নিয়ন্ত্রণ
কোন দৃশ্য
পরিমাপ
- মহাকর্ষ বল
- ৩.৩৪ × ১০^−৭N
- দূরত্ব দ্বিগুণ হলে বল
- ৮.৩৪ × ১০^−৮N
- দূরত্ব অর্ধেক হলে বল
- ১.৩৩ × ১০^−৬N
- প্রথম বস্তুর ত্বরণ
- ৩.৩৪ × ১০^−৯m/s²
- দ্বিতীয় বস্তুর ত্বরণ
- ১.৬৭ × ১০^−৯m/s²
সিমুলেশনটি কীভাবে ব্যবহার করবে
- প্রথমে “দুই বস্তুর টান” দৃশ্যে ডিফল্ট মান নিয়ে শুরু করো: ১০০ kg আর ২০০ kg, ২.০ m দূরে। বল দেখাবে ৩.৩৪ × ১০^−৭ N, এত ছোট যে হাতে টের পাওয়া অসম্ভব।
- দূরত্ব স্লাইডার টানো আর লাল চিহ্নটাকে লেখচিত্রের গা বেয়ে নামতে দেখো। দূরত্ব দ্বিগুণ করলে বল এক-চতুর্থাংশ হয়। দুটি ক্ষেত্রই রিডিংয়ে লেখা আছে।
- দুই বস্তুর ত্বরণের রিডিং দুটি পাশাপাশি দেখো। বল দুই বস্তুতেই সমান, কিন্তু হালকা বস্তুর ত্বরণ বেশি। ভর সমান করে দেখো, ত্বরণও সমান হয়ে যাবে।
- “উচ্চতা ও গভীরতায় g” দৃশ্যে যাও। ডান দিক (মহাকাশ) থেকে r/R = ১ (ভূপৃষ্ঠ) পর্যন্ত আসো, তারপর পৃথিবীর ভেতরে ঢোকো। বাইরে বক্ররেখা ১/r²-এর মতো নামে, ভেতরে সরলরেখার মতো।
- “উপগ্রহের কক্ষপথ” দৃশ্যে ৪০০ km থেকে শুরু করো। দ্রুতি আর পর্যায়কাল দেখে উচ্চতা বাড়াও। উপগ্রহ ধীর হয় আর এক চক্কর ঘুরতে সময় বেশি লাগে।
- সবুজ ড্যাশ-দেওয়া বৃত্তে উচ্চতা নাও। প্রায় ৩৫,৭৬৪ km উচ্চতায় পর্যায়কাল ঠিক একদিন, তাই উপগ্রহ মাটির একটা বিন্দুর ওপরেই স্থির থাকে।
আপেল, চাঁদ আর একটাই ধারণা
গল্প আছে, নিউটন একটা আপেল পড়তে দেখে অদ্ভুত প্রশ্ন করেছিলেন: আপেলকে যে টান নামিয়ে আনে, সেই টান কি চাঁদ পর্যন্তও পৌঁছায়? যদি পৌঁছায়, তাহলে চাঁদও তো পড়ছে। শুধু পাশে এত জোরে ছুটছে যে বারবার পৃথিবীকে মিস করে যাচ্ছে।
এই একটা চিন্তা আকাশ আর মাটিকে জুড়ে দিল। যে সূত্রে ক্রিকেট বল নিচে নামে, সেই একই সূত্রে চাঁদ মাসে একবার পৃথিবীকে ঘোরে, গ্রহরা সূর্যকে ঘিরে থাকে, আর উপগ্রহকে কতটা জোরে ছুটতে হবে তা ঠিক হয়।
পরীক্ষায় এই অধ্যায় থেকে মোটামুটি তিন ধরনের প্রশ্ন আসে। এক, দুই বস্তুর মধ্যে বল বের করা বা দূরত্ব বদলালে কী হয় তা বলা। দুই, কোনো উচ্চতা বা গভীরতায় g বের করা। তিন, উপগ্রহের বেগ বা পর্যায়কাল বের করা। তিনটিই আসলে একই ধারণা, শুধু পোশাক আলাদা। সিমুলেশনে তিনটিই চালিয়ে দেখতে পারবে।
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র
বিশ্বজগতের প্রতিটি কণা অন্য প্রতিটি কণাকে আকর্ষণ করে। বলের মান দুই ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং তাদের কেন্দ্রের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। বলটা কাজ করে দুই বস্তুকে যোগ করা রেখা বরাবর।
সংখ্যা বসালে হয় F = G m₁ m₂ / r²। ধ্রুবক G মহাবিশ্বের সব জায়গায় সমান, G = ৬.৬৭৪ × ১০^−১১ N m² kg⁻²। এটা এত ছোট বলেই পাশে বসা মানুষটার দিকে তুমি টান অনুভব করো না। কিন্তু গ্রহের মতো বিশাল ভর গুণফলকে এত বড় করে ফেলে যে টান আর উপেক্ষা করা যায় না।
দুটো কথা মাথায় রাখো। মহাকর্ষ বল সবসময় আকর্ষণ করে, ঠেলে দেওয়ার কোনো মহাকর্ষ নেই। আর ১ নম্বর বস্তুর ওপর বল আর ২ নম্বর বস্তুর ওপর বল সমান ও বিপরীত, এটা নিউটনের তৃতীয় সূত্র।
F = G m₁ m₂ / r²দুই বিন্দুভরের মধ্যে আকর্ষণ বল
G = 6.674 × 10⁻¹¹ N m² kg⁻²সার্বজনীন মহাকর্ষ ধ্রুবক
F ∝ 1 / r²ব্যস্তবর্গ সূত্র: r দ্বিগুণ হলে বল এক-চতুর্থাংশ
আশপাশের জিনিসের মধ্যে টান কত?
