কণা A আর B ধাক্কা খায়; ধাক্কার শক্তি সক্রিয়ণ শক্তির সমান বা বেশি হলে তবেই C তৈরি হয়। তাপমাত্রা বাড়াও, প্রভাবক দাও বা কণা বাড়াও, তারপর লেখচিত্র দেখো
নিয়ন্ত্রণ
পরিমাপ
- সময়
- ০.০s
- Ea / RT
- ৩.৫০
- A বাকি
- ২৫
- C তৈরি
- ০
- A–B সংঘর্ষ প্রতি সেকেন্ডে
- ০.০/s
- সফল সংঘর্ষ (বিক্রিয়ার হার)
- ০.০০/s
- সক্রিয়ণ শক্তির ওপরের ভগ্নাংশ, e^(−Ea/RT)
- ৩.০%
- গোনা সফল ভগ্নাংশ
- ০.০%
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- প্লে চেপে দশ সেকেন্ড বাক্সটা দেখো। A আর B নামের দুই রকম কণা ছোটাছুটি করছে; প্রতিটি ঝলক মানে একটা সংঘর্ষে যথেষ্ট শক্তি ছিল, আর সেখানে একটা সবুজ C কণা তৈরি হলো।
- ডান পাশের দুই লেখচিত্র দেখো। ওপরেরটা সংঘর্ষের শক্তির বণ্টন, মাঝে সক্রিয়ণ শক্তির লাল ড্যাশ রেখা; রেখার ডানে সবুজ এলাকাটা বিক্রিয়া ঘটাতে পারা সংঘর্ষের ভাগ। নিচেরটা সময়ের সাথে উৎপাদ কতটা তৈরি হলো।
- তাপমাত্রার স্লাইডার ডানে টানো। সবুজ ভাগ বাড়ে, ঝলক ঘন ঘন আসে, উৎপাদের রেখা খাড়া হয়। খেয়াল করো, প্রতি সেকেন্ডে মোট সংঘর্ষ বাড়ে সামান্যই, কিন্তু সফল সংঘর্ষ লাফিয়ে বাড়ে।
- প্রভাবকের বাক্সে টিক দাও। ড্যাশ রেখা বাঁয়ে সরে কম সক্রিয়ণ শক্তিতে আসে, সবুজ এলাকা সাথে সাথে চওড়া হয়, আর আগের জায়গাটা ধূসর রেখায় থেকে যায় যাতে কী সরল সেটা দেখা যায়।
- ঘনমাত্রার স্লাইডার বদলাও। কম বা বেশি কণা নিয়ে পরীক্ষাটা নতুন করে শুরু হয়, আর আগের পরীক্ষার উৎপাদের রেখা ধূসর ড্যাশে থাকে তুলনার জন্য। মুছতে রিসেট চাপো।
গরমে দুধ নষ্ট হয়, ফ্রিজে হয় না কেন
গরমের দিনে এক গ্লাস দুধ রান্নাঘরে রেখে দাও, সন্ধ্যায় টক গন্ধ বেরোবে। একই দুধ ফ্রিজে রাখলে কয়েক দিনও ভালো থাকে। রসায়ন তো বদলায়নি: একই ব্যাকটেরিয়া, একই শর্করা, একই বিক্রিয়া। বদলেছে শুধু গতি। সেই গতিই আজকের আলোচনা।
একবার খেয়াল করলে চারপাশে গতির উদাহরণ ভরা। ফুটন্ত গরম পানিতে ইফারভেসেন্ট ট্যাবলেট আধ মিনিটে মিলিয়ে যায়, ঠাণ্ডা পানিতে অনেকক্ষণ লাগে। লোহার পেরেকে মরিচা পড়তে বছর লাগে, অথচ লোহার সূক্ষ্ম তন্তুতে আগুন ধরালে জ্বলে ওঠে। প্রেসার কুকারে ডাল সেদ্ধ হয় খোলা পাতিলের এক-চতুর্থাংশ সময়ে। উপকরণ এক, গতি আলাদা।
প্রশ্নগুলো সোজা। তাপ দিলে কেন বিক্রিয়া দ্রুত হয়? গুঁড়ো করলে কেন সুবিধা হয়? প্রভাবক আসলে কী করে, আর সে কেন ফুরিয়ে যায় না? সংঘর্ষ তত্ত্ব তিনটির উত্তরই একটা ছবিতে দেয়: ছোট ছোট কণা একে অপরকে ধাক্কা দিচ্ছে, আর শুধু জোরালো ধাক্কাগুলোই কাজে লাগছে। ওপরের সিমুলেশনে প্রতিটি নব ঘুরিয়ে ছবিটার বদলে যাওয়া দেখতে পারবে।
একদম শুরু থেকে: বিক্রিয়ার হার কাকে বলে
রাসায়নিক বিক্রিয়া এক মুহূর্তে ঘটে যায় না। কিছু সময় ধরে বিক্রিয়ক উৎপাদে বদলায়, আর পরিমাণ বদলাতে থাকে। কোনোটা চোখের পলকে শেষ, যেমন সিলভার নাইট্রেটের দ্রবণে খাবার লবণের দ্রবণ ঢাললে সাথে সাথে সাদা ঘোলা হয়ে যায়। কোনোটা বছরের পর বছর, যেমন গেটে ধীরে ধীরে মরিচা পড়া। বিক্রিয়াটা কত দ্রুত ঘটছে, সেটা সংখ্যায় বলার নামই বিক্রিয়ার হার।
পরিমাণ বদলায় বলে হারটাকে আমরা ঘনমাত্রার পরিবর্তনের গতি দিয়ে মাপি। ঘনমাত্রা হলো এক লিটার মিশ্রণে কোনো পদার্থের পরিমাণ, একক mol L⁻¹। বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা কমে, উৎপাদের ঘনমাত্রা বাড়ে। পরিবর্তনের পরিমাণকে যত সময়ে হলো তা দিয়ে ভাগ করলেই হার পাওয়া যায়।
হার = −Δ[বিক্রিয়ক] / Δtবিক্রিয়কের ঘনমাত্রা কমে বলে মাইনাস চিহ্ন দিলে হার ধনাত্মক থাকে।
হার = +Δ[উৎপাদ] / Δtউৎপাদের ঘনমাত্রা বাড়ে, তাই চিহ্ন বদলাতে হয় না।
হারের একক: mol L⁻¹ s⁻¹ধীর বিক্রিয়ায় মিনিট বা ঘণ্টাও ব্যবহার হয়।
গড় হার আর তাৎক্ষণিক হার
পুরো একটা সময়ের পরিবর্তনকে সেই সময় দিয়ে ভাগ করলে গড় হার পাওয়া যায়। কোনো একটা মুহূর্তের হার জানতে অতি ছোট সময়ের ব্যবধান নিতে হয়; ঘনমাত্রা বনাম সময়ের লেখচিত্রে সেটা ওই বিন্দুতে স্পর্শকের ঢাল। পরীক্ষায় দুটোই আসে, আর সিমুলেশনের লেখচিত্র দেখলে বোঝা যায় দুটো কেন আলাদা।
