | মানে | সিমুলেশনের শুরুর লেখে (y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১) |
|---|---|---|
| বিস্তার (amplitude) | মধ্যরেখা থেকে সর্বোচ্চ বিন্দুর দূরত্ব | ২ |
| পর্যায়কাল (period) | ঢেউ একবার সম্পূর্ণ হতে x-এর যতটা বাড়া লাগে | ১৮০° (π) |
| দশা সরণ (phase shift) | ঢেউয়ের শুরু মূল জায়গা থেকে ডানে বা বামে কতটা সরল | -৩০° |
| মধ্যরেখা (midline) | ঢেউয়ের ঠিক মাঝখানের অনুভূমিক রেখা y = D | y = ১ |
| পরিসর (range) | y যে মানগুলো নিতে পারে | [-১, ৩] |
| অসীমতট (asymptote) | যে রেখার কাছে লেখ অনির্দিষ্টভাবে যায় কিন্তু ছোঁয় না | শুধু tan-এ |
A: বিস্তার, ঢেউ কত উঁচু আর উল্টে গেলে কী হয়
A বদলালে ঢেউ শুধু লম্বায় বদলায়, ঘন-ফাঁকা হয় না। y = ৩ sin x হলে ঢেউ ৩ পর্যন্ত ওঠে, আর ঢেউয়ের মধ্যরেখা থেকে চূড়ার দূরত্ব ৩। এটাই বিস্তার।
A ঋণাত্মক হলে ঢেউ x-অক্ষের (আসলে মধ্যরেখার) সাপেক্ষে উল্টে যায়। y = −৩ sin x আর y = ৩ sin x-এর বিস্তার একই ৩, শুধু একটা চূড়ার জায়গায় অন্যটার খাদ। তাই বিস্তার সবসময় ধনাত্মক: |A|।
B: পর্যায়কাল, ঢেউ কত চাপা
B ঢেউকে x-দিকে চেপে ধরে। B = ২ মানে ঢেউ দ্বিগুণ দ্রুত চলছে, তাই ৩৬০°-এর জায়গায় ১৮০° বা π-তে একটা পুরো ঢেউ শেষ। সাধারণ নিয়ম: পর্যায়কাল = মূল পর্যায়কাল ÷ |B|।
B ছোট (০ আর ১-এর মাঝে) হলে উল্টোটা হয়: ঢেউ ছড়িয়ে যায়। y = sin(x/২) এর পর্যায়কাল ৭২০°।
B = ২ ⇒ পর্যায়কাল অর্ধেকঢেউ ঘন হয়
B = ০.৫ ⇒ পর্যায়কাল দ্বিগুণঢেউ ছড়ায়
C: দশা সরণ, ঢেউয়ের পাশে সরে যাওয়া
Bx + C যখন ০ হয়, ঢেউ নতুন চক্র শুরু করে। তাই শুরুর বিন্দুটা x = −C/B-তে। ডিফল্ট লেখ y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১-এ −C/B = -৩০°, মানে ঢেউ মূল জায়গা থেকে ৩০° বামে সরেছে।
সরণ নির্ধারণে B-এর ভূমিকা ভুলো না। অনেকে C = ৬০° দেখেই ভাবে লেখ ৬০° সরেছে। আসলে B = ২ হওয়ায় সরণ ৬০°-এর অর্ধেক, -৩০°। সূত্র মুখস্থ না করে বন্ধনী ভেঙে ভাবো: ২(x + ৩০°) = ২x + ৬০°।
D: উলম্ব সরণ আর মধ্যরেখা
D পুরো ঢেউকে ওপরে বা নিচে তোলে, আকার একই থাকে। মধ্যরেখা হয় y = D। ডিফল্ট লেখে মধ্যরেখা y = ১, বিস্তার ২, তাই y নেয় সর্বনিম্ন -১ থেকে সর্বোচ্চ ৩।