৬০ kg আর ৭০ kg-এর দুজন মানুষ ১ m দূরে দাঁড়িয়ে আছে। তাদের পারস্পরিক বল ২.৮০ × ১০^−৭ N। এটা কয়েক দানা বালির ওজনের মতো। মেঝের ঘর্ষণ এর চেয়ে কোটি গুণ বেশি, তাই কেউ কারও দিকে সরে যায় না।
এবার সিমুলেশনের ডিফল্ট ধরো: ১০০ kg আর ২০০ kg, ২.০ m দূরে। বল ৩.৩৪ × ১০^−৭ N। দূরত্ব অর্ধেক করলে বল হবে ১.৩৩ × ১০^−৬ N, চার গুণ। দূরত্ব দ্বিগুণ করলে কমে ৮.৩৪ × ১০^−৮ N।
চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ সবচেয়ে দুর্বল, তবু আকাশের শাসক। কেন? কারণ এটা কখনও কাটাকাটি হয় না। বৈদ্যুতিক বলে ধনাত্মক আর ঋণাত্মক আধান একে অন্যকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। কিন্তু গ্রহের ভর শুধু যোগই হতে থাকে।
ব্যস্তবর্গ সূত্র লেখচিত্রে
বর্গ কেন? ভাবো, টানটা বাতির আলোর মতো সব দিকে ছড়াচ্ছে। দ্বিগুণ দূরে গোলকের ক্ষেত্রফল চার গুণ, তাই প্রতি টুকরোয় পড়ে এক-চতুর্থাংশ। আলো, শব্দ আর মহাকর্ষ, তিন ক্ষেত্রেই এই ছবি খাটে।
সারণিতে ভর দুটি ১০০ kg আর ২০০ kg ধরে দূরত্ব বাড়ানো হয়েছে। শেষ কলামে প্রতিটি বলকে ১ m-এর বল দিয়ে ভাগ করা হয়েছে, তাই ১, ১/৪, ১/৯, ১/১৬, ১/২৫-এর ছকটা চোখেই দেখা যায়।
| দূরত্ব r (m) | বল F (N) | F ÷ (১ m-এর F) |
|---|---|---|
| ১ | ১.৩৩ × ১০^−৬ | ১.০০০ |
| ২ | ৩.৩৪ × ১০^−৭ | ০.২৫০ |
| ৩ | ১.৪৮ × ১০^−৭ | ০.১১১ |
| ৪ | ৮.৩৪ × ১০^−৮ | ০.০৬৩ |
| ৫ | ৫.৩৪ × ১০^−৮ | ০.০৪০ |
বল সমান, ত্বরণ আলাদা
নিউটনের তৃতীয় সূত্র বলে, পৃথিবী তোমাকে যে বলে টানে, তুমিও পৃথিবীকে ঠিক সেই বলেই টানো। তাহলে আপেলটাই শুধু নড়ে কেন? কারণ ত্বরণ হলো বল ÷ ভর, আর পৃথিবীর ভর বিশাল।
দুই ত্বরণের রিডিং সেটাই দেখায়। ১০০ kg আর ২০০ kg-এর ক্ষেত্রে হালকাটির ত্বরণ ৩.৩৪ × ১০^−৯ m/s², ভারীটির ১.৬৭ × ১০^−৯ m/s²। বল একই, ভর আলাদা, তাই ত্বরণের অনুপাত ঠিক ভরের অনুপাতের উল্টো।
পৃথিবী আর একটা আপেলের ভরের অনুপাত প্রায় ১০²⁵। পৃথিবীও আপেলের দিকে ত্বরিত হয়, কিন্তু এতই সামান্য যে কোনো যন্ত্রে ধরা পড়ে না।
g আসে কোথা থেকে
m ভরের একটা বস্তুর ওপর পৃথিবীর কাছে বল F = G M m / R²। আবার নিউটনের দ্বিতীয় সূত্র বলে F = m g। m কাটাকাটি হয়ে যায়, থাকে g = G M / R²। এই কারণেই ভর যা-ই হোক, সব বস্তু একই ত্বরণে পড়ে।
g = ৯.৮ m/s² আর R = ৬,৩৭১ km ধরে পৃথিবীর ভরও মাপা যায়। M = g R² / G = ৫.৯৬ × ১০^২৪ kg। কেউ পৃথিবীকে নিক্তিতে চাপাতে পারে না, কিন্তু একটা দোলক আর ধ্রুবক G থাকলেই চলে। এই জন্যই ক্যাভেন্ডিশের G মাপার পরীক্ষাকে বলা হয় “পৃথিবীকে ওজন করা”।
g-এর মান নির্ভর করে গ্রহের ভর আর ব্যাসার্ধের ওপর, পড়ন্ত বস্তুর ওপর নয়। যে গ্রহের ভর পৃথিবীর ২ গুণ আর ব্যাসার্ধ ২ গুণ, সেখানে g = ০.৫০ × ৯.৮ = ৪.৯০ m/s²।
g = G M / R²ভূপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ
M = g R² / Gg থেকে পৃথিবীর ভর
g ∝ M / R²দুই গ্রহের তুলনা অনুপাতে করো
ওপরে উঠলে: উচ্চতায় g
ভূপৃষ্ঠ থেকে h উচ্চতায় কেন্দ্র থেকে দূরত্ব R + h, তাই g(h) = G M / (R + h)²। ভূপৃষ্ঠের মান দিয়ে ভাগ করলে g(h) = g (R / (R + h))²। g কমে, তবে শুরুতে ধীরে ধীরে।
সারণিতে সংখ্যাগুলো আছে। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের উচ্চতা ৪০০ km-এ g এখনও ৮.৬৮ m/s², অর্থাৎ ভূপৃষ্ঠের ৮৮.৫%। ৬০ kg-এর একজন মানুষের ওজন সেখানে হতো ৫২১ N, মাটিতে ৫৮৮ N। মহাকাশচারীদের ভারহীন লাগে মহাকর্ষ নেই বলে নয়, তারা আর তাদের যান একসঙ্গে মুক্তভাবে পড়ছে বলে।
h = R হলে (৬,৩৭১ km ওপরে, কেন্দ্র থেকে দূরত্ব দ্বিগুণ) g এক-চতুর্থাংশ, ২.৪৫ m/s²। আরও দূরে গেলে কমতেই থাকে, কিন্তু শূন্য কখনও হয় না।
g(h) = g · R² / (R + h)²ভূপৃষ্ঠের ওপরে নিখুঁত সূত্র
g(h) ≈ g (1 − 2h / R)h অনেক ছোট হলে আসন্ন সূত্র
| উচ্চতা h (km) | g (m/s²) | ভূপৃষ্ঠের g-এর অংশ (%) |
|---|---|---|
| ০ | ৯.৮০ | ১০০.০ |
| ১০০ | ৯.৫০ | ৯৬.৯ |
| ৪০০ | ৮.৬৮ | ৮৮.৫ |
| ১,০০০ | ৭.৩২ | ৭৪.৭ |
| ৬,৩৭১ | ২.৪৫ | ২৫.০ |
| ৩৫,৭৮৬ | ০.২২ | ২.৩ |
নিচে নামলে: গভীরতায় g