সিমুলেশনের সবুজ উৎপাদের রেখাটা দেখো। শুরুতে খাড়া, তারপর ক্রমে সমতল। শুরুতে A আর B প্রচুর, তাই সফল সংঘর্ষও ঘন ঘন। পরে বিক্রিয়ক পাতলা হয়ে আসে, সংঘর্ষ কমে, রেখা চ্যাপ্টা হয়। তাই তাপমাত্রা না বদলালেও বিক্রিয়ার সময় তাৎক্ষণিক হার কমতে থাকে।
কীসের হিসাবে হার ধরবে
A + B → C বিক্রিয়ায় প্রতিটি C তৈরি হতে একটা করে A আর একটা B খরচ হয়, তাই তিন হারই সমান। 2A → B হলে A কমে B বাড়ার দ্বিগুণ গতিতে। তাই রসায়নবিদরা প্রতিটি হারকে নিজের সহগ দিয়ে ভাগ করে বিক্রিয়ার একটাই সংখ্যা বের করেন। এই পাতার বিক্রিয়া A + B → C, তাই C-এর সংখ্যা গুনেই হার বোঝা যায়।
সংঘর্ষ তত্ত্ব সহজ ভাষায়
সংঘর্ষ তত্ত্ব বলে, বিক্রিয়ক কণাদের একে অপরকে আঘাত করলে তবেই বিক্রিয়া সম্ভব। যে দুই অণুর কখনো দেখাই হয় না, তারা বিক্রিয়া করতে পারে না। শুধু এ থেকেই বোঝা যায় কেন বেশি চাপের গ্যাস বা বেশি ঘনমাত্রার দ্রবণে বিক্রিয়া দ্রুত হয়: প্রতি সেকেন্ডে দেখা হওয়ার সংখ্যা বেশি।
কিন্তু বেশির ভাগ দেখা-সাক্ষাতে কিছুই হয় না। ঘরের তাপমাত্রায় একটা ফ্লাস্কে প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি সংঘর্ষ ঘটে, তবু বিক্রিয়া শেষ হতে মিনিট লেগে যেতে পারে। তাই তত্ত্ব আরও দুটি শর্ত জুড়ে দেয়, একটি সংঘর্ষকে কার্যকর হতে হলে।
- কণাদের অবশ্যই সংঘর্ষ হতে হবে। ছোঁয়া না হলে বিক্রিয়া নেই।
- সংঘর্ষের শক্তি অন্তত সক্রিয়ণ শক্তির সমান হতে হবে। আলতো ধাক্কায় কণারা অপরিবর্তিত থেকে ছিটকে যায়।
- কণারা সঠিক দিক থেকে মিলিত হতে হবে। অণুর একটা সক্রিয় প্রান্ত থাকে; পাশ থেকে আঘাত করলে শক্তি থাকলেও কাজ নাও হতে পারে।
কাজে লাগবে যে শব্দগুলো
আগে শব্দগুলো ঝালিয়ে নাও। পরীক্ষার সংজ্ঞার প্রশ্ন বেশির ভাগই এখান থেকে আসে।
| শব্দ | সহজ ভাষায় অর্থ | প্রতীক বা একক |
|---|---|---|
| বিক্রিয়ার হার | বিক্রিয়ক কত দ্রুত খরচ হচ্ছে বা উৎপাদ কত দ্রুত তৈরি হচ্ছে | mol L⁻¹ s⁻¹ |
| সংঘর্ষ | দুই কণার এত কাছে আসা যে তারা পরস্পরকে প্রভাবিত করে | প্রতি সেকেন্ডে সংঘর্ষ |
| কার্যকর সংঘর্ষ | যথেষ্ট শক্তি আর সঠিক দিকসহ যে সংঘর্ষ বিক্রিয়া ঘটায় | প্রতি সেকেন্ডে সফল সংঘর্ষ |
| সক্রিয়ণ শক্তি | বিক্রিয়া ঘটাতে একটা সংঘর্ষের ন্যূনতম যে শক্তি লাগে; পাহাড়ের উচ্চতা | Ea, kJ mol⁻¹ |
| ঘনমাত্রা | এক লিটার মিশ্রণে কোনো পদার্থের পরিমাণ | mol L⁻¹ |
| প্রভাবক | যে পদার্থ কম শক্তির পথ দিয়ে বিক্রিয়া দ্রুত করে, কিন্তু নিজে ফুরোয় না | কোনো প্রতীক নেই |
| পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল | কঠিন পদার্থের যে মোট অংশ বিক্রিয়কের সংস্পর্শে আসতে পারে | cm² বা m² |
| হার ধ্রুবক | হারের সমীকরণের যে সংখ্যায় তাপমাত্রা ও প্রভাবকের প্রভাব থাকে | k |
| তাপমাত্রা | কণাদের গড় গতিশক্তির মাপ | K বা °C |
সক্রিয়ণ শক্তি: যে পাহাড় প্রতিটি বিক্রিয়াকে ডিঙোতে হয়
ভাবো, একটা বলকে পাহাড়ের ওপর দিয়ে গড়িয়ে ওপারের উপত্যকায় যেতে হবে। উপত্যকা নিচু হলেও আগে বলটাকে ঠেলে ওপরে তুলতে হবে। অণুদের জন্য এই পাহাড়ই সক্রিয়ণ শক্তি। নতুন বন্ধন তৈরির আগে বিক্রিয়কের পুরোনো বন্ধন টানটান হয়ে ভাঙতে শুরু করে, তাতে শক্তি লাগে, আর সেই শক্তি আসে সংঘর্ষের গতিশক্তি থেকে।
সিমুলেশনে পাহাড়টা ওপরের লেখচিত্রের লাল ড্যাশ রেখা। রেখার বাঁ দিকের শক্তির সংঘর্ষে কণারা ছিটকে যায়, আর ডান দিকের শক্তির সংঘর্ষে C তৈরি হয় ও ঝলক দেখা যায়। প্রভাবক ছাড়া রেখা ৩.৫ RT-তে, প্রভাবকসহ ২.০ RT-তে।
পাহাড় কী বলে না, সেটাও খেয়াল রাখো। একটা বিক্রিয়া সামগ্রিকভাবে খুব ঢালু (প্রচুর তাপ ছাড়ে) হয়েও ধীর হতে পারে, যদি পাহাড় উঁচু হয়। বাতাসে কয়লা পোড়া খুবই অনুকূল, তবু একটা কয়লার টুকরো শত শত বছর বাতাসেই পড়ে থাকতে পারে, যতক্ষণ না কেউ আগুন ধরিয়ে কিছু কণাকে পাহাড়ের ওপারে তুলে দেয়। বিক্রিয়া সম্ভব কি না আর দ্রুত কি না, দুটো আলাদা প্রশ্ন।
Ea বা তার বেশি শক্তির সংঘর্ষের ভগ্নাংশ ∝ e^(−Ea/RT)বোল্টজম্যান গুণক। R = ৮.৩১৪ J mol⁻¹ K⁻¹; Ea জুলে; T কেলভিনে।
k = A · e^(−Ea/RT)আরহেনিয়াস সমীকরণ: A ফ্রিকোয়েন্সি গুণক, যাতে সংঘর্ষের সংখ্যা আর দিকের প্রভাব আছে।