সূত্র: সর্বোচ্চ = D + |A|, সর্বনিম্ন = D − |A|। এ থেকেই উল্টো করে বিস্তার (সর্বোচ্চ − সর্বনিম্ন) ÷ ২ আর D = (সর্বোচ্চ + সর্বনিম্ন) ÷ ২ বের করা যায়, যা পরের সমাধানে কাজে লাগবে।
ট্যানজেন্ট আলাদা: অসীমতট আর কোনো সর্বোচ্চ নেই
tan লেখ উপরে-নিচে অসীমে চলে যায়, তাই তার সর্বোচ্চ, সর্বনিম্ন বা বিস্তার বলে কিছু নেই; পরিসর সব বাস্তব সংখ্যা। A শুধু লেখটা কত খাড়া হবে তা ঠিক করে। দশা সরণ −C/B আর পর্যায়কাল ১৮০°/|B| একইভাবে কাজ করে।
y = ৩ tan ২x − ১-এর অসীমতট x = -৪৫° আর x = ৪৫°-এ, তারপর প্রতি ৯০° পরপর। সিমুলেশনে tan বেছে নিলে ঠিক এই লাল ড্যাশ রেখাগুলো আঁকা হয়, আর সবুজ বিন্দু তার কাছে এলে মান “সংজ্ঞাহীন” দেখায়।
sin, cos ও tan লেখের বৈশিষ্ট্য এক নজরে
মূল তিন অপেক্ষকের বৈশিষ্ট্য মনে রাখলে বদলানো লেখ বোঝা সহজ হয়ে যায়।
| বৈশিষ্ট্য | sin x | cos x | tan x |
|---|---|---|---|
| পর্যায়কাল | ৩৬০° (২π) | ৩৬০° (২π) | ১৮০° (π) |
| পরিসর | [-১, ১] | [-১, ১] | সব বাস্তব সংখ্যা |
| x = ০ তে মান | ০ | ১ | ০ |
| সর্বোচ্চ মান | ১ | ১ | নেই |
| অসীমতট | নেই | নেই | x = ৯০° + ১৮০°k |
| প্রতিসাম্য | মূলবিন্দু সাপেক্ষে বিজোড় | y-অক্ষ সাপেক্ষে জোড় | মূলবিন্দু সাপেক্ষে বিজোড় |
সিমুলেশনে এই পরীক্ষাগুলো করো
নিজের হাতে বদলালে সূত্র মনে গেঁথে যায়। এক এক করে চেষ্টা করো, প্রতিবার আগে ভাবো কী হবে।
- ডিফল্ট y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১ রেখে x = ০ তে y কত দেখো: ২.৭৩। এটাই ২ sin(৬০°) + ১।
- শুধু B-কে ১ থেকে ৪ পর্যন্ত বাড়াও আর গুনে দেখো পর্দায় কয়টা ঢেউ ধরছে; পর্যায়কাল প্যানেলের সাথে মেলাও।
- A = −২ করে লেখ উল্টে যাওয়া দেখো, কিন্তু বিস্তারের ঘর বদলায় না, সেটা খেয়াল করো।
- C একবার ধনাত্মক আর একবার ঋণাত্মক করো এবং বন্ধনীর বিন্দুটা কোন দিকে সরে তা লিখে রাখো।
- D = ৩ করো এবং সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ঘরের সংখ্যা D ± |A|-এর সাথে মিলাও।
- cos বেছে C = ৯০° দিলে কী লেখ পাও? এটা কি sin-এর লেখের মতোই?