ভূপৃষ্ঠের নিচে গল্প বদলে যায়। সুষম পৃথিবী ধরলে শুধু তোমার ব্যাসার্ধের ভেতরের ভরটাই তোমাকে টানে, ওপরের খোলকের টান কাটাকাটি হয়ে যায়। ভেতরের ভর কমে r³ হারে, দূরত্বের বর্গ কমে r² হারে, ফলে g কমে r-এর সমানুপাতে: g(d) = g (1 − d / R)।
কেন্দ্রের দিকে অর্ধেক পথে g অর্ধেক, ৪.৯০ m/s²। কেন্দ্রে g একদম শূন্য, কারণ টান সব দিক থেকে সমান।
আসল পৃথিবীর কেন্দ্র বেশি ঘন, তাই আসল g একটু বাড়ে, তারপর কমে। পাঠ্যবইয়ে সুষম মডেল ধরা হয়, সিমুলেশনেও তা-ই। লেখচিত্র দেখো: বাঁ দিক থেকে g সরলরেখা বেয়ে r/R = ১ পর্যন্ত ওঠে, তারপর বাঁক নিয়ে ১/r² হারে নামে। সর্বোচ্চ মান ঠিক ভূপৃষ্ঠে।
g(d) = g (1 − d / R)ভূপৃষ্ঠের নিচে, সুষম পৃথিবী
কেন্দ্রে g = 0সব দিক থেকে সমান টান
| গভীরতা d (km) | g (m/s²) | ভূপৃষ্ঠের g-এর অংশ (%) |
|---|---|---|
| ০ | ৯.৮০ | ১০০ |
| ১,৫৯৩ | ৭.৩৫ | ৭৫ |
| ৩,১৮৬ | ৪.৯০ | ৫০ |
| ৪,৭৭৮ | ২.৪৫ | ২৫ |
| ৬,৩৭১ | ০.০০ | ০ |
উপগ্রহ মানে এমন বল যা বারবার মিস করে
পাহাড় থেকে একটা পাথর পাশে ছুড়ে দাও। জোরে ছুড়লে আরও দূরে পড়ে। এত জোরে ছুড়ো যে মাটির বক্রতা পাথরের পড়ার সঙ্গে তাল মিলিয়ে সরে যায়, তাহলে পাথর আর মাটিতে নামে না। সেই পাথরই কক্ষপথে।
মহাকর্ষ বল যোগায় কেন্দ্রমুখী বল: m v² / r = G M m / r²। উপগ্রহের ভর m কাটা যায়, তাই দ্রুতি নির্ভর করে শুধু কক্ষের ব্যাসার্ধ r = R + h-এর ওপর: v = √(G M / r) = √(g R² / (R + h))।
পর্যায়কাল হলো পরিধি ÷ দ্রুতি। ৪০০ km উচ্চতার উপগ্রহ ছোটে ৭.৬৬ km/s বেগে, প্রায় ২৭,৫৯৩ km/h, আর এক চক্কর ঘুরতে লাগে ৯২.৫ মিনিট। অর্থাৎ ভেতরের মানুষ দিনে ১৫.৬ বার সূর্যোদয় দেখে।
যত উঁচুতে, তত ধীরে। শুনতে উল্টো লাগে, কারণ উঁচু উপগ্রহের শক্তি বেশি। কিন্তু সে দুর্বল ক্ষেত্রের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই ধরে রাখতে ছোট বেগই যথেষ্ট, আবার তার পথও বেশি লম্বা। ফলে উচ্চতা বাড়লে পর্যায়কাল দ্রুত বাড়ে।
v = √(G M / (R + h))কক্ষীয় দ্রুতি; উপগ্রহের ভরের ওপর নির্ভর করে না
T = 2π (R + h) / vএক চক্করের সময়
T² ∝ (R + h)³কেপলারের তৃতীয় সূত্র
| উচ্চতা h (km) | কক্ষীয় দ্রুতি (km/s) | পর্যায়কাল (মিনিট) |
|---|---|---|
| ২০০ | ৭.৭৮ | ৮৮.৪ |
| ৪০০ | ৭.৬৬ | ৯২.৫ |
| ২,০০০ | ৬.৮৯ | ১২৭.২ |
| ২০,২০০ | ৩.৮৭ | ৭১৯.২ |
| ৩৫,৭৮৬ | ৩.০৭ | ১,৪৩৭.২ |
ভূস্থির কক্ষপথ
যে উপগ্রহ নিরক্ষরেখার ওপরে, পৃথিবীর ঘূর্ণনের দিকেই, এক নাক্ষত্র দিনে এক চক্কর ঘোরে, সে মাটির একটা বিন্দুর ওপরে স্থির থাকে। টিভি আর আবহাওয়ার ছবির জন্য এটা আদর্শ, ছাদের ডিশকে আর ঘোরাতে হয় না।
কেপলারের সূত্রে T = ২৪ ঘণ্টা বসালে ব্যাসার্ধ ঠিক হয়ে যায়। উচ্চতা আসে ৩৫,৭৬৪ km, দ্রুতি ৩.০৭ km/s, পর্যায়কাল ২৩.৯৩ ঘণ্টা। অন্য উচ্চতা বেছে নেওয়ার উপায় নেই, একটি দিনই কক্ষটা ঠিক করে দেয়। সিমুলেশনে এটাই সবুজ ড্যাশ-দেওয়া বৃত্ত।
কক্ষের ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ করলে পর্যায়কাল ২ গুণ নয়, ২.৮৩ গুণ হয়। এটাই ৩/২ ঘাতের কাজ, কারণ ২-কে ১.৫ ঘাতে তুললে ২.৮৩ হয়।
মুক্তিবেগ আর ভারহীনতা
পৃথিবীর টান চিরতরে ছাড়াতে হলে বস্তুর মুক্তিবেগ দরকার: v = √(2 g R)। ভূপৃষ্ঠ থেকে সেটা ১১.১৭ km/s। ভূপৃষ্ঠ ঘেঁষে ঘোরা উপগ্রহের দরকার মাত্র ৭.৯০ km/s, অর্থাৎ একই সংখ্যাকে √২ দিয়ে ভাগ করলে যা হয়। “উপগ্রহের কক্ষপথ” দৃশ্যের রিডিংয়ে উপগ্রহ যেখানে আছে সেখান থেকে মুক্তিবেগ দেখানো আছে।
মুক্তি পেতে সবসময় এত জোরে ছুটতে হয় না। রকেট ইঞ্জিন চালু রেখে ধীরে ধীরেও উঠতে পারে। এই সংখ্যাটা সেই বেগ, যা শুরুতে ছুড়ে দেওয়ার পর ইঞ্জিন বন্ধ করলেও কাজ চালায়।
কক্ষপথে ভারহীনতার সঙ্গে মহাকর্ষ এড়ানোর সম্পর্ক নেই। স্টেশনের ভেতরের সবকিছু স্টেশনের সঙ্গে একই হারে পড়ছে, তাই কেউ কারও ওপর চাপ দেয় না। পায়ের নিচের নিক্তি শূন্য দেখায়, কারণ নিক্তিটাও পড়ছে।
v(মুক্তি) = √(2 g R) = √2 · v(ভূপৃষ্ঠ ঘেঁষা কক্ষ)অসীমে পৌঁছানোর শক্তি
সমাধান করা অঙ্ক
পরীক্ষার ধাঁচে পাঁচটি অঙ্ক, সিমুলেশনের একই ফাংশন দিয়ে হিসাব করা।
অঙ্ক ১: দূরত্ব বদলালে
দুটি বস্তু ২.০ m দূরে ৩.৩৪ × ১০^−৭ N বলে একে অপরকে টানে। দূরত্ব তিন গুণ করলে বল কত হবে?