শক্তির লেখচিত্র: সামান্য সরলে এত পার্থক্য কেন
সব কণার শক্তি সমান নয়। যেকোনো নমুনায় বেশির ভাগ কণা গড়ের কাছাকাছি, কিছু ধীর, আর অল্প কয়েকটা খুব দ্রুত। সিমুলেশনের ওপরের লেখচিত্রে সংঘর্ষগুলোর শক্তি কীভাবে ছড়িয়ে আছে তা আঁকা, আর ডান দিকের সরু লেজ হলো বেশি শক্তির সংঘর্ষের ছোট দল।
সক্রিয়ণ শক্তির ডান পাশে রেখার নিচের ক্ষেত্রফলই বিক্রিয়া ঘটাতে পারা সংঘর্ষের ভগ্নাংশ। বাক্সে এটা ঠিক e^(−Ea/RT), আর রেখার পেছনের ধূসর স্তম্ভ হলো বাক্স নিজে যে সংঘর্ষ গুনেছে, ফলে তত্ত্ব আর পরীক্ষা পাশাপাশি মিলিয়ে নিতে পারো। শুরুর অবস্থায় (৩০০ K, প্রভাবক ছাড়া) ভগ্নাংশ ৩.০%।
রেখা সামান্য সরালে বা লেজ সামান্য লম্বা হলে ক্ষেত্রফল অনেক বদলায়, কারণ লেজ খুব খাড়া হয়ে নামে। এই পাতার বাকি সব কিছুর রহস্য এখানেই: হার নিয়ন্ত্রণ করে লেজ, ভিড়ের মাঝখান নয়।
| তাপমাত্রা | Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ, প্রভাবক ছাড়া | Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ, প্রভাবকসহ |
|---|---|---|
| ২০০ K | ০.৫% | ৫.০% |
| ৩০০ K | ৩.০% | ১৩.৫% |
| ৪০০ K | ৭.২% | ২২.৩% |
| ৫০০ K | ১২.২% | ৩০.১% |
| ৬০০ K | ১৭.৪% | ৩৬.৮% |
কারণ ১: তাপমাত্রা
তাপমাত্রার স্লাইডার বাড়ালে দুটো ঘটনা ঘটে। কণারা দ্রুত চলে, তাই আরও ঘন ঘন সংঘর্ষ করে। আর অনেক বড় প্রভাব: সংঘর্ষের একটা বড় ভাগ এখন পাহাড় ডিঙোনোর মতো শক্তি পায়। দ্বিতীয়টাই আসল কারণ।
সংঘর্ষ বাড়ে, তবে সামান্যই
সংঘর্ষের ঘনঘটা কণার গড় বেগের সাথে বাড়ে, আর গড় বেগ বাড়ে তাপমাত্রার বর্গমূলের সাথে। ৩০০ K থেকে ৬০০ K মানে তাপমাত্রা দ্বিগুণ, কিন্তু সংঘর্ষের ঘনঘটা বাড়ে মাত্র ১.৪১ গুণ। শুধু এটুকু হলে গরম করায় তেমন কিছু আসত-যেত না।
সফল সংঘর্ষ বাড়ে অনেক বেশি
একই লাফে ৩০০ K থেকে ৬০০ K-এ গেলে Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ ৩.০% থেকে ১৭.৪% হয়, অর্থাৎ ৫.৮ গুণ। দুটি প্রভাব গুণ করলে প্রতি সেকেন্ডে সফল সংঘর্ষ প্রায় ৮.১ গুণ। এই কারণেই তাপ দিলে বিক্রিয়া এত জোরে দ্রুত হয়।
প্রতি ১০ °C-এ হারের মোটামুটি নিয়ম
ঘরের তাপমাত্রার কাছাকাছি অনেক বিক্রিয়ার হার প্রতি ১০ °C বাড়ার সাথে মোটামুটি দ্বিগুণ (কোনোটায় তিন গুণ) হয়। এটা একটা মোটামুটি নিয়ম, কোনো সূত্র নয়: সক্রিয়ণ শক্তি আর তাপমাত্রার পরিসরের ওপর নির্ভর করে, আর বেশি Ea-র বিক্রিয়া কম Ea-র চেয়ে বেশি সংবেদনশীল। আনুমানিক হিসাবে বা প্রশ্নে যেখানে নিয়মটা দেওয়া থাকে সেখানে এটা ব্যবহার করো, আসল সংখ্যা চাইলে আরহেনিয়াস সমীকরণ।
কারণ ২: ঘনমাত্রা (গ্যাসের ক্ষেত্রে চাপ)
একই জায়গায় বেশি কণা মানে প্রতি সেকেন্ডে বেশি দেখা হওয়া। A কণা দ্বিগুণ করলে প্রতিটি B কণা A-কে আঘাতের দ্বিগুণ সুযোগ পায়। B-ও দ্বিগুণ করলে আঘাত করার মতো B-ও দ্বিগুণ। A–B মিলনের সংখ্যা তাই দুই সংখ্যার গুণফলের সাথে বাড়ে।
সিমুলেশনে শুরুতে বাক্সে প্রতিটির ২৫টি করে, মোট ৬২৫টি সম্ভাব্য A–B জোড়া। স্লাইডার ৪০-এ নিলে জোড়া ১,৬০০টি, অর্থাৎ ২.৫৬ গুণ, আর প্রতি সেকেন্ডে সংঘর্ষও প্রায় ততটাই বাড়ে। Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ বদলায় না, কারণ তাপমাত্রা আর Ea বদলায়নি।
গ্যাসে চাপ বাড়ালে একই কণা কম জায়গায় ঠাসা হয়, তা ঘনমাত্রা বাড়ানোরই সমান। বিশুদ্ধ কঠিন বা তরলের ঘনমাত্রা বদলায় না (ঘনত্ব স্থির), তাই পরের অংশে শুধু পৃষ্ঠতল গুরুত্বপূর্ণ।
হার = k [A]ᵐ [B]ⁿহারের সমীকরণ। m ও n পরীক্ষা থেকে পাওয়া যায়, সমতাকৃত সমীকরণের সহগ থেকে নয়।
এক ধাপের A + B → C: হার = k [A][B]শুধু একটা সংঘর্ষ-ধাপ হলে, যেমন এই সিমুলেশনে, ক্রম সহগের সমান হয়।
কারণ ৩: কঠিন পদার্থের পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল
কঠিন আর তরল বা গ্যাসের মধ্যে বিক্রিয়া শুধু যেখানে তারা ছোঁয়, অর্থাৎ পৃষ্ঠতলে, সেখানেই ঘটে। ঠাণ্ডা চায়ে চিনির কিউব ধীরে গলে, কিন্তু একই ওজনের মিহি চিনি কয়েক সেকেন্ডে মিলিয়ে যায়। গুঁড়ো করলে চিনি বদলায় না, চায়ের সামনে আরও বেশি অংশ খুলে যায়।