- tan-এ B বাড়াও ও অসীমতটগুলো গোনো: B যত বেশি, রেখা তত ঘন।
- “অক্ষের একক” π-এর গুণিতক করে লেখো ঢেউয়ের পর্যায়কাল π-এর কত গুণ।
সমাধানসহ উদাহরণ
প্রতিটায় A, B, C, D চিনে নিয়ে চারটা সূত্র বসাও। সংখ্যাগুলো নিজে সিমুলেশনে বসিয়ে মিলিয়ে নিতে পারো।
উদাহরণ ১: y = ৩ sin(২x + ০°) + ০-এর বিস্তার ও পর্যায়কাল কত
এখানে A = ৩, B = ২, C ও D শূন্য। বিস্তার = |৩| = ৩। পর্যায়কাল = ৩৬০° ÷ ২ = ১৮০°। দশা সরণ ০, পরিসর [-৩, ৩]।
উদাহরণ ২: y = ২ cos(৩x − ৯০°) + ০-এর দশা সরণ
A = ২, B = ৩, C = -৯০°। দশা সরণ = −C/B = −(-৯০°) ÷ ৩ = ৩০° (ডানে)। পর্যায়কাল = ৩৬০° ÷ ৩ = ১২০°। তাই cos-এর প্রথম চূড়া x = ৩০°-এ।
উদাহরণ ৩: y = -২ sin(০.৫x + ৪৫°) + ১ এর পরিসর
A ঋণাত্মক, কিন্তু বিস্তার |A| = ২। B = ০.৫, তাই পর্যায়কাল ৩৬০° ÷ ০.৫ = ৭২০°। দশা সরণ = −৪৫° ÷ ০.৫ = -৯০°। পরিসর [১ − ২, ১ + ২] = [-১, ৩]।
যাচাই: x = ০ তে y = -২ sin(৪৫°) + ১ ≈ -০.৪১, যা পরিসরের ভেতরেই।
উদাহরণ ৪: y = ৩ tan(২x + ০°) − ১ এর পর্যায়কাল ও অসীমতট
tan-এর পর্যায়কাল ১৮০° ÷ ২ = ৯০°। অসীমতটে ২x = ৯০° + ১৮০°k, তাই x = -৪৫°, ৪৫° আর প্রতি ৯০° পর। পরিসর সব বাস্তব সংখ্যা, কারণ tan-এর সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন নেই।
উদাহরণ ৫: সর্বোচ্চ ৫, সর্বনিম্ন -১, পর্যায়কাল ১২০° হলে সমীকরণ কী
বিস্তার A = (৫ − (-১)) ÷ ২ = ৩। D = (৫ + (-১)) ÷ ২ = ২। B = ৩৬০° ÷ ১২০° = ৩।
তাই একটা সমীকরণ y = ৩ sin(৩x) + ২। (C = ০ নিলে sin ঢেউ মধ্যরেখা থেকে শুরু হয়; অন্য C-ও চলবে।)
উদাহরণ ৬: জোয়ার-ভাটা h = ৫ + ২ cos(৩০t)
এখানে t ঘণ্টায়, কোণ ডিগ্রিতে। পর্যায়কাল = ৩৬০° ÷ ৩০ = ১২ ঘণ্টা। জল সর্বোচ্চ ৭ মিটার, সর্বনিম্ন ৩ মিটার। ৩ ঘণ্টায় h = ৫.০০ মিটার।
উদাহরণ ৭: বাসার ২২০ ভোল্ট, ৫০ হার্টজ বিদ্যুতের চূড়া
চূড়া ভোল্টেজ = ২২০ × √২ ≈ ৩১১.১ ভোল্ট, কারণ ২২০ হলো গড় কার্যকর মান। পর্যায়কাল = ১ ÷ ৫০ = ০.০২ সেকেন্ড (২০ মিলিসেকেন্ড)। তাই V = ৩১১.১ sin(১৮,০০০t)-এর বিস্তার ৩১১.১।
সচরাচর ভুল
এই ভুলগুলোতে নম্বর কাটা যায়। লিখে রাখো, পরীক্ষার আগে একবার চোখ বুলিয়ো।
- দশা সরণকে C ধরা। সঠিক হলো −C/B, কারণ সরণ পাওয়া যায় Bx + C = ০ থেকে।
- ঋণাত্মক A-তে বিস্তার ঋণাত্মক লেখা। বিস্তার মানে দূরত্ব, তাই |A|।
- পর্যায়কালে ২π-কে B দিয়ে ভাগ না করে গুণ করা; B বাড়লে পর্যায়কাল কমে।
- tan-এর পর্যায়কাল ৩৬০° বা ২π লেখা; এটা ১৮০° বা π।
- tan-এর সর্বোচ্চ-সর্বনিম্ন বের করতে বসা; ওগুলো নেই।
- ডিগ্রি আর রেডিয়ান গুলিয়ে ফেলা: π-এর রূপে কাজ করলে সবটাই রেডিয়ানে রাখো।
বাস্তব জীবনে এই লেখ কোথায়