F ∝ 1/r², তাই r তিন গুণ হলে বল ৯ ভাগের ১ হয়: F = ৩.৩৪ × ১০^−৭ ÷ ৯। সারণিতে ১ m থেকে ৩ m-এ একই ছক দেখা যায়, যেখানে অনুপাত ১ থেকে নেমে ০.১১১ হয়েছে।
অঙ্ক ২: চাঁদের ত্বরণ
চাঁদ পৃথিবী থেকে ৩.৮৪ × ১০^৮ m দূরে, ভর যথাক্রমে ৫.৯৭ × ১০^২৪ kg আর ৭.৩৫ × ১০^২২ kg। বল আর চাঁদের ত্বরণ বের করো।
F = G M m / r² = ১.৯৯ × ১০^২০ N। চাঁদের ত্বরণ F / m = ২.৭০ × ১০^−৩ m/s²। নিউটনের বিখ্যাত যাচাই: চাঁদ পৃথিবীর ব্যাসার্ধের ৬০.৩ গুণ দূরে, তাই ব্যস্তবর্গ সূত্রে তার ত্বরণ হওয়া উচিত g ÷ ৬০.৩² = ২.৭০ × ১০^−৩ m/s²। দুটি উত্তর মিলে যায়।
অঙ্ক ৩: অন্য গ্রহে g
একটি গ্রহের ভর পৃথিবীর ২ গুণ, ব্যাসার্ধ ২ গুণ। সেখানে g কত?
g ∝ M / R², তাই অনুপাত ২ ÷ ২² = ০.৫০। g = ০.৫০ × ৯.৮ = ৪.৯০ m/s²। ভর বেশি, কিন্তু ব্যাসার্ধ আরও বেশি বাড়ায় সেখানকার পৃষ্ঠ আমাদের চেয়ে দুর্বল।
অঙ্ক ৪: ৪০০ km-এর উপগ্রহ
পৃথিবীর ৪০০ km ওপরের একটি উপগ্রহের কক্ষীয় দ্রুতি ও পর্যায়কাল বের করো। g = ৯.৮ m/s², R = ৬,৩৭১ km ধরো।
r = R + h = ৬,৩৭১ + ৪০০ km। v = √(g R² / r) = ৭.৬৬ km/s। T = 2π r / v = ৯২.৫ মিনিট। খেয়াল করো, উপগ্রহের ভর একবারও লাগেনি।
অঙ্ক ৫: ভূস্থির উপগ্রহ
কত উচ্চতায় উপগ্রহ নিরক্ষরেখার একটি বিন্দুর ওপর স্থির মনে হয়?
পর্যায়কাল এক নাক্ষত্র দিন হতে হবে। T = 2π r / v-তে v = √(g R² / r) বসিয়ে r বের করো। উচ্চতা ৩৫,৭৬৪ km, কক্ষীয় দ্রুতি ৩.০৭ km/s।
যে ভুলে নম্বর কাটা যায়
পরীক্ষার আগে তালিকাটা একবার দেখে নাও। প্রতিটি ভুলে কারও না কারও নম্বর গেছে।
- r ভূপৃষ্ঠ থেকে মেপে ফেলা, অথচ r মাপতে হবে কেন্দ্র থেকে। h উচ্চতার উপগ্রহে r = R + h।
- উচ্চতা বা গভীরতায় g = ৯.৮ m/s² ধরে নেওয়া। g বদলায়, সূত্র ব্যবহার করো।
- ভূপৃষ্ঠের নিচে g(d) = g (R − d)² / R² লেখা। ওটা উচ্চতার সূত্র; নিচে g কেন্দ্র থেকে দূরত্বের সঙ্গে সরলরৈখিক।
- ভারী উপগ্রহ দ্রুত ঘোরে ভাবা। ভর কাটা যায়, দ্রুতি শুধু কক্ষের ব্যাসার্ধের ওপর নির্ভর করে।
- মহাকাশচারী ভারহীন কারণ সেখানে মহাকর্ষ নেই, এমন বলা। মহাকর্ষ প্রচুর আছে, তারা মুক্তভাবে পড়ছে।
- একক ভুলে যাওয়া: G-এর একক N m² kg⁻², আর সূত্রে বসানোর আগে কিলোমিটারকে মিটারে বদলাতে হয়।
- মুক্তিবেগকে ১১.২ m/s লেখা। ঠিক মান ১১.২ km/s, মানে প্রায় ৪০,০০০ km/h।
আর কোথায় এই সূত্র দেখা যায়
সাগরের জোয়ার হয় কারণ পৃথিবীর কাছের পাশে চাঁদের টান দূরের পাশের চেয়ে সামান্য বেশি। জিপিএস উপগ্রহ থাকে প্রায় ২০,২০০ km উচ্চতায়, যেখানে পর্যায়কাল প্রায় আধা দিন, তাই একসঙ্গে কয়েকটি আকাশে থাকে। আবহাওয়া উপগ্রহ নিচু কক্ষে মেরুর ওপর দিয়ে গিয়ে গোটা পৃথিবী স্ক্যান করে।
একই সূত্র সূর্য আর গ্রহদের ওপর খাটালে কেপলারের তিনটি সূত্র বিনা পরিশ্রমে পাওয়া যায়। বৃত্তের বদলে উপবৃত্তাকার কক্ষপথ দেখতে চাইলে এরপর কেপলারের কক্ষপথ অ্যানিমেশনটি চালাও।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
নিউটনের মহাকর্ষ সূত্র কী বলে?
যেকোনো দুটি বস্তু একে অপরকে এমন বলে আকর্ষণ করে, যার মান ভরের গুণফলের সমানুপাতিক এবং কেন্দ্রের দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক: F = G m₁ m₂ / r²।
G-এর মান কত এবং এটা কি বদলায়?
G = 6.674 × 10⁻¹¹ N m² kg⁻²। এটা সার্বজনীন ধ্রুবক, জায়গাভেদে বদলায় না। অন্যদিকে g বদলায় উচ্চতা, গভীরতা ও গ্রহভেদে।
উচ্চতা আর গভীরতায় g কীভাবে বদলায়?
ভূপৃষ্ঠের ওপরে g কমে 1/(R + h)² হারে। ভূপৃষ্ঠের নিচে সুষম পৃথিবীর ক্ষেত্রে g গভীরতার সঙ্গে সরলরৈখিকভাবে কমে, কেন্দ্রে শূন্য হয়। সর্বোচ্চ মান ভূপৃষ্ঠে।
উপগ্রহের কক্ষীয় বেগ কীভাবে বের করব?
v = √(G M / r) = √(g R² / (R + h)) সূত্র ব্যবহার করো। দ্রুতি শুধু কক্ষের ব্যাসার্ধের ওপর নির্ভর করে, উপগ্রহের ভরের ওপর নয়।
মহাকাশ স্টেশনে মহাকাশচারীরা ভাসে কেন?
সেই উচ্চতায় মহাকর্ষ এখনও ভূপৃষ্ঠের প্রায় নব্বই শতাংশ। তারা ভাসে কারণ তারা আর স্টেশন একসঙ্গে মুক্তভাবে পড়ছে, তাই তাদের মধ্যে কোনো স্পর্শ-বল নেই।
ভূস্থির উপগ্রহ কী?
নিরক্ষরেখার ওপরের এমন উপগ্রহ, যার পর্যায়কাল এক দিন, তাই সে মাটির একটি বিন্দুর ওপর স্থির থাকে। এর উচ্চতা ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৬,০০০ km, নির্দিষ্ট।
মুক্তিবেগ কাকে বলে?