সংঘর্ষের ভাষায়: পৃষ্ঠতল বড় মানে অন্য কণাদের কঠিনটাকে আঘাত করার জায়গা বেশি। সফল সংঘর্ষের ভগ্নাংশ একই থাকে, প্রতি সেকেন্ডে সংঘর্ষ বাড়ে, ঘনমাত্রা বাড়ানোর মতোই। এই বাক্স মিশ্র গ্যাস বা দ্রবণ, ভেতরে কঠিন নেই, তাই পৃষ্ঠতলের আলাদা স্লাইডার নেই। প্রভাবটা বাক্সে আরও কণা ঢোকানোর মতোই কাজ করে।
মিহি গুঁড়ো একই কারণে বিপজ্জনকও। ময়দার কলে ময়দার ধুলো, খনিতে কয়লার গুঁড়ো, কাঠের কারখানায় করাতের গুঁড়ো, সবারই পৃষ্ঠতল বিশাল, আর একটা স্ফুলিঙ্গে পুরো মেঘ বিস্ফোরিত হতে পারে, যদিও একই জিনিসের স্তূপ কেবল ধিকিধিকি জ্বলত।
কারণ ৪: প্রভাবক
প্রভাবক নিজে ফুরিয়ে না গিয়ে বিক্রিয়া দ্রুত করে। সে এমন একটা বিকল্প পথ দেয় যার সক্রিয়ণ শক্তি কম। সিমুলেশনে প্রভাবকের বাক্সে টিক দিলে ড্যাশ রেখা ৩.৫ RT থেকে ২.০ RT-তে নামে। ৩০০ K-এ রেখার ডানের সবুজ ভাগ ৩.০% থেকে ১৩.৫% হয়, অর্থাৎ সফল সংঘর্ষ প্রায় ৪.৫ গুণ, তাপমাত্রা বা ঘনমাত্রা না বদলেই।
বাস্তবে প্রভাব বিশাল হতে পারে, কারণ বোল্টজম্যান গুণক ভীষণ সংবেদনশীল। ৩০০ K-এ Ea ২৫ kJ mol⁻¹ কমালে হার প্রায় ২.২৫ × 10⁴ গুণ বাড়ে; নিচের সমাধানকৃত সমস্যায় তুমি নিজেই হিসাব করবে। স্কুলে যেসব প্রভাবক পাবে: হাইড্রোজেন পার-অক্সাইডে ম্যাঙ্গানিজ ডাই-অক্সাইড, হেবার প্রক্রিয়ায় লোহা, সালফিউরিক অ্যাসিডে ভ্যানাডিয়াম পেন্টোক্সাইড, আর আমাদের শরীরের এনজাইম।
- প্রভাবক অগ্রগামী ও বিপরীতমুখী দুই বিক্রিয়ারই Ea কমায়, তাই দুটোকেই সমান দ্রুত করে।
- ΔH বদলায় না। বিক্রিয়ক আর উৎপাদ একই শক্তিতে থাকে; মাঝের পাহাড়টাই নিচু হয়।
- সাম্যাবস্থার অবস্থান বা সাম্য ধ্রুবক বদলায় না। সে শুধু পৌঁছাতে সাহায্য করে, আগে।
- সামগ্রিকভাবে খরচ হয় না। মাঝের ধাপে অংশ নিতে পারে, কিন্তু শেষে ফিরে আসে।
- সব বিক্রিয়ার জন্য নয়। এক বিক্রিয়ার প্রভাবক অন্যটার ক্ষেত্রে কিছুই নাও করতে পারে।
হারকে প্রভাবিত করে আরও যা যা
আলো কিছু বিক্রিয়া শুরু করে বা দ্রুত করে। ফটোগ্রাফির ফিল্ম আর সূর্যালোকে হাইড্রোজেন ও ক্লোরিনের বিক্রিয়া, দুটোতেই আলোর ফোটন বন্ধন ভাঙার শক্তি জোগায়; সংঘর্ষ সেই কাজ করে না।
বিক্রিয়কের প্রকৃতিও অনেক কিছু ঠিক করে। সোডিয়াম পানির সাথে হিংস্রভাবে বিক্রিয়া করে, লোহা প্রায় করেই না। দ্রবণে আয়নের বিক্রিয়া, যেমন সিলভার আয়ন আর ক্লোরাইড আয়নের মিলন, খুব দ্রুত, কারণ কোনো বন্ধন ভাঙতে হয় না; অথচ শক্ত সমযোজী বন্ধন ভাঙা লাগলে বিক্রিয়া ধীর।
অবস্থা আর নাড়াচাড়াও গুরুত্বপূর্ণ। গ্যাস বা নাড়া তরলে কণারা কঠিনে আটকে থাকা কণার চেয়ে বেশি দেখা পায়। ভালো করে নাড়া বিকারে বিক্রিয়া আগে শেষ হয়, কারণ নাড়া ক্রমাগত নতুন বিক্রিয়ক পৃষ্ঠে এনে দেয়।
সিমুলেশনে নিজে পরীক্ষা করো
খাতা-কলম নিয়ে বসো। কিছু চাপার আগে অনুমান লেখো, তারপর চালিয়ে মিলিয়ে দেখো।
- সব শুরুর মানে রেখে দশ সেকেন্ড পর সফল সংঘর্ষের হার আর Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ দুটোই লিখে রাখো। তারপর রিসেট চাপো।
- তাপমাত্রা ৬০০ K করে প্রতি সেকেন্ডের মোট সংঘর্ষ আর সফল সংঘর্ষ তুলনা করো। কোনটা বেশি বদলাল? এ থেকে বোঝা যায়, তাপ কাজ করে মূলত শক্তি-রেখার লেজের মধ্য দিয়ে।
- তাপমাত্রা ২০০ K করো। উৎপাদের রেখা খুব চ্যাপ্টা হবে; কিছু ঘটতে দেখতে ২× গতির বোতাম চাপো।
- একটা পরীক্ষার মাঝখানে প্রভাবকের বাক্সে টিক দাও। তাপমাত্রা একই থাকলেও ওই মুহূর্তে উৎপাদের রেখা ওপরে বাঁক নেবে।
- ঘনমাত্রা ৪০-এ নাও, তারপর ১০-এ। আগের পরীক্ষার ধূসর ড্যাশ রেখা দেখে বোঝো বড় বাক্স কত আগে শেষ হয়।
- কয়েক সেকেন্ড ধরে তত্ত্বের ভগ্নাংশ আর গোনা ভগ্নাংশ মিলিয়ে দেখো। মোটামুটি মিলবে। একটু ফারাক হলে মোট কত সংঘর্ষ হলো গুনে দেখো, কারণ কম নমুনায় ওঠানামা বেশি।
গাণিতিক সমস্যা ও সমাধান
প্রতিটি সমস্যার সংখ্যা শুরুতে দেওয়া মান থেকে হিসাব করা। ধাপগুলো অনুসরণ করো, তারপর মান বদলে নিজে চেষ্টা করো।
সমস্যা ১: ঘনমাত্রার পরিবর্তন থেকে গড় হার
একটি বিক্রিয়কের ঘনমাত্রা ৩০ সেকেন্ডে ০.৮০ mol L⁻¹ থেকে ০.৫০ mol L⁻¹-এ নামল। গড় বিক্রিয়ার হার কত?