শব্দ আর সুর: প্রতিটা শুদ্ধ সুরের চাপ-পরিবর্তন একটা সাইন ঢেউ। বিস্তার বাড়লে শব্দ জোরে হয়, কম্পাঙ্ক (B) বাড়লে সুর চড়া হয়।
বিদ্যুৎ: বাসায় পাওয়া পরিবর্তী প্রবাহ ভোল্টেজ সাইন ঢেউ মেনে চলে, উদাহরণ ৭-এ যা দেখলে।
জোয়ার-ভাটা আর ঋতু: নদীর পানির উচ্চতা ও দিনের দৈর্ঘ্য বছরজুড়ে কোসাইনের মতো ওঠানামা করে।
নাগরদোলা আর দোলক: ঘুরন্ত চাকার নির্দিষ্ট বিন্দুর উচ্চতা সময়ের সাথে সাইন লেখ বানায়।
ইঞ্জিনিয়ারিং ও সংকেত: ছবি, গান ও ওয়াইফাই সংকেত ভেঙে সাইন ঢেউয়ের যোগফল হিসেবে সাজানো হয়।
পরীক্ষার কোণ
SSC উচ্চতর গণিত ও HSC-তে ত্রিকোণমিতিক ফাংশনের লেখচিত্র, পর্যায়কাল আর মানের পরিসর নিয়ে প্রশ্ন আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় সাধারণত পর্যায়কাল, পরিসর আর বিজোড়-জোড় ধর্মের ছোট অংশ থাকে।
প্রশ্ন দেখলে প্রথমে সমীকরণটা y = A·f(Bx + C) + D ছাঁচে লিখে চারটা সংখ্যা আলাদা করো। তারপর বিস্তার, পর্যায়কাল, সরণ আর পরিসর চারটা সূত্রে বসাও। লেখ আঁকতে বললে মধ্যরেখা, চূড়া-খাদ আর শুরুর বিন্দু আগে বসিয়ে তারপর মসৃণ রেখা টানো।
ঝটপট পুনরালোচনা
পরীক্ষার আগের রাতে এই কয়েক লাইনই ঝালিয়ে নাও।
- A: বিস্তার |A|, ঋণাত্মক হলে লেখ উল্টে যায়।
- B: পর্যায়কাল মূল পর্যায়কালকে |B| দিয়ে ভাগ করলে পাওয়া যায়।
- C: ঢেউ −C/B পরিমাণ সরে, ডানে ধনাত্মক।
- D: মধ্যরেখা y = D, পরিসর [D − |A|, D + |A|]।
- tan: পর্যায়কাল π বা ১৮০°, অসীমতট আছে, পরিসর সব বাস্তব সংখ্যা।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
sin x, cos x ও tan x-এর লেখের মূল পর্যায়কাল কত?
sin x ও cos x-এর ৩৬০° (২π), আর tan x-এর ১৮০° (π)। B থাকলে এই পর্যায়কালকে |B| দিয়ে ভাগ করতে হয়।
বিস্তার কাকে বলে?
ঢেউয়ের মধ্যরেখা থেকে সর্বোচ্চ বিন্দুর দূরত্বকে বিস্তার বলে। y = A sin(Bx + C) + D-তে বিস্তার |A|।
দশা সরণ কীভাবে বের করব?
Bx + C = ০ ধরে x = −C/B পাও। ধনাত্মক হলে ঢেউ ডানে, ঋণাত্মক হলে বামে সরেছে। যেমন y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১-এর দশা সরণ -৩০°।
y = A sin(Bx + C) + D-এর পরিসর কত?
[D − |A|, D + |A|]। ডিফল্ট লেখ y = ২ sin(২x + ৬০°) + ১-এর পরিসর [-১, ৩]।
tan x-এর লেখে অসীমতট কেন থাকে?
tan x = sin x ÷ cos x, আর cos x শূন্য হলে (৯০°, ২৭০° …) ভাগ অসম্ভব। তাই ওই x-এ লেখ অসীমে যায় এবং উলম্ব অসীমতট তৈরি হয়।
cos x-এর লেখ আর sin x-এর লেখের সম্পর্ক কী?
দুটোর আকার একই ঢেউ। cos x-এর লেখকে ৯০° ডানে সরালে sin x-এর লেখ পাওয়া যায়। cos চূড়া থেকে শুরু করে, sin শুরু করে মধ্যরেখা থেকে।
ঋণাত্মক A হলে লেখে কী হয়?