ভূপৃষ্ঠ থেকে যে ন্যূনতম বেগে ছুড়লে বস্তু আর কোনো ধাক্কা ছাড়াই চিরতরে পৃথিবী ছেড়ে চলে যায়। এর মান √(2 g R), পৃথিবীর জন্য প্রায় ১১.২ km/s।
এই বিষয়ের আরও পড়াশোনা
অ্যানিমেশনে ধারণা পরিষ্কার হলো, এবার পরীক্ষার প্রস্তুতি: সিলেবাস, সাজেশন, বই আর ভর্তি পরীক্ষার গাইড নিচে।
HSC
এইচএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
পাঠ্যবই
নবম-দশম শ্রেণির পদার্থবিজ্ঞান বই
ভর্তি
ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি
SSC
এসএসসি পদার্থবিজ্ঞান: সিলেবাস ও প্রস্তুতি
ভর্তি
ঢাবি বিজ্ঞান ইউনিট ভর্তি ২০২৬-২৭
English
Composition: The Uses of Electricity (ইংরেজিতে)
বাংলা
প্রতিবেদন: বিজ্ঞান মেলা
English
Paragraph: Science in Everyday Life (ইংরেজিতে)
SSC
এসএসসি সাজেশন
HSC
এইচএসসি সাজেশন
ভর্তি
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার গাইড
SSC
এসএসসি সিলেবাস
HSC
এইচএসসি সিলেবাস
বিদেশে পড়াশোনা
জার্মানিতে উচ্চশিক্ষা
টেস্ট
Digital SAT Math guide (ইংরেজিতে)
স্কলারশিপ
বিদেশে পড়াশোনার স্কলারশিপ
IELTS
IELTS vocabulary: science and research (ইংরেজিতে)
টুল
GPA calculator (ইংরেজিতে)
ক্যারিয়ার
Civil engineer resume example (ইংরেজিতে)
আরও পদার্থবিজ্ঞান অ্যানিমেশন
SSC · HSC
আলোর প্রতিসরণ
আলোর প্রতিসরণ কাকে বলে, প্রতিসরণের সূত্র, সংকট কোণ ও পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন — সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা, ইন্টারঅ্যাকটিভ অ্যানিমেশন ও গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
ওহমের সূত্র
ওহমের সূত্র কাকে বলে, বিবৃতি ও ব্যাখ্যা, V-I লেখচিত্র — বিভব পার্থক্য ও রোধ বদলে তড়িৎ প্রবাহ দেখো। শ্রেণি ও সমান্তরাল সমবায়, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
প্রাসের গতি
প্রাস কাকে বলে? কোণ ও আদিবেগ বদলে প্রাসের গতিপথ দেখো — বিচরণকাল, সর্বাধিক উচ্চতা ও আনুভূমিক পাল্লার সূত্র, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
সরল দোলক
সরল দোলক কাকে বলে, দোলনকালের সূত্র T=2π√(L/g) ও দোলকের সূত্রসমূহ — দৈর্ঘ্য বদলে দেখো। অভিকর্ষজ ত্বরণ নির্ণয়ের গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
তড়িৎ ক্ষেত্র
তড়িৎ ক্ষেত্র কাকে বলে, তড়িৎ তীব্রতার সূত্র ও একক, বলরেখার বৈশিষ্ট্য — আধান বসিয়ে বলরেখা দেখো। কুলম্বের সূত্রের গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
তরঙ্গের ব্যতিচার
তরঙ্গের উপরিপাতন নীতি ও ব্যতিচার কাকে বলে, গঠনমূলক ও ধ্বংসাত্মক ব্যতিচারের শর্ত, ডোরার প্রস্থ — দুই উৎস সরিয়ে নিজে দেখো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
SSC · HSC
পড়ন্ত বস্তু ও পড়ন্ত বস্তুর সূত্র
পড়ন্ত বস্তুর তিনটি সূত্র কী, কে আবিষ্কার করেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ ৯.৮ বলতে কী বোঝায়: মুদ্রা আর পালক ফেলে নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
লেন্সে প্রতিবিম্ব গঠন
উত্তল লেন্স ও অবতল লেন্স কাকে বলে, প্রতিবিম্ব কীভাবে গঠিত হয়, লেন্সের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f, বিবর্ধন ও লেন্সের ক্ষমতা: বস্তু টেনে সরিয়ে রশ্মি চিত্র নিজে দেখো।
SSC · HSC
নিউটনের গতির সূত্র
নিউটনের গতির তিনটি সূত্র, জড়তা, ভরবেগ, F = ma, ঘাত বল আর ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া: ট্রলি ঠেলে নিজে দেখো, সহজ উদাহরণ, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ (SSC, HSC)।
SSC · HSC
গোলীয় দর্পণে প্রতিবিম্ব গঠন
অবতল দর্পণ ও উত্তল দর্পণ কাকে বলে, মেরু, বক্রতার কেন্দ্র, প্রধান ফোকাস, দর্পণের সূত্র 1/u + 1/v = 1/f ও বিবর্ধন: বস্তু টেনে সরিয়ে প্রতিবিম্ব গঠন নিজে দেখো।
SSC · HSC
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ ও ফ্যারাডের সূত্র
তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ কাকে বলে, ফ্যারাডের সূত্র ও লেঞ্জের সূত্র কী বলে: চুম্বক টেনে কুণ্ডলীর ভেতর দিয়ে নিয়ে নিজে দেখো, গ্যালভানোমিটারের কাঁটা কেন দোলে, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
ভরবেগের সংরক্ষণ ও সংঘর্ষ