ঘনমাত্রার পরিবর্তন = ০.৫০ − ০.৮০ = −০.৩০ mol L⁻¹, অর্থাৎ ০.৩০ কমেছে। হার = এই পরিবর্তন ÷ সময়।
হার = ০.৩০ / ৩০ = ০.০১০ mol L⁻¹ s⁻¹
মিনিটে: ০.০১০ × ৬০ = ০.৬০ mol L⁻¹ min⁻¹
সমস্যা ২: প্রতি ১০ °C-এর মোটামুটি নিয়ম
একটি বিক্রিয়া ২৫ °C-এ ৪০ মিনিট নেয়। প্রতি ১০ °C-এ হার দ্বিগুণ হয় ধরে ৫৫ °C-এ সময়ের আনুমানিক মান বের করো।
তাপমাত্রা বাড়ল ৫৫ − ২৫ = ৩০ °C, তাই হার ৩ বার দ্বিগুণ হয়। গতিবৃদ্ধি ২-এর ৩ ঘাত।
গতিবৃদ্ধি = ২^৩ = ৮
সময় = ৪০ / ৮ = ৫ মিনিট
সমস্যা ৩: ৩০০ K ও ৩১০ K-এ আরহেনিয়াসের ভগ্নাংশ
একটি বিক্রিয়ার Ea = ৫০ kJ mol⁻¹। ৩০০ K ও ৩১০ K-এ ঠিক এই শক্তি বা তার বেশি শক্তির সংঘর্ষের ভগ্নাংশ এবং তাদের অনুপাত বের করো। R = ৮.৩১৪ J mol⁻¹ K⁻¹।
Ea-কে জুলে নাও: ৫০ kJ = ৫০,০০০ J। তারপর প্রতিটি তাপমাত্রায় Ea/RT-এর মান বের করো।
৩০০ K-এ Ea/RT = ৫০,০০০ / (৮.৩১৪ × ৩০০) = ২০.০৫
৩১০ K-এ Ea/RT = ৫০,০০০ / (৮.৩১৪ × ৩১০) = ১৯.৪০
৩০০ K-এ ভগ্নাংশ = e^(−২০.০৫) = ১.৯৭ × 10⁻⁹
৩১০ K-এ ভগ্নাংশ = e^(−১৯.৪০) = ৩.৭৬ × 10⁻⁹
অনুপাত = ৩.৭৬ × 10⁻⁹ / ১.৯৭ × 10⁻⁹ ≈ ১.৯১
সমস্যা ৪: প্রভাবক কতটা সাহায্য করে
একটি প্রভাবক Ea-কে ৭৫ kJ mol⁻¹ থেকে ৫০ kJ mol⁻¹-এ নামায়। ফ্রিকোয়েন্সি গুণক A একই ধরে ৩০০ K-এ হার কত গুণ বাড়বে?
দুই হারের পার্থক্য শুধু সূচকে, তাই অনুপাত হলো e-এর ঘাত, Ea-র কমতিকে RT দিয়ে ভাগ করে।
Ea-র কমতি = ৭৫ − ৫০ = ২৫ kJ mol⁻¹
অনুপাত = e^(২৫,০০০ / (৮.৩১৪ × ৩০০)) = e^১০.০২ ≈ ২.২৫ × 10⁴
সমস্যা ৫: দুটি ঘনমাত্রা একসাথে বদলালে
একধাপের বিক্রিয়া A + B → উৎপাদ-এর হার = k[A][B]। একই তাপমাত্রায় [A] ০.১০ থেকে ০.৩০ mol L⁻¹ আর [B] ০.১০ থেকে ০.২০ mol L⁻¹ করা হলো। হার কত গুণ হবে?
A-এর গুণক = ০.৩০ / ০.১০ = ৩
B-এর গুণক = ০.২০ / ০.১০ = ২
হারের গুণক = ৩ × ২ = ৬তাপমাত্রা একই, তাই k বদলায়নি।
সমস্যা ৬: কেটে ছোট করা ঘনকের পৃষ্ঠতল
২ cm বাহুর একটি নিরেট ঘনককে ০.১ cm বাহুর ছোট ঘনকে কাটা হলো। আগে ও পরে মোট পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল তুলনা করো।
ঘনকের ছয়টি তল, তাই পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল ৬ × বাহুর বর্গ। ছোট ঘনকের সংখ্যা আয়তনের অনুপাত, (২ / ০.১)-এর ঘন।
আগে: ৬ × ২² = ২৪ cm²
ছোট ঘনক: (২ / ০.১)³ = ৮,০০০টি
পরে: ৮,০০০ × ৬ × ০.১² = ৪৮০ cm²
অনুপাত = ৪৮০ / ২৪ = ২০ভর একই, বিক্রিয়ার জায়গা প্রায় এত গুণ বেশি।
সমস্যা ৭: আরহেনিয়াস লেখচিত্র থেকে Ea বের করা
আরহেনিয়াস সমীকরণের স্বাভাবিক লগ নিলে ln k = ln A − Ea/(RT)। ln k বনাম 1/T লেখচিত্র একটি সরলরেখা, যার ঢাল −Ea/R। পরীক্ষাগারে ঢাল পাওয়া গেল −৬,০০০ K। Ea কত?