ঢেউ মধ্যরেখার সাপেক্ষে উল্টে যায়, কিন্তু বিস্তার একই থাকে, কারণ বিস্তার |A|।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
SSC
এসএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
HSC
এইচএসসি উচ্চতর গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির উচ্চতর গণিত বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি গণিত: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির গণিত বই
ভর্তি
জাবি গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ ভর্তি
English
Paragraph: Artificial Intelligence (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
টেস্ট
GRE Quantitative Reasoning guide (ইংরেজিতে)
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
টুল
Compound interest calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Data scientist resume example (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Cover letter examples (ইংরেজিতে)
আরও গণিত অ্যানিমেশন
Class 8 · SSC
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
পিথাগোরাসের উপপাদ্য কাকে বলে, সূত্র c² = a² + b², অষ্টম ও নবম-দশম শ্রেণির প্রমাণ, বিপরীত উপপাদ্য, পিথাগোরীয় ত্রয়ী ও সমাধানসহ অঙ্ক: ত্রিভুজ টেনে নিজে দেখো।
SSC · HSC
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত কাকে বলে, sin cos tan-এর মান ০° থেকে ৩৬০°, আদর্শ কোণের টেবিল, চতুর্ভাগের চিহ্ন ও সূত্র: একক বৃত্তে বিন্দু ঘুরিয়ে নিজে দেখো, সমাধানসহ।
SSC · HSC
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
দ্বিঘাত সমীকরণ কাকে বলে, উৎপাদক ও বর্গপূর্ণকরণ পদ্ধতি, শ্রীধর আচার্যের সূত্র, নিশ্চায়ক দিয়ে মূলের প্রকৃতি, শীর্ষবিন্দু ও পরাবৃত্তের লেখচিত্র অ্যানিমেশনে।
SSC
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য সহজে: কেন্দ্রস্থ ও বৃত্তস্থ কোণ, অর্ধবৃত্তস্থ কোণ, বৃত্তীয় চতুর্ভুজ, জ্যা ও স্পর্শক। SSC-র প্রমাণ আর সমাধানসহ অঙ্ক, বিন্দু টেনে নিজে দেখো।
SSC
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ কাকে বলে, দূরত্ব ও উচ্চতার সূত্র কীভাবে কাজ করে, আর দুই দফা পর্যবেক্ষণে না মেপেই টাওয়ারের উচ্চতা বের করা যায় কীভাবে — ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
সম্ভাবনা কাকে বলে, নমুনা ক্ষেত্র ও সম্ভাবনার সূত্র P(E) = n(E)/n(S) কীভাবে কাজ করে, আর বহুবার নিক্ষেপ করলে পরীক্ষালব্ধ হার কীভাবে তাত্ত্বিক সম্ভাবনার কাছাকাছি চলে আসে — মুদ্রা, ছক্কা, দুই ছক্কা ও রঙিন বল দিয়ে ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
সমান্তর ধারা ও গুণোত্তর ধারার n-তম পদ ও যোগফল সূত্র, গাউসের জোড়া বাঁধার কৌশল আর অসীম ধারার সূত্র a/(1−r): বার-চার্ট অ্যানিমেশনে নিজে টেনে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক নির্ণয়ের সূত্র, আউটলায়ারে মধ্যক কেন অটুট থাকে, আর শ্রেণিবদ্ধ উপাত্তের মধ্যক-প্রচুরক সূত্র: বিন্দু টেনে সংখ্যা রেখায় নিজে দেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 9 · SSC
সেট ও ভেনচিত্র
সংযোগ সেট, ছেদ সেট, অন্তর সেট, পূরক সেট আর ডি মরগানের সূত্র ভেনচিত্রে হাতে-কলমে দেখো: অঞ্চল রাঙাও, সংখ্যা বসাও, n(A ∪ B) সূত্র যাচাই করো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
Class 8 · SSC
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
ঢাল, ছেদক ও ছেদবিন্দু অ্যানিমেশনে দেখো। দুটি সরল সমীকরণ লেখচিত্রে এঁকে সমাধান করো, সমঞ্জস-অসমঞ্জস চেনো এবং অনুপাত পরীক্ষা কষে নাও, SSC-র ধাঁচে।
Class 9 · SSC
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
টালি সাজিয়ে পূর্ণবর্গ পদ্ধতি দেখো, দ্বিঘাত সমীকরণের মূল ও শীর্ষবিন্দু বের করো এবং সূত্রটা কেন কাজ করে বুঝে নাও। অ্যানিমেশন ও সমাধানসহ।
Class 8 · SSC