ভরবেগের সংরক্ষণ সূত্র কী, স্থিতিস্থাপক ও অস্থিতিস্থাপক সংঘর্ষের পার্থক্য কী: দুটো গাড়ি সংঘর্ষ করিয়ে নিজে দেখো, পুনরুদ্ধার সহগ e বদলে ভরবেগ ও গতিশক্তির বার-লেখচিত্র মিলিয়ে দেখো, সূত্র ও অঙ্কসহ।
SSC · HSC
কাজ, ক্ষমতা ও শক্তি
কাজ কাকে বলে, গতিশক্তি ও বিভবশক্তির সূত্র কী, ক্ষমতা কীভাবে মাপা হয়: গড়িয়ে পড়া কার্টের সিমুলেশনে শক্তির রূপান্তর নিজে দেখো, সূত্র ও গাণিতিক সমস্যাসহ।
SSC · HSC
নততল
নততলে ওজন কীভাবে দুই উপাংশে ভাগ হয়, স্থিতি কোণ কী, ঘর্ষণ কীভাবে ব্লককে ধরে রাখে বা পিছলে দেয়: কোণ বদলে ব্লক নিজে ছেড়ে দিয়ে বল-চিত্র ও সূত্র দেখো।
SSC · HSC
বৃত্তাকার গতি
সুতায় ঘোরা বলের সিমুলেশনে বৃত্তাকার গতি, কেন্দ্রমুখী বল F=mv²/r, কৌণিক বেগ, পর্যায়কাল দেখো। সুতা কাটলে বল কোথায় যায়? ব্যাংকিং ও গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC
অনুপ্রস্থ ও অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ
একই উৎস থেকে দড়ির অনুপ্রস্থ তরঙ্গ আর স্প্রিং বা শব্দের অনুদৈর্ঘ্য তরঙ্গ পাশাপাশি দেখো। তরঙ্গশীর্ষ, তরঙ্গপাদ, সংকোচন, প্রসারণ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য, v = fλ আর কণা কেন তরঙ্গের সাথে চলে না, গাণিতিক সমাধানসহ।
SSC · HSC
লিভার ও ভ্রামক
সিসম্যর সিমুলেশনে বলের ভ্রামক M = F × d, ভ্রামকের নীতি, লিভারের তিন শ্রেণি ও যান্ত্রিক সুবিধা নিজে হাতে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভরকেন্দ্র
দণ্ডে আর পাতে ভর সরিয়ে ভরকেন্দ্র x = Σmx/Σm বের করো। অবলম্বন কোথায় রাখলে দণ্ড ভারসাম্যে থাকে, বাস কখন উল্টে যায়, সুস্থির-অস্থির-নিরপেক্ষ সাম্যাবস্থা: সিমুলেশন ও সমাধানসহ।
SSC · HSC
স্প্রিং-ভর ও সরল ছন্দিত স্পন্দন
স্প্রিংয়ে ঝোলানো ভরের সরল ছন্দিত স্পন্দন নিজে চালিয়ে দেখো। হুকের সূত্র, T = 2π√(m/k), শক্তির রূপান্তর, শ্রেণি ও সমান্তরাল স্প্রিং, সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
ভেক্টর যোগ: ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র
দুটি ভেক্টরের লব্ধি, ত্রিভুজ ও সামান্তরিক সূত্র, উপাংশ, নদীতে নৌকা আর বৃষ্টিতে ছাতার আপেক্ষিক বেগ নিজে টেনে পরীক্ষা করো। সমাধান ও সৃজনশীল প্রশ্নসহ।
SSC · HSC
আপেক্ষিক বেগ: ট্রেন ও নদী পারাপার
দুই ট্রেন আর নদী পার হওয়া সাঁতারুকে নিজে চালিয়ে দেখো। আপেক্ষিক দ্রুতি, ট্রেন পার হওয়ার সময়, মুখের কোণ, ভাটিতে সরণ, সবচেয়ে কম সময় বনাম সবচেয়ে ছোট পথ, সমাধানসহ।
HSC
কেপলারের সূত্র ও উপবৃত্তাকার কক্ষপথ
উৎকেন্দ্রতা স্লাইডার টেনে কক্ষপথ লম্বা হতে দেখো। সমান সময়ে সমান ক্ষেত্রফলের সেক্টর, পর্যায়কালের সূত্র T² ∝ a³ আর মুক্তিবেগ, সমাধানসহ।
HSC
তার ও নলে স্থির তরঙ্গ
সিমুলেশনে তার টানো আর খোলা-বন্ধ নলে ফুঁ দাও। নোড, অ্যান্টিনোড, সমমেল দেখো এবং দৈর্ঘ্য, টান ও তাপমাত্রা কীভাবে সুর ঠিক করে তা শেখো, সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
অনুনাদ নল ও শব্দের দ্রুতি
অনুনাদ নলে পানির স্তর সরিয়ে নিজেই জোর শব্দের জায়গা খুঁজুন। L১ = λ/৪ − e আর L২ = ৩λ/৪ − e দেখুন, v = 2f(L₂ − L₁) দিয়ে শব্দের দ্রুতি বের করুন, সমাধানসহ অঙ্ক অনুশীলন করুন।
HSC
স্বরকম্প: কাছাকাছি দুই সুরের স্পন্দন
প্রায় সমান কম্পাঙ্কের দুই তরঙ্গ যোগ করে শব্দের জোর-আস্তে স্পন্দন দেখুন। এনভেলপ আঁকা, স্বরকম্প কম্পাঙ্ক |f₁ − f₂| পড়া, শব্দ শোনা আর গিটার সুর মেলানোর পদ্ধতি শিখুন, সমাধানসহ।
HSC
ডপলার প্রভাব: চলমান উৎস, চলমান শ্রোতা ও সনিক বুম
শব্দের উৎসকে ধীরে-জোরে চালাও আর দেখো সামনে তরঙ্গমুখ কীভাবে ঠাসাঠাসি হয়, পেছনে কীভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ডপলারের সূত্র, অ্যাম্বুলেন্স ও ট্রেনের অঙ্ক এবং সনিক বুম শেখো।
SSC · HSC
প্রিজম, আলোর বিচ্ছুরণ ও রামধনু
সাদা আলো প্রিজমে ফেলো, প্রিজম কোণ আর আপতন কোণ বদলাও, আর দেখো বর্ণালি কীভাবে তৈরি হয়। বিচ্যুতি, ন্যূনতম বিচ্যুতি, বিচ্ছুরণ ক্ষমতা এবং বৃষ্টির ফোঁটায় রামধনু সৃষ্টির অঙ্কসহ ব্যাখ্যা।
HSC
কির্শফের সূত্র: সংযোগ সূত্র ও বদ্ধ পথ সূত্র
দুটি ব্যাটারি আর তিনটি রোধের দুই-লুপ বর্তনী নিজে সাজাও। সংযোগ বিন্দুতে প্রবাহ ভাগ হওয়া দেখো, বিভবের যোগফল শূন্য হতে দেখো আর কির্শফের সূত্রের অঙ্ক ধাপে ধাপে করতে শেখো।
HSC
হুইটস্টোন ব্রিজ ও মিটার ব্রিজ