Ea = −ঢাল × R = ৬,০০০ × ৮.৩১৪
Ea = ৪৯.৯ kJ mol⁻¹J mol⁻¹ K⁻¹ এককের R দিয়ে গুণ করে ১০০০ দিয়ে ভাগ করলে kJ পাওয়া যায়।
যেসব ভুল প্রতি বছর নম্বর কাটে
এই ভুলগুলো প্রতি বছর পরীক্ষার খাতায় দেখা যায়।
- "প্রভাবক ΔH বদলায়।" না। সে পাহাড় নিচু করে, শুরু বা শেষের শক্তি বদলায় না।
- "প্রভাবক সাম্যাবস্থা সরিয়ে দেয়।" না। সে অগ্রগামী ও বিপরীতমুখী বিক্রিয়াকে সমান দ্রুত করে, ফলে সাম্যাবস্থা যেখানে ছিল সেখানেই থাকে।
- "প্রভাবক খরচ হয়ে যায়।" না। সে ফিরে আসে; শেষে অপরিবর্তিত অবস্থায় ফিরে পাওয়া যায়।
- "তাপ বাড়ালে কণারা বেশি সংঘর্ষ করে বলেই হার বাড়ে।" এতে সামান্য সাহায্য হয়, কিন্তু প্রধান কারণ Ea-র বেশি শক্তির সংঘর্ষের ভাগ বেড়ে যাওয়া।
- "প্রতিটি সংঘর্ষই বিক্রিয়া।" বেশির ভাগই না। শক্তি বা দিকের অভাবে ছিটকে যায়।
- "ক্রম মানে সহগ।" ক্রম পরীক্ষা থেকে পাওয়া যায়। শুধু একধাপের বিক্রিয়ায় ক্রম আর সহগ সমান।
- "পুরো বিক্রিয়া জুড়ে হার একই।" না। বিক্রিয়ক খরচ হওয়ার সাথে হার কমে, তাই উৎপাদের রেখা চ্যাপ্টা হয়।
বাস্তব জীবনে কোথায় দেখবে
খাবার সংরক্ষণ হলো রান্নাঘরে সংঘর্ষ তত্ত্ব। প্রায় ৪ °C-এর ফ্রিজ ব্যাকটেরিয়া আর পচনের বিক্রিয়া মন্থর করে, ডিপ ফ্রিজ প্রায় থামিয়ে দেয়। প্রেসার কুকার উল্টো কাজ করে: বেশি চাপে পানির স্ফুটনাঙ্ক বাড়ে, আর বেশি গরম পানিতে খাবার অনেক কম সময়ে সেদ্ধ হয়।
শিল্পে ফলনের মতোই গতিও জরুরি। হেবার প্রক্রিয়ায় নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেন থেকে অ্যামোনিয়া হয় লোহার প্রভাবকে, কারণ প্রভাবক না থাকলে কোনো ব্যবহারযোগ্য তাপমাত্রাতেই বিক্রিয়া এত ধীর যে লাভ নেই। গাড়ির ক্যাটালিটিক কনভার্টারে প্ল্যাটিনাম, প্যালাডিয়াম ও রোডিয়াম কার্বন মনোক্সাইড আর নাইট্রোজেন অক্সাইডকে কয়েক সেকেন্ডে নিরীহ গ্যাসে বদলে দেয়।
তোমার শরীর চলে প্রভাবকে। লালায় অ্যামাইলেজ এনজাইম ভাত চিবানোর এক মিনিটেই শ্বেতসারকে শর্করায় ভাঙে, যা এনজাইম ছাড়া পরীক্ষানলে কয়েক দিন লাগত। প্রতিটি এনজাইম শুধু নিজের বিক্রিয়ায় কাজ করে আর সংকীর্ণ তাপমাত্রা পরিসরে সবচেয়ে ভালো চলে, তাই খুব বেশি জ্বর বিপজ্জনক।
নিরাপত্তাও হারের ওপর নির্ভর করে। ময়দার কলে ধুলো সরানো হয়, খনিতে কয়লার গুঁড়ো নিয়ন্ত্রণ করা হয়, ওষুধের দোকানে কিছু ওষুধ ঠাণ্ডায় রাখা হয়, সবই এই কারণে যে পৃষ্ঠতল আর তাপমাত্রা একটা নিরীহ জিনিসকে আশাতীত দ্রুত বিক্রিয়া করাতে পারে।
পরীক্ষার প্রস্তুতি
এসএসসি ও এইচএসসির রসায়নে এই পাঠ তিনভাবে আসে: সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা, লেখচিত্র ব্যাখ্যা, আর ছোট গাণিতিক সমস্যা। এইচএসসি রসায়নের রাসায়নিক পরিবর্তন অংশের জন্য নিচের তালিকা ধরে প্রস্তুতি নিতে পারো; সিলেবাসের সঠিক পরিসর তোমার বোর্ডের সর্বশেষ বই আর সিলেবাসে মিলিয়ে নিয়ো।
- বিক্রিয়ার হারের সংজ্ঞা একক সহ লেখো, আর বিক্রিয়ক ও উৎপাদের জন্য কোন চিহ্ন ব্যবহার করলে তা উল্লেখ করো।
- তাপমাত্রার প্রভাব ব্যাখ্যা করো: সংঘর্ষ বেশি হয় এবং Ea-র সমান বা বেশি শক্তির সংঘর্ষের ভগ্নাংশ বাড়ে। দ্বিতীয় কারণটাকে বেশি গুরুত্ব দাও।
- প্রভাবক কীভাবে কাজ করে এক বাক্যে লেখো: কম সক্রিয়ণ শক্তির বিকল্প পথ দেয়, ফলে বেশি ভাগ সংঘর্ষ কার্যকর হয়।
- Ea চিহ্নিত আর তার ডানের এলাকা ছায়া দেওয়া বোল্টজম্যান বণ্টন আঁকো। বেশি তাপমাত্রার জন্য একই Ea রেখা রেখে আবার আঁকো (শীর্ষ নিচু, লেজ লম্বা)।
- ঘনমাত্রা ও সময়ের সারণি থেকে গড় হার বের করো। একক ভুলো না।
- আরহেনিয়াস সমীকরণে R = ৮.৩১৪ J mol⁻¹ K⁻¹ ব্যবহার করো এবং Ea জুলে নাও।
দ্রুত ঝালাই
পরীক্ষার আগের রাতে পাঁচ মিনিটে এটুকু পড়ে নাও, কোনো লাইন নড়বড়ে লাগলে সিমুলেশনে ফিরে এসো।
- হার = একক সময়ে ঘনমাত্রার পরিবর্তন, একক mol L⁻¹ s⁻¹।
- সংঘর্ষ তত্ত্ব: বিক্রিয়ায় চাই অন্তত Ea শক্তির আর সঠিক দিকের সংঘর্ষ।
- Ea বা তার বেশি শক্তির ভগ্নাংশ e^(−Ea/RT)-এর সমানুপাতিক।
- তাপমাত্রা: সংঘর্ষ সামান্য বাড়ে, Ea-র ওপরের ভগ্নাংশ অনেক বাড়ে। মোটামুটি নিয়ম প্রতি ১০ °C-এ দ্বিগুণ।
- ঘনমাত্রা, চাপ আর পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল প্রতি সেকেন্ডের সংঘর্ষের সংখ্যা বাড়ায়।
- প্রভাবক Ea কমায়, অগ্রগামী ও বিপরীতমুখী বিক্রিয়াকে সমান দ্রুত করে, খরচ হয় না। ΔH বা সাম্যাবস্থা বদলায় না।
- বিক্রিয়ক ফুরোনোর সাথে বিক্রিয়ার হার কমে।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
রাসায়নিক বিক্রিয়ার হার কাকে বলে?
বিক্রিয়ার হার হলো বিক্রিয়ক কত দ্রুত খরচ হচ্ছে বা উৎপাদ কত দ্রুত তৈরি হচ্ছে, যা একক সময়ে ঘনমাত্রার পরিবর্তন দিয়ে মাপা হয়, সাধারণত mol L⁻¹ s⁻¹ এককে। দ্রুত বিক্রিয়ায় ঘনমাত্রা তাড়াতাড়ি বদলায়; ধীর বিক্রিয়ায় মাপার মতো বদল আসতে মিনিট, ঘণ্টা বা বছর লাগে।
সংঘর্ষ তত্ত্ব সহজ ভাষায় কী বলে?