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
বৃত্তকে টুকরো করে সাজিয়ে আয়তক্ষেত্র বানাও আর দেখো ক্ষেত্রফল কীভাবে πr² হয়। পরিধি, পাই, বৃত্তকলা, বৃত্তচাপ ও সমাধানসহ ফ্রি ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন।
Class 8 · SSC
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
ছয়টি ঘনবস্তু ৩ডি-তে ঘোরাও, জাল খুলে দেখো আর কোণকের পানি বেলনে ঢেলে বোঝো কেন ঠিক তিন বারে ভরে। আয়তন, বক্রতল ও সমগ্রতলের সূত্র আর সমাধানসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
স্লাইডার টেনে ত্রিভুজকে বড়-ছোট করো আর দেখো কোণ সমান থাকে, বাহুর অনুপাত k থাকে, ক্ষেত্রফল k² গুণ হয়। সদৃশতার AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়ার অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
Class 9 · SSC
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গ্রিডে বিন্দু টেনে দেখো দূরত্বের সূত্র, মধ্যবিন্দু, ঢাল আর বিভক্তিকরণ সূত্র কীভাবে বদলায়। লম্বসমদ্বিখণ্ডক সঞ্চারপথ ও সমাধান করা অঙ্কসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন।
HSC
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
দ্বিশঙ্কুর মধ্য দিয়ে তল কাত করে দেখো বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত আর অধিবৃত্ত কীভাবে তৈরি হয়। সমীকরণ, ফোকাস ও উৎকেন্দ্রিকতাসহ বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
Class 9 · SSC
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
x², |x|, √x, sin x বা 2^x বেছে a, b, h, k স্লাইডার নাড়াও। দেখো লেখচিত্র কীভাবে সরে, টানে, চাপে আর উল্টে যায়, পেছনে ফিকে মূল লেখচিত্রসহ। বিনামূল্যের সিমুলেশন ও সমাধান করা অঙ্ক।
HSC
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
x², x³, sin x, eˣ বা 1/x বক্ররেখায় P বিন্দু টানো আর ব্যবধান h শূন্যের দিকে কমাও। ছেদক কীভাবে স্পর্শক হয় আর তার ঢাল কীভাবে অন্তরজ হয় তা দেখো। নিচে অন্তরজের লেখচিত্রও আছে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
x², x³, sin x, eˣ বা √x বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফলকে ১০০টি পর্যন্ত ফালিতে ভাগ করো, বাঁ, ডান, মধ্যবিন্দু ও ট্রাপিজিয়াম যোগফলকে সঠিক সমাকলনের সঙ্গে মেলাও। ভুল কমতে দেখো। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
ε–δ সংজ্ঞায় সীমা চোখে দেখো। ফাংশন বেছে ε ছোট করো, δ ব্যান্ড কীভাবে সরু হয় দেখো। বাম-ডান সীমা, গর্ত, sin x / x আর লাফ, যেখানে কোনো δ কাজ করে না। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
দুটি ত্রিমাত্রিক ভেক্টর টেনে ঘুরিয়ে দেখো। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, ডট গুণ ছায়া ও কোণ হয়ে, আর ক্রস গুণ লম্ব তীর হয়ে ধরা দেবে, যার দৈর্ঘ্য ক্ষেত্রফল। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
২×২ ম্যাট্রিক্স বদলে দেখো ছক, একক বর্গ আর একটা F-আকৃতি কীভাবে নড়ে। î আর ĵ কোথায় যায়, নির্ণায়ক কীভাবে চিহ্নযুক্ত ক্ষেত্রফল, আর বিপরীত ম্যাট্রিক্স। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
HSC
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
আরগান্ড সমতলে দুটি জটিল সংখ্যা টেনে সরাও। যোগফল সামান্তরিক হয়ে, গুণফল ঘূর্ণন ও টান হয়ে, অনুবন্ধী, ঘাত সর্পিল হয়ে এবং এককের মূল ধরা দেবে। বিনামূল্যে সিমুলেশন।
SSC · HSC
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: স্থানীয় মান, রূপান্তর ও যোগ
বিট উল্টে দেখো দশমিক, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সা একসাথে বদলায়। ২ দিয়ে ভাগ, ৩-৪ বিটের গ্রুপ আর ক্যারিসহ বাইনারি যোগ হাতে-কলমে। বিনা মূল্যে, সমাধান করা অঙ্কসহ।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান






