হুইটস্টোন ব্রিজের সাম্য নষ্ট করে গ্যালভানোমিটারের কাঁটা নড়তে দেখো। P/Q = R/S হলে কাঁটা শূন্যে আসে। মিটার ব্রিজে জকি সরিয়ে অজানা রোধ মাপো, গাণিতিক উদাহরণসহ।
HSC
একক চিড়ে অপবর্তন
চিড়ের প্রস্থ ও তরঙ্গদৈর্ঘ্য বদলে দেখো আলো কীভাবে ছড়ায়। তীব্রতার সূত্র I = I₀(sin β/β)², অন্ধকার পট্টির শর্ত a sin θ = mλ আর কেন্দ্রীয় পট্টির প্রস্থ 2λD/a, সমাধানসহ।
SSC · HSC
চোখের ত্রুটি ও তার প্রতিকার
স্বাভাবিক, ক্ষীণদৃষ্টি, দীর্ঘদৃষ্টি ও বার্ধক্যের চোখ বদলে বদলে দেখো। প্রতিবিম্ব কেন রেটিনার সামনে বা পেছনে পড়ে, আর কোন লেন্স কত ডায়োপ্টারে তা ঠিক করে, সিমুলেশনে হাতে-কলমে শেখো।
HSC
আলোর সমবর্তন: ম্যালাসের সূত্র ও ব্রুস্টারের সূত্র
পোলারাইজারের পেছনে অ্যানালাইজার ঘুরিয়ে গ্রাফে I = I₀cos²θ দেখো, তারপর কাচে আলো ফেলে ব্রুস্টার কোণ খুঁজে বের করো। পোলারয়েড সানগ্লাস, তিন ফিল্টারের ধাঁধা ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
ক্যাপাসিটরের আহিতকরণ ও নিরাহিতকরণ: আরসি সময় ধ্রুবক
রোধের মধ্য দিয়ে ক্যাপাসিটর আহিত ও নিরাহিত করো। E, R, C বদলে V = E(1 − e^(−t/RC)) আর প্রবাহের বক্রেখা আঁকা দেখো, ৬৩% সময় ধ্রুবক আর সঞ্চিত শক্তি বের করো।
SSC · HSC
চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা: দণ্ডচুম্বক, তড়িৎবাহী সরল তার ও সলিনয়েড
দণ্ডচুম্বক, সরল তার ও সলিনয়েডের চৌম্বক ক্ষেত্ররেখা দেখো। কম্পাস টানো, প্রবাহের দিক উল্টাও আর শেখো B = μ₀I/2πr, B = μ₀nI ও ডান হাতের মুষ্টি নিয়ম।
HSC
এসি জেনারেটর
চুম্বকের দুই মেরুর মাঝে কুণ্ডলী ঘুরিয়ে এসি জেনারেটরের সাইন তরঙ্গ নিজের চোখে দেখো। N, A, B আর rpm বদলে E₀ = NBAω ও কার্যকর মান বের করো, জানো কেন বাংলাদেশে মেইন ৫০ Hz।
SSC · HSC
ট্রান্সফর্মার
ট্রান্সফর্মারের প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি পাক বদলে দেখো ভোল্টেজ কীভাবে বাড়ে-কমে। Vs = Vp·Ns/Np, ক্ষমতার সংরক্ষণ, বাস্তব দক্ষতা আর উচ্চ ভোল্টেজে বিদ্যুৎ পাঠানোর কারণ বোঝো।
SSC · HSC
তাপের সঞ্চালন: পরিবহন, পরিচলন ও বিকিরণ
তামা, অ্যালুমিনিয়াম, কাচ বা কাঠের দণ্ড গরম করে Q/t = kAΔT/L দেখো, বিকারে পরিচলন স্রোত ঘুরতে দেখো, আর T⁴ মেনে বিকিরিত ক্ষমতা কীভাবে বাড়ে তা যাচাই করো। সারণি ও সমাধান করা অঙ্কসহ।
HSC
আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া: আইনস্টাইনের সমীকরণ ও নিবৃত্তি বিভব
ভ্যাকুয়াম নলে সোডিয়াম, দস্তা বা তামার পাতে যেকোনো তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ফেলো। সূচন কম্পাঙ্কের নিচে ইলেকট্রন বের হয় না কেন, K = hf − φ কীভাবে নিবৃত্তি বিভব ঠিক করে, আর উজ্জ্বলতা কেন শুধু প্রবাহ বদলায় তা নিজে দেখো।
SSC · HSC
মোটর ক্রিয়া: তড়িৎবাহী তারের ওপর বল ও ডিসি মোটর
চৌম্বক ক্ষেত্রে তড়িৎবাহী তার রাখলে সেটা কীভাবে ধাক্কা খায় নিজের চোখে দেখো। B, I, L আর কোণ বদলাও, ফ্লেমিংয়ের বাম হাতের নিয়ম মিলিয়ে নাও, তারপর বিভক্ত-বলয় কম্যুটেটরসহ ডিসি মোটর ঘুরিয়ে টর্কের লেখচিত্র দেখো।
HSC
গ্যাসের অণু ও গতিতত্ত্ব: চাপ, তাপমাত্রা ও দ্রুতি
বাক্সের ভেতরে গ্যাসের অণুদের ছোটাছুটি দেখো। তাপমাত্রা বাড়াও, গ্যাস বদলাও, আয়তন চেপে ধরো, আর দেখো দেয়ালে ধাক্কা গুনে পাওয়া চাপ PV = NkT-এর সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ম্যাক্সওয়েল-বোল্টজম্যান বক্ররেখার সঙ্গে দ্রুতি মেলাও এবং গড়বর্গমূল দ্রুতির অঙ্ক করো।
HSC
অর্ধপরিবাহী ডায়োড: p–n সন্ধি, I–V বক্ররেখা ও রেক্টিফায়ার
p–n সন্ধিতে বায়াস দিয়ে দেখো নিঃশেষিত স্তর কীভাবে সরু বা চওড়া হয়, বাহক কীভাবে পার হয় আর শকলির I–V বক্ররেখা কেমন হয়। সিলিকন ও জার্মেনিয়ামের তুলনা, ভাঙন আর অর্ধতরঙ্গ রেক্টিফায়ার হাতে-কলমে।
SSC · HSC
তেজস্ক্রিয় ক্ষয়: অর্ধায়ু, ক্ষয় সূত্র ও বিকিরণের ভেদন ক্ষমতা
২৪০টি নিউক্লিয়াসকে এলোমেলোভাবে ক্ষয় হতে দেখো, N = N₀e^(−λt) সূত্র মিলিয়ে নাও, লেখচিত্র থেকে অর্ধায়ু মাপো, আর দেখো আলফা, বিটা ও গামা কাগজ, অ্যালুমিনিয়াম ও সীসা কতটা ভেদ করে।
HSC
বোর পরমাণু মডেল: কক্ষপথ, শক্তিস্তর ও হাইড্রোজেনের বর্ণালি
হাইড্রোজেনের ইলেকট্রনকে n = ১ থেকে ৬ কক্ষপথে লাফ দেওয়াও, 1/λ = R(1/n₁² − 1/n₂²) থেকে ফোটনের রং বের করো আর শক্তিস্তরের চিত্র ও বর্ণালির পট্টিতে লাইম্যান, বামার, পাশেন শ্রেণি দেখো।
অন্য বিষয়ের অ্যানিমেশন
রসায়ন
পরমাণুর গঠন
রসায়ন