সংঘর্ষ তত্ত্ব বলে, বিক্রিয়া করতে কণাদের ধাক্কা খেতে হয়, তবে শুধু অন্তত সক্রিয়ণ শক্তি আর সঠিক দিকের ধাক্কাই উৎপাদ তৈরি করে। বেশির ভাগ সংঘর্ষ ব্যর্থ হয়ে ছিটকে যায়। যে কারণ হার বাড়ায়, সে হয় সংঘর্ষ বাড়ায় নয়তো বেশি সংঘর্ষকে সফল করে।
তাপমাত্রা বাড়ালে বিক্রিয়ার হার বাড়ে কেন?
তাপে কণারা দ্রুত চলে, তাই সামান্য বেশি সংঘর্ষ হয়, আর আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে সংঘর্ষের অনেক বড় ভাগ সক্রিয়ণ শক্তির সমান বা বেশি শক্তি পায়। সিমুলেশনে ৩০০ K থেকে ৬০০ K-এ গেলে সংঘর্ষ ১.৪১ গুণ বাড়ে, কিন্তু সফল সংঘর্ষ বাড়ে প্রায় ৮.১ গুণ।
প্রভাবক সক্রিয়ণ শক্তির ওপর কী প্রভাব ফেলে?
প্রভাবক কম সক্রিয়ণ শক্তির একটা বিকল্প পথ দেয়। তখন বেশি সংখ্যক সংঘর্ষ পাহাড় ডিঙোতে পারে, ফলে বিক্রিয়া দ্রুত হয়। প্রভাবক শেষে ফিরে আসে, তাই ফুরিয়ে যায় না, আর ΔH বা সাম্যাবস্থা বদলায় না।
প্রভাবক কি সাম্যাবস্থা বদলায়?
না। প্রভাবক অগ্রগামী ও বিপরীতমুখী বিক্রিয়ার সক্রিয়ণ শক্তি সমান পরিমাণে কমায়, তাই দুটোই সমান দ্রুত হয়। সিস্টেম আগে সাম্যাবস্থায় পৌঁছায়, কিন্তু একই সংযুক্তিতে ও একই সাম্য ধ্রুবকে।
তাপমাত্রা দ্বিগুণ করলে কি হারও দ্বিগুণ হয়?
ঠিক তা নয়। হার তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে e^(−Ea/RT) দিয়ে, তাই ফল Ea-র ওপর নির্ভর করে। মোটামুটি নিয়ম বলে অনেক বিক্রিয়ার হার প্রতি ১০ °C বাড়লে প্রায় দ্বিগুণ হয়, যা কেলভিন মান দ্বিগুণ করার চেয়ে অনেক ছোট পরিবর্তন।
গুঁড়ো কেন টুকরোর চেয়ে দ্রুত বিক্রিয়া করে?
বিক্রিয়া কঠিনের পৃষ্ঠতলেই হয়। টুকরোকে গুঁড়ো করলে অন্য বিক্রিয়কের আঘাত করার মতো অনেক বেশি তল খুলে যায়। সমাধানকৃত সমস্যায় ২ cm বাহুর ঘনককে ০.১ cm ঘনকে কাটলে পৃষ্ঠতল ২০ গুণ হয়।
পুরো বিক্রিয়া জুড়ে কি হার একই থাকে?
না। শুরুতে বিক্রিয়ক প্রচুর থাকে বলে হার সবচেয়ে বেশি, তারপর খরচ হওয়ার সাথে কমতে থাকে। ঘনমাত্রা বনাম সময়ের রেখা চ্যাপ্টা হয়, আর কোনো এক মুহূর্তের তাৎক্ষণিক হার হলো সেই বিন্দুর ঢাল।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি রসায়ন: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির রসায়ন বই
ভর্তি
মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Paragraph: Environment Pollution (ইংরেজিতে)
বাংলা
রচনা: পরিবেশ দূষণ
English
Composition: Wonders of Modern Science (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
দক্ষিণ কোরিয়ায় উচ্চশিক্ষা
স্কলারশিপ
জাপানের MEXT স্কলারশিপ
IELTS
IELTS Writing Task 1: process diagrams (ইংরেজিতে)
IELTS
English tests: IELTS, TOEFL, Duolingo (ইংরেজিতে)
টুল
Final grade calculator (ইংরেজিতে)
বিদেশে পড়াশোনা
How to write a statement of purpose (ইংরেজিতে)
আরও রসায়ন অ্যানিমেশন
SSC · HSC
পরমাণুর গঠন
পরমাণুর গঠন চিত্রসহ ব্যাখ্যা: প্রোটন, নিউট্রন, ইলেকট্রন, পারমাণবিক সংখ্যা, ভরসংখ্যা, আইসোটোপ ও ইলেকট্রন বিন্যাস। নিজে পরমাণু বানিয়ে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
pH কি বা কাকে বলে, pH স্কেল কীভাবে কাজ করে, এসিড ও ক্ষারকের পার্থক্য, নির্দেশক ও প্রশমন বিক্রিয়া: বুরেট থেকে ফোঁটা ফেলে নিজে টাইট্রেশন করে দেখো, গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ইলেকট্রন বিন্যাস
ইলেকট্রন বিন্যাস কাকে বলে, লেখার সহজ নিয়ম, আউফবাউ, পাউলির বর্জন ও হুন্ডের নীতি, Cr-Cu ব্যতিক্রম, আয়ন: ইলেকট্রন একটি একটি করে বসতে দেখো, ১-৩৬ মৌলের তালিকাসহ।
SSC · HSC
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র, চাপীয় সূত্র, অ্যাভোগেড্রোর সূত্র ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ PV = nRT: পিস্টন টেনে নিজে দেখো, লেখচিত্র, R-এর মান ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
আয়নিক বন্ধন কাকে বলে, কীভাবে ধাতুর ইলেকট্রন অধাতুতে গিয়ে আয়ন তৈরি করে, আর সংকেত কীভাবে চার্জ মিলিয়ে বের হয়: NaCl, MgO, CaCl₂ বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎ বিশ্লেষণ কাকে বলে, ক্যাথোড-অ্যানোডে কী উৎপন্ন হয়, আর ফ্যারাডের সূত্রে ভর কীভাবে হিসাব হয়: গলিত NaCl, CuSO₄ বা অম্লীভূত পানি বেছে নিয়ে নিজে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
সমযোজী বন্ধন
সমযোজী বন্ধন কাকে বলে, একক-দ্বি-ত্রিবন্ধন কীভাবে গঠিত হয়, অক্টেট নিয়ম কী: H₂O, NH₃, CH₄, CO₂ অণুর ডট-ক্রস চিত্র সিমুলেশনে নিজে বানিয়ে দেখো, পোলারিটিসহ।
SSC · HSC
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম কাকে বলে, পারমাণবিক ব্যাসার্ধ ও আয়নিকরণ শক্তি পর্যায় ও গ্রুপে কীভাবে বদলায়: প্রথম ৩৬টি মৌলের হিটম্যাপে নিজে পরীক্ষা করে দেখো, ব্যতিক্রমসহ।
Class 9 · SSC
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় অবস্থায় কণা কেমন আচরণ করে নিজে দেখো। পানির তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র, গলন, স্ফুটন, সুপ্ততাপ, ঊর্ধ্বপাতন আর Q = mcΔT ও Q = mL-এর সমাধানসহ।
HSC
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
1s, 2s, 2p ও 3d অরবিটাল ঘুরিয়ে 3D-তে দেখো। কক্ষপথ ও অরবিটালের পার্থক্য, চার কোয়ান্টাম সংখ্যা, রেডিয়াল ও কৌণিক নোড গোনা, উপস্তরের ইলেকট্রন ধারণক্ষমতা, সমাধানসহ।
HSC
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
ত্রিমাত্রিক অণু বানিয়ে ঘোরাও। বন্ধন জোড় ও মুক্তজোড় ইলেকট্রন কীভাবে CH4, NH3, H2O, PCl5, SF6-এর আকৃতি, বন্ধন কোণ ও সংকরণ ঠিক করে, সমাধানসহ হাতেকলমে শেখো।
SSC · HSC
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