এসিড, ক্ষারক ও pH স্কেল
রসায়ন
ইলেকট্রন বিন্যাস
রসায়ন
গ্যাসের সূত্র: বয়েল, চার্লস ও আদর্শ গ্যাস সমীকরণ
রসায়ন
আয়নিক বন্ধন কীভাবে গঠিত হয়
রসায়ন
তড়িৎ বিশ্লেষণ ও ফ্যারাডের সূত্র
রসায়ন
সমযোজী বন্ধন
রসায়ন
পর্যায়বৃত্ত ধর্ম
রসায়ন
বিক্রিয়ার হার ও সংঘর্ষ তত্ত্ব
রসায়ন
পদার্থের অবস্থা: কঠিন, তরল, গ্যাসীয় ও তাপ–তাপমাত্রা লেখচিত্র
রসায়ন
পরমাণুর অরবিটাল: s, p, d-এর আকৃতি, কোয়ান্টাম সংখ্যা ও নোড
রসায়ন
আণবিক আকৃতি ও ভিএসইপিআর তত্ত্ব: বন্ধন জোড়, মুক্তজোড় ও বন্ধন কোণ
রসায়ন
মোল ধারণা: মোলার ভর, অ্যাভোগেড্রো সংখ্যা ও মোলার আয়তন
রসায়ন
ব্যাপন ও নিঃসরণ: গ্রাহামের সূত্র
রসায়ন
রাসায়নিক সমীকরণ সমতাকরণ: পদ্ধতি, উদাহরণ ও অনুশীলন
রসায়ন
রাসায়নিক সাম্যাবস্থা: সাম্যধ্রুবক Kc ও লা শাতেলিয়ের নীতি
রসায়ন
টাইট্রেশন: অম্ল-ক্ষারের ঘনমাত্রা বের করার পদ্ধতি
রসায়ন
গ্যালভানিক কোষ: ড্যানিয়েল কোষ, EMF ও নার্নস্ট সমীকরণ
রসায়ন
জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া: জারণ সংখ্যা, ইলেকট্রন স্থানান্তর ও অর্ধ-সমীকরণ
রসায়ন
হাইড্রোকার্বন: অ্যালকেন, অ্যালকিন, অ্যালকাইন ও কাঠামোগত সমাণু ত্রিমাত্রায়
রসায়ন
কার্যকরী মূলক: অ্যালকোহল, অ্যালডিহাইড, কিটোন, অ্যাসিড, এস্টার ও অ্যামিন
রসায়ন
পলিমারকরণ: যোজন ও ঘনীভবন পলিমার, পলিথিন ও নাইলন
রসায়ন
মিশ্রণ আলাদা করার পদ্ধতি: ছাঁকন, পাতন, ক্রোমাটোগ্রাফি, স্ফটিকীকরণ
রসায়ন
কেলাস জালক: SC, BCC ও FCC একক কোষ, প্যাকিং দক্ষতা ও ঘনত্ব
রসায়ন
তেজস্ক্রিয়তা: আলফা, বিটা, গামা ক্ষয় ও অর্ধায়ু
জীববিজ্ঞান
মাইটোসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
ব্যাপন ও অভিস্রবণ
জীববিজ্ঞান
সালোকসংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
মানব হৃৎপিণ্ডের গঠন ও কাজ
জীববিজ্ঞান
মেন্ডেলের বংশগতি সূত্র
জীববিজ্ঞান
ডিএনএ রেপ্লিকেশন
জীববিজ্ঞান
কোষীয় শ্বসন
জীববিজ্ঞান
এনজাইম ক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
স্নায়ু উদ্দীপনার পরিবহন ও অ্যাকশন পটেনশিয়াল
জীববিজ্ঞান
নেফ্রন ও মূত্র তৈরির প্রক্রিয়া
জীববিজ্ঞান
মিয়োসিস কোষ বিভাজন
জীববিজ্ঞান
পরিপাকতন্ত্র
জীববিজ্ঞান
শ্বাসক্রিয়ার কৌশল: প্রশ্বাস ও নিঃশ্বাস
জীববিজ্ঞান
প্রোটিন সংশ্লেষণ
জীববিজ্ঞান
রক্ত সংবহন: দ্বি-সংবহন ও কার্ডিয়াক আউটপুট
জীববিজ্ঞান
কোষের গঠন ও অঙ্গাণু: উদ্ভিদ কোষ বনাম প্রাণী কোষ
জীববিজ্ঞান
প্রতিবর্ত ক্রিয়া ও প্রতিবর্ত চাপ
জীববিজ্ঞান
মানুষের চোখ: গঠন, প্রতিবিম্ব ও উপযোজন
জীববিজ্ঞান
পেশি সংকোচন ও স্লাইডিং ফিলামেন্ট মডেল
জীববিজ্ঞান
উদ্ভিদে পরিবহন: জাইলেম, ফ্লোয়েম ও বাষ্পমোচন
জীববিজ্ঞান
খাদ্যশৃঙ্খল ও খাদ্যজাল: শক্তির প্রবাহ ও ১০ % নিয়ম
জীববিজ্ঞান
জনসংখ্যা বৃদ্ধি: সূচকীয় ও লজিস্টিক রেখা
জীববিজ্ঞান
প্রাকৃতিক নির্বাচন: পেপার্ড মথ ও কালিঝুলি মাখা গাছ
জীববিজ্ঞান
রোগপ্রতিরোধ: প্রাথমিক ও গৌণ অ্যান্টিবডি সাড়া
জীববিজ্ঞান
পরাগায়ন ও নিষেক
গণিত
পিথাগোরাসের উপপাদ্য
গণিত
ত্রিকোণমিতিক অনুপাত ও একক বৃত্ত
গণিত
দ্বিঘাত সমীকরণ ও দ্বিঘাত ফাংশনের লেখচিত্র
গণিত
বৃত্ত সংক্রান্ত উপপাদ্য
গণিত
দূরত্ব ও উচ্চতা: উন্নতি কোণ ও অবনতি কোণ
গণিত
সম্ভাবনা: পরীক্ষালব্ধ বনাম তাত্ত্বিক সম্ভাবনা
গণিত
সমান্তর ও গুণোত্তর ধারা
গণিত
গড়, মধ্যক ও প্রচুরক
গণিত
সেট ও ভেনচিত্র
গণিত
সরল সহসমীকরণ ও সরলরেখার লেখচিত্র
গণিত
sin, cos, tan-এর লেখচিত্র
গণিত
পূর্ণবর্গ পদ্ধতি ও দ্বিঘাত সমীকরণের সমাধান
গণিত
বৃত্তের ক্ষেত্রফল: সূত্র, প্রমাণ ও সমাধান
গণিত
ঘনবস্তুর আয়তন ও তলের ক্ষেত্রফল: ঘনক, আয়তঘন, বেলন, কোণক, গোলক
গণিত
সদৃশ ত্রিভুজ: স্কেল ফ্যাক্টর, AA, SSS, SAS শর্ত ও ছায়া থেকে উচ্চতা
গণিত
স্থানাঙ্ক জ্যামিতি: দূরত্ব, মধ্যবিন্দু, ঢাল, বিভক্তিকরণ সূত্র ও সঞ্চারপথ
গণিত
শাঙ্কব ছেদ: বৃত্ত, উপবৃত্ত, পরাবৃত্ত ও অধিবৃত্ত
গণিত
ফাংশনের রূপান্তর: সরানো, টানা ও উল্টানো
গণিত
অন্তরীকরণ: স্পর্শকের ঢাল ও ছেদক থেকে স্পর্শক
গণিত
রিম্যান যোগফল ও সমাকলন: বক্ররেখার নিচের ক্ষেত্রফল
গণিত
সীমা ও ε–δ সংজ্ঞা: ছবিতে বোঝা
গণিত
ত্রিমাত্রিক ভেক্টর: যোগ, ডট গুণ ও ক্রস গুণ
গণিত
ম্যাট্রিক্স রূপান্তর: ঘূর্ণন, প্রতিফলন, শিয়ার ও নির্ণায়ক
গণিত
জটিল সংখ্যা: আরগান্ড সমতলে যোগ, গুণ, ঘাত ও মূল
গণিত






