মোল কাকে বলে, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা কত, মোলার ভর ও STP-তে মোলার আয়তন (২২.৪ লিটার) কী? পাল্লায় ওজন মেপে মোল ও অণুর সংখ্যা নিজে বের করো; শতকরা সংযুতি ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
নলের ভেতর NH₃ ও HCl মিলে সাদা বলয় তৈরি করা দেখো, তারপর সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে গ্যাসের নিঃসরণের দৌড়। গ্রাহামের ব্যাপন সূত্রের প্রমাণ ও অঙ্ক সমাধানসহ।
SSC · HSC
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রাসায়নিক সমীকরণ কীভাবে মেলাতে হয়? সহগ বদলে দুই পাশের পরমাণু গুনে দেখো। পানি, মিথেন, মরিচা, রান্নার গ্যাসসহ পাঁচটি সমীকরণ ধাপে ধাপে সমাধান, SSC ও HSC প্রস্তুতির জন্য।
HSC
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কী, সাম্যধ্রুবক Kc কীভাবে বের করে, আর ঘনমাত্রা, তাপ ও চাপ বদলালে বিক্রিয়া কোন দিকে সরে? হেবার প্রক্রিয়ার অ্যানিমেশনে হার-রেখা দেখে লা শাতেলিয়ের নীতি বোঝো।
SSC · HSC
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
টাইট্রেশন কী, ব্যুরেট ও নির্দেশক কীভাবে কাজ করে, শেষ বিন্দু আর সমতা বিন্দু কী এক জিনিস না, আর V₁M₁ = V₂M₂ দিয়ে ঘনমাত্রা কীভাবে বের করবে? pH লেখচিত্রসহ সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
গ্যালভানিক কোষ কীভাবে বিদ্যুৎ বানায়? ড্যানিয়েল কোষে ইলেকট্রন আর লবণ সেতুর আয়ন কোন দিকে যায়, দণ্ডের ভর কীভাবে বদলায়, আদর্শ ও নার্নস্ট EMF কত? সিমুলেশনে ঘনমাত্রা বদলে নিজে দেখো।
SSC · HSC
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
জারণ ও বিজারণ কী, জারণ সংখ্যা কীভাবে বের করে, কোনটা জারক আর কোনটা বিজারক? পাঁচটি বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের চলাচল দেখো, অর্ধ-সমীকরণ ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
SSC · HSC
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
অ্যালকেন, অ্যালকিন ও অ্যালকাইনকে ঘূর্ণায়মান বল-স্টিক মডেলে দেখো। কার্বন সংখ্যা বদলাও, সাধারণ সংকেত ও IUPAC নাম পড়ো, আর বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেনের সব কাঠামোগত সমাণু দেখো।
HSC
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
কার্যকরী মূলক কী, অ্যালকোহল-অ্যালডিহাইড-কিটোন-অ্যাসিড-এস্টার-অ্যামিন কীভাবে চিনবে, IUPAC নাম কীভাবে লিখবে? আটটি পরিবারের গঠন দেখো, পরীক্ষা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
পলিমার কী, যোজন ও ঘনীভবন পলিমারকরণে পার্থক্য কী? ইথিন থেকে পলিথিন আর নাইলন-৬,৬ তৈরি দেখো, শিকলের আণবিক ভর ও নির্গত পানির হিসাবসহ।
SSC · HSC
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
ছাঁকন, সরল ও আংশিক পাতন, কাগজ ক্রোমাটোগ্রাফি আর স্ফটিকীকরণ চোখের সামনে চলতে দেখো। Rf-এর হিসাব, পাতনের তাপমাত্রা-রেখা আর স্ফটিকের ফলন হাতে-কলমে।
HSC
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
সরল, দেহকেন্দ্রিক ও ফলককেন্দ্রিক ঘন একক কোষ ঘুরিয়ে দেখো। প্রতি কোষে পরমাণু, সন্নিবেশ সংখ্যা, প্যাকিং দক্ষতা (৫২.৪%, ৬৮%, ৭৪%) আর ঘনত্বের হিসাব।
HSC
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
আলফা, বিটা, গামা ক্ষয়ে A ও Z কীভাবে বদলায় দেখো, পারমাণবিক সমীকরণ মেলাও, ১০০ পরমাণুর এলোমেলো ক্ষয় অর্ধায়ু রেখা ধরে চলতে দেখো। কার্বন-১৪ কালনির্ণয়সহ বিনা মূল্যের সিমুলেশন।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর প্রতিসরণ
পদার্থবিজ্ঞান
ওহমের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
প্রাসের গতি
পদার্থবিজ্ঞান
সরল দোলক
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎ ক্ষেত্র
পদার্থবিজ্ঞান
তরঙ্গের ব্যতিচার
পদার্থবিজ্ঞান
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের গতির সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
পদার্থবিজ্ঞান
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
পদার্থবিজ্ঞান
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
পদার্থবিজ্ঞান
নততল
পদার্থবিজ্ঞান
বৃত্তাকার গতি
পদার্থবিজ্ঞান
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
লিভার ও ভ্রামক
পদার্থবিজ্ঞান
ভরকেন্দ্র
পদার্থবিজ্ঞান
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
পদার্থবিজ্ঞান
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
পদার্থবিজ্ঞান
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র, g ও কৃত্রিম উপগ্রহ
পদার্থবিজ্ঞান
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
পদার্থবিজ্ঞান
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
পদার্থবিজ্ঞান
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
পদার্থবিজ্ঞান
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
পদার্থবিজ্ঞান
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
পদার্থবিজ্ঞান
একক চিড়ে অপবর্তন
পদার্থবিজ্ঞান
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
পদার্থবিজ্ঞান
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পদার্থবিজ্ঞান
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
পদার্থবিজ্ঞান
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
পদার্থবিজ্ঞান
এসি জেনারেটর
পদার্থবিজ্ঞান
ট্রান্সফর্মার
পদার্থবিজ্ঞান
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
পদার্থবিজ্ঞান
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
পদার্থবিজ্ঞান
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
পদার্থবিজ্ঞান
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
পদার্থবিজ্ঞান
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
পদার্থবিজ্ঞান
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















